এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ২১ 

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১১ মে ২০২৪ | ৯৪ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ২১

    নয়ন আর রজতের পার্ট ওয়ান পরীক্ষা শেষ হয়েছে। সামনে কিছুদিন অখণ্ড অবসর। এই সময়ের দিনচর্চায় পড়াশুনার কোন জায়গা নেই। হাঁড়ি পুকুরের আড্ডায় ত্ততদিনে দুজনে স্থায়ী সদস্যের স্বীকৃতি পেয়ে গেছে। দিনের অনেকটা সময় ওখানেই কাটে। পরীক্ষা শেষ হবার পর নয়ন কয়েকদিন পিসির বাড়িতে গিয়ে ছিল। অনেকদিন পরে গেল, তাই নিয়ে পিসিমার অনেক অভিমান, অভিযোগ, নয়নকে সামলাতে হয়েছে। নাকতলা থেকে একদিন পিসিমা আর নেহাকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাটে মায়ের মন্দিরে গিয়েছিল। সামনে পরীক্ষার রেজাল্ট, অনেকটাই ভয়ে আর কিছুটা ভক্তিতে পুজো দিতে গিয়েছিল।

    ফেরার পথে নেহা জিজ্ঞেস করল—মায়ের কাছি কি চাইলে দাদা?

    -- শিরে সংক্রান্তি। পার্ট ওয়ানটা ঠিকঠাক ভাবে পার করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলাম। তুই কি চাইলি? অনেকক্ষণ তো চোখ বুজে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করছিলিস।

    -- আমার চাওয়ার ফর্দ বেশ বড়। তার মধ্যে দু একটা বেশিজরুরি, তালিকার একেবারে ওপরদিকে আছে।

    -- জরুরি ডিম্যান্ডগুলো কি জানা যাবে?

    -- একটা তোরই মত। হায়ার সেকেন্ডারিররেজাল্টটা যেন একটু পাতে দেওয়ার মত হয়। আরো অনেক আছে, সব বলা যাবে না।

    -- পিসি, তুমি কি চাইলে?

    -- আমি আর কি চাইব? তোদের সকলের মঙ্গল কামনা করলাম।

    ঘুরে-বেড়িয়ে, মজা করে, কয়েকটা দিন পিসির বাড়িতে নয়নের ভালই কাটল। ফেরার সময় নেহা নয়নের সাথে রহড়াতে চলে এল। নেহা রহড়াতে আসে, তবে এত ঘনঘন আসে না। হায়ার সেকেন্ডারি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর গত মাসে বেশ কয়েকদিন নয়নদের বাড়িতে ছিল। এবারে আসার আগে নেহার মা জিজ্ঞেস করেছিল-এই তো গত মাসে অতদিন থেকে এলি, আবার যাচ্ছিস?

    নেহার হয়ে নয়ন উত্তর দিয়েছিল—ঘরে বসে বসে বোর হয়ে যাচ্ছে। যেতে ইচ্ছে হয়েছে, চলুক না।

    রজত আর নয়ন একে অপরের বাড়িতে যাতায়াত করে। কিন্তু তা কিছু না কিছু প্রয়োজনে। নিছক আড্ডা মারতে নয়। আড্ডা মারার জন্য তো হাঁড়ি পুকুরের চাতাল রয়েছে। অমন বাক স্বাধীনতা তো আর বাড়িতে পাবে না। ইদানীং নয়নের বাড়িতে রজতের আসা যাওয়া বেশ বেড়েছে, তার অনেকটাই তেমন কোন কারণ ছাড়া। অল্প দিনের মধ্যেই নয়ন নেহার রহড়াতে ঘন ঘন আসার আসল কারণ কিছুটা আন্দাজ করতে পারল। অনুসন্ধানী চোখ দিয়ে এটা বুঝতে পারল যে নেহা শুধুমাত্র বাড়িতে বোর হয়ে যাচ্ছে বলে রহড়াতে আসেনি। রজতও কারণ ছাড়া নয়নদের বাড়িতে এত ঘন ঘন আসে না। উভয়ের কাছে উভয়ই হচ্ছে কারণ। একদিন ফাঁকা পেয়ে নয়ন তার অনুমান সত্য কি না নেহার কাছে জানতে চাইল। নেহা দাদার কাছে খূব ফ্র্যাঙ্ক। অকপটে জানাল যে রজতকে ওর ভাল লাগে। রজতেরও যে ওর প্রতি একটা আকর্ষণ আছে সেটা হাবেভাবে বুঝতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র দেখার মধ্যেই ব্যাপারটা তখনো আটকে আছে, বলা বা শোনাতে এগোয়নি।

    -- প্লিজ দাদা, কেসটা একটু দেখ। আমার ইচ্ছেটাতো জানলি, তোর বন্ধুর অ্যাকসেপ্টেন্সটা এনে দে।

    -- ভাব গতিক দেখে যতটুকু বুঝেছি, রজত পা বাড়িয়েই আছে। তোদের প্রেম করার ইচ্ছে আছে অথচ তা যথাস্থানে প্রকাশ করার মুরোদ নেই। এবার মনে হচ্ছে পিসির বাড়িতে আমার যাওয়া বন্ধ করে ছাড়বি।

    -- আমার বাড়িতে আমার থেকে তোর ডিম্যান্ড বেশী। আর কটা দিন এখানে আছি, তার মধ্যে মিটার অন করে দে।

    -- ফাজিল মেয়ে কোথাকার।

    নয়ন সেই দিনই রজতকে মজা করে বলেছিল—তুই আজকাল বড্ড বেশি আমাদের বাড়িতে যাচ্ছিস, কি ব্যাপার বল তো?

    -- তোর বাড়িতে যাব, তাতে আবার কারণ লাগে নাকি?

    -- আগে তো কখনো এত ঘন ঘন যেতে দেখিনি।

    -- ঠিক আছে, বলছিস যখন, আর যাব না।

    -- আমি তো আসতে মানা করিনি, আমি শুধু কারণটা জানতে চাইছি। কারণটা আমি জানি, তোর মুখ থেকে শুনতে চাইছি।

    -- কি বলতে চাইছিস, আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

    -- ‘কিছুই বুঝতে পারছি না’, ন্যাকা। নেহাকে তোর পছন্দ।

    রজত একটু লজ্জা পেয়ে মুখ নামিয়ে বলল- খুব।

    -- তা সেটা মুখ ফুটে ওকে বলতে পারিস না! দু বেলা তো ওর জন্য আমাদের বাড়িতে হাজিরা দিচ্ছিস।

    -- সুযোগ পেলাম কোথায়? বাড়িতে কাকিমা রয়েছে, বলব কিভাবে?

    -- আমার মামাত বোনের জ্বর হয়েছে। মা কাল খাওয়ার পর ওকে দেখতে যাবে, ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে যাবে। এই সময়টুকু কাজে লাগা। আমি বাড়িতে থাকব।

    রজত আনন্দে নয়নকে জড়িয়ে ধরল। বাড়ি এসে খবরটা জানাতে নেহাও খুশি হয়ে দাদাকে জড়িয়ে ধরল।

    রজত আসার পর নয়ন দুজনকে সামনা সামনি বসিয়ে, মজা মস্করার মাধ্যমে উভয়ের জড়তা কাটিয়ে, লাভ এর খেলায় “স্টার্ট, লাভ অল’ করে বেরিয়ে এল। বেরিয়ে আসার আগে বলেছিল—শুরু করে দিয়ে গেলাম, আর আমায় ডাকবে না। এবার নিজেরা নিজেদের মত করে এগোও। এ খেলায় কিন্তু কোন রেফারি থাকে না। আর একটা কথা, এমন কিছু করিস না যাতে তোরাও বিপদে পড়িস আর আমিও বিপদে পড়ি।

    উভয় পক্ষই উদগ্রীব, ফলে প্রোপোজ করার কোন ব্যাপার ছিল না। ভূমিকা ছেড়ে সরাসরি প্রথম অধ্যায়ে প্রবেশ করল।

    ফাঁকা বাড়িতে অফুরন্ত সুযোগ থাকলেও ওরা খুব একটা সক্রিয়তা দেখায়নি। কেবল চলে আসার আগে রজত নেহার গালে আলতো করে একটা চুমু খেয়েছিল। প্রতিদানের মুহূর্তেই কলিং বেল বেজে উঠল। কাকিমা নয়, কাকাবাবু নির্দিষ্ট সময়ের অনেক আগেই অফিস থেকে ফিরে এসেছেন। এতএব সেদিনের মত পালা সাঙ্গ হল।

    প্রেমে গতি এসে যাওয়ার পর নেহা বা জয়ন্তর নয়নের বাড়িটাকে আর প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়নি। হায়ার সেকেন্ডারি পাশ করার পর নেহা ভর্তি হল বাড়ির কাছে গড়িয়ার দিনবন্ধু অ্যানড্রুজ কলেজে। বাড়ির কাছে হলেও জয়ন্তর ব্যারাকপুর রাস্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে বেশ অনেকটাই দূরে। দূরে হলেও, নতুন ভাললাগার তীব্র টানে ওরা প্রায়ই কাছে এসেছে। তার জন্য প্রায়ই ফাঁকি দিয়েছে কলেজের ক্লাস।

    এই সময় হাঁড়ি পুকুরের আড্ডায় ঘটল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সেই বয়সে নেমন্তন্ন পেলে খুব আনন্দ হত। আর বরযাত্রী হয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলে তো কথাই নেই। শোভনের দাদা অজয়দার বিয়ে। শোভন নয়নের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। শোভনের কোটায় নয়ন আর গালুর ওর দাদার বিয়েতে বরযাত্রীর লিস্টে নাম উঠল। গঙ্গার ওপারে উত্তরপাড়ায় বিয়ে। খুব মজা করে হৈ হুল্লোড় করতে করতে যাওয়া হল। গালু খুব জমাটি ছেলে, কিন্তু সেদিন একটু চুপচাপ ছিল।

    নয়ন জিজ্ঞেস করল—কিরে, অমন ম্যাদা মেরে বসে আছিস কেন?

    -- শরীরটা তেমন যুত নেই। একটু জ্বর জ্বর মত লাগছে।

    -- শরীর খারাপ যখন, না এলেই পারতিস।

    -- কতদিন বাদে বরযাত্রীর নেমন্তন্ন পেলাম, ছাড়তে ইচ্ছে করল না। এখন মনে হচ্ছে না এলেই হত।

    গালু সারা রাস্তা একদম চুপচাপ ছিল। খাওয়া দাওয়াও করতে চাইছিল না। সকলে অনেক বলতে সামান্য একটু খেল। বন্ধুর শরীর খারাপ বলে নয়নও এনজয় করতে পারল না। গালু ভাল ক্রিকেট খেলত। রহড়া সঙ্ঘ ক্লাবের একজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান ছিল। চেহারাটা অবশ্য খুব একটা পোক্ত ছিল না। রোগা আর ছ ফুটের মত লম্বা ছিল। ফিরতে ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেল। নয়ন গালুকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে এল। আসার সময় গালুকে দেখে নয়নের আগের থেকে একটু বেটার মনে হল।

    তখন ভোর পাঁচটা, নয়নের বাড়িতে কলিং বেল বাজল। এত সকালে ওঠার অভ্যাস নেই, বেশ বিরক্ত হয়ে নয়ন দরজা খুলল। সামনে বাসু দাঁড়িয়ে।

    -- কিরে এত সকালে তুই?

    -- গালুদা আর নেই।

    -- কি যা তা বলছিস তুই? সামান্য একটু জ্বর হয়েছিল। আমি যখন ওকে বাড়িতে ছেড়ে দিয়ে এলাম তখন তো আমি খারাপ কিছু দেখিনি।

    -- এই আধ ঘন্টা আগে চলে গেল। তুমি এখনি এস।

    খবরটা শুনে নয়ন কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকার পর গালুদের বাড়ি গেল। শুয়ে আছে ছেলেটা, চেহারায় কোন কষ্টের ছাপ নেই। একে পপুলার ছেলে তার ওপর কম বয়স, গ্রাম ভেঙে পড়েছিল গালুদের বাড়িতে। নয়নের জীবনে সেই প্রথম বড় শোক।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন