এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৩৮

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ মে ২০২৪ | ৭২ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৩৮

    হাঁড়ি পুকুরের ধারে তখন প্রচুর লোক। খবর পেয়ে  থানা থেকে পুলিশ এসেছে। এমন  ভয়ানক ঘটনা এই চত্বরে কখন ঘটেনি। পুকুরে এক তরুণীর দেহ ভাসছে। নেপালি ধরণের মুখের গড়ন।  পুলিশ এসে পুকুরের চারধারে তল্লাশি করে একটা পেন আর একটা রুমাল পেয়েছে। এমনই কপাল, সেগুলো পাওয়া গেছে, নয়নরা যেখানে বসে আড্ডা মারে সেইখানে। মানে পুকুর ঘাটের চাতালের ঠিক নিচে। দেহ তখনো জলে ভাসছে।  নানাজনে নানারকম সম্ভাবনার  কথা বলছে, নিজেদের মধ্যে চাপা গলায় আলোচনা করছে। কনস্টেবল পেন আর রুমালটা সেজবাবুর হাতে দিয়ে বলল—এটা একটা ক্লু স্যার।

    সেজবাবু একটা প্যাকেটের মধ্যে ও দুটোকে রেখে বললেন—হতে পারে, তবে না হওয়ার সম্ভাবনাটাই বেশি। ঘাটে সারাদিন কত লোক নামা ওঠা করছে, তাদের কারো পকেট থেকেও পড়তে পারে। চলুন আশপাশের লোকজনদের সাথে একটু কথাবার্তা বলে দেখা যাক, যদি কোন সূত্র  পাওয়া যায়। একটা রোগা লম্বা মত ছেলে পাশেই দাঁড়িয়েছিল। এদিক ওদিক একটু দেখে নিয়ে সেজ বাবুর কানে কানে বলল—স্যার বেশি ঘোরার দরকার নেই। যেখানে ঐ রুমাল আর পেন পাওয়া গেছে, সেখানে কিছু বাজে ছেলে রোজ আড্ডা মারে। রাত প্রায় সাড়ে বারটা পর্যন্ত ছেলেগুলো এখানে গুলতানি করে। ওদের তুলে আনান স্যার, সব খবর বেরিয়ে আসবে।
     
    নিজেদের আড্ডার জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেছে কানে যেতে, ব্যাপারটা নিজের চোখে দেখার জন্য, ঝন্টু সাত সকালে পুকুর ধারে চলে এসেছিল। ওখানে জড় হওয়া আর পাঁচটা লোকের মত ঝন্টুও পুকুরের ধারে দাঁড়িয়ে দেখছিল।

    রোগা লম্বা ছেলেটা  ইশারায় ঝন্টুকে দেখিয়ে খুব আস্তে সেজবাবুকে বলল—ওই যো একটা দাঁড়িয়ে রয়েছে।   ওটাকে ধরলেই অন্যগুলোকেও পেয়ে যাবেন। 

    ঝন্টুকে দেখিয়ে দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে ছেলেটি ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেল।  সেজবাবু ঝন্টুকে ধরে  আনার জন্য কনস্টেবলকে নির্দেশ দিলেন। ঝন্টু কিছু বোঝার আগেই কনস্টেবল ওকে ধরে হিড়হিড় করে টানতে টানতে সেজবাবুর কাছে নিয়ে এল। এত অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ আসামীকে ধরে ফেলেছে, এতো বিরাট ব্যাপার। ভিড় অন্যদিক থেকে ঝন্টুদের চারপাশে জড় হল। কাউকে কাউকে বলতে শোনা গেল, “পুলিশ চাইলে সব পারে। রাতের মার্ডার, সকালেই আসামী ধরা পড়ে গেল।”   ঝন্টুর মত স্বরাজও ঘটনার খবর পেয়ে কৌতূহল মেটাতে হাঁড়ি পুকুরের দিকে আসছিল। রাস্তাতেই লোকের মুখে শুনতে পেল যে, কালপ্রিট ধরা পড়ে গেছে। স্বরাজের উৎসাহ আরো বেড়ে গেল, বেড়ে গেল হাঁটার গতিও। বুড়োদার দোকানের সামনে পৌঁছে দেখে, পুলিশ একজনকে ধরে খুব কড়কাচ্ছে।  লোকের ভিড়ের জন্য দূর থেকে মানুষটাকে ঠিক দেখা যাচ্ছে না। একটু এগোতেই দেখে ঝন্টু।

    সব কথা ঠিক শোনা যাচ্ছে না, তবে এটুকু কানে এল- ভাল চাস তো সত্যি কথা বল, না হলে তুলে নিয়ে গিয়ে এমন ডোজ দেব যে পেটের থেকে  গলগল করে সব বেরিয়ে আসবে।

    স্বরাজ বুঝতে পারল যে, পুলিশ শেষ পর্যন্ত ঝন্টুকে দোষী ঠাউরেছে। স্বরাজ ভয়ে আর সামনে গেল না। ঝন্টুর  বন্ধু জানতে পারলে পুলিশ ওকেও ধরবে। কিন্তু একটা কিছু না করলে তো ঝন্টুটা ফালতু ঝামেলার মধ্যে জড়িয়ে পড়বে। স্বরাজ দৌড়ে নয়নের বাড়ি গেল। নয়ন অফিস বেরোবার জন্য তৈরি হচ্ছিল। নয়ন সকালে বাড়ির বাইরে বেরোয়নি, তাই ঘটনার ব্যাপারে কিছুই জানত না। স্বরাজের কাছে শোনার পর অফিসের জামা কাপড় পরে বেরিয়ে এল।

    শিবুদা ওই সময় বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। ততক্ষণে বডি পুকুর থেকে তুলে মর্গে নিয়ে গেছে। ঝন্টুকে পুলিশ ধরেছে দেখে শিবুদা দাঁড়িয়ে পড়লেন। শিবুদাকে সকলেই চেনে। সামনে এগিয়ে গিয়ে পুলিশ অফিসারটিকে জিজ্ঞেস করলেন—কি ব্যাপার, ওকে ধরেছেন কেন? 

    --মাস্টার মশাই ঘটনা শুনেছেন তো!

    -- তা শুনেছি, কিন্তু তার সাথে ওর কি সম্পর্ক?

    --মাস্টার মশাই, এখানে কিছু বাজে ছেলে রাত বারোটা সাড়ে বারোটা পর্যন্ত আড্ডা মারে। ও তাদের মধ্যে একজন। ঘটনাটা এখানেই ঘটেছে, তাই ধরতে পেরে ওকে ইন্টারোগেট করছি।

    --এ খবর কোথায় পেলেন যে, এখানে কিছু বাজে ছেলে রাত বারোটা পর্যন্ত আড্ডা মারে।

    -- এই তো একটু আগে আপনাদের এখানকারই একটা লম্বামত ছেলে বলে গেল।

    --কেউ একজন কিছু বলে গেল তার ওপর বেস করে আপনি ওকে ধমকাচ্ছেন! এখানে ছেলেরা আড্ডা মারে এটা একেবারে সঠিক, কিন্তু বারোটা কখনই নয়, খুব বেশী হলে রাত দশটা। আর এখানে বসে যারা গল্প করে তারা প্রত্যেকে ভাল ছেলে। যে আপনাকে খবরটা  দিয়েছে তাকে একবার ডাকুন দিকি। 

    অফিসার এদিক ওদিক দেখে বললেন—ছেলেটাকে দেখতে পাচ্ছি না।

    এর মধ্যে স্বরাজের সাথে নয়ন এসে পৌঁছল। শিবুদা নয়নকে দেখতে পেয়ে উৎসাহিত হয়ে অফিসারকে বললেন—এই যে আমার ছাত্র, নয়ন দে। ডাব্লিউবিসিএস অফিসার। এও এখানে বসে গল্প করে।

    নয়নের পরিচয় পাওয়ার পর অফিসারটি বুঝতে পারলেন, তাঁর পাওয়া তথ্যটি একেবারেই  ভুল। নয়ন অফিসে চলে গেল, পুলিশ থানায় ফিরে গেল, উৎসুক জনতা ঘরে ফিরে গেল। ঝন্টু সে যাত্রা বেঁচে গেল।

    কয়েকটা দিন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার ভয়ে আড্ডাধারীদের অধিকাংশই ঐ চত্বরটা এড়িয়ে চলল। রবিবার সকাল থেকে আবার আড্ডার  স্বাভাবিক গতি ফিরে এল। ওই দিনই আসামীর সন্ধান পাওয়া গেল। না খুনের আসামী নয়, এ হল সেই আসামী যে পুলিশের কাছে চুগলি খেয়েছিল।

    বাজারের বিশু এসে খবরটা দিয়ে গেল। 

    --তোমরা যাকে ‘বাবা দা’ বলে ক্ষেপাও সেই পুলিশকে বলেছে যে, এখানে সব বাজে ছেলেরা রাত বারটা সাড়ে বারোটা পর্যন্ত আড্ডা মারে। আমি নিজের কানে শুনেছি। ঐ তো ইশারায়  ঝন্টুকে দেখিয়ে দিয়েছে। সেদিনই বলতাম, কিন্তু পুলিশের ক্যালানির ভয়ে বলতে পারিনি।

    নিষ্ঠার সঙ্গে গোপন তথ্য সরবরাহ করে, পারিতোষিক হিসাবে পাওয়া সিগারেটটা ফুঁকতে  ফুঁকতে বিশু চলে গেল।

    ঐ রাস্তা দিয়ে প্রায় ওদেরই বয়সী একটা ছেলে মাঝে মাঝে যাতায়াত করত। বয়স যদি সাতাশ হয়, আচরণ বাহাত্তরের মত। হাঁটাচলা, কথা বলা, সব  একেবারে বাবা জ্যাঠার মত। তাই  জন্যাই ঐ বিচিত্র নামকরণ, ‘বাবা দা’।       

    সামনে দিয়ে গেলেই কেউ না কেউ ‘বাবা দা’ বলে হাঁক পাড়ত। কটমট  করে তাকাতে তাকাতে ছেলেটা চলে যেত। অনেক দিনের পোষা রাগ একেবারে মোক্ষম সময়ে পুলিশের কাছে উগরে শোধ তুলেছিল।

    একমাত্র ভুক্তভোগী ঝন্টু বলল—শালাকে আমি আমার পাড়ায় তুলে নিয়ে গিয়ে, ফেলে কেলাব। 

    নয়ন বলল—মারধোরে যাওয়ার দরকার নেই। আমি একটা বুদ্ধি দিচ্ছি।

    ঝন্টু নিজের সিদ্ধান্তে অটল রইল— আমায় ওর জন্য পুলিশ কড়কেছে, আমি শালাকে কেলাবই।  

    স্বরাজ বলল—নয়ন কি বলতে চায় সেটা আগে শোন না। 

    নয়ন বলল—ছেলেটা মনে হয় রামকৃষ্ণ পল্লীর দিকে কোথাও থাকে। বাড়ি খুঁজে বার করাটা খুব একটা সমস্যার কিছু নয়। দু এক দিনের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে দিয়ে ওর কানে পৌঁছে দিতে হবে যে, সেদিন মিথ্যে ইনফরমেশন দেওয়ার জন্য পুলিশ ওকে খুঁজছে। খুঁজে বার করার  জন্য পুলিশ আমাদের সাহায্য চেয়েছে। আর আমরা তো বটেই, অন্য লোকজনও ওর ওপর ক্ষেপে আছে। যে কোন সময় মারধোর খেতে পারে। এটুকু যদি ঠিকঠাক মত ওর কানে পৌঁছন যায়, তাহলেই কাজ হবে। ঝন্টু, তোকে কেলাবার জন্য ওর কাছে যেতে হবে না। আমার যদি অনুমান ঠিক হয়, ও নিজেই এখানে আসবে। তবে মুখে যা ইচ্ছে বল, কিন্তু গায়ে হাত তুলিস  না।

    দূতেরা নিপুণভাবে বার্তাটি ‘বাবা দা’র কানে পৌঁছে দিল। নয়নের অনুমান নির্ভুল ছিল।  পুলিশের মার আর ছেলে ছোকরাদের কাছে মার, এই জোড়া মারের ভয়ে, নয়নদের পরিচিত একজনকে সঙ্গে নিয়ে,  পরের রবিবার সন্ধেবেলা ‘বাবা দা’ আড্ডাস্থলে এল।  কেঊ কিছু বলার আগেই, নিজ কৃতকর্মের জন্য  করজোড়ে সকলের  কাছে  ক্ষমা চাইল। বেশ কিছু কুকথা ‘বাবা দা’কে শুনতে হল। কিছুক্ষণ আস্ফালনের পর,  বিচারকমণ্ডলী, যার মধ্যে ঝন্টুও ছিল, ‘বাবা দা’র  আবেদন মঞ্জুর করল। ভাগ্যিস নয়ন  তখন উপস্থিত ছিল, না হলে চিত্রনাট্য অন্যরকম হতে পারত।

    যাওয়ার আগে ‘বাবা দা’ অতি বিনয়ের সঙ্গে বলল—আমাকে প্লিজ আপনারা ঐ নামে ডাকবেন না, আমার খুব খারাপ লাগে। আমার নাম ধৃতিমান সরকার।  

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন