এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ৩ 

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৬ মে ২০২৪ | ১৫৫ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ৩

    আড্ডায় তপন নামে একটি নতুন ছেলে একদিন যোগ দিল। ওর সাথে কোন সূত্রে রজতের পরিচয় ছিল, ওই সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল। তপনের বাড়ি কৃষ্ণনগরে। ও মাসকয়েক আগে কোলকাতায় চাকরি পেয়েছে। কয়েক মাস বাড়ি থেকেই যাতায়াত করেছে। অত দূর থেকে যাতায়াতে কষ্ট হয় বলে এখানে বাড়ি ভাড়া করেছে। রজতই চৌধুরী পাড়ায় ওর বাড়ির কাছাকাছি তপনের জন্য থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তপন ছোট গ্রুপের অনেকের থেকেই বয়সে কিছুটা বড় ছিল। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই সকলের সাথে বন্ধুর মত মিশে গিয়েছিল। আড্ডাস্থল থেকে একটু এগিয়ে একটা পুজো মন্ডপ আছে। ওখানে বেশ বড়সড় একটা জগদ্ধাত্রী পুজো হত। হত বলা ভুল হল, এখনো বেশ বড় করেই হয়। পিন্টু তখন কোলকাতা মাঠে বেশ নাম করেছে। খেলার সুবাদে অনেক কেউকেটার সাথে চেনাজানাও হয়েছে। পুজোটা আগে ছোট করে হত, পিন্টুর চেষ্টাতেই পুজোর ওজন বাড়ে। ওর উদ্যোগেই পুজোর সময় বড় বড় শিল্পীরা এসে গান গেয়ে যেত। পুজোর সময় আর একটা বড় আকর্ষণ ছিল তুবড়ি প্রতিযোগিতা। মন্ডপের পাশেই একটা মাঠে ওই প্রতিযোগিতা হত। তুবড়ির উচ্চতা মাপার জন্য মোটা থেকে সরু অনেকগুলি বাঁশ পরপর বেঁধে মাঠের মাঝে পুঁতে চারিদিকে দড়ির টানা দিয়ে ধীরে ধীরে দাঁড় করান হত। সেও ছিল একটা দেখার মত ব্যাপার। পুজোর কটা দিন ছোটদের আড্ডা বন্ধ। রজত, নয়ন, স্বরাজ, বাচ্চু, গালু, দোদো, শোভন, নিতাই সকলে লেগে পড়ত পুজোর কাজে। এমনকি নতুন আসা তপনও অফিস ছুটি নিয়ে ওদের সাথে থাকত। স্বরাজ আর বাচ্চু অল্প বয়স থেকেই প্রেম করত। পুজোর দিনগুলোয় ওদের প্রণয়লীলা বন্ধ রাখতে হত।

    এর কয়েক বছর আগের কথা। পিন্টুর তখন সবে কোলকাতা মাঠে খেলছে। ছোট একটা ক্লাবে খেলে, তেমন নাম হয়নি। খাওয়ার ব্যাপারে পিন্টুর খুব নামডাক ছিল। মিষ্টি হলে তো কথাই নেই। একবার কাছেই একটা বাড়িতে মেয়ের বিয়ে। পিন্টু আর অরূপ বাড়ির হয়ে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যাবে। অরুপও ফুটবল খেলত। উপহার বাবদ মেয়ের হাতে দেওয়ার জন্য দুজনের বাড়ি থেকেই সামান্য কিছু টাকা দেওয়া হয়েছে। তখন দুজনের কেউই চাকরি করে না। টাকার অঙ্কটা কম হলেও দুজন বেকার ছেলের কাছে তা অনেক। আরাম সে তিন চারটে সিনেমা দেখা হয়ে যাবে। খুব স্বাভাবিক কারণেই উপহারের টাকাটা ওরা আত্মস্থ করার সিদ্ধান্ত নিল। বিয়ে বাড়িতে ঢুকে একটু এগোতেই মেয়ের বাবার সাথে দেখা হল। বিয়ে তখনো আরম্ভ হয়নি। মেয়ের বাবা অতিথিদের আপ্যায়ন করছিলেন। সন্তানতুল্য অরূপ আর পিন্টুর কাছেও মিঠে সূরে ওদের বাড়ির খবরাখবর নিলেন। এরপর আর সময় নষ্ট না করে ওরা খেতে বসে গেল। তখন আজকালকার মত এত কেত কায়দার আইটেম ছিল না, আর কি পাতে পড়তে চলেছে তা আগাম জানার জন্য কোন মেনু কার্ডও ছিল না। ছোলার ডাল, আলুর দম আর বেগুন ভাজা দিয়ে বেশ কয়েকটা লুচি পেটে চালান করে দিয়ে ওরা আরো ক’টা লুচি রেখে দিল মাংসের জন্য। পরিবেশন একটু এগোতেই বুঝতে পারল যে খাদ্য তালিকায় মাংসের ঠাঁই হয়নি। আমিষ হিসাবে পাতে পড়ল চারার থেকে একটু বড় পোনা মাছের টুকরো। ওই দিয়েই ওরা কাজ চালিয়ে নিয়ে বসে রইল মিষ্টির অপেক্ষায়। মিষ্টি আসছে, লাইন ধরে ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। প্রথমে মাখা সন্দেশ তারপরে পান্তুয়া। পনের বিশটা ওদের কাছে কোন ব্যাপারই নয়। জুলজুল করে তাকিয়ে রইল মিষ্টির দিকে। মেয়ের বাবাও খাওয়া দাওয়া ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা জিজ্ঞেস করতে করতে এগোচ্ছেন। পিন্টুদের সামনে এসে থেমে গেলেন। উনি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই অরূপ বলল, “জেঠু খুব ভাল রান্না হয়েছে।”

    জেঠু মিষ্টি হেসে বলল -- তাই!

    ইতিমধ্যে মিষ্টি ওদের সামনে চলে এসেছে। পাতে পড়ার আগেই মেয়ের বাবা ইশারায় ওদের দুজনকে মিষ্টি দিতে নিষেধ করে দিলেন। যে ছেলে দুটো মিষ্টি দিচ্ছিল তারা ওদের বন্ধুর মত, কিন্তু কোন উপায় নেই। গৃহকর্তার নিষেধ তাই ওরা মুখ ফিরিয়ে চলে গেল। পিন্টুরা বুঝতে পারল ওরা যে উপহার না দিয়েই খেতে বসেছে তা মেয়ের বাবা লক্ষ্য করেছে, সেই জন্যই এই সাজা। মনটা ভেঙে গেল। ওই বাড়ির সেজ ছেলে নিজে খেলাধুলা করত বলে পিন্টুদের ভালবাসত। পিন্টুদের যে মিষ্টি দেওয়া হয়নি সেটা ওর নজরে পড়েছে। খেয়ে ওঠার পর কনের ওই দাদা ওদের বাড়ির বাইরে একটু অপেক্ষা করতে বলল। একটু পরে গামছায় বেঁধে বেশ খানিকটা মাখা সন্দেশ এনে ওদের দিয়ে বলল, “আমাদের বাড়ির থেকে একটু দূরে গিয়ে খাস কিন্তু। এখানে বাবা দেখতে পেলে সমস্যা হবে।”

    ওরা মহানন্দে মিষ্টির পুঁটলি নিয়ে সোজা হাঁড়ি পুকুরের ঘাটে চলে এল। এখনকার মত তখন এত ঘন ঘন স্ট্রিট লাইট ছিল না। রাত হয়ে গেছে, জায়গাটা তখন বেশ অন্ধকার। চাতালে গামছাটা খুলে ওরা খাওয়া শুরু করল। অপরজন যদি বেশি খেয়ে নেয় এই আশংকায় দুজনেই যতটা সম্ভব বেশি পরিমাণ নিয়ে এক একবারে মুখে ঢোকাচ্ছে। কথা বলার কোন অবকাশ নেই। দুগাল খাওয়ার পরেই পিন্টু হড়হড় করে বমি করে দিল। অরূপ ঘাবড়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করল — কি হল রে?

    একটু সামলাবার পর পিন্টু বলল- অন্ধকারে বুঝতে পারিনি, সন্দেশের ভেতরে উচ্চিংড়ে ছিল, চিবিয়ে ফেলেছি।

    নয়ন ছিল রজতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুজনেই কলেজের একই ইয়ারে পড়ে তবে কলেজ আলাদা। দুজনেই মা বাবার একমাত্র সন্তান। বন্ধুত্বের খাতিরেই সাঁতরা পাড়ায় থাকলেও রজতদের চৌধুরী পাড়ার ডিফেন্স পার্টিতে নয়ন রজতের সাথে পাহারা দিত।

    ওদের পাহারার দলটি ছিল দশ বারো জনের। তাতে তরুণ, যুবক, প্রৌঢ়, সব বয়সের লোকই ছিল। বয়সের ভিন্নতা থাকলেও একটা ব্যাপারে সকলের মানসিকতা অভিন্ন ছিল, তা হল এই কাজে ঘোরতর অনীহা। কাজে অনীহা থাকলে ফাঁকির প্রবণতাও বাড়ে। পাহারা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময় ছিল রাত বারোটা থেকে ভোর চারটে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রথমে সকলে হাঁড়ি পুকুরের চাতালে এসে জড় হত। প্রথম দু এক দিন বারোটার মধ্যেই সকলে এসে গেল। এরপর সময়টা পিছোতে পিছোতে সাড়ে বারোটা হয়ে গেল। ওদের মধ্যে লালটুদা একটু সিরিয়াস ছিল, সময়ে চলে আসার চেষ্টা করত। ও একদিন সকলকে একটু আগে আসার জন্য বলতেই ওর বন্ধু স্বপনদা ওকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে বলল, “দেখছিস তো রাস্তা ভর্তি লোক, চোর এত লোকের মাঝে কখনো রিস্ক নেবে না। লাস্ট ট্রেন না যাওয়া পর্যন্ত রাস্তায় লোক থাকে। তোর ইচ্ছে হয় তুই আগে এসে মশার কামড় খা, আমরা এই সময়েই আসব।” জনমত স্বপনদার পক্ষেই গেল। আসা এবং যাওয়া দুই সময়েই বিলম্ব হওয়া কাম্য নয়। বাড়ি ফেরার সময়টা তাই প্রথমে চারটে থেকে তিনটে এবং কিছুদিন পরে আড়াইটে হয়ে গিয়েছিল। কচিদার মতে আড়াইটের পরে আর পাহারার তেমন একটা দরকার নেই কারণ, এরপর প্রায় সব বাড়িতেই ঘুরে ফিরে কেউ না কেউ টয়লেটে যাবেই। বাড়িতে লোক জেগে থাকলে ওদের কষ্ট করে রাস্তায় জেগে থাকার কোন অর্থ হয় না। একদিন ঘুরে ঘুরে পরখ করে দেখা গেল ঐ সময় অনেক বাড়িতেই বাথরুমের আলো জ্বলছে। ফলে সময়টা এগিয়ে আনার স্বপক্ষে কচিদার যুক্তিটা ফেলে দেওয়া যায় নি। এর মধ্যে আবার একটা থেকে একটা পনের ছিল চা বিরতি।

    পাহারা দেওয়ার সময় খানিক ঘোরাঘুরির পর একটু করে বসে সকলে আড্ডা দিত। পুরো পাড়ায় দলের সকলে একসাথে বসে আড্ডা দেওয়ার মত তিনটে জায়গা ছিল। প্রথমটা স্টার্টিং পয়েন্ট হাঁড়ি পুকুরের চাতাল, দ্বিতীয়টা পাড়ার মাঝে ডিফেন্স পার্টির বসার জন্যেই তৈরি বাঁশের মাচা আর তৃতীয়টা রহড়া সংঘ ক্লাবের সামনে চওড়া সিমেন্টের বেঞ্চ। তবে কোনখানেই বেশিক্ষণ বসে থেকে গল্পগুজব হত না, একটু বসেই আবার চক্কর লাগান শুরু হত। চক্করটা যত না দায়িত্ববোধ থেকে তার থেকে অনেক বেশি মশার তাড়নায়। মশার জ্বালায় এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকার উপায় ছিল না।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন