এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৪

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ জুন ২০২৪ | ৭৮ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৪

    এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে একটু যেতেই সামনে সমুদ্র। ড্রাইভার জানাল শঙ্খমুখম বিচ। নন্দিতার অনুরোধ রেখে ড্রাইভার বিচের কাছে নিয়ে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করাল। অনুরোধ করল দেরি না করতে।

    নয়নের সাথে জলের ধারে নন্দিতার আর একটু থাকার ইচ্ছে ছিল।

    -- দেরি কর না, ড্রাইভার অসন্তুষ্ট হবে। মাঝপথে ওরা এভাবে দাঁড় করায় না, মানুষটা ভাল বলে দাঁড়িয়েছে। আমরা আবার সমুদ্রের ধারে আসব, তখন যতক্ষণ ইচ্ছে থেক।

    যাতায়াত বাদ দিয়ে মোট সাত দিনের ট্যুর। রমেন ওটাকে দশ দিন করতে বলেছিল, কিন্তু এর বেশি ছুটি নয়ন যোগাড় করতে পারেনি। বেশিদিন না থাকার আর একটা কারণ হল, সামনেই মামাত বোন ঝিমলির বিয়ে। তিরুবন্তপুরমে নয়নদের বুকিং ছিল ‘হোটেল চৈত্রম’এ। এয়ারপোর্টের থেকে মাত্র পাঁচ কিমি দূরে, রেল স্টেশনের পাশে। অল্প সময়েই পৌঁছে গেল। কেটিডিসির তিন তারা হোটেল। সুন্দর পরিচ্ছন্ন বাতাবরণ। হোটেলে আগে থেকে কথা বলা ছিল, ওরাই গোটা ট্যুরের জন্য গাড়ি দেবে।

    নন্দিতা খাটে গিয়ে গা এলিয়ে দিয়েছিল। নয়ন তাড়া দিয়ে বলল — তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে নাও, লাঞ্চ করেই আমরা ঘুরতে বেরিয়ে পড়ব। যত দেরি করবে তত কম জায়গা দেখা হবে।

    তাড়া খেয়ে বিছানা থেকে উঠে ছুট্টে এসে নয়নকে একটা হামি খেয়ে স্নান করতে গেল।

    খাওয়া সেরে দুটোর মধ্যেই ওরা রওনা হয়ে গেল। প্রথম গন্তব্য ভারকালা সি বিচ। শহর থেকে অনেকটাই বাইরে, প্রায় ৫১ কিমি দূরে। পৌঁছতে কিছুটা সময় লাগল। ড্রাইভার ছেলেটির নাম মোহন, চল্লিশের আশেপাশে বয়স। যাত্রাপথে মোহন শোনাল ভারকালাকে নিয়ে গড়ে ওঠা কিছু পৌরানিক কাহিনি। মালায়ালম ভাষায় বল্কল কে বলে ভাল্লাকালম। কথিত আছে, দেবর্ষি নারদ এখানে বল্কল বা নামান্তরে ভাল্লাকালম ত্যাগ করেছিলেন। ভাল্লাকালম থেকেই ভারকালা নামটা এসেছে। খুব সুন্দর গল্প বলতে পারে। মোহন জানাল যে ভারকালা বিচের আর একটা নাম হল ‘পাপনাশম’ বিচ। ব্রহ্মার অনুচরদের নাকি এই জায়গায় পাপনাশ হয়েছিল। কি সেই পাপ, আর কিভাবেই তা নাশ হল! মোহন আবার খুলল তার গল্পের ঝাঁপি। দেবর্ষি নারদ একবার গেলেন নারায়ণের সাথে দেখা করতে। নারায়ণ তাঁর গান শুনে মুগ্ধ হয়ে যান। নারদ বৈকুন্ঠ থেকে যান ব্রহ্মার গৃহে। নারায়ণ তাঁকে অনুসরন করে পিছু পিছু আসেন। ব্রহ্মা ভ্রম বশত নারদকে চিনতে ভুল করেন। ইতিমধ্যে নারায়ণ অদৃশ্য হয়ে যান। ব্রহ্মাকে এভাবে বিভ্রান্ত হতে দেখে তাঁর অনুচরদের কেউ কেউ হেসে ফেলেন। ব্রহ্মা ক্রুদ্ধ হয়ে তাদের মর্তে মানুষ হয়ে জন্মাবার অভিশাপ দেন। তখন নারদ শাপমুক্তির জন্য তাদের বিষ্ণুর শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু তার জন্য যাগযজ্ঞ করতে হবে। নারদ নিজের বল্কল ফেলে যজ্ঞের জায়গা চিহ্নিত করে দেন। সেখানে যজ্ঞ করেই পাপমুক্ত হয়েছিল সেই অনুচরেরা। তাই এখানে স্নান করলে সব পাপ ধুয়ে যায়, এমনটা অনেকের বিশ্বাস। মোহনের গল্প শুনতে শুনতে ভারকালা সৈকত এসে গেল।

    যেখানে গাড়ি থেকে নামল সেখান থেকে অনেক কটা সিঁড়ি ভেঙে বিচে নামতে হল।

    -- কি অসাধারণ সুন্দর জায়গা।

    নন্দিতা নয়নের হাত ধরে ছুটে গিয়ে সমুদ্রের জলে পা ভেজাল।

    -- জামা কাপড় বেশী ভিজিও না, এরপর অন্য আরো জায়গায় যাব।

    অনেক বিদেশী, বিদেশিনী বিচে রয়েছে। তাদের আনসেনসার্ড ক্রিয়াকলাপে উদ্বুদ্ধ হয়ে নন্দিতারও একটু রোমান্স করার ইচ্ছে জেগেছিল, কিন্তু চারদিকে লোকজন ছিল বলে নিজেকে সামলে নিল।

    নয়নের ছবি তোলার শখ ছিল। আগে ছিল একটা ক্লিক থ্রি ক্যামেরা। চাকরি পাওয়ার পর কিনেছিল ন্যাশানাল থার্টি ফাইভ ক্যামেরা। সমুদ্রের ধারে নন্দিতার দু একটা ছবি তুলল। নন্দিতা একজন সাহেবকে অনুরোধ করল ওদের দুজনের একটা ছবি তুলে দেওয়ার জন্য। সাহেব খুশি হয়ে এগিয়ে এল। ওরা বালিতে নিলডাউন পোজে একটা ছবি তুলল। নন্দিতা আর একটা ছবি তুলে দিতে বলল। সাহেব সাটার মারার মুহূর্তে নন্দিতা নয়নকে চুমু খেল। সাহেব হেসে ফেলেছে।

    -- এ ছবি তো কাউকে দেখাতে পারব না।

    -- সব জিনিস কি সকলের জন্য হয়! এ শুধু তোমার আর আমার জন্য। যতদিন বাঁচব ছবিটা আমাদের ভালবাসার সাক্ষী হয়ে থাকবে।

    -- ছবিটা ওঠে কিনা দেখ।

    -- আমার বিশ্বাস উঠবে।

    -- এখানে সমুদ্রের ধারে খুব ভাল ভাল হোটেল আর রেস্তেরাঁ আছে। কি খাবে বল?

    -- যা তুমি খাওয়াবে।

    সমুদ্রের ধারে ঘুরে, রেস্তেরাঁয় খেয়ে, ঘন্টা দুয়েক পর ওরা ভারকালা থেকে রওনা হল। মোহন কাছেপিঠে কয়েকটা মন্দির দেখার কথা বলছিল। কিন্তু নিজেই মত পরিবর্তন করে জানাল যে, ওগুলো দেখতে গেলে অনেক রাত হয়ে যাবে। ভোর সাড়ে তিনটেয় যেতে হবে পদ্মনাভন মন্দির, ফলে ফিরতে রাত করলে চলবে না। তার বদলে হোটেলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগে ও নিয়ে গেল শহরের বিখ্যাত গণেশ মন্দির, পাজভাঙ্গাদি মহা গণপতি মন্দির।

    এই মন্দিরের মূল দেবতা হল গণেশ, যার ডান পা ভাঁজ করা। পদ্মনাভন মন্দিরের খুব কাছেই এই মন্দির। গণেশ ছাড়াও এখানে রয়েছে ধর্মশান্ত, দুর্গা এবং নাগরাজের বিগ্রহ। বাইরে একটা বড় চৌবাচ্ছা রয়েছে। ওখানে পুণ্যার্থীরা আস্ত নারকোল ফাটিয়ে দেবতার উদ্দেশে ফেলছে। নয়নরা হোটেলে ফিরল সন্ধে সাতটায়। যাওয়ার আগে মোহন জানিয়ে গেল, ভোর তিনটে তিরিশ মিনিট থেকে চারটে পঁয়তাল্লিশ পর্যন্ত আরতি হবে। ও ঠিক তিনটের সময় এসে নক করবে। নয়নের অত ভোরে ওঠার অভ্যাস নেই, যাওয়ার একেবারেই ইচ্ছে ছিল না। ভেবেছিল পরে কোন এক সময় গিয়ে দেখে আসবে। মোহন জোরাজুরি করল সকালের আরতি দেখার জন্য, ওটাই নাকি আসল। নন্দিতাও ওর কথায় নেচে রাজি হয়ে গেল। রাতের ঘুমটা পুরো মাটি হয়ে গেল। ওখানে আবার জামাকাপড়ের অনেক ফ্যাচাং আছে। পুরুষদের পোশাক হল মুন্ডু বা ধুতি (কোমর থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত্য লম্বা) আর কোন প্রকারের জামা পরা চলবে না। মহিলাদের পোশাক হল, শাড়ি, মুন্ডুম নেরিয়াতুম (সেট-মুন্ডু) স্কার্ট ও ব্লাউজ বা হাফ শাড়ি। মন্দিরে ঢোকার মুহুর্তে ভাড়ায় ধুতি পাওয়া যায়। ইদানিং ভক্তদের সুবিধার্থে মন্দির কর্তৃপক্ষ প্যান্ট বা চুড়িদারের উপরে ধুতি পরার অনুমতি দিয়েছে। নয়ন ব্যাপারটা জানত, তাই সঙ্গে একটা ধুতি এনেছিল।

    হাতমুখ ধুয়ে, চেঞ্জ করে, রুম সার্ভিসে ফোন করে দু কাপ চা পাঠিয়ে দিতে বলল।

    চায়ে চুমুক দিয়ে নয়ন বলল—মাঝরাতে বেরোতে হবে, রাতের খাওয়া তাড়াতাড়ি সেরে ফেলে বিছানায় শুয়ে ঘুম, নো অন্য কিছু।

    -- একদম কিচ্ছু নয়? হানিমুনে এসেছি, একেবারে নিরামিষ হলে কি করে চলবে!

    -- তাহলে আর তিনটেয় উঠতে হবে না।

    -- ঠিক আছে, তোমার কথাই থাক। আজ না হয় তোমায় পাশবালিশ করেই শুই। স্ট্যাটিক রোমান্স।

    মোহনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ওই রকম একটা বিদকুটে সময়ে নয়নরা উঠে মন্দিরে গিয়েছিল। পদ্মনাভন বিখ্যাত মন্দির। অনুমান করা হয় যে, এটা বিশ্বের সবথেকে ধনী মন্দির। এই মন্দিরের কাহিনি নয়ন কিছুটা জানত, বাকিটা মোহন ফিল আপ দি ব্ল্যাঙ্কস করে দিল।

    মালয়ালম ভাষায় তিরুবনন্তপুরম শব্দটির অর্থ ভগবান অনন্তের শহর, এখানে ভগবান অনন্ত বলতে পদ্মনাভস্বামীমন্দিরেরদেবতাকে নির্দেশ করে।

    তিরুবনন্তপূরমের ইষ্ট ফোর্টের ভিতরে ভগবান বিষ্ণুর প্রতি উৎসর্গীকৃত শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরটি অবস্থিত। শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরটির ইতিহাস খৃষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীর। ভারতের দিব্য দেশমের ভগবান বিষ্ণুর ১০৮ টি পবিত্র মন্দিরগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। দিব্য দেশম হল তামিল গ্রন্থে ভগবান বিষ্ণুর পবিত্রতম বাসস্থান। এই মন্দিরের মূল দেবতা হলেন, ফনা তুলে থাকা অনন্তনাগের উপরে অর্ধ শায়িত অবস্থায় ভগবান বিষ্ণু। ত্রাভাংকোর প্রসিদ্ধ রাজাদের মধ্যে অন্যতম মার্তন্ডা বর্মা এই মন্দিরটির সংস্কার করান এবং বর্তমান শ্রী পদ্মনাভস্বামী মন্দিরটি তারই ফসল। শ্রীপদ্মনাভস্বামী মন্দিরের দেবমুর্তিটি এর গঠন শৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে ১২০০৮ টি শালগ্রাম শিলা, যেগুলি নেপালের গন্ডকী নদীর তীর থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। শ্রীপদ্মনাভীস্বামী মন্দিরের গর্ভগৃহ বা পবিত্র বেদী একটি পাথরে স্ল্যাব দিয়ে তৈরি যার উপরে ১৮ ফুট দৈর্ঘ্যের মূল দেবমূর্তিটি রয়েছে এবং মুর্তিটিকে তিনটি বিভিন্ন দরজা দিয়ে দর্শন করা যেতে পারে। মাথা আর বুক প্রথম দরজা দিয়ে, হাত দ্বিতীয় দরজা দিয়ে এবং চরণ তৃতীয় দরজা দিয়ে দর্শন করা যায়। ঘন্টা খানেক ধরে আরতি দেখে আর প্রচুর ধোঁয়া খেয়ে ওরা ভোরবেলা হোটেলে ফিরল।

    নন্দিতার খুব ভাল লেগেছে — ভাগ্যিস গেলাম, না হলে এত সুন্দর জিনিসটা দেখাই হত না। একটু কষ্ট হল ঠিকই, কিন্তু এমন দুর্লভ জিনিস দেখার জন্য ওটুকু কষ্ট করাই যায়।

    নয়নের কাছ থেকে সম্মতি সূচক কিছু না পেয়ে চুপ করে গেল।

    -- বকবক না করে চেষ্টা কর ঘুমিয়ে নিতে। ও হ্যাঁ, ঘুমোবার আগে তোমার চয়েজ জানাও।

    -- কিসের চয়েজ?

    -- আজকে আমরা পোনমুড়ি অথবা কোভালম যে কোন একটা জায়গায় যেতে পারব। তুমি কোথায় যেতে চাও?

    -- কোভালমের তো অনেক নাম শুনেছি, বিখ্যাত সি বিচ। এই পোনমুড়িটা কি?

    -- ওটা একটা হিল স্টেশন। সমুদ্র থেকে ৩৬০০ ফুট উঁচু। খুব সুন্দর জায়গা। যাওয়ার পথে দুটো জলপ্রপাত পড়বে।

    -- আমি কোভালমে যেতে চাই। ছোটবেলা থেকে তো পাহাড়েই ঘুরলাম।

    -- ঠিক আছে ঐ কথাই রইল। সকাল বেলা আশপাশটা ঘুরে একটু শপিং করে নেব। লাঞ্চ করে আমরা কোভালম যাব। তবে এখন কিন্তু বেশী ঘুমলে চলবে না, ম্যাক্সিমাম দু ঘন্টা।

    নয়ন যার সাথে কথা বলছিল, সে তখন ঘুমের রাজ্যে।

    ঘুম ভাঙতে বেশ বেলা হয়ে গিয়েছিল। জলখাবার খেয়ে ওরা শপিং করতে বেরোল। পোথিস, পারথস এর মতন কয়েকটা বড় বড় শাড়ির দোকান ঘুরে নন্দিতা, আহেলি আর নীলিমার জন্য তিনখানা শাড়ি কিনল। আরো কিছু উপহার সামগ্রী কিনে হোটেলে ফিরে এল। খাওয়ার পর লাউঞ্জে বসে গল্প করছিল, মোহন হাজির হয়ে গেল।

    কোভালম ভারকালার মত অত দূরে নয়। যেতে বেশী সময় লাগল না। নারকেল গাছ দিয়ে ঘেরা এই মনোরম সৈকত দেশের অন্যতম জনপ্রিয় হ্যাঙ্গআউট। সমুদ্রের ধার বরাবর রয়েছে অনেক দোকান। সৈকতে নামার রাস্তাটা তেমন চওড়া নয়। দুটো গাড়ি পাশাপাশি এসে গেলে অসুবিধে হয়। শান্ত সুন্দর সৈকত। চারপাশটা ঘুরে এসে বেলাভুমিতে বসে দুজনে সমুদ্রের কোলে গোধুলির আবিরে রাঙা অস্তগামী সূর্যের মনোলোভা দৃশ্য উপভোগ করল।

    -- আহা, কি সুন্দর।

    নয়ন শুধল — কে?

    -- প্রকৃতি।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন