এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ১৫ 

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ মে ২০২৪ | ১১৮ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ১৫

    কল্পনা শোভাবাজারের বাড়িতে আর ফেরেনি। এত সব কিছু জানার পর ওখানে আর ফেরা সম্ভব নয়। নিজেদের বাগবাজারের বাড়িতে যেতেও মন চাইছিল না। বাবার কার্যকলাপ সে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না। বাবা কেবল তার ভালবাসাকে চূর্ণ করেনি, চূর্ণ করে দিয়েছে তার জীবনটাকেও। মন সায় না দিলেও কিছুটা নিরুপায় হয়েই ফিরে এসেছিল মা বাবার আশ্রয়ে। কড়া নাড়তে হয়নি, বাইরের দরজা ভেজান ছিল। রতন ব্যানার্জী বাইরের ঘরে বসে ছিলেন। মেয়ে সকালেই শ্বশুরবাড়ি ফিরে গেছে, তাই রাতে আবার তাকে আসতে দেখে কিছুটা আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন - কিরে তুই আবার চলে এলি?

    কল্পনা কোন উত্তর না দিয়ে একটা চেয়ার টেনে বসল। ইতিমধ্যে ওর মাও বাবাকে চা দিতে ঘরে এসেছেন। কল্পনাকে দেখে উনিও একই প্রশ্ন করলেন।

    কল্পনা গম্ভীর হয়ে বলল — এ ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না।

    কল্পনার মা উদ্বিগ্ন হয়ে বললেন- কি বলছিস কিছু বুঝতে পারছি না, একটু পরিস্কার করে বল না মা।

    কল্পনা বাবার সাথে কোনদিন উঁচু স্বরে কথা বলেনি। কিন্তু সেদিন বাবার দিকে তাকিয়ে ঝাঁঝিয়ে উঠল - একটা ভদ্র ঘরের ভাল ছেলেকে ভালবেসেছিলাম, এটাই ছিল আমার অপরাধ। তার সম্বন্ধে কিছু না জেনেই তার উদ্দেশ্যে জানোয়ার, লোচ্চা, এইসব নোংরা কথাগুলো বলেছিলে। সে বেকার হয়েও তোমার মেয়েকে ভালবাসত, তাই সে লোচ্চা, জানোয়ার, তাই না! সেই সুন্দর সম্পর্কটাকে ভেঙে দেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি আমার বিয়ে দিলে।

    রতন মেয়ের কথার মাঝেই একটু উচ্চস্বরে বললেন — তুই কি বলতে চাইছিস? আমি ভুল করাছি? আমি যা করেছি-

    কল্পনা বাবার রাগের পরোয়া না করে তাকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বলল—তুমি অবশ্যই ভুল করেছ। তোমার এই ভুল আমার জীবনটাকে শেষ করে দিয়েছে। নন্দর মত ভাল ছেলেকে তুমি জানোয়ার বলেছিলে। জানোয়ার নন্দ নয়, জানোয়ার তুমি যার গলায় আমাকে জোর করে ঝুলিয়ে দিয়েছ, সেই জয়ন্ত। বাবা, তুমি শেষ পর্যন্ত একটা পাগলের সাথে তোমার মেয়ের বিয়ে দিলে। আমি কি তোমাদের এতটাই গলগ্রহ ছিলাম! ভাল করে একটু খোঁজ নিলেই তো সব জানতে পারতে বাবা।

    সকালের ঘটনা, ডঃ রণজয় সরকারের অভিমত, জয়ন্তর আচরণ, সবকিছু বিস্তারিতভাবে মা বাবাকে জানাল। এরপর ব্যাগ থেকে প্রেসক্রিপশনটা বার করে রতনের দিকে এগিয়ে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলল- তুমি আমার জীবনটা তছনছ করে দিলে।

    প্রেসক্রিপশনটা দেখে রতনের চক্ষুস্থির হয়ে গেল। ছেলেটাকে দেখে একবারের জন্যও তো তাঁর এমনটা মনে হয়নি। মেয়ের প্রেম করাটা আটকাতে গিয়ে সাততাড়াতাড়ি বিয়ে দিয়েছেন এটা ঠিক, তাই বলে এত বড় ভুল!

    নিজেকে একটু সামলে নিয়ে কল্পনা বলল — মেয়ে প্রেম করছে জেনেই তোমার ননে হয়েছিল যে পাড়ায় তোমাদের আর মান সম্মান থাকবে না। আর এখন তো মেয়ে ঘর করতে না পেরে শ্বশুর বাড়ি থেকে চলে এসেছে। এ তো আরো লজ্জার ব্যাপার। তবে তোমাকে এ নিয়ে ভাবতে হবে না। তোমাদের কোনোরকম অস্বস্তির মধ্যে ফেলতে চাই না। কটা দিন একটু আশ্রয় দাও, একটা কিছু ব্যবস্থা করতে পারলেই আমি অন্য কোথাও চলে যাব। গ্র্যজুয়েটটাও হতে দিলে না। ডিগ্রীটা থাকলে রোজগারের পথ খুঁজতে একটু সুবিধে হত। যাক, চিন্তা কোর না, একটা কিছু ব্যবস্থা করে নেব।

    কল্পনার মা কাঁদতে কাঁদতে মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললেন—এসব তুই কি বলছিস মা! এটা তোর নিজের বাড়ি, এ বাড়ি ছেড়ে তুই কোথাও যাবি না। তোর বাবার একগুঁয়েমির জন্য আজ এই দিন দেখতে হল। প্রেম করে যেন আমার মেয়ে বিরাট অন্যায় করে ফেলেছিল।

    আকস্মিক এই আঘাতে রতন মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়লেন। মেয়ে আর বৌয়ের কথার উত্তর দেওয়ার মত মনের অবস্থা তাঁর ছিল না। বুঝতে পারলেন, মেয়েটার জীবনের এই ভয়ানক পরিস্থিতির জন্য তিনি, সুধুমাত্র তিনিই দায়ি। অমন কঠিন মানুষও নিজেকে সামলাতে পারলেন না, শিশুর মত কাঁদতে কাঁদতে বললেন—মা আমি বাপ হয়ে বলছি, আমাকে ক্ষমা করে দে। জেনেশুনে কোন বাপ তার মেয়েকে পাগলের হাতে তুলে দেবে না। বিশ্বাস কর, আমি একবারের জন্যেও বুঝতে পারিনি। ঠিকই বলেছিস, আর একটু ভাল করে খবর নেওয়া উচিৎ ছিল। ঈশ্বর এ তুমি আমাদের কি সর্বনাশ করলে!

    রাত দশটার আশেপাশে জয়ন্তর বাবা আর ভাই কল্পনার খোঁজে বাগবাজারের বাড়িতে এল। ওদের দেখে রতনের মাথা আগুন হয়ে গেল।

    -- কি ব্যাপার, আপনারা এখানে?

    -- বৌমা বিকেলে ওর এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। এত রাত হয়ে গেল, এখনো ফেরেনি। খোঁজ নিতে এলাম, যদি আপনাদের এখানে এসে থাকে।

    -- এখানে এসেছে আর এখন থেকে ও এখানেই থাকবে। আপনাদের বাড়িতে আর যাবে না। কোন সাহসে জয়ন্ত আমার মেয়ের গায়ে হাত তুলেছে?

    -- তার জন্য আমরা খুবই লজ্জিত। বৌমার কাছে তার জন্য আমরা সকলেই দুঃখপ্রকাশ করেছি। আপনাকে কথা দিচ্ছি এমন ঘটনা আর হবে না।

    -- আবার হবে, বারবার হবে। তা আটকানোর সাধ্য আপনাদের নেই, কারণ আপনার ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ। এতবড় একটা ব্যাপার চেপে গিয়ে আপনারা ছেলের বিয়ে দিলেন। এতবড় জালিয়াতি করেছেন, আপনাদের তো মশাই পুলিশে দেওয়া উচিত।

    -- এসব আপনি কি বলছেন? কে বলেছে জয়ন্ত মানসিক রুগী?

    কল্পনা ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বলল—আপনাদের ছেলের আচরণ, ওকে দুবেলা ওষুধ খাইয়ে দেওয়া, দোকানে না গিয়ে মাঝে মাঝেই বাড়িতে চুপ করে বসে থাকা, এসব দেখে প্রথম থেকেই ওর মানসিক সুস্থতা নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন জাগে। তারপর ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখতে পেয়ে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হই। আজ আমি বন্ধুর বাড়ি যাইনি, গিয়েছিলাম ওর ডাক্তারের কাছে। জানতে পারলাম, সাত আট বছর ধরে ওনার কাছে ওর চিকিৎসা হচ্ছে। এর পরেও বলবেন জয়ন্ত মানসিক রুগী নয়! আপনারা ভাল করেই জানতেন যে ও ছেলের পক্ষে সুস্থ ভাবে ঘর সংসার করা সম্ভব নয়, তবু বিয়ে করলে যদি ছেলের মানসিক অবস্থার উন্নতি হয় এই আশায় বিয়ে দিলেন। একবার ভাবলেন না যে একটা মেয়ের জীবন নিয়ে আপনারা খেলা করছেন। আমার জীবনটা এভাবে নষ্ট করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে?

    মেয়ের কথা শেষ হতে রতন বললেন- আপনারা এবার আসতে পারেন। এরপর কোর্টে দেখা হবে। আর হ্যাঁ, ভদ্রতার যদি লেশমাত্র আপনাদের মধ্যে থাকে তাহলে আপনাদের কাছে আমার মেয়ের যা যা আছে তা ফেরত পাঠিয়ে দেবেন।

    জয়ন্তর বাবা আর ভাই কোনোরকম বাকবিতণ্ডায় না গিয়ে নত মস্তকে বিদায় নিল। পরের দিন জয়ন্তও এসেছিল। কল্পনা দেখা করেনি। নিজের অপরাধের জন্য বারে বারে মার্জনা চেয়ে কল্পনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ওর মা বাবাকে অনুরোধ করেছিল। রতন বাড়ির দরজা থেকেই ওকে বিদায় করে দিয়েছিলেন। কিছুদিনের মধ্যেই জয়ন্তর ভাই একটা লিস্ট করে কল্পনার সমস্ত জিনিসপত্র ফেরত দিয়ে গিয়েছিল, যার মধ্যে ওদের বাড়ি থেকে পাওয়া গয়না ও অন্যান্য জিনিসও ছিল। কল্পনা সেগুলি বেছে আলাদা করে জয়ন্তর ভাইকে দিয়ে বলেছিল—এগুলো নিয়ে যাও, এতে আমার কোন অধিকার নেই। জয়ন্তর বাড়ি থেকে বিরোধিতা করেনি, ফলে ডিভোর্স পেতে কোন সমস্যা হয়নি। এই ঘটনার পর থেকে কল্পনার বাবা মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েন। সব সময় অপরাধবোধে ভুগতেন। খবর নিয়ে জেনেছিলেন, নন্দ কোন একটা স্কুলে শিক্ষকতা করে। পাপস্খালনের অভিপ্রায়ে একদিন মেয়েকে কাছে ডেকে বলেছিলেন- মা, আমায় একটা সুযোগ দে। আমি নিজে নন্দর কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে তোদের পুরনো সম্পর্কটা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব।

    -- বাবা, ভালবাসাটা কি খেলনা? যখন মন চাইবে খেলব, যখন ভাল লাগবে না ফেলে দেব। আমি চাইনা তুমি ওখানে যাও। তাকে তার মত থাকতে দাও।

    এরপর কল্পনার বাবা দু বছর মত বেঁচেছিলেন। ওই সময় কায়াটাই কেবল রতন ব্যানার্জীর ছিল, মানুষটা হারিয়ে গিয়েছিলেন দুঃখের অতল গহ্বরে।

    কল্পনা অতীতের ঝড় ঝঞ্ঝাকে যতটা সম্ভব ঝেড়ে ফেলে আগামী দিনে একলা পথ চলার উপযোগী করে জীবনটাকে গড়ে তুলতে সচেষ্ট হল। প্রাইভেটে পরীক্ষা দিয়ে গ্র্যাজুয়েশনটা কমপ্লিট করল। কয়েকটা জায়গায় চাকরিরও অফার পেল। বাড়ির কাছাকাছি বলে স্কুলের চাকরিটাতে যোগ দিল। প্রাইভেট স্কুল, তবে বেশ নাম আছে। পড়াশুনো, ছাত্রছাত্রী, বাড়ি, মা, এই সবের মাঝে গড়িয়ে চলল কল্পনার পরিবর্তিত জীবন। সেখানে অতীতের ছায়া কিছুটা থাকলেও আলোর অভাব ঘটেনি।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন