এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৪৩    

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ জুন ২০২৪ | ১১৫ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৪৩   

    সেদিন খাওয়া দাওয়ার পরে বসেছিল গল্পের দ্বিতীয় সেশন । ফলে শুতে যেতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। ঘুম ভাঙতেও দেরি হল। অঘোরে ঘুমোচ্ছিল, গায়ে হাল্কা ঠেলা খেতে নয়ন চোখ মেলে তাকাল। মিষ্টি  মেয়ে, মুখে মিষ্টি হাসি মেখে, চা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এমনিতে নয়ন সকালে ঘুম ভাঙার পরে, কিছুক্ষণ বিছানায় এপাশ ওপাশ লাট খায়। সেদিন তিড়িং করে লাফ দিয়ে  উঠে বসে পড়ল।     

    --কি ঘুম রে বাবা! কখন থেকে ডাকছি, কোন সাড় নেই।

    --কয়েকবার না হয় ডেকেইছেন, তাই বলে একেবারে গায়ে হাত তুলবেন?

    --আপনার গায়ে আবার কখন হাত তুললাম?

    --ঠেলা মারলেন যে!

    --ওটা হাত তোলা হল!

    --হাত দিয়েই তো  ঠ্যালা  মারলেন।

    নন্দিতা হেসে বলল—ঝগড়া পরে করবেন, মুখ ধুয়ে আগে চাটা খেয়ে নিন। ঠান্ডা হয়ে যাবে।

    --মুখ পরে ধোব। আমি সকালের প্রথম চা বিছানাতেই খাই।  

    --ছিঃ, ব্যাড হ্যাবিট।

    --ভালমন্দ নিয়েই তো মানুষ। সবটা ভাল আর কোথায় পাবেন? সে তো শুধুই কল্পনা।

    --বাবা, ভাব জগতে চলে গেলেন দেখছি। কবিতা টবিতা লেখেন নাকি!

    --কয়েকবার বেগ এসেছিল, তবে আউটপুট কিছু হয়নি।

    --আপনি ক’টায় অফিসে বেরবেন?

    --ঐ কাল যেমন বেরিয়েছিলাম।

    --আজ ভাত খেয়ে যাবেন। মা সকাল থেকে আপনার জন্য রান্না করছে।

    --আমার জন্য মিছিমিছি কষ্ট করতে গেলেন কেন! যা হোক কিছু খেয়ে বেরিয়ে যেতাম। না খেলেও কোন ক্ষতি ছিল না।

    --তার মানে?

    --অফিসে গিয়ে কিছু খেয়ে নিতাম।

    --নিজের বাড়িতে কি তাই করেন? একদম কথা নয়। যে ক’দিন এখানে আছেন, আমাদের কথামত চলতে হবে।

    --বিএ পাশ করার পর স্কুলে চাকরি করুন, দিদিমণি হিসাবে বেশ মানাবে।

    --এটা প্রশংসা না নিন্দে, ঠিক বুঝতে পারলাম না। বাকি কথা পরে হবে, এখন নিচে যাই, মাকে একটু সাহায্য করি।

    --পালাই পালাই করছেন কেন? বেশ তো গল্প হচ্ছিল।

    --আবার আপনি অফিস থেকে ফিরলে হবে। নিজেও রেডি হন, না হলে বেরোতে দেরি হয়ে যাবে।

    --আজ মনে হয় দিনটা ভালই যাবে।

    --কারণটা?

    --চোখ খুলেই একটা মিষ্টি  মেয়ের মুখ দেখেছি।

    --দিনটা কেমন গেল, ফিরে এলে জানব।

    নন্দিতারও দিনের শুরুটা বড় ভাল হল। এই অল্প সময়ের গল্পতেই নন্দিতা পেয়ে গিয়েছিল তার অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর। মনে হয় সবগুলোই পজিটিভ। এতটা ভাবেনি। মনটা আনন্দে ভরে গেল। পরবর্তী পদক্ষেপটা অনেক সহজ হয়ে গেল। নন্দিতার সারাদিন ছেলেটার কথা ভেবেই কাটল। ছেলেটার ওকে ভাল লেগেছে, এটা নন্দিতা ওর কথাবার্তায় আন্দাজ করেছে। অবশ্য চরিত্রহীনদের তো মেয়ে দেখলেই ভাল লাগে। নন্দিতা তখন ক্লাস ইলেভেনে পড়ে। ওর বাবার এক বন্ধুর ছেলে কিছু একটা পরীক্ষা দিতে শিলিগুড়ি এসেছিল। নয়নের মত সেও ওদের বাড়িতে দু দিন ছিল। ছেলেটা মন ভোলান কথাবার্তায় বাড়ির সকলেই প্রভাবিত হয়েছিল। নন্দিতারও ছেলেটিকে মন্দ লাগেনি। একদিন গল্প করতে করতে সুযোগ বুঝে ছেলেটি  নন্দিতাকে কাছে টেনে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়েছিল। নন্দিতা ছিটকে বেরিয়ে এসে নিজের ঘরে গিয়ে কেঁদে ফেলেছিল। কোন জিনিসের মানুষের মনে প্রভাব, তার  ইচ্ছে,অনিচ্ছে, পছন্দ,  অপছন্দ ছাড়াও আরো  অনেক কিছুর ওপরেই নির্ভর করে। যে চুমু মানুষকে রোমাঞ্চিত করে, সেই চুমুতেই নন্দিতার শরীর ঘিনঘিন করেছিল। খানিক বাদে একটু স্বাভাবিক হয়ে ছেলেটার  ঘরে গিয়ে বলেছিল—আপনি এখনি আমাদের বাড়ি ছেড়ে চলে যান, না হলে আমি বাবাকে সব বলে দেব। ভয় পেয়ে ছেলেটি কয়েক ঘন্টার মধ্যে চলে গিয়েছিল।

    বছর কয়েক বাদে ঐ ছেলেটির সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তার বাবা অসিতের কাছে প্রস্তাব দেয়। ছেলেটি তখন ভাল চাকরি করে। বন্ধুর এই প্রস্তাবে অসিতও আগ্রহ প্রকাশ করে। নীলিমা মেয়েকে বলে—তোর জন্য একটা খুব ভাল ছেলের সম্বন্ধ এসেছে।

    নন্দিতা ছেলের ব্যাপারে জানতে চায়।

    --তুই ছেলেটাকে দেখেছিস, আমাদের বাড়িতে ক’দিন ছিল। খুব ভাল চাকরি করে আর ছেলেও ভাল।

    --চাকরি ভাল করতে পারে, তবে ছেলে মোটেই ভাল নয়।

    চুমু খাওয়ার ঘটনাটা মাকে জানিয়ে বলে—এখনই না করে দাও।

    বেশ ফুরফুরে মনেই দিনটা কাটছিল, ঘটনাটা মনে পড়তেই একটু বিচলিত হয়ে পড়ল।  আবার নিজেকেই নিজে বোঝাল যে, দু জনকে এক করে ফেলার মত ঘটনাতো কিছু ঘটেনি। ঘটনা কিছু না ঘটলেও নন্দিতার ভাবনাগুলো  কল্পনার ডানা মেলে নিজের মত করে উড়তে শুরু করে দিয়েছিল।

     

    এদিনও অসিত নয়নকে অফিসে ড্রপ করে দেবে বলেছিল, কিন্তু নয়ন রাজি হয়নি।  অফিসে গিয়ে নয়ন কাজ শুরু করল বটে, কিন্তু  মন বসাতে পারল না। ঘুরেফিরে মেয়েটা মনের চারধারে পাক খাচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই দ্বিতীয় দিনের কাজ প্রত্যাশামত হল না। আর একটু করা যেত, কিন্তু ইচ্ছে করছে না।  চারটে বাজতেই অফিস থেকে বেরিয়ে পড়ল। অবশ্য আর কিছুক্ষণ অফিসে থাকলেও কাজ পুরো শেষ হত না। আর একটা দিন লাগবেই। এছাড়া তাড়াহুড়ো করে লাভ নেই কারণ, ফেরার টিকিট হয়েছে পরের পরের দিন রাতে। হাতে আরো দুদিন রয়েছে।   মেয়েটাকে আর একটু বেশী সময় দেখার বাসনায়, ঐ বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে হোটেলে ওঠার অশুভ  বাসনা মন থেকে বিসর্জন দিল। ও তো যেচে ওদের বাড়িতে গিয়ে ওঠেনি, ফলে অহেতুক সংকোচ করার কিছু নেই। তবে অন্যের বাড়িতে দু বেলা খেতে একটু সংকোচ অবশ্যই হচ্ছে। বড় একটা দোকান থেকে সকলের মত প্রচুর খাবার কিনে বাড়ি ফিরল।

    নন্দিতা বাইরের ঘরে বসে ম্যাগাজিনের পাতা ওলটাচ্ছিল। গেট খোলার আওয়াজ হতে চেয়ে দেখে নয়ন আসছে। ভেতরের খুশিটা প্রকাশ না করে জিজ্ঞেস করল—কি ব্যাপার, আপনি এত তাড়াতাড়ি? 

    নয়ন মজা করে বলল—মনে হচ্ছে আগে এসে আপনাদের অসুবিধেয় ফেললাম। ঠিক আছে, বাইরে থেকে ঘুরে একটু পরেই না হয় আসছি।

    --আমি কি তাই বলেছি! আপনি তো ভীষণ ঝগড়াটে দেখছি!

    নয়নের গলার আওয়াজ পেয়ে নীলিমা জিজ্ঞেস করল—কে রে বুলি?  উত্তরের অপেক্ষা না করে বাইরের ঘরে এসে দেখে, হাতে অনেক জিনিসপত্র নিয়ে নয়ন ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    --কি ব্যাপার, তুমি বাইরে দাঁড়িয়ে আছ কেন?

    নয়ন গম্ভীর হয়ে বলল--সেটা আপনার মেয়েকে জিজ্ঞেস করুন।

    --কি হয়েছে রে বুলি? ওকে কি বলেছিস?  

    --কিচ্ছু বলিনি। আমি শুধু জিজ্ঞেস করেছি, “আপনি এত তাড়াতাড়ি?” তার উত্তরে কত কথা। আমার এই সাধারণ প্রশ্নে ওঁর নাকি মনে হয়েছে, আগে এসে আমাদের অসুবিধেয় ফেলেছে।

    --ওর কথা শুনে তুমি বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছ, ভেতরে এস।

    নন্দিতা প্রতিবাদ করে বলে—তুমিও তো দেখছি ওঁর মত কথা বলছ। আমি কি একবারও ভেতরে আসতে মানা করেছি।

    --কাকিমা যখন বলছেন, তখন আর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকব না। গুরুজনের অমর্যাদা হবে।

    --আপনি কেবল ঝগড়াটে নয়, ভাল অভিনেতাও।

    নয়ন আর হাসি চেপে রাখতে পারেনি। ঘরে ঢুকে খাবারের প্যাকেটগুলো নীলিমার হাতে দিল।

    --এগুলো কি এনেছ?

    --সকলের জন্য সামান্য কিছু খাবার আছে।

    --এত খাবার কি হবে?

    --খাওয়া হবে। সন্ধেবেলা গল্পের আসরে ওগুলোর সৎকার হবে।

    -- তাই বলে এত খাবার!

    --এমন কিছু বেশী নেই। ঐ হলুদ প্যাকেটটায় ঠাকুমার জন্য নিরামিষ খাবার আছে।

     

    নাতনীর মত নীলিমাকেও নন্দিতার ঠাকুমা জিজ্ঞেস করেছিলেন—কি বৌমা পছন্দ হয়?

    --কি মা?

    --ছেলেটাকে জামাই হিসেবে পছন্দ হয়?

    --ওভাবে তো ভেবে দেখিনি মা। আপনি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন, অতিথিকে যতটা আপ্যায়ন করার করছি। এর বাইরে তো কিছু ভাবিনি।

    --এবার অন্যভাবে  একটু ভেবে তোমার মতটা জানাও। 

    --দেখতে ভাল, চাকরিও তো শুনলাম ভাল করে। দেখে তো মনে হচ্ছে ছেলেটা খারাপ নয়। তবে মা, আমরা চাইলেই তো আর হবে না। ওদেরও পছন্দ হবে তবে না!

    --আমার দিদিভাইকে পছন্দ হবে না, তা কখনো হয়! যে দেখবে, তারই পছন্দ হবে।

    --আপনার আদরের নাতনী বলে ও কথা মনে হচ্ছে। সকলে তো আর আপনার চোখ দিয়ে আমাদের মেয়েকে দেখবে না।  

    --সেটা না হয় একটু পরখ করেই দেখ। ট্রেনে ছেলেটির সাথে কথা বলে খুব ভাল লাগল। দিদিভাইয়ের কথা মাথায় এল। গল্প করতে করতে ছেলেটার নাড়িনক্ষত্র জেনে নিলাম। এত ভাল ছেলে, হাতছাড়া করতে মন চাইল না। দিদিভাই আর তোমাদের মত জানার জন্য সাথে করে বাড়িতে নিয়ে এলাম।  

    --মা সত্যি, আপনি পারেনও বটে। ঠিক আছে মা, ও বাড়ি ফিরুক, আমি আপনার কথা  বলব।

    --তোমরা রাজি থাকলে, ছেলেটি ফিরে  যাওয়ার পর, ওর বাবা মায়ের সাথে একবার যোগাযোগ করে দেখ। আমার মন বলছে, যা হবে তা ভালই হবে।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন