• বুলবুলভাজা  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • চাষার ভোজন দর্শন – ১৬শ

    সুকান্ত ঘোষ
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ২১ অক্টোবর ২০২১ | ৬৯৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)

  • কিয়োটো শহরের রান্নাঘরে

    ভারতীয়রা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্য অনেক দেশগুলোর খাবার যেমন অনেকটা হলেও আপন করে নিয়েছে, জাপানের বা কোরিয়ান খাবার কিন্তু তেমন পারেনি। বিশেষ করে জাপানি খাবার আমাদের অনেকের কাছে স্পেশাল ডেলিকেসি এবং দূর থেকে দেখার বিষয় হয়েই রয়ে গেছে। এই একই কারণে কলকাতায় যত থাই রেস্টুরান্ট বা এমনকি ভিয়েতনামিজ রেস্টুরান্ট পাবেন – এবং তারা বেশ বেশ জনপ্রিয় – তত সংখ্যায় কিন্তু জাপানি রেস্টুরান্ট পাবেন না। আর পেলেও তাদের স্বাদ এতটাই ভারতীয় কাস্টমাইজড, যে কোনো প্রকৃত জাপানি সেই খাবার খেয়ে বুঝতেই পারবে না যে সে জাপানি খাবার খাচ্ছে!

    জাপানি খাবার বলতে আমাদের সকলের মনেই যেটা সর্বপ্রথম ভেসে আসে, তা হল ‘সুশি’ – এই সুশি নিয়ে আলাদা করে পরে একদিন একটা পর্ব লিখব। পৃথিবীর নানা জায়গায় সুশি রেস্টুরান্টে খেয়ে বেড়িয়েছি – এবং কি কারণ জানি না, আমার বিজনেস ট্রাভেলেরও একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট ছিল এটা। সারা দিনের কাজের শেষে, রাতের বেলায়, জাপানি রেস্টুরান্টে গ্রুপ ডিনার। অন্য নানা দেশেও জাপানি রেস্টুরান্ট ডেলিকেসি বলেই বিবেচিত হত – তাই বেশির ভাগ জনতাই পছন্দ করত ট্রাই করতে।

    সেবারে যখন জাপানের কিয়োটো শহরে গেলাম, তো বাকি কিছু দেখার সাথে সাথে যদি সেই বিখ্যাত ‘নিসিকি মার্কেট’-এ ঢুঁ না মারি, তাহলে তো আর ভ্রমণ সম্পূর্ণ হতে পারে না! এই নিশিকি মার্কেট-টা আসলে একটা বেশ বড় প্রায় ৪০০ মিটার লম্বা সরু স্ট্রিট – যার দুই ধারে দোকান। এই মার্কেট-টাকে আবার বলা হয় ‘কিয়োটো’স কিচেন’ (কিয়োটোর রান্নাঘর) – ঘুরে দেখার পর আপনিও টের পাবেন, কেন বলা হয়! ছোট বড় মিলে প্রাট ১৩০টা দোকান আছে এই মার্কেটে। কি নেই এখানে! এই মার্কেটের প্রায় সবকিছুই খাবার-দাবার সংক্রান্ত – স্থানীয় শাক সবজি থেকে শুরু করে, সামুদ্রিক মাছ – নানা খাবারের স্টল, ছোটখাটো রেস্টুরান্ট – আর বাকি জাপানের মতই, সব কিছু কত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন!


    তবে এটা মানতেই হবে, সুশি সহ নানা জাপানি খাবার আমার খুব প্রিয় হলেও, এই মার্কেটের দোকানগুলোর সামনে সাজানো আছে – এমন অনেক জিনিস-ই আমি চিনতে পারলাম না! জাপানি ভাষায় লেখা আছে বলে পড়তেও পারলাম না – আর দোকানদারের সাথে ইংরাজিতে কথা বলার প্রশ্ন তো ওঠেই না! ফলে চেনা খাবার ঠিক আছে, কিন্তু অচেনা খাবার ট্রাই করতে হল প্রায় ব্লাইন্ড ডেটিং-এর মতই! কখনো ভাগ্য ভালো হলে স্বাদ পছন্দ হল, অন্য সময় একদমই ভালো লাগল না স্বাদ।

    এই নিশিকি মার্কেটের একটা প্রধান সমস্যা হল প্রচণ্ড ভিড়! কিছু কিছু সময় এত বেশি ভিড় হয়, যে চলাফেরা করা দায় হয়ে ওঠে! আর এই মার্কেটের একটা বিশেষত্ব হল এই, যে এখানে যা পাওয়া যায়, তার প্রায় ৯০%-এর বেশি স্থানীয় জিনিস – মানে যাকে বলে লোকাল প্রোডিউস। এই বাজারের ইতিহাস অনেক পুরানো – সেই প্রায় বারশ’ বছর আগে ৭৮২ সালে মাছ বিক্রির মাধ্যমে এই বাজারের শুরু। মাছ বিক্রির সাথে এই বিশেষ স্থানটি বেছে নেবার একটা কারণ আছে – বুঝতেই পারছেন সুশি-র প্রধান অঙ্গ হল একেবারে টাটকা মাছ (যা প্রায় কাঁচা খাওয়া হয়)। তখনকার দিনে তো আর ফ্রিজ ইত্যাদি ছিল না – বরফের ব্যবহারও মনে হয় ছিল না। তাই মাছ বাঁচিয়ে রাখতে কিছু একটা ঠান্ডা তো চাই – আর সেই কাজে সাহায্য করেছিল কিয়োটোর এই নিশিকি মার্কেট এলাকার মাটির তলার ঠান্ডা জল। আর তা ছাড়া, এই জায়গাটা কিয়োটো রাজপ্রাসাদের কাছাকাছিও। এর পরে অনেক চড়াই-উৎরাই গেছে এই মার্কেটের – এমন নয়, যে সব সময়েই এই মার্কেটের স্বর্ণযুগ ছিল! ২০০৫ সালে ‘নিসিকি মার্কেট’-কে ট্রেডমার্ক হিসাবে রেজিস্টার করা হয়।

    শুধু খাবার নয়, এখানে খাবার দাবারের সাথে জিনিসপত্র এবং বাসন-কোসনও পাওয়া যায়। যেমন, এখানে আপনি পেয়ে যাবেন সেই বিখ্যাত রান্নার ছুরির দোকান আরিটসুগু – এখানে দেখবেন কি দারুণ সব দেখতে হ্যান্ড-ক্রাফটেড ছুরি। এই দোকানের পত্তন করেন সেই বিখ্যাত মাস্টার তরবারি তৈরির কারিগর আরিটসুগু ফুজিওরা ১৫৬০ সালে – বুঝতেই পারছেন ইতিহাস এবং ঐতিহ্যটা।


    আরো আছে টাটকা, ফ্রেশ শামুকের জন্য বিখ্যাত দোকান দাইয়াসু, আছে নিশিকি তাকাকুয়ারা – যারা বিক্রি করে কিয়োটো-র লোকাল ডেলিকেসি সুকিমোনো (একধরণের পিকলড্‌ সবজি, মানে লবণ জলে ভিজানো সবজি)। আছে রেস্টুরান্ট নিশিকিকোজি, যাদের ওয়াকোডন (জাপানিজ রাইস – সাথে চিকেন, ডিম, পেঁয়াজ ইত্যাদি দিয়ে সয়া সসের সাথে বানানো ডিশ) এবং নিশিন সোবা (আটা দিয়ে বানানো খুব সরু সরু নুডলস্‌ এবং তার থেকে বানানো ডিশ) – খুব বিখ্যাত ডিশ। বিখ্যাত জাপানিজ পটরি-র দোকান টুয়ান নিশিকিকোইজিটেন।

    যদি আপনি খাবার এবং বাজার ভালোবাসেন, তাহলে এখানে ঘুরতে ঘুরতে আপনি আচ্ছন্ন হয়ে যাবেন। অনেক দোকানের সামনে দেখবেন, চাখার জন্য স্যাম্পেল রাখা আছে – ইচ্ছেমত ট্রাই করে যেতে পারেন। খুব ছোট ছোট কিছু রেস্টুরান্ট আছে, যারা দুই-একটা টেবিল বা বসার টুল নিয়ে স্পেশালিটি কিছু খাবার বিক্রি করছে। এখানে খাবার পাওয়ার জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে না। ইচ্ছে হলে চট করে খেয়ে নিন – কিন্তু একটা ব্যাপার মনে রাখবেন – জাপানে খেতে খেতে হাঁটা-কে ব্যাড ম্যানারস্‌ হিসাবে ধরা হয়।

    এই নিশিকি মার্কেট সাধারণত সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যে ছয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মূলত দিনের বেলাতেই এই মার্কেটের মূল বেচাকেনা। কাছাকাছি ঘুরতে ঘুরতে এখানে ঢুকে লাঞ্চ সেরে নেওয়াটা খুবই জনপ্রিয় টুরিস্টদের মধ্যে। প্রচুর দোকান এখানে আছে, যারা বংশ-পরম্পরায় এখানে ব্যবসা করে আসছে আর তার সাথে আজকাল যুক্ত হচ্ছে নানা নতুন ধরণের দোকান যাদের মূল টার্গেট হচ্ছে টুরিস্টরা।


    এখানে খাওয়া নিয়ে আগেই উল্লেখ করেছি – আপনি যদি পুরোপুরি লাঞ্চ করতে না-ও চান, তাহলে নানা ধরণের স্ন্যাকস খেয়েই কাটাতে পারেন। কিছু কিছু খাবার আপনার চেনা হবে – হয়তো বেশির ভাগই অচেনা। এই মার্কেটের মাস্ট-ট্রাই খাবার বললে এই খাবারগুলোর কথা মনে চলে আসে –
    •টাকো টামাগো – বেবি অক্টোপাস দিয়ে বানানো একটা ডিশ। অক্টোপাস-এর ভিতরে কোয়েলের ডিম স্টাফিং করা থাকে।
    •সিসামি ডাম্পলিং – ছোট ছোট বলের মত দেখতে, মিষ্টি, নোনতা বা চিজের অপশন থাকে। কালো সিসামি (তিল) দিয়ে এদের ফ্লেভার করা থাকে।
    •জাপানিজ ফিশ কেক – ফিশ কেক আমার খুব প্রিয়। সাউথ ইস্ট এশিয়ার অনেক জায়গাতেই এগুলো জনপ্রিয়। আমাদের কাটলেটের মত অনেকটা।
    •চাইনিজ ডাম্পলিং – এটা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আমাদের অনেকে একে মোমো বলে চালাই – কিন্তু চাইনিজ ডাম্পলিং-এর স্বাদ আমার কাছে আরো বেশি আকর্ষণীয়।
    •জাপানিজ মিষ্টি – মোচি: মোচি হল এক ধরণের স্টিকি রাইস দিয়ে তৈরি মিষ্টি – আমার খুব প্রিয়।


    এ তো গেল দাঁড়িয়ে খাওয়ার কথা – যদি কিছু কিনে নিয়ে বাড়ি ফিরতে চান, তাহলে ওই পিকলড্‌ ভেজিটেবলের কথা আগেই লিখেছি। আর আছে – ফ্রেশ টফু (যদিও এটা প্লেনে করে নিয়ে আসা চাপের – বা দরকারও নেই তেমন), আছে কিয়োয়াসাই সবজি – এগুলো হচ্ছে কিয়োটোর স্পেশাল সবজি, বলে নাকি প্রায় ৪১ রকমের স্পেশাল সবজি পাওয়া যায় এখানে; আছে ওয়াগাসি নামে জাপানি মিষ্টি বা শুঁটকি মাছ – এখানে শুকনো সার্ডিন মাছ (নিবোসি) এবং শুকনো ছোট চিংড়ি (সাকুরা এবি) খুব জনপ্রিয়।


     

  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ২১ অক্টোবর ২০২১ | ৬৯৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:f571:59e5:178a:dbd4 | ০৭ অক্টোবর ২০২১ ১৩:৫৩499268
  • আজ সাতুই অক্টোবর ২০২১
    • চাষার ভোজন দর্শন – ১৬শ

      সুকান্ত ঘোষ
      খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ১৪ অক্টোবর ২০২১ |
  • kk | 68.184.245.97 | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২০:৩৩499961
  • আমি এই সিরিজের লেখাগুলোর জন্য অপেক্ষা করে থাকি। এই পর্ব ভালো লাগলো। সুশি নিয়ে বিশদ পর্বটার জন্য আগ্রহ নিয়ে বসে রইলাম।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২১ অক্টোবর ২০২১ ২১:২৪499965
  • খুব ভালো লাগে এই দেশটার ভদ্রতা আর পরিচ্ছন্নতা। সব খাবার হয়তো বাঙালি রুচির সাথে ততটা যায় না, তবু খাবার গুলোর মধ্যে ভীষণ ফ্রেশনেস আর ইউনিক নেস আছে।
     
    র‍্যামেন নিয়েও একটা অংশ চাই, জাপানি খাবারের ওপর পরের কোনো পর্বে ।
  • বিপ্লব রহমান | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০৮:১১500018
  • সুন্দরের কাছে আত্মসমর্পণ করা একটি জাতি। জাপানের রাইস ওয়াইন নিয়ে দুকথা লিখলে পারতেন 
  • সম্বিৎ | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩৫500021
  • এই পর্বটা বিশেষ ভাল্লাগলো। সুশির জন্যে বসে আছি।
  • Amit | 121.200.237.26 | ২২ অক্টোবর ২০২১ ১১:০৯500032
  • জাপানি খাবার বেশি খাইনি কোথাও , এক ছোটোখাটো স্টলের সুশি ছাড়া। রেস্তোরা গুলোতে এতো সুন্দর করে সাজানো থাকে যে ছবি দেখেই মন ভরে  যায়। ট্রাই করতে হবে। 
  • সুকি | 117.214.46.38 | ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১৮:০২500115
  • সবাইকে ধন্যবাদ। সুসি নিয়ে লিখতে তো হবেই একদিন। সুসি খাওয়ার এমনি ক্রেজ, চেনা জানা বন্ধু/কলিগদের টোকিও ল্যান্ড করে হোটেলে চেক ইন না করে সেই বিখ্যাত মাছের বাজার সুকিজি তে ছুটতে দেখেছি! 
  • r2h | 2405:201:8005:9947:3df3:7708:7dc1:ee3d | ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১৮:২৪500117
  • বিপ্লবদা, লাঙ্গি চেখেছেন? চট্টগ্রামের পাহাড় অঞ্চলে যাওয়া আসা, জুমিয়া জীবনের সঙ্গে আপনার পরিচয় আছে বলে জিজ্ঞেস করলাম।
     
    • বিপ্লব রহমান | ২২ অক্টোবর ২০২১ ০৮:১১500018
    • ...জাপানের রাইস ওয়াইন নিয়ে দুকথা লিখলে পারতেন 
  • Tim | 2603:6010:a920:3c00:6d65:f562:d575:6d81 | ২৩ অক্টোবর ২০২১ ১৮:৩৩500118
  • ভালো লাগলো, যদিও সুকির লেখা সম্পর্কে সেটা নতুন না। 
    মাছের বাজারের নাম সুকিজি? :-)
  • :|: | 174.255.131.132 | ২৩ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৩০500131
  • উনিজির মতো সুকিজি। গামছা সুকানের চেয়ে অনেক ভালো নাম। একটা আন্তৰ্জাতিক ছোঁয়া আছে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন