এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৩

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ জুন ২০২৪ | ৭৮ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৩

    লোকজনকে খাইয়ে নিজেদের খেতে বসতে একটু রাত হয়ে গেল। পরিবারের লোক আর কয়েকজন বন্ধু একসাথে খেতে বসল। নয়ন নন্দিতা আর ওদের দুজনের মা এক টেবিলে বসেছিল। সবকিছু ভালমত মিটে যাওয়ায় সকলেই খুব খুশি। নয়নের অফিসের কুণাল বাদে সকলেই এসেছিল। কুণাল যে আসবে না তা নয়ন জানত। কুণালের কাছে পাওয়া অপমানের কয়েক গুণ, চাকরি পাওয়ার পর নানা সময় নানাভাবে হিউমিলিয়েট করে, ওকে ফেরত দিয়েছে। এত হিউমিলিয়েশনের পর না আসাটাই স্বাভাবিক। এমন একটা শুভ দিনে নয়ন ও নিয়ে আর ভাবতে চাইল না। স্থানীয় লোকজনও প্রায় সকলেই এসেছিল। দূরের নিমন্ত্রিত কিছু আসেনি। সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ ছিল। কিন্তু কপাল ভাল, বৃষ্টি হয়নি। খাওয়া দাওয়া মিটে গেলে নয়ন বাকি কাজকর্মের তদারকির জন্য একটু অপেক্ষা করছিল।

    রজত জিজ্ঞেস করল — দাঁড়িয়ে রয়েছিস কেন?

    -- তোলা পাড়া গুলো করছে, ওইজন্য একটু অপেক্ষা করছি।

    -- আমরা তো রয়েছি। তুই থেকে কি করবি? এখানে আর তোর কোন কাজ নেই, এখন কাজ তোর ঘরে। সময় নষ্ট না করে, ঘরে গিয়ে ছিটিকিনি তুলে আসল কাজে লেগে পর।

    বন্ধুরা নয়নকে প্রায় জোর করেই ঘরে পাঠিয়ে দিল। নন্দিতার পাশে নেহা আর ঝিমলি বসে গল্প করছিল। নয়ন আসতে দুজনে ‘বেস্ট অফ লাক’ বলে মুচকি হেসে উঠে গেল। যাওয়ার সময় নেহা কানে কানে বলে গেল — বৌদিকে সব টিপস দিয়ে গেলাম, কোন অসুবিধে হবে না।

    নয়ন কপট রাগ দেখিয়ে বলল — খুব সাহস হয়েছে?

    এদিক ওদিক দেখে নিয়ে নয়ন ঘরের দরজা বন্ধ করল। খাটটা বড় সুন্দর সাজিয়েছে, মনে হচ্ছে যেন ফুলের মশারি টাঙান হয়েছে। নন্দিতা খাটের একধারে বসে রয়েছে, মুখে মেখে আছে একটা মিষ্টি হাসি। বড় সুন্দর লাগছে ওকে। ফুল, পারফিউম, সবে মিলে এক মাতাল করা গন্ধ। ঘরে নীল রঙের ডিম আলো জ্বলছে। তৈরি হয়েছে এক স্বপ্নিল পরিবেশ। এই রাতের মাহাত্মই আলাদা। স্বামী-স্ত্রীর নিবিড়ভাবে কাছে আসা। ভাললাগার তরঙ্গবাহিত হয়ে নয়ন ধীরে ধীরে এগিয়ে নন্দিতার পাশে গিয়ে বসল। নন্দিতা কাছে সরে এল।

    নন্দিতার একটা হাত নিজের হাতের মধ্যে নিয়ে বলল
    -- তুমি কি জান, ভারতের অনেক জায়গায় এই রাতে বউ স্বামীকে জাফরান মেশান দুধ খেতে দেয়।

    -- তাই নাকি, কেন?

    -- জাফরান মেশান এই দুধে থাকে উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন যা শরীরের সেক্স হরমনগুলোকে চাঙ্গা করে। প্রথম রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলনের ইচ্ছা বাড়াতেই এমন রীতি চলে আসছে।

    -- এত জান যখন, আগে বলতেই পারতে। নিয়ে এসে ঘরে রেখে দিতাম।

    বাইরে বৃষ্টি নেমেছে, ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। পরিবেশ আরো মোহময় হয়ে উঠল। নয়ন নন্দিতার কপালে চুমু খেয়ে বলল — সেই বিকেল থেকে পরে আছ, এবার মুকুট, গয়না, এগুলো খুলে ফেল। ভাল লাগবে।

    -- শুধু এগুলোই, আর কিছু খুলতে হবে না?

    -- শরীর তোমার, বসন তোমার, কি খুলবে, কতটা খুলবে, সেটা তোমার ওপরেই ছেড়ে দিলাম।

    নয়নের বুকে মুখ গুঁজে নন্দিতা বলল — হাবু, একটু জোর করতে পার না?

    বাইরে তুমুল বৃষ্টি নেমেছে। এই চরম রোমান্টিক পরিবেশে নিজেকে সংযত রাখা সম্ভব নয়। পারস্পরিক আদরের প্রাবল্যে দুজনেই তখন দিশাহারা। নতুন পাওয়ার আনন্দে বিমোহিত দুটি তরুণ তরুণী অনুসন্ধান করে চলেছে পরস্পরের শরীরের অনাঘ্রাত অংশগুলি। শারীরিক দেনা পাওনার মধ্য দিয়ে একসময় তারা পৌঁছে গেল প্রাপ্তির চরম মুহূর্তে।

    সকালে চোখ খুলে নয়ন দেখে আটটা বেজে গেছে। নন্দিতা তখনো তাকে আঁকড়ে ধরে অঘোরে ঘুমোচ্ছে। নির্ভরতা আর সমর্পণের বড় মনমোহিনি ছবি। আদর করে ডাকতে, চোখ খুলে একটু উঁ আঁ করে আবার নয়নকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে চোখ বন্ধ করল। রাতের খেলাধুলার রেশ তখনো কাটেনি।

    একটু বাদে দরজায় টোকা পড়ল। আহেলি চা নিয়ে এসেছে। নন্দিতা ধড়মড় করে উঠে পড়ে জামাকাপড় বগলে নিয়ে দৌড় লাগাল বাথরুমের দিকে।

    দুষ্টুমির চিহ্নগুলো যথা সম্ভব নিশ্চিহ্ন করে এক এক করে দুজনে বাইরে এল। উদ্দাম প্রেম পর্বের দু একটা চিহ্ন নয়নের গায়ে আর জামা কাপড়ে থেকে গিয়েছিল। ঘরের বাইরে আসার পর ঐ নিয়ে শুরু হল নানারকম রঙ্গ রসিকতা। লজ্জা লজ্জা মুখে নন্দিতা একটু বেলায় একবার ঠাকুমার কাছে গেল। ঠাকুমার সাথে নন্দিতার অনেক মনের প্রাণের কথা হয়।

    ঠাকুমা গাল টিপে বলল — কি দিদিভাই, কেমন কাটল? আমার নাতজামাই চলবে তো?

    ঘরে তখন আর কেউ ছিল না। নন্দিতা ঠাম্মির কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বলল- তোমার নির্বাচন, না চলে পারে। একদম এক নম্বর।

    দিনটা সকলেরই খুব আনন্দে কাটল। নন্দিতার একটু বেশি ভাল কাটল। কেটেছে এক চরম পরিতৃপ্তির রাত। সন্ধান পেয়েছে আদম ইভের আপেলের। এ ছাড়া এই আনন্দের ক্ষণে একই জায়গায় পেয়েছে জীবনের সবকটা ভালবাসার মানুষকে। বাপের বাড়ি আর শ্বশুর বাড়ি, দুই বাড়ির মানুষকে এভাবে আর কোনদিন একসাথে পাবে কিনা জানে না।

    রাতের গাড়িতে সকলে ফিরে যাবে। লোকাল ট্রেনে করেই সবাই শেয়ালদা গেল। নয়নের সাথে নন্দিতাও গেল ওদের ছেড়ে আসতে। ওরা গাড়িতে ওঠার পর নন্দিতার চোখ ভিজে গেল। একটু পরে বাচ্চা মেয়ের মত হাউ হাউ করে কাঁদতে শুরু করল। বাবা, মা, ঠাকুমা, সকলে আদর করে বোঝাবার পরেও কান্না আর থামে না। ওদিকে ওর মা আর ঠাকুমাও কাঁদতে শুরু করেছে। পুরো একটা শোকের বাতাবরণ। একটু পরে গাড়ি ছাড়ল, যতক্ষণ দেখা যায় নন্দিতা হাত নাড়ল। তখনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে চলেছে। নয়ন দেখল এভাবে ওকে ট্রেনে করে নিয়ে যাওয়া মুশকিল, নানাজনে নানা প্রশ্ন করবে। স্টেশনের বাইরে এসে ট্যাক্সি ধরল। রাতে বলেছিল — আমি বুঝতে পারছি, বাড়ির লোকেদের জন্য তোমার খুব মন খারাপ হচ্ছে। আমরা তো ক’দিন বাদেই অষ্টমঙ্গলায় তোমাদের বাড়ি যাব, ঐ সময় টানা কিছুদিন তুমি থেকে এস। পরে একসময় আমি গিয়ে তোমায় নিয়ে আসব।

    -- আমি তোমাকে ছেড়ে থাকতে পারবো না। তোমার সাথেই ফিরে আসব।

    -- আবার তো আসার সময় কান্নাকাটি করবে।

    -- তোমাদের তো আর বাড়ি, ঘর, আপনজন, সবকিছু ছেড়ে আসতে হয়না তো, তাই বুঝতে পারবে না।

    শ্বশুর শাশুড়ির অপত্য স্নেহে আর নয়নের ভালবাসায় ধীরে ধীরে ফেলে আসার কষ্ট ম্লান হতে থাকল। বিয়ের মাস দুয়েক বাদে ওরা হানিমুনে রওনা হল। নয়নের আর একটু আগেই যাওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু বিয়ে আর অষ্টমঙ্গলা মিলিয়ে বেশ কিছুদিন ছুটি নিতে হয়েছে, তাই পরপর ছুটি পেতে সমস্যা হত। ওদের হানিমুনের বিভিন্ন জায়গায় বুকিং পুরোটাই রমেন করে দিয়েছে।

    বিয়ের ঠিক পরপরই একদিন নন্দিতাকে জিজ্ঞেস করেছিল-- বৌমা, হানিমুনে কোথায় যেতে চাও?

    -- কি জানি বাবা, ওতো এখনো কিছু বলেনি।

    -- ওর কথা ছাড়। আমি তোমার ইচ্ছের কথা জিজ্ঞেস করছি। তোমার কোথায় যাওয়ার ইচ্ছে।

    -- আমি আর কি বলব বাবা। ছোটবেলা থেকে যা ঘুরেছি সবই শিলিগুড়ির আশেপাশে। দার্জিলিং, কালিংপং, মিরিক, ডুয়ারস, এই সব জায়গা। এ ছাড়া আর কখন কোথাও যাইনি।

    -- কেরালা যাবে? খুব সুন্দর জায়গা।

    নন্দিতা সেই প্রথম প্লেনে উঠল। তিরুবন্তপুরম অব্দি ডাইরেক্ট প্লেন ছিল না। কোলকাতা থেকে একটা প্লেনে করে গেল বেঙ্গালুরু, ওখান থেকে অন্য একটা প্লেনে তিরুবন্তপুরম। নন্দিতার জানলার ধারে সিট ছিল। প্লেনটা টেক অফ করার সময় একটু ভয় পেয়ে নয়নের হাতটা চেপে ধরেছিল। তারপর আর কোন সমস্যা হয়নি। বড় মজা পেয়েছিল আকাশের মেঘকে পায়ের নিচে দেখতে পেয়ে। তিরুবন্তপুরম এয়ারপোর্টে প্লেনটা নামার আগে নন্দিতা নয়নের হাত ধরে টেনে জানলার সামনে এনে দেখাল — কি সুন্দর দেখতে লাগছে তাই না।

    নয়ন কেরালায় আগেও এসেছে, যদিও ট্রেনে এসেছে। প্লেনে সেই প্রথমবার আসছে, তাই ওপর থেকে পাখির পর্যবেক্ষণ তারও সেই প্রথম। মুগ্ধ হয়ে দেখতে দেখতে বলল -- নিচে ওটা আরব সাগর। কাতার কাতারে যে গাছের সারী দেখছ, ওগুলো হচ্ছে নারকেল গাছ। এয়ার পোর্টের কাছেই সমুদ্র। হোটেলে যাওয়ার সময় খুব কাছ থেকে দেখতে পাবে।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন