এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ১৯ 

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ মে ২০২৪ | ১৫১ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ১৯

    রাতে শোয়াটা এখনো একঘরেই আছে। পরিবর্তিত পরিবেশ, পরিস্থিতির প্রভাব দৈনন্দিন যাপনের অনেক ক্ষেত্রে পড়লেও বিছানা এখোনো একটাই আছে। বেডরুমের লাগোয়া একটা অ্যান্টি চেম্বারের মত আছে। রাতে খাওয়া দাওয়ার পর রোজ প্রায় ঘন্টা খানেক দিগ্বিজয় ওই ঘরে বসে ওকালতির কাজকর্ম করেন। কণিকা খাওয়ার পর টুকটাক কাজকর্ম সেরে, একটু টিভি দেখে তারপর ঘরে আসেন। দুজনে প্রায় একই সময়ে শুতে যান। সেদিন টিভি দেখতে ইচ্ছে করছিল না। নির্ধারিত সময়ের অনেকটা আগেই শুতে এসে কণিকা দেখেন যে ঘরে বড় আলো নেভান, রাতের আলো জ্বলছে। তাঁর স্বামী ইতিমধ্যেই শুয়ে পড়েছেন। এমনটা সচরাচর হয় না। ভাবলেন হয়ত খুব ক্লান্ত হয়ে আছেন বা হয়ত কাল কোর্টে তেমন একটা কাজ নেই। উনিও শুয়ে পড়লেন। মাঝরাতে একটা গোঙানির আওয়াজে কণিকার ঘুম ভেঙে গেল। ধড়ফড়িয়ে উঠে দেখেন ওনার স্বামী বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করছেন। কণিকার মনে হল হয়ত কোন দুঃস্বপ্ন দেখে অমন করেছেন। গায়ে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন—কিগো, ওরকম করছ কেন, কি হয়েছে?

    -- আমার খুব কষ্ট হচ্ছে, ডাক্তারকে খবর দাও।

    কণিকা খুব নার্ভাস হয়ে পড়লেন। রাতে ওনাদের বাড়িতে একজন পাহারাদার থাকে। এ ছাড়াও দিনরাতের কাজের একটা মেয়েও থাকত। কণিকা দুজনকেই ঘুম থেকে তুলে ছেলেকে ডেকে আনতে বলল। রণজয়ের বাড়ি ওখান থেকে মিনিট পাঁচেকের মত হাঁটা পথ। এত রাতে মা যখন ডেকে পাঠিয়েছে তখন বাবার শরীর নিশ্চই বেশিরকমের খারাপ। দৌড়ে গিয়ে ওদের হাউস ফিজিসিয়ান সরকার কাকুকে বগলদাবা করে নিয়ে এল। দরকার হতে পারে তাই রণজয় দুজন বন্ধুকেও সাথে আনল। ডাক্তার সরকার সব দেখে শুনে জানালেন যে, বাড়িতে রাখার কেস নয়। একটা ওষুধ তখনই কিনে এনে খাইয়ে দিতে বললেন। আর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যেতে বললেন। কপাল ভাল, বাড়ির সামনের ওষুধের দোকানটা খোলা ছিল। ওষুধ খাওয়াবার পর সকলে ধরাধরি করে দিগ্বিজয়কে বাড়ির গাড়িতে এনে শুইয়ে দিল। রণজয় গাড়ি চালাতে পারত, কালক্ষেপ না করে রওনা দিল হাসপাতালের উদ্দেশ্যে। রণজয় গাড়ি ভালই চালাতে পারে, কিন্তু এত জোরে কখনো ড্রাইভ করেনি। মধ্য রাত, রাস্তা ফাঁকা ছিল, অসুবিধে হয়নি। গড়িয়াহাট অঞ্চলের একটা বড় নারসিং হোমে দিগ্বিজয়কে ভর্তি করা হল। সারা রাত রণজয় আর তার দুই বন্ধু নারসিং হোমেই কাটাল। সকালবেলা বড় ডাক্তারবাবু জানালেন—পেশেন্টের মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। এখন আইসিসিইউ তে অবজারবেশনের জন্য রাখা হয়েছে, কন্ডিশন স্টেবল। আপাতত ভয়ের কিছু নেই। ঠিক সময়ে এখানে এসেছেন, বেশি দেরি করলে বিপদ বাড়ত। আপনাদের লোকাল ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ ধাক্কাটা অনেকটাই সামলে দিয়েছে।

    ওরা বাড়ি থেকে একটু ঘুরে আসতে পারে কি না জিজ্ঞেস করাতে ডাক্তারবাবু বললেন-স্বচ্ছন্দে পারেন, এখন আপনাদের থাকার প্রয়োজন নেই। যাওয়ার আগে অফিসে গিয়ে যোগাযোগের জন্য আপনাদের একটা ফোন নম্বর দিয়ে যাবেন।

    রণজয় কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে ফিরে এল। বাড়ি ফিরে রাশিকে সঙ্গে নিয়ে নিজেদের বাড়ি গেল। হাসপাতালে ডাক্তারের কাছে শোনা আশ্বাস মাকে শুনিয়ে আশ্বস্ত করল। রাশিকে দেখেই কণিকা ওকে কাছে টেনে নিলেন। রণজয় মাকে জানিয়ে দিল যে বাবা যতদিন বাড়ি না ফেরে রাশি তাঁর কাছেই থাকবে। রাশি ক’দিন অফিস যাবে না।

    কণিকা রাশিকে জড়িয়ে ধরে বললেন—এটাই তোর নিজের জায়গা মা। আমি বলছি, একদিন তুই নিজের জোরেই মাথা উঁচু করে এই বাড়িতে আসবি। আর হ্যাঁরে খোকা, তুই এখানে থাকবি না।

    -- অনুমতি করলে থাকতে অসুবিধে নেই, তবে বাবা বাড়িতে না ফেরা পর্যন্ত। বাবা ফিরে এলে সব আবার সে আগের মতন। আর একটা কথা তোমায় জানিয়ে রাখি। এই মুহূর্তে বাবার সামনে অনাকাঙ্ক্ষিত কোন কিছু হওয়াটা একেবারেই কাম্য নয়। আমাকে সামনে দেখলে বাবার কি রকম প্রতিক্রিয়া হবে আমি জানি না। তাই আমি রোজই হাসপাতালে যাব কিন্তু বাবার সামনে যাব না। বাবার কাছে তুমি বা দিদি যাবে।

    -- তোকে যদি দেখতে চায়, তখন কি হবে?

    -- আমাকে দেখতে চাইলে দেখা করব।

    বাবার শরীর খারাপের খবর পেয়ে বাণী রজতের সাথে পরের দিনই চলে এসেছিল। দিন দুয়েক বাদে বিকাশও শিলিগুড়ি থেকে চলে এসেছিল। দ্বিতীয় দিন রণজয় বোন আর মাকে নার্সিং হোমে নিয়ে গেল। দিগ্বিজয় তখন অনেকটাই সামলে উঠেছেন। আইসিসিইউ থেকে বার করে কেবিনে রাখা হয়েছে। আর কেউ এসেছে কিনা জানতে চাইলেন। কণিকা বুঝতে পারলেন যে, ঘুরিয়ে ছেলের কথা জিজ্ঞেস করছে। কণিকা ছেলের কথায় মিথ্যে বলেছিলেন। একদিন রজতও দাদুকে দেখতে এসেছিল। নাতিকে দেখে দাদু আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলেন। পাঁচ দিন বাদে দিগ্বিজয়ের হাসপাতাল থেকে ছুটি হয়ে গেল। ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে লেখা ছিল তবু রণজয় ডাক্তারের কাছে গিয়ে সবকিছু আর একবার ভাল করে জেনে নিল। রণজয়ের সাথে বিকাশ, বাণী আর দুজন বন্ধু এসেছিল। বাড়ির দুটো গাড়িই নার্সিং হোমে আনা হয়েছিল। দিগ্বিজয়ের গাড়ি চালাবে বাড়ির ড্রাইভার, সঙ্গে থাকবে বিকাশ আর বাণী। অন্য গাড়িটা রণজয় চালাবে, সাথে থাকবে দুই বন্ধু। নার্সিং হোম থেকে ছাড়া পেয়ে দিগ্বিজয়্বর মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে গেল। আরো ভাল লাগছে দূরে সরে যাওয়া অতি আপনারজনদের কাছে ফিরে পেয়ে। গাড়িতে মেয়ে আর জামাইয়ের সাথে অনর্গল কথা বলে যাচ্ছেন। বাণী নিজের বাবাকে ঠিক মেলাতে পারছে না। এতদিন মানুষটাকে একজন গম্ভীর, স্বল্পবাক, ডিক্টেটর হিসেবেই দেখে এসেছে। আজ কেমন যেন অন্যরকম লাগছে। বিকাশ ডাক্তারের নিষেধের কথা জানিয়ে শ্বশুর মাশাইকে কম কথা বলতে বলল। কত্তাবাবু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে সকলেই খুশি, সবথেকে বেশিখুশি কত্তাবাবু নিজে। দিগ্বিজয়ের ঘরে মেয়ে, জামাই, নাতি, বৌ, সকলে বসে গল্প করছে। মাঝেমাঝে ডাক্তারের নিষেধ অমান্য করে দিগ্বিজয়ও তাতে যোগ দিচ্ছেন। এই বাড়িতে এমন ছবি আগে কেউ কখনো দেখেনি।

    রাতে একান্তে কনিকাকে বললেন—আমার কাছের মানুষেরা সকলেই এল, প্রতিদিন নার্সিং হোমে গিয়ে খোঁজ খবর নিল, কেবল আমার সব থেকে কাছের মানুষটাই নার্সিং হোমে পৌঁছে দেওয়ার পর আর একবারও খোঁজ নিতে এল না।

    -- তুমি কার কথা বলছ?

    -- তোমার ওই রাসকেল ছেলেটার কথা বলছি।

    -- অমন ছেলে লোকে ভাগ্য করে পায়, কেবল তুমিই ওকে চিনলে না। ও প্রতিদিন নার্সিং হোমে গেছে। নাওয়া খাওয়া ভুলে সারাদিন থেকেছে। ডাক্তারের সাথে আলাপ আলোচনা করেছে। প্রথম দুটো রাতও নার্সিং হোমে কাটিয়েছে। এই সময় কোন রকম উত্তেজনা তোমার শরীরের পক্ষে ভাল নয়। ওকে দেখলে যদি তুমি রেগে যাও তাই ও তোমার সামনে যায়নি।

    -- ভিজিটিং আওয়ার্সে ছেলেটাকে একটু দেখতে পাওয়ার আশায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকতাম। অন্যদের সাথে কথা বলার ফাঁকে চোখ চলে যেত দরজার দিকে, এই বোধহয় খোকা এল। অপেক্ষাই সার হল, বুঝতে পারলাম, বাপের ওপর থেকে অভিমান তার এখনও যায়নি। অসুস্থ বাপটার ওপরে তখনো অভিমান করে আছে মনে হতে খুব কষ্ট হয়েছিল। গাধাটা কিনা আমি রাগ করব বলে সামনে এল না। এই বুদ্ধি নিয়ে ও আলাদা হয়ে সংসার করবে।

    -- আর একটা কথাও তোমাকে জানিয়ে রাখি। তুমি যে কটা দিন নার্সিং হোমে ছিলে, আমাকে আগলে রেখেছিল আমার বৌমা। কিচ্ছুটি করতে দেয়নি। রান্না করা থেকে আমাকে খাওয়ানো সব কিছু নিজে করেছে। কেবল আমাকেই নয়, তোমার মেয়ে জামাইকেও সাধ্যমত সেবাযত্ন করেছে। জানি না, অনুমতি ছাড়া এ বাড়িতে ক’দিন ছিল বলে তোমার আবার মেজাজ বিগড়বে কিনা।

    -- গিন্নি, অসুস্থ মানুষটাকে আর রগড়িও না। ভুল মানুষ মাত্রেরই হয়। আমিও করেছি, আমার মাত্রাটা হয়ত একটু বেশি। একমাত্র খোকা ছাড়া আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তোমরা কখনো যাওনি। আমার মতের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে বা করলে বরদাস্ত করতে পারতাম না। খোকার বিয়ের ঘটনার পর থেকে আমার মেয়ে, জামাই,‌ তুমি, এমনকি নাতিটাও আমাকে মনের থেকে অনেকটা দূরে সরিয়ে দেয়। মানসিকভাবে আপনজনেদের কাছে একঘরে হওয়াটা আমার জীবনে একটা বড় ধাক্কা। এই মানসিক আঘাতে আমার “যা করেছি ঠিক করেছি” ধরণের অনুভুতিটা ধীরে ধীরে ফিকে হতে থাকে। এখন বুঝতে পারি ওটা ছিল একটা ব্যাধি। আমার এই শারীরিক ব্যাধি ওই মানসিক ব্যাধিকে প্রায় নির্মূল করে দিয়ে গেছে আর কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে দূরে সরে যাওয়া কাছের মানুষগুলোকে। সব খারাপেরই তো কিছু ভাল থাকে। তুমি বৌমাকে একটু ডাক না। শ্বশুর হয়ে ক্ষমা চাইতে না পারি, দুঃখপ্রকাশ তো করতে পারব। আর হ্যাঁ, বলে দিও ওরা যেন এ বাড়ি থেকে আর কোথাও না যায়।

    -- তুমি ফেরার পরেই রাশি চলে গেছে। ওরও তো নিজের ঘর সংসার আছে।

    -- খোকাকে কালই আমার সাথে দেখা করতে বল। অনেকদিন পালিয়ে পালিয়ে থেকেছে, এবার একটা হেস্তনেস্ত হওয়া দরকার।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন