এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৭

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ জুন ২০২৪ | ৭৫ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৭

    রমেন আহেলিকে নিয়ে আগেই ফিরে এসেছিল। কাজকর্ম মিটে যাওয়ার পর নয়নরা ফিরল। অফিসে জয়েন করার পরেই নয়নকে জানান হল যে, দিল্লিতে যেতে হবে। কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রকের দিল্লির অফিসে কিছু দরকারি কাজ আছে। কাজের ব্যাপারে অফিসে নয়ন খুব সুনাম অর্জন করেছে। বাইরে কোন অ্যাসাইনমেন্ট থাকলে অধিকাংশ সময় নয়নকেই যেতে হয়। দিল্লিতে চার দিনের মত কাজ আছে। বঙ্গ ভবনে ঘর বুক করা থাকবে। বাড়ি এসে খবরটা জানাতে নন্দিতা বলল — আমিও যাব। আমি কোনদিন দিল্লি যাইনি।

    -- অফিসের কাজে যাচ্ছি, তুমি যাবে কি!

    -- ঐ তো বললে, বঙ্গ ভবনে ঘর বুক করা থাকবে। আমি ওখানেই থাকব।

    -- কি মুশকিল, আমার ত সারাদিন অফিসের কাজে কেটে যাবে। তুমি করবেটা কি।

    -- তুমি কাজ থেকে ফেরার পর আমরা ঘুরতে বেরব।

    -- এ ত আচ্ছা ঝামেলায় পড়লাম। বাবা তুমি একটু বোঝাও না।

    -- মেয়েটা এত করে বলছে, নিয়ে যা না বাবা। কাজের ফাঁক ফোকরে একটু ঘুরিয়ে দিস।

    -- তুমিও ওর তালে তাল দিচ্ছ। তুমি খুব ভাল করেই যান যে, অফিসের কাজে কোথাও গেলে, ফ্যামিলি নিয়ে যাওয়া চলে না।

    -- বসের সাথে একবার কথা বলেই দেখ না।

    মৌখিক আবেদনের পর নন্দিতা রাতে বিছানায় শারীরিক ভাবেও আবেদন জানাল।

    অনেক কিন্তু কিন্তু করে অফিসে গিয়ে সামন্ত স্যারকে সমস্যার কথা জানাল। উনি একটুও না ভেবে বললেন-নতুন বৌ, আহ্লাদ করে যেতে চাইছে, নিয়ে যাও। একদিন বেশী থেকে যতটা পার ঘুরিয়ে দিও। আমি সেই মত টিকিট করিয়ে দিচ্ছি। তবে বৌ এর সমস্ত খরচ কিন্তু তোমায় দিতে হবে। ওটা অফিস দেবে না।

    বাড়িতে এসে বলতে নন্দিতার আনন্দ আর ধরে না। সঙ্গে সঙ্গে গোছগাছ করতে শুরু করে দিল।

    দিল্লিতে কাজ সেরে একদিন নয় বেড়াবার জন্য দুদিন সময় পেয়েছিল। নয়নও আগে দিল্লি আসেনি। একটা ট্যুর কোম্পানির সাথে কথা বলে দুদিনে যতটা সম্ভব ঘুরে নিল। ছবিও অনেক তোলা হল। তবে এবারে আর কোন হামির ছবি ওঠেনি। হঠাৎ করে অপরিকল্পিত একটা বেড়ানর সুযোগ পেয়ে নন্দিতা খুব খুশি। ফেরার দিন হোটেলের ঘরে নয়নের গলা জড়িয়ে বলেছিল — আমাকে আনতে চাইছিলে না, আমি না এলে এত আনন্দ কোথায় পেতে!

    বাড়িতে ঢোকার কিছু পরে আহেলি নয়নকে বলল — কাল তোর বাবার শরীর খারাপ হয়েছিল।

    নয়ন উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করল — কি হয়েছিল?

    আহেলি উত্তর দেওয়ার আগেই রমেন বলল — এতটা জার্নি করে ওরা সবে বাড়ি ঢুকল, এখনই না জানালে চলছিল না। তেমন কিছু নয় রে। কাল বাজার করে ফেরার পর মাথাটা একটু ঘুরছিল। ডাক্তার দেখিয়েছি, কয়েকটা টেস্ট করাতে বলেছে। কয়েকটা ওষুধ দিয়েছিল, খাওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে। মনে হয় গ্যাস থেকে হয়েছে, ডাক্তারেরও তাই অনুমান।

    পরে আলাদা ভাবে মায়ের কাছ থেকে নয়ন ঘটনাটা শুনল।

    -- তোর বাবা যা বলল আসল ঘটনা তার থেকে অনেকটাই বেশী। বাজার নিয়ে বাড়িতে ঢোকার পর মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে যায়। দু তিন মিনিট কোন জ্ঞান ছিল না। চোখে মুখে জল দিতে অনেকটা স্বাভাবিক হয়। ভাগ্য ভাল বাড়িতে ঢোকার পর শরীর খারাপ হয়েছে, রাস্তায় হলে তো আর দেখতে হত না। রজতকে ডেকে পাঠালাম, ও ডাক্তার নিয়ে এল। তারপর ওষুধ খেয়ে এখন ঠিক আছে। টেস্টগুলো আজ করাতে হবে।

    -- ঠিক আছে ওসব নিয়ে তোমায় চিন্তা করতে হবে না। আমি আজকেই সব করিয়ে নিচ্ছি। একবার গৌতমের সাথে পরামর্শ করতে হবে।

    টেস্টের রিপোর্ট পাওয়ার পর দেখা গেল শুধুমাত্র গ্যাস অম্বলের কেস নয়, সমস্যা আরো আছে। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে জানালেন মাইল্ড সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়েছে। নতুন ওষুধ দিলেন, জীবনযাত্রায় অনেক বিধিনিষেধ আরোপ করলেন। গৌতম পরের সপ্তাহে কোলকাতায় একজন নামী নিউরোলজিস্টকে দেখাবার ব্যবস্থা করে দিল।

    শরীরের থেকেও শারীরিক কারণে আরোপিত বিধিনিষেধের জন্য রমেন খুব মুষড়ে পড়ল। সবথেকে বিনোদনের কাজ ছিল বাজার করা, সেটাও বন্ধ হয়ে গেছে।

    দুঃখ করে নন্দিতাকে বলল — তোর বর আর মা মিলে আমাকে একেবারে গৃহবন্দী করে দিল। একদিন একটু কি হল, তার জন্য দিল সব বন্ধ করে।

    নন্দিতা রমেনের মাথায় হাত বুলিয়ে আশ্বাস দিয়ে বলল — কটা দিন শুয়ে বসে থাক। একটু শরীরটা ভাল হয়ে যাক, আবার আস্তে আস্তে সব করবে। দরকার হলে আমি তোমার সাথে বাজারে যাব।

    বাজার দোকান সব নয়নই করে। সেদিন ছিল রবিবার। রাতের দীর্ঘ সংগ্রামে পরিশ্রান্ত যুগল বেলা পর্যন্ত অঘোরে ঘুমচ্ছিল।

    -- আর কত ঘুমোবি? জলখাবার হয়ে গেছে, মুখ হাত ধুয়ে খেয়ে নে।

    মায়ের ডাকে নয়নের ঘুম ভাঙল। উঠে দেখে নটা বেজে গেছে। নন্দিতাকে ঠেলে তুলে বলল, “ঘড়ির দিকে একবার তাকিয়ে দেখ।” নন্দিতা খুব লজ্জা পেয়ে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে বাইরে এল। নয়ন বাইরে এসে জিজ্ঞেস করল, “মা, বাবা এখনো ওঠেনি?”

    -- না, রাতে ভাল ঘুম হয় না, এপাশ ওপাশ করে। দেখলাম গভীরভাবে ঘুমচ্ছে, তাই আর ডাকিনি। জলখাবার রেডি, এইবার গিয়ে ডাকছি। আর শোন, খেয়ে তুই বাজারে যা। আমাদের জন্য যা মাছ আনিস আনবি, বাবার জন্য একটু চারা মাছ নিয়ে আসবি। তোরা খেতে শুরু কর, আমি ওকে ডেকে নিয়ে আসছি।

    নন্দিতা বলল — আমি বাবা এলে একসাথেই বসব।

    আহেলি ঘরে গিয়ে দেখে রমেন পাশ ফিরে শুয়ে রয়েছে।

    -- কিগো, অনেক বেলা হল, এবার ওঠ। ঊঠে কিছু খাও, তারপর ওষুধ খেতে হবে।

    ডাকে কোন সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে গায়ে ঠ্যালা দিল। তাতেও কোন সাড়া না আসায় আহেলি ভয় পেয়ে নয়নকে ডাকল।

    নয়ন দৌড়ে এসে বাবাকে অনেক ডাকাডাকি করল, কিন্তু ওপাশ থেকে কোন সাড়া নেই। নয়ন হাউ হাউ করে কাঁদতে শুরু করল। নন্দিতাও ডাকাডাকি করে বুঝতে পারল যে বাবা আর নেই। বুক ফেটে যাচ্ছে, তবু নিজেকে যথাসম্ভব সামলে বাড়ির পরিচিত ডাক্তারকে ফোন করে ডাকল। ডাক্তারবাবু রমেনের বন্ধু স্থানীয়। খবর পেতেই ছুটে এলেন। রমেনকে পরীক্ষা করার পর চুপ করে চেয়েরে বসে রইলেন।

    নয়ন উদগ্রীব হয়ে জিজ্ঞেস করল- কাকু বাবার কি হয়েছে?

    -- রমেন আর নেই। আগেরটা মাইল্ড হয়েছিল, এবার ঘুমের মধ্যেই ম্যাসিভ অ্যাটাক হয়ে গেছে।

    ডেথ সার্টিফিকেট লিখে দিয়ে চলে যাওয়ার আগে বললেন- কোন দরকার হলে আমাকে ডেক। আহেলি আর নয়ন পাগলের মত কান্নাকাটি করছে। রমেনের দেহ ধরে আছাড়ি পিছাড়ি খাচ্ছে। নন্দিতা দুজনকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ বসে রইল। বুঝতে পারল, যত কষ্টই হোক, ভেঙে পড়লে চলবে না। যা কিছু করার ওকেই করতে হবে। প্রথমে রজতকে ফোন করে সংবাদটা জানাল। এরপর একে একে দুই মামা আর পিসিকে ফোন করল। তারপর ফোন করল শিলিগুড়ির বাড়িতে। রজত আর নেহা সঙ্গে সঙ্গেই চলে এল। একটু বাদে ওর মা বাবাও এল। রজত বেরিয়ে গিয়ে ওর বন্ধু বান্ধবদের খবরটা জানিয়ে শ্মশান যাত্রার যোগাড় যন্তর করতে শুরু করল। নয়ন পপুলার ছেলে, অল্প সময়ের মধ্যেই বাড়িতে ভিড় জমে গেল।

    এতটা সময় শান্তভাবে সব দিক সামলালেও, রজতকে নিয়ে যাওয়ার সময় নন্দিতা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। বুকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাগলের মত কাঁদতে শুরু করল। পরদিন সকালে অসিত আর নীলিমা এসে পৌঁছল। ঐ দুঃসময়ে নয়নের বন্ধুরা। বিশেষ করে রজত ছায়ার মত নয়নদের সঙ্গ দিয়েছে। রজত তো নিজের বাড়ি, অফিস, সব ভুলে সারাক্ষণ পাশে থেকেছে। কোন কিছুর জন্য বাড়ির কাউকে একটুও ভাবতে হয়নি।

    পারলৌকিক কাজকর্ম মিটে যাওয়ার পর অসিত আর নীলিমা ফিরে গেল। অন্য আত্মীয়রাও একে একে যে যার ঘরে ফিরে গেল। এতদিন বাড়ি ভর্তি লোক থাকায় রমেনের চলে যাওয়ার বেদনা ছিল, কিন্তু অভাববোধ অতটা প্রকট হয়নি। অতিথি বিহীন ফাঁকা বাড়িটায় সর্বত্রই যেন রমেনের অভাব অনুভূত হচ্ছে।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন