এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৪৮

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ জুন ২০২৪ | ১২২ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গপর্ব ৪৮

    নয়ন চলে আসার পরে ও বাড়িতে ওই ছিল ওদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। নাতনীর জন্য ঠাকুমার এই কালেকশনে অসিত আর নীলিমা দুজনেই খুব খুশি। ছেলের যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে ঠাকুমা কাজ অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিল। শুধু তাই নয়, নাতনীরও যে ছেলেটিকে খুবই পছন্দ হয়েছে সেটাও জানা হয়ে গিয়েছিল। এবার প্রয়োজন ছেলের বাড়ির সম্মতির। ছেলের বাড়ির সাথে কথা বলার আগে নীলিমা মেয়েকে একান্তে জিজ্ঞেস করল — নয়নকে তোর পছন্দ তো?

    নন্দিতা মুচকি হেসে বলেছিল — খুব।

    -- বাবা, খুব! আমরা তাহলে ওদের বাড়ির সাথে যোগাযোগ করি?

    -- সেটা তোমাদের ব্যাপার, আমি কি বলব!

    -- আর একটা কথা। আমার মনে হয়েছে তাই জিজ্ঞেস করছি, নয়ন কি আগ্রহী?

    -- যতদূর বুঝেছি, হ্যাঁ।

    -- তাহলে অসুবিধে নেই, ওদের বাড়ির সাথে কথা বলা যেতেই পারে। আমি মা তো, তোদের ব্যাপারটা কিছুটা আন্দাজ করেছিলাম।

    অসিত নীলিমাকে তাড়াহুড়ো করতে বারণ করল।

    -- ছেলেটা সবে এখান থেকে গেছে, এখনই ওর মা বাবার সাথে বিয়ের ব্যাপারে কথা বলাটা ঠিক হবে না। ওরা ব্যাপারটা ভালভাবে নাও নিতে পারে। নয়নের সাথে যোগাযোগ রেখ। সেই সূত্রে ওর মা বাবার সাথে কথা বোলো, কিন্তু বিয়ের প্রসঙ্গটা এখনই তুলো না। পরে কোন সময় এই বিষয়ে আলোচনা করা যাবে।

    নয়নের পৌছান সংবাদ পাওয়ার দু একদিন বাদে নীলিমা ওদের বাড়িতে ফোন করেছিল। ফোন কেউ ধরেনি, বেজে বেজে কেটা গেল। নীলিমা একটু চিন্তায় পড়ে গেল। বাড়ি ফিরে ছেলেটার কি মতিগতি পাল্টে গেল! পরের দিন অসিতকে দিয়ে ফোন করাল। সেই একই, বেজে বেজে কেটে গেল। পরপর দুদিন বাড়িতে কেঊ ফোন ধরল না। নিশ্চই ফোনে কলার’স আইডেন্টিটি লাগান আছে, ওদের নম্বর দেখলে ধরছে না। নীলিমা দার্শনিকের মত বলল—মানুষকে বোঝা খুব কঠিন। এখানে ক’দিন অত হাসি ঠাট্টা করে গেল আর বাড়ি ফিরে আমাদের বেমালুম ভুলে গেল। ফোনটা পর্যন্ত ধরছে না।

    নন্দিতাও কিছুটা আশ্চর্য হচ্ছিল, এমন তো হওয়ার কথা নয়। নন্দিতার কাছে নয়নের অফিসের নম্বর ছিল। পরের দিন এগারোটার সময় নয়নের অফিসে ফোন করল। ওপাশে নয়নের গলা—কে বলছেন?

    -- এর মধ্যে গলা ভুলে গেলে?

    নম্বরটা দেওয়ার সময় নয়ন নন্দিতাকে সতর্ক করে দিয়েছিল, প্রেম ভালবাসার কথা অফিসের ফোনে যেন কখনো না বলে। কেলেঙ্কারি হয়ে যাবে। ফোন টেলিফোন অপারেটার মারফৎ ওর টেবিলে আসে।

    -- ও নন্দিতা, সরি বুঝতে পারিনি। বল তোমরা সব কেমন আছ?

    -- বাড়িতে ফোন ধরছ না কেন? পরশু দিন মা করল, কাল বাবা করল, দুদিনই ফোন বেজে বেজে কেটে গেল। মা তো খুব চিন্তায় পড়ে গেছে। তোমার কি শরীর খারাপ? গলাটা কেমন ধরা ধরা লাগছে।

    -- আমার ছোড়দাদু মারা গেছেন। আমার বড় কাছের মানুষ ছিলেন। আমরা কয়েকদিন বাগবাজারে মামার বাড়িতে রয়েছি। বাড়িতে কেউ নেই। কয়েকদিন বাদে ফোন কোর।

    -- এক্সট্রিমলি সরি। ঠিক আছে আর বিরক্ত করব না, কাজ কর। তোমরা বাড়িতে এস, তারপর ফোন করব।

    -- তোমরা সবাই ভাল আছ তো?

    -- আছি, তবে মাঝের চারদিনের মত অতটা ভাল নয়। টাটা ছাড়ছি, পরে কথা হবে।

    ছোড়দাদুর কাজকর্ম মিটে যাওয়ার পর নয়ন মাকে নিয়ে রহড়ায় ফিরে এল। সেদিন নয়ন আর অফিস যায়নি। ক’দিন দাদুর ব্যাপারে ব্যস্ত থাকায় শিলিগুড়ি নিয়ে মা বাবার সাথে কোন কথা হয়নি। এইসব ব্যাপারে আলোচনা করার মত মানসিক অবস্থাও ছিল না। রমেন অফিসে গেছে, বাড়িতে কেবল আহেলি আর নয়ন। রান্না সারা হলে আহেলি নিজের আর ছেলের জন্য দুকাপ চা নিয়ে ঘরে এল।

    -- শিলিগুড়িতে কেমন কাটল, বললি নাতো হাবু। হোটেল কি অফিস থেকে ঠিক করে দিয়েছিল, না তুই গিয়ে ঠিক করলি।

    -- আমি তো হোটেলে উঠিনি।

    -- তাহলে কোথায় ছিলিস?

    -- একজনদের বাড়িতে।

    -- তোর কেউ চেনা লোক?

    -- একেবারেই অচেনা।

    -- সেকিরে, অচেনা লোকের বাড়িতে চারদিন থেকে এলি?

    -- ঠাকুমা এমন জোরাজুরি করল যে না করতে পারলাম না।

    -- কার ঠাকুমা?

    -- আমার নয়। আমার হলে তো সে তোমার শাশুড়ি হত।

    -- ছ্যাবলামো না করে এই ঠাকুমাটা কে বল, আর কোথা থেকে ওনাকে যোগাড় করলি।

    -- আমি যোগাড় করিনি, ঠাকুমাই আমাকে যোগাড় করেছেন। কাজকর্ম তো হয়ে গেছে, এবার আমার পাশে চুপটি করে একটু বস। ঠাকুমাটি কে, কার ঠাকুমা, কোথায় পেলাম, সব বলছি।

    চার দিনের সমস্ত ঘটনা নয়ন বিস্তারিতভাবে মাকে বলল। নন্দিতার সাথে একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠার কথাও মাকে জানাল।

    -- তোর কোন মেয়েকে পছন্দ হয়ে থাকলে আমাদের আপত্তির কিছু নেই। তোর পছন্দই আমাদের পছন্দ। হাবু আমার একটাই ভয়, এই মেয়েটা তোর আবেগ নিয়ে খেলা করছে নাতো! ঈজার মত এও তোকে ডিচ করবে নাতো! তারপর তুই কষ্ট পাবি। বড় ভয় লাগে বাবা।

    -- মা সেই গ্যারান্টি আমি কি করে দিই! ঈজার সাথে মেলামেশার পর আমার তো কখনো মনে হয়নি যে ঐ মেয়ে ঐ ধরনের আচরণ করতে পারে। নন্দিতাকে দেখেও সন্দেহ করার মত কিছু প্রশ্ন আমার মনে আসেনি। বাকিটা ভবিষ্যৎ বলবে। তবে বাড়ির সব লোকজনই খুব ভাল। আমাকে খুব যত্ন করেছে।

    -- তোর বাবা বাড়ি ফিরলে, ওদের সাথে একবার কথা বলতে বলি। দেখি ওরা কি বলে।

    -- কয়েকদিন অপেক্ষা কর। ওরা দু একদিনের মধ্যেই ফোন করবে। আমরা যখন এখানে ছিলাম না তখন দুবার ফোন করেছিল।

    -- তুই জানলি কি করে?

    -- নন্দিতা আমার অফিসে ফোন করেছিল।

    -- ঠিক আছে কয়েকদিন দেখি, তারপরেই না হয় ফোন করব।

    মা ছেলের গল্পের মাঝেই টেলিফোন বেজে উঠল। আহেলি টেলিফোনের দিকে যেতে যেতে বলল—তোর বাবার ফোন, আজ নিশ্চই বাড়ি ফিরতে দেরি হবে।

    ওদিকের কথা শোনার আগেই আহেলি বলল—আজকেও বাড়ি ফিরতে দেরি হবে?

    অপর দিকে মেয়ের গলা শুনে চমকে গিয়ে বলল—সরি আপনাকে নয়। আপনি কাকে চাইছেন?

    -- আমি নীলিমা বলছি।

    -- আমি ঠিক চিনতে পারলাম না।

    -- আপনি কি নয়নের মা? নয়ন শিলিগুড়িতে আমাদের বাড়িতে ছিল। বড় ভাল ছেলে।

    -- এইমাত্র ওর কাছে আপনাদের কথা সব শুনলাম। আপনাদের খুব প্রশংসা করছিল। আমার ছেলেকে অনেক আদর যত্ন করেছেন। একটা অজানা পরের ছেলেকে কেউ এত করেনা। কি বলে যে ধন্যবাদ জানাব।

    -- আমরা এমন কিছুই করিনি, করেছে আপনাদের ছেলে। এই চারদিন আনন্দে সকলকে মাতিয়ে রেখেছিল।

    কিছুক্ষণ কথা চলার পর আহেলি বলল — নয়ন আজ বাড়িতে আছে, কথা বলবেন?

    -- দিন।

    নয়নকে ফোন দিয়ে, খানিকটা ওকে প্রাইভেসি দেওয়ার জন্য আর অনেকটা দিবানিদ্রার জন্য, আহেলি নিজের ঘরে চলে গেল।

    দু একটা মামুলি কথার পর ও প্রান্তে লোক বদল হয়ে গেল।

    -- আজ অফিস যাওনি?

    -- গেলে কি আর আমায় বাড়িতে পেতে?

    -- খালি ইয়ার্কি। আমি জানতে চাইছি কামাই করলে কেন?

    -- অফিসে বড় সাহেবও এইভাবে আমার কাছে কৈফিয়ত তলব করে না।

    -- এটা কৈফিয়ত তলব করা হল। ঠিক আছে, আমার সাথে আর কথা বলতে হবে না, আমি মাকে দিচ্ছি।

    -- আহা চটছ কেন? আজ মাকে নিয়ে আমি বাগবাজার থেকে বাড়ি এলাম, তাই ডুব মেরে দিলাম।

    -- সে কথা তো প্রথমেই বললে হয়। তোমার মত একটা পাজি ছেলের কি করে হাবু নাম হল আমার মাথায় আসে না। ছোটবেলায় হাবাগোবা ছিলে কিনা জানি না, কিন্তু এখন তো একেবারে পাজির পা ঝাড়া। নামটা কে রেখেছিল, কাকু না কাকিমা?

    -- একটু অপেক্ষা কর, আমি মাকে জিজ্ঞেস করছি। স্কুলে, কলেজে, পাড়ায়, অফিসে, আমার কত সুনাম জান! আর তুমি কিনা আমায় পাজি ছেলে বললে।

    -- সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র, তার ওপর একটা নিরীহ প্রলেপ আছে। ওতেই সকলে মজে যায়।

    -- এবার একটা কাজের কথা শোন। আমি একটু আগে মাকে তোমাদের ওখানকার সব কথা বলেছি। আমাদের সম্পর্কের কথাটাও বলেছি। সামনের রবিবার সকাল দশটা নাগাদ কাকু বা কাকিমাকে বোল আমাদের এখানে ফোন করতে। দু একদিন ফোনে আলাপ পরিচয় হয়ে গেলে আমাদের প্রসঙ্গটা যেন তোলে। মা কে বলেছি। মা আজকেই হয়ত বাবাকে বলবে। ফলে কোন সমস্যা হবে না।

    -- ঠিক আছে বলে দেব। তোমার জন্য খুব মন কেমন করছে।

    -- রোজ রোজ তো আর শিলিগুড়িতে অফিসের কাজ পড়বে না। ঐ জন্যই তো পাকাপাকি ভাবে এখানে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। তবে মন খারাপ তোমার পরেও করবে। এখন আমার জন্য করছে, তখন বাড়ির লোকেদের জন্য করবে।

    -- ঠিকই বলেছ, ঠাকুর মেয়েদের জন্যই সব কষ্ট সাজিয়ে রেখেছেন।

    -- এবার ছাড়ছি, টাটা।

    ওদিক থেকে একটা চুমুর শব্দ ভেসে এল।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন