এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   শিক্ষা

  • ধন্য রাজ্যের ধন্য শিক্ষাক্ষেত্র

    দীপ
    আলোচনা | শিক্ষা | ০৩ জুন ২০২৬ | ৩৭৩ বার পঠিত
  • জনৈক অধ্যাপকের আলোচনায় কলেজের হালচাল।
    আগ্রহী হলে পড়তে পারেন।
     
    একটি মেরুদণ্ডহীন সমাজের এটাই প্রাপ্য।
    ----------------------------------------------------------------------
     
    ক্লাসে কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় পড়াচ্ছি। দরজা ঈষৎ ভেজানো। কোনও একটা মুহূর্তে যথারীতি বলেছি : ‘জাপপুষ্পকে ঝরে ফুলঝুরি, জ্বলে হ্যাঙ্কাও/কমরেড, আজ বজ্রে কঠিন বন্ধুতা চাও’—পঙক্তিদ্বয় উচ্চারণের প্রায় সঙ্গেসঙ্গেই দরজায় টোকা; দরজায় দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কয়েকজন কর্মী। ওদের মধ্যে একজন আমার প্রত্যক্ষ ছাত্র, থার্ড ইয়ার, মিনমিন করে বলেছিল : ‘স্যার, ওসব কমরেড-ফমরেড বলবেন না।’ তার পাশে দাঁড়িয়ে তৎকালীন এবং হয়তো, কে জানে, আজকের-তারিখেও-বর্তমান এক ছাত্রনেতা। পুরোনো কোনও-কোনও স্যার-ম্যাডামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ছেলেটি কোন সাবজেক্টের স্টুডেন্ট? কেউই কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।
     
    আমার সেই থার্ড ইয়ারের ছাত্রের মুখে ওই কথা শুনে বলেছিলাম : ‘সিলেবাসে যা থাকবে, তাই তো পড়াব। তার চেয়ে বরং এক কাজ কর, তোদের সরকার, শিক্ষামন্ত্রী তোদের, বলেকয়ে সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে দে।’
     
    এবার সেই সুদর্শন, জীবনানন্দীয় সুদর্শন, ছাত্রনেতা মুখ খোলে : ‘আপসে সলা নেহি মাঙ্গে। যো বোলা গ্যায়া, ওহি করনা পড়েগা।’
     
    কথোপকথন এরপরও চলেছিল, যেখানে একটা সময় আমি নিছকই মজা করে বলেছিলাম : ‘শিক্ষামন্ত্রীর নাটক বা মুখ্যমন্ত্রীর কবিতা সিলেবাসে থাকলে তাই পড়াতাম!’ বুঝিনি, এটা সিরিয়াসলি নিয়ে নিতে পারে কেউ। যদিও তারপর থেকে যখনই-যা ঘেরাও হত, অন্যান্য পার্টটাইম বা গেস্ট ফ্যাকাল্টিদের ছেড়ে দেওয়া হলেও আমায় আটকে থাকতে হত।
     
    কলেজ স্ট্রিটের সেই কলেজে ঢুকলেই ইউনিয়ন রুম। কোন টিচার কখন বেরোয়, কখন ঢোকে—সেই ছাত্রনেতার অনুগামীরা পুঙ্খানুপুঙ্খ নজর রাখত। পরপর দুটো পিরিয়ড অফ থাকলে আমি খেতে যেতাম : পকেটে পয়সা থাকলে রমানাথ মজুমদার স্ট্রিটে মহল, নতুবা ইউনিভার্সিটিতে রাখালদার ক্যান্টিন। উল্লেখ থাক, তখনও ইউনিভার্সিটির ইউনিয়ন রুমের দখল নিতে টিএমসিপি-র আরও কয়েক মাস দেরি; শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হয়ে সেজে উঠতে, দেয়ালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি প্লাস্টারসমেত সেঁটে দিতে তারও বেশি। পরে যে-ঘরে জুতো খুলে ঢোকার রেওয়াজ চালু ছিল বেশ কয়েক বছর।
     
    ক্যান্টিনহীন সেই কলেজ থেকে একদিন এমনই খেতে বেরোচ্ছি, ইউনিয়ন রুম থেকে একটি মেয়ে বেরিয়ে এসে বলে, দাদা ডাকছে। মেয়েটিকে বলেছিলাম, ছাত্রদের ইউনিয়ন রুমে এইভাবে কোনও শিক্ষকের যাওয়াটা উচিত নয়; তোমার দাদার প্রয়োজন হলে সে এসে কথা বলতে পারে, অথবা টিচার্সরুমে দেখা করতে পারে।
     
    কলেজ স্ট্রিটের পারিপার্শ্বিক থেকে উপর্যুপরি জল-হাওয়া-সার পেয়ে এর কী ফল ফলেছিল এপ্রিলের দশ তারিখে, তা একা আমার কেন, আপনাদেরও অনেকের জানা।
     
    সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ঘটনা দেখার পর থেকে ক্রমাগত মনে হচ্ছে, আশেপাশের ইউনিয়ন রুমগুলোর চাকচিক্য কবে দেখতে পাব? অনেকে অনেক কথা বলছেন, কেউ বলছেন টাকাগুলোর কথা ভুলে গিয়েছিল সরাতে; আমার যদিও তা মনে হয় না। কসবা ল কলেজের ঘটনার পর হাইকোর্ট যখন ছাত্র সংসদ নির্বাচন না-হওয়া পর্যন্ত ইউনিয়ন রুমগুলো বন্ধের নিদান দেন, অনেকেই ভেবে নিয়েছিল—পুলিশ তো তাদের, ইউনিয়ন রুম খোলা থাকল না বন্ধ, কী যায়-আসে! আপনাদের মনে পড়বে, সেই সময় এসএফআই জমায়েত করে, ডেপুটেশন দিয়ে বহু কলেজের ইউনিয়ন রুমে তালা ঝুলিয়েছিল। এই পুরো প্রক্রিয়াটিই ছিল টিএমসিপি-র ভাবনার বাইরে, ফলে তল্পিতল্পা-লটবহর যা ছিল, সব রেখেই উদ্বাস্তু হতে হয়েছিল তাদের। বহুকিছুই, ফলত, রয়ে গেছে যেমন-কে-তেমন।
     
    প্যান্ডোরা, আর কী আছে তোমার পেটিকায়?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ধোরবা | ০৩ জুন ২০২৬ ১৫:১৩747651
  • তুই কি নির্লজজ জানোয়ার রে। সেই কপি করে এনে ডাম্প করেই যাবি রে শুকরশাবক। নিজের লেখার মুরদ নেই অন্যের লেখা কপি চুদবি। শ্লা তুই না কুথাকার চিটার? সেখেনে কিছু বীরত্ব ফলিয়েছিস না ন্যাজ গুটিয়ে কেঁউ কঁেউ করে এখেনে এসে অন্যের লেখা চোদাচ্ছিস? এ জাগাটা তোর ডাম্পিং গ্রাউন্ড মনে হয় হারামি?
  • দীপ | ০৩ জুন ২০২৬ ১৫:১৯747652
  • পোষ্যকুত্তা ছুটে এসেছে!
  • ধোরবা | ০৩ জুন ২০২৬ ১৫:৩৪747653
  • আয়নায় নিজের চ্যায়রা দেখে বমি আসে না তোর? সারাজীবন টুকলি করে পাশ করেছিস টুকলি করে চিটার হয়েচিস এখনও টুকলিবাজি ছাড়তে পারছিস না নির্লজ্জ শুয়োর। নিজের ১টা প্যারা লেখার মুরদ নেই ত ডাম্প করতে আসিস কেন কুত্তাচোদ?অন্য কোথাও তোকে কেউ ডাম্প করতে দেয় না?
  • দীপ | ০৫ জুন ২০২৬ ২১:৪৪747655
  • ১৩/০৯/২০১৪
    চৌরঙ্গী বিধানসভার উপনির্বাচন।
    CPI(M) এর ক্যাম্পে সুরেন্দ্রনাথ কলেজের কুখ্যাত কানকাটা দেবুর নেতৃত্বে একদল তৃণমূলের দুষ্কৃতী হামলা চালায়। আমার মেয়ে সেদিন ঐ ক্যাম্পে ছিল। আধমরা করে মেরে রাস্তায় ফেলে চলে যায় কানকাটারা। ৫দিন মেডিকেল কলেজে ভর্তি ছিল। ১২ বছর হয়ে গেছে। সেদিনের সেই মারের জন্য এখনও অনন্যা সোজা হয়ে বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনা।
    এই কান কাটার নেতৃত্বে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছিল।
     
    লিখেছেন যশোধরা বাগচী।
  • দীপ | ০৭ জুন ২০২৬ ১৬:৫৮747668
  • "গডফাদার অফ কর্পোরেট তোলাবাজি"
     
    গতকাল রাতে গ্রেফতার হয়েছে ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।
    এর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে।
    তৃণমূলের সবাই তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হচ্ছে, তাহলে এর কথা আলাদা করে উল্লেখ করছি কেন?
     
    আসলে অন্যান্য কাউন্সিলররা এলাকার ব্যবসায়ী দোকানদার দের কাছ থেকে টাকা তুলতো।
     
    বাপ্পা ব্যাপারটাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছিল।
    ফুটপাথের দোকান থেকে বাজারের সবজিওয়ালা, আপনার বিয়ে-জন্মদিন থেকে বাবার শ্রাদ্ধ, জমি কেনাবেচা থেকে ফ্ল্যাট কেনাবেচা, এমন কি বাড়ির প্লাস্টার চটে গেলে রিপেয়ার করতে হলেও ব্যাপার দলের ছেলেরা এসে চাঁদা তুলে নিয়ে যেত।
     
    না দিলে বা কমপ্লেইন করলে কী হবে সবাই জানে।
    যাই হোক, বাপ্পা বাপ্পা হওয়ার আগে বাপ্পা বিজেপি করতো, তারপর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে ২০১০ সালে তৃণমূলে যোগ,
    ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ গতিতে বাপ্পার উত্থান, এবং ২০১৫ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের রেফারেন্সেই বাপ্পা কাউন্সিলর ভোটে দাঁড়ায় এবং জেতে।
    এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি, বাপ্পা বুঝেছিল দলটা আগাগোড়া করাপ্ট, এবং সরাসরি কালীঘাটে খুঁটি বাঁধতে পারলে যেকোনো এমএলএ এমপির থেকে বেশি ইনকাম করা যাবে।
     
    যেমন ভাবা তেমন কাজ,
    ভোটে জিতেই সবার প্রথম বৈঠক এলাকার প্রোমোটার দের সাথে, এবং মিটিংএর প্রথমেই প্রোমোটার দের একটা খাতা খুলে দেওয়া হয়, এবং বলা হয়, এখানে কাজ করতে হলে আগে খাতায় ২ লাখ করে ফেলো, তারপর কার কত কাজ হচ্ছে সেসব হিসাব হবে।
     
    এর পরের মিটিং হয় এলাকার বখাটে ছেলেদের সাথে, ( পিসির সেই পাড়ার বখাটে ছেলেদের পার্টি করার আহ্বান মনে আছে?, সেটা আসলে এই বাপ্পার মস্তিষ্কপ্রসূত পাইলটপ্রজেক্ট এর ফল)
    বখাটে ছেলে, যাদের বিরুদ্ধে ছোটখাটো থানা পুলিশ এর ঘটনা আছে, রাতে অন্ধকার গলিতে মদের আসর জুয়ার ঠেক বসানোর রেকর্ড আছে, এদের ডেকে যা খুশি করার ছাড় দেওয়া হল; কন্ডিশন একটাই, যেখানে যা ইনকাম হবে তার ভাগ যেন দাদা পায়, তাহলেই থানা পুলিশ দাদা বুঝে নেবে।
     
    ব্যাস শুরু হল লাল চুল কানে দুল তৃণমূল মডেল।
     
    কিছু সেয়ানা লোক অবশ্য এদের ভয় পায়না, সেসব বুঝে দাদা এদের হাতে তুলে দিলেন মেশিন, আর হিন্দি বাংলা সিনেমায় আমরা তো দেখেছি, কোমরে মেশিন থাকলে কথার ওজন বাড়ে, কালেকশনও ভালো হয়।
    এই কালেকশনের জোয়ার পৌঁছে যায় সোজা কালীঘাটে, ব্যাস আর কি, এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি, এরপর ২০২১ সালে যাদবপুরে বিধায়ক হলেন দেবব্রত মজুমদার মহাশয়, ডাক নাম গ্যারেজ মলয়।
    দাদার একটাই দাবি, এলাকায় ফ্ল্যাট হলে একটা গ্যারেজ ওনার চাই, আর বেশি কিছু লাগবে না।
     
    ব্যাস, পছন্দের এমএলএ পাওয়ায় বাপ্পার গতি বাড়লো,
    বাপ্পার চলাফেরা দেখলে যেকোনো তাবড় এমএলএ এমপি ভোল খেয়ে যাবে, যেখানে এতদিন কলকাতায় কাউন্সিলর মানে পাড়ার দাদা কাকা জ্যাঠা বা কাকিমার মত লোকজন, যাদের কাছে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দিতে সমস্যার কথা বললেও তারা শুনেছেন, এবং সমাধান করে দিয়েছেন।
     
    সেখানে বাপ্পার ধারে কাছে পৌঁছনো দুষ্কর হয়ে গেল,
    তার গাড়ি গেলে সামনে পেছনে ১৫-২০ টা লাল চুলের বাহিনী ঘুরে বেড়ায়, বাপ্পা হেঁটে বেড়ালে সেসব ছেলেপিলে আশেপাশে এমন ভাবে ঘিরে থাকতো যে মানুষ পৌঁছতে পারতো না, কেউ ধারে কাছে গেলে "সরে যান দেখছেন না দাদা আসছে"।
    ব্যাস, তাছাড়া যাদের বিরুদ্ধে কমপ্লেইন, তাদেরকেই যখন সাথে নিয়ে ঘুরছে তাহলে আর লোকজন যাবেই বা কেন?
     
    এভাবে তৈরি হল কর্পোরেট কাউন্সিলর মডেল, এমপি এমএলএদের উপর নিউজ মিডিয়ার চোখ থাকে, কাউন্সিলর এর মাধ্যমে কাজ করা এই লাল চুলের ছেলেরা সেফ, এক আধটা ধরা পড়লে তারা দলের কেউ না বলে দেওয়াটা খুবই সহজ।
    ব্যাস এই মডেল গৃহীত হলে সারা বাংলায়, বাপ্পাকে ২০২১ সালে বানানো হল কাউন্সিলর দের মুখ্য সচেতক, অর্থাৎ কিভাবে তোলাবাজি টাকে কর্পোরেট লেভেলে নিয়ে যেতে হবে তার গাইডেন্স দেবে বাপ্পা।
     
    এবার বুঝলেন? কেন বাপ্পার খবর টা গুরুত্বপূর্ন?
     
    আপনি সারা বাংলার যেখানেই থাকুন, আপনি যদি তৃণমূলের তোলাবাজির শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে জানবেন এর পেছনে অল্প হলেও বাপ্পার অবদান রয়েছে।
     
    ফেসবুক
  • দীপ | ০৮ জুন ২০২৬ ১২:৫৪747675
  • মাননীয়া,আপনার উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখছি আজ,চারদিকে সবাইকে সামনে এসে মুখ খুলতে দেখে আমারও আজ নিজের কথা মনে পড়ছে,সময়টা ২০১৯ এর জানুয়ারি,সদ্য এসএসসির কাউন্সেলিং শেষ হয়ে একটি স্কুলের নিয়োগপত্র পেয়েছি,জীবনের প্রথম চাকরির পরীক্ষাতেই সফল হয়ে নিয়োগপত্র পেয়ে স্বভাবতঃই ভীষণ উত্তেজিত ছিলাম,কপালগুণে আপনার পোষ্যের ঘাঁটি ব'লে পরিচিত জেলার একটি স্কুলেই পোস্টিং পেয়েছিলাম,একটু ভয়ও পেয়েছিলাম,কিন্তু এতটা ভয়াবহ অবস্থা হবে,ভাবিনি,যাই হোক,বাড়ি থেকে যাতায়াত সম্ভব নয় ব'লেই স্কুলের কাছাকাছি থাকার ব্যবস্থা করার কথা ভাবছিলাম,আমি যাবার আগে আমার হাজব্যান্ড একাই একদিন স্কুলে গেছিলো পরিস্থিতি দেখতে,স্কুলের পরিকাঠামো,অন্যান্য অবস্থা সম্পর্কে আর কিছু বললাম না,শুধু স্কুলেরই একজন শিক্ষিকা আমার হাজব্যাণ্ডকে বলেছিলেন,আমরা আর যা ই করি,যেন স্কুলের আশেপাশে থাকার কথা চিন্তাও না করি,আমার হাজব্যান্ড স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা ব'লে নিজের ফোন নাম্বার দিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলো,ওর বাড়ি ফেরার আধঘণ্টার মধ্যে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে ওর নাম্বারে ফোন আসে,সেই মহানুভব ওই স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা জেলার সহ-সভাধিপতি,ফোনের কথা শুরুই হয় এই বলে,"আপনি আমার সঙ্গে কথা না ব'লে ফিরে গেলেন কী ক'রে? আপনার ওয়াইফের চাকরি করার ইচ্ছা আছে,না,নেই? বাইরে থেকে এসে চাকরি ক'রে টাকা নিয়ে চলে যাবেন,তা তো হবে না! আমাদের তো কিছু দিতে হবে,নাকি? শুনুন,অতো চাপ নিয়ে আপনার দরকার নেই,মাইনের ৩০% আমাদের ফাণ্ডে দিয়ে দেবেন,ক্লাস নেবার দরকার নেই,আমাদের ক্যান্ডিডেট ঠিক করাই আছে,তিনবছর সিটটা আটকে রাখুন,তারপর আপনার ওয়াইফকে অন্য জায়গায় কোথাও জয়েন করিয়ে আমাদের ক্যাণ্ডিডেটকে এখানে জয়েন করিয়ে দেবো,এসব কথা ফোনে হয় না,সামনের সপ্তাহে আমাকে ফোন করে চলে আসুন,কথা হবে সামনাসামনি।" এটুকু বলে সে ফোন কেটে দেয়,বলাই বাহুল্য,এই কথাবার্তার‌ পরে আমার বা আমার বাড়ির লোকের আর সাহস হয়নি ওই স্কুলে আর যাবার,নিয়োগপত্রটি যদিও আমার কাছে এখনও রয়ে গেছে আমার মার্কশিট আর সব সার্টিফিকেটের সঙ্গে,ওটা সারাজীবন আমার কাছে এক যন্ত্রণাময় বোঝা হয়ে থেকে যাবে,যেটা না আমি রাখতে পারবো,না ছিঁড়ে ফেলে দিতে পারবো,জীবনের প্রথম চাকরির নিয়োগপত্র একজন মানুষের কাছে ঠিক কী আর কতোখানি,আপনি নিশ্চয়ই বোঝেন না,কারণ,নিজের তো কোনো সরকারি চাকরি পাবার যোগ্যতা আপনার নেই,আপনি একেবারে সরকারের মাথায় বসেছিলেন,যে কাগজটা একজনের কাছে মহামূল্য এক সম্পদ হতে পারতো,আপনার এবং আপনার তাজা নেতাদের সৌজন্যে সেটাই আমার কাছে দুর্বিষহ বোঝাতে পরিণত হয়েছে,পরে যখন দাগী ক্যাণ্ডিডেটদের লিস্ট বেরিয়েছিলো,তখন দেখেছিলাম একটি মেয়ে,সে ই সম্ভবতঃ সেই ক্যাণ্ডিডেট,যার কথা আমার হাজব্যাণ্ডকে বলা হয়েছিলো ফোনে,সেই মেয়েটি ওই স্কুলে জয়েন করেছিলো,আমি যখন দেখেছিলাম আমার চেয়ে অনেক কম নাম্বার পাওয়া ক্যাণ্ডিডেটদের আমার বাড়ি থেকে যাতায়াতের দূরত্বে অবস্থিত স্কুলগুলোতে জয়েন করানো হয়েছে,আমি মেনে নিতে পারিনি,আটবছর ধরে কেস চালিয়ে গেছি, কলকাতার কোনো বড়ো উকিলের দরজায় ঘুরতে বাদ রাখিনি আটবছর ধরে,সকালে বেরিয়ে রাতে ১২টাতে বাড়ি এসেছি,সেই সূত্রেই একজন হনু উকিলের কাছে যাবার দুর্ভাগ্য হয়েছিলো,সে যে আপনার দুলালের হয়ে appear করে,আমাদের জানা ছিলো না,জেনেছিলাম পরে,সেটা অবশ্য আমাদেরই দোষ,সে আমার সব কথা শুনে আমাকে জুতো পালিশ করার পরামর্শ দিয়েছিলো,দেবে না ই বা কেন? আপনি যে তাকে আদর ক'রে একটি বিশাল পদে বসিয়ে রেখেছিলেন,আপনার গদি উল্টোনোর সঙ্গে সঙ্গেই সেও অবশ্য পাল্টি মেরে পদত্যাগ করেছিলো,সেটা অবশ্য স্বতন্ত্র ব্যাপার,এখন আমার কী অবস্থা,জানেন? আমি আর ভয়ে আমার মার্কশিটের ফাইলটাতে হাত দিতে পারি না,যখনই কেউ আমার চোখের সামনে ওটা খোলে,সঙ্গে সঙ্গে আমার কোর্টে দিনের পর দিন বসে থাকা,উকিলদের চেম্বারে চেম্বারে ঘোরা,আপনার সেই মহান পৃষ্ঠপোষক উকিলের সেই পরামর্শ,ফোনের হুমকি,সব একসঙ্গে মনে পড়ে যেতে থাকে,আমি যতদিন বাঁচবো,এই ট্রমা নিয়েই আমাকে বেঁচে থাকতে হবে,ওই কাগজগুলোও আমার সারাজীবনে আর কোনো কাজে লাগবে না,আপনি নেবেন? দিতে পারি,আপনার মতো টাকা নেবো না,বিনামূল্যেই দিয়ে দেবো,আমি এবং আমার মতো আরো অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ,যাদের জীবন আপনি চিরতরে শেষ করে দিলেন,সারাজীবন নতজানু হয়ে ক্ষমাভিক্ষা করলেও আপনার সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত হবে না,আমার বলতে কোনো দ্বিধা নেই,আমি প্রতিমুহূর্তে যে যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচছি,মনেপ্রাণে চাই,আপনি যেন তার সহস্রগুণ যন্ত্রণা ভোগ করেন।
     
    জনৈক শিক্ষিকার স্মৃতিচারণা!
  • দীপ | ০৯ জুন ২০২৬ ১৩:৫৪747677
  • সাল 2014
    কিছু কুকীর্তির সাক্ষী।।
     
    আমার একটি Restaurant ছিলো প্রিন্স আনোয়ার শা রোডে।যোগেশচন্দ্র ল কলেজের কাছে নবীনা সিনেমা হল এবং ভারত লক্ষ্মী স্টুডিওর পাশে।। ছোট্ট জায়গা ছিলো কিন্তু হাইজিন মেনে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে রেস্টুরেন্টটা অনেক স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেছিলাম। নাম দিয়েছিলাম "ক্যামাট ক্যাফে"।
    তখন আমার একদিকে চলছে ব্যাগের কারখানা, লেক মলের পাশে আমার ব্যাগের শোরুম এবং এখানে রেস্টুরেন্ট।
    যখনই যেটা করেছি ভেবেছি,অন্তত কিছু বেকার ছেলে মেয়ের তো কাজ হবে।
    অনেক স্বপ্ন নিয়ে রেস্টুরেন্টটা শুরু করলাম। প্রথমে ছিল পুরোপুরি সাউথ ইন্ডিয়ান ফুডের রেস্টুরেন্ট। তারপরে যোগেশ চন্দ্র ল কলেজের ছেলেমেয়েদের আবদারে হয়ে গেলো ওটা মাল্টিকুইজিন রেস্টুরেন্ট।।
    সারাদিন প্রচন্ড ভিড় থাকতো।। লাইন দিয়ে লোকে দাঁড়িয়ে থাকতো খাওয়ার জন্য। বেস্ট কুক আমি সব বাইরে থেকে এনেছিলাম। স্টুডেন্টরা যেমন আসতেন,আসতেন বড় বড় শিল্পীরা যারা শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন, প্রচুর মানুষ আসতো,যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে যেসব বিদেশি স্টুডেন্টরা পড়াশোনা করতো তারা যেতেন। ।কারণ আমার ওই জায়গাটা খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ওপেন কিচেন ছিল এবং আমি পরিচালনা করতাম চারিদিক খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতাম।। খাবারের মান ছিল খুব উন্নত।
    পিছনেই ছিলো সুরিন্দর ফিল্মসের অফিস।। বড় বড় ডিরেক্টর থেকে প্রোডিউসার,শিল্পীরা অনেকেই আসতেন খেতে।
    কিছু ছেলে প্রতিদিন সন্ধেবেলায় আসতেন।
    কুড়ি-বাইশটা করে রোল নিয়ে যেতেন, প্রতিদিন। স্পেশাল একটা রোল আমার হতো।। সেই সময় সেই রোল টার দাম ছিলো ৫০ টাকা।সেটাই নিতেন।। আমরা খুব অবাক হয়ে যেতাম এত দামি রোল এই ছেলেগুলো প্রতিদিন খায়,কারা এরা??
    এইবার আস্তে আস্তে শুরু হলো তোলাবাজি।। রোজ কিছু না কিছু অজুহাত দেখিয়ে টাকা নেওয়ার বায়না করে কিছু বাইরের ছেলে এসে উৎপাত শুরু করলো।।দুদিন যেতে না যেতে আজ এটার জন্য টাকা লাগবে কাল ওটার জন্য টাকা লাগবে, না হলে এখানে রেস্টুরেন্ট চালাতে দেব না।।
    আমার যেহেতু ব্যাগের কারখানাও দেখতে হতো এবং শোরুমও দেখতে হতো তাই রেস্টুরেন্টে আমি বিকেল বেলা যেতাম।।ক্যাশ কাউন্টারে আমি তখন থাকতাম।।
    রোজ গিয়ে শুনতাম কিছু না কিছু একটা ঝামেলা হয়েছে।। আজ এই ব্যাপারে টাকা চেয়েছে কাল ওই ব্যাপারে টাকা চেয়েছে।। একদিন শুনলাম বলে গেছে তোদের ম্যাডামকে বলবি টাকা রেডি রাখতে না হলে কিন্তু ভেঙে দেবো রেস্টুরেন্ট।।
    পাশে একটি তৃণমূলের ক্লাব ছিল। তাদেরকে গিয়ে বললাম। তারা বলল দাদার কাছে যান।।কে দাদা?? মিস্টার চোর,অরূপ বিশ্বাস।
    পাশে তার অফিস ছিলো, সেখানে গিয়ে একটি অ্যাপ্লিকেশন আমরা জমা দিয়ে আসলাম। দাদার ছেলেরা এসে দেখা করলো। দেখলাম সেই ছেলেগুলো, যে ছেলেগুলো রোজ রোল নিয়ে যেতো।।আমাকে বলল আপনাকে দাদা দেখা করতে বলেছেন। স্বভাবতই আমি গেলাম না।।দাদা একদিন সদলবলে আমার রেস্টুরেন্টে আসলেন দেখলেন চলে গেলেন।।
    এরপরে বেড়ে গেলো অত্যাচারের মাত্রা আরো বেশি।। আমার এবসেন্সে প্রতিদিন আমার ম্যানেজারের কাছে এসে টাকা চাইতে শুরু করল। যারা টাকা চাইতে আসতো সেই ছেলেগুলোকে কিন্তু কেউ চিনত না।
    আবার এপ্লিকেশন পাঠালাম অরূপ বিশ্বাসের অফিসে,এইবার একটি ছেলে এসে আমার সঙ্গে একা কথা বলে গেলো। । বললো যদি এখানে রেস্টুরেন্ট চালাতে চান তাহলে রাত ন'টার পরে আপনি একা গিয়ে দাদার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে আসবেন।। বললাম আমি আমার হাজব্যান্ড কে নিয়ে কালকেই যাবো।।
    পরের দিন গেলাম আমরা দুজনে, উনি দেখা করলেন না।। দুদিন পরে হলো আবার বড় ঝামেলা অনেক ক্ষতি আমার রেস্টুরেন্টের করে দিয়ে গেলো।।
     
    যখনই এরকম ঝামেলা হচ্ছে আমরা থানায় যাচ্ছি,থানা থেকে বলছে ওখানে পাশেই দাদার অফিস আছে, সেখানে গিয়ে সমঝোতা করে নিন। আমরা গিয়ে কিছু করতে পারবো না।। একদিন থানার অফিসার আসলেন পেট ভরে খেলেন বললেন খুব ভালো খাবার কিন্তু আপনি কতদিন এখানে রেস্টুরেন্ট চালাতে পারবেন জানিনা।।।।
    চিন্তায় ভাবনায় পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম কি করে এই রেস্টুরেন্ট কে আমি সামলাবো এই অবস্থায় একদিন আবার কয়েকটি ছেলে এসে আমাকে বলে গেলো রেস্টুরেন্টটা আপনার নামে কাজেই আপনি আগামীকাল একা রাত ন'টার পরে দাদার সঙ্গে গিয়ে দেখা করবেন, কাউকে নিয়ে গেলে দাদা কিন্তু কথা বলবে না। দাদা আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন।। আপনি আগামীকাল গিয়ে দাদার সঙ্গে দেখা না করলে কোন ঝামেলা হলে দাদা কিছু করতে পারবে না।। দাদা অফিসে থাকবেন আপনার জন্য।।
    আরো বললো দাদার সঙ্গে দেখা না করলে এইখানে কিন্তু আপনি রেস্টুরেন্ট চালাতে পারবেন না, এরকম ঝামেলা হতেই থাকবে বাইরের ছেলেরা এসে ঝামেলা করবে দাদা আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না।।
    আমি গেলাম না এর ফলে কি হলো??আমার রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর শুরু হল প্রতিদিন কিছু না কিছু ঝামেলা করে রেস্টুরেন্টকে ভাঙ্গা শুরু হলো। কুকদের মারধর করা শুরু হল।। রাতে রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে যখন আমরা বেরিয়ে যেতাম তখন এসে কুক দের মারধর শুরু করলো।।
    অনেক টাকা খরচা করে রেস্টুরেন্টটা বানিয়েছিলাম যদিও ভাড়ায় নিয়েছিলাম কিন্তু খুব সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে অনেক টাকা খরচ করেছিলাম।।
    বন্ধ করে দিলাম রেস্টুরেন্ট তবু এই বদমাশ লোকটার সঙ্গে দেখা আমি করিনি, কোনো সমঝোতায় আমি যাইনি।
    এরপর বলব আর এক বদমাশের কথা। । এতদিন কেন বলিনি?? সেটা তো তোমরা জানো,বোঝো।
    #facebookpost
    #viralpost
    #massagetherapist
    #realstory
    #truestory
  • দীপ | ১১ জুন ২০২৬ ১৪:৫১747682
  • গোবর ও সব‍্যসাচী!!!

    এই কয়েকদিন আগের কথা। আমি ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ কভার করে রাজস্থান থেকে ফিরেছি। ফুরফুরে মেজাজ। যোগ‍্য শিক্ষকরা চাকরি বাতিলের বিরুদ্ধে বিকাশ ভবনের দুটো গেট আটকে বিক্ষোভ করছে। আমি শান্ত মাথায় আমার কাজ করছি। সব‍্যসাচী দত্তের গাড়ি আসছে দেখে কিছু মাস্টারমশাই কাঁদতে কাঁদতে সেই গাড়ির সামনে বসে পড়েন।

    আমি ও আমার ক‍্যামেরা বন্ধু আমাদের কাজ করি। ১৫ মিনিট আটকে থাকার পর সব‍্যসাচী বাবুর মাথা গরম হল। সঙ্গে সঙ্গে কিছু গুণ্ডা হেলমেট হাতে মারতে শুরু করল শিক্ষকদের। আমি বুম নিয়ে প্রশ্ন করলাম মারছেন কেন? পুলিশও সব দেখছে, কেউ কিচ্ছু বলছে না।

    এমন সময় এক গুণ্ডার মারে আমার ক‍্যামেরা বন্ধুর মুখ দিয়ে রক্ত বেরল। ওই গুণ্ডাকে ঠেলে সরিয়ে দিতে গিয়ে দেখি সব‍্যসাচী দত্তর একেবারে ডান হাতে যে দাঁড়িয়েছিল সে মারতে আসছে। চশমাটা ভাঙল আমার। পাশ থেকে একজন বলল, “বাইরে বের, জানে মেরে দেব।”

    এসব শোনার অভ্যাস ততদিনে অনেক হয়েছে। সব‍্যসাচীকে প্রশ্ন করলাম। বলেছিলেন, ‘কে মেরেছে জানিনা, এদের সরাতে আমার ৩০ সেকেন্ডও লাগবে না।’ ততক্ষণে আমার সহযোগীরা এসে পৌঁছেছেন। শেষে আমতা আমতা করে বলেছিলেন ভুল হয়ে গেছে।

    আজ মানুষ ৩০ সেকেন্ডে টম‍্যাটো গোবর খাওয়াল।
    অন‍্যায় হল!
     
    জনৈক সাংবাদিকের স্মৃতিচারণ।
  • দীপ | ১২ জুন ২০২৬ ১৯:১৪747687
  • অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের নামের পাশে লেখা, ‘'জানুয়ারি ২৩ থেকে বেতন বন্ধ।'
    এটা লেখা রয়েছে‌ বীরভূম জেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের স্যালারি শিটে।
    প্রথমত যে মেয়েটি‌ উচ্চমাধ্যমিকে ফেল, টেটের ফুল ফর্ম‌ জানেন না, তিনি কি করে‌ একটি সরকারি স্কুলে চাকরি পান? একটানা বারো বছর ধরে‌ শিক্ষক হিসেবে মাইনে পান?
    খোঁজ নিতে জানা গেল, ওই স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা তাদের ওই ম্যাডামকে নাকি কোনও দিন চোখেই দেখেনি, অথচ স্কুল রেজিস্টারে তাঁর সই বলছে তিনি রোজই এসেছেন।
    লোকেরা বলছেন, অনুব্রতর দাপটে নাকি খোদ হেডমাস্টারমশাই স্কুলের রেজিস্টার খাতা অনুব্রতর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ‌মাসে মাসে তার মেয়েকে দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে আসতেন। এভাবেই চলত দিদিমনির চাকরি।
    মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি, মাইনে বন্ধ হওয়ার আগে পর্যন্ত উনি যত টাকা মাইনে হিসেবে পেয়েছেন, সেই টাকা সুদ সমেত ফেরত নেওয়া হোক।
     
    ফেসবুক
  • দীপ | ১৪ জুন ২০২৬ ১৫:৪৬747708
  • তৃণমূলের এক পরাজিত যুব প্রার্থী, নাকি আবার পার্টি থেকে তাকে ভোটের কাজের প্রচারের জন্যে আন অফিশিয়ালি স্পন্সর করা ৩ কোটি টাকা থেকে ২ কোটি ঝেপে দিয়ে নিজের মায়ের একাউন্টে ট্রান্সফার করে নিয়েছিলো বলে শুনছি। ওদের দলের বিভিন্ন লোকেরা আমাকে বলছে, সত্যি মিথ্যা প্রমান জানা নেই, তবে, বিশ্বে যে কোনো রকমের চুরির স্যাম্পল একটা করে তৃণমূলে আছে সেটা আমি নিশ্চিত।
     
    অরিত্র দত্ত বণিক
     
    চতুর্দিকে রত্নের ছড়াছড়ি!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন