• বুলবুলভাজা  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • চাষার ভোজন দর্শন – ১৪শ

    সুকান্ত ঘোষ
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (৪ জন)

  • মালয়েশিয়ার সি-ফুড

    মালয়েশিয়ার সমুদ্রের ধারের শহরগুলিতে যদি আপনি বেড়াতে যান, তা সে পেনাং, লাঙ্কাভি, কোটা-কিনাবালু বা মিরি যাই হোক না কেন, তাহলে সেখান থেকে সি-ফুড ট্রাই না করে ফেরা প্রায় অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। এবার যদি আপনি বলেন, ভাই আমি সি-ফুড ভালোবাসি না বা খাই না, তাহলে সেটা অন্য ব্যাপার।

    রয়টার্স নাকি ২০১২ সালে ইংল্যান্ডের পর্যটকদের মধ্যে একটা সার্ভে করেছিল, যেখানে তাদের বেছে নিতে বলা হয়েছিল পৃথিবীর – স্ট্রিট-ফুডের জন্য বিখ্যাত – শহরগুলিকে। তার মধ্যে মালয়েশিয়ার পেনাং আসে তৃতীয় স্থানে। ইন্টারেস্টিংলি, প্রথম দু’টি জায়গাও এই এশিয়ার শহরই দখল করেছে – প্রথম স্থানে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্কক এবং দ্বিতীয় স্থানে সিঙ্গাপুর। ষষ্ঠ স্থানে আছে ভিয়েতনামের হো-চি-মিন সিটি। সত্যি কথা বলতে কি, এই র‍্যাঙ্কিং নিয়ে বিশেষ দ্বিমত হবার চান্স নেই – এশিয়ার যে শহরগুলির নাম করা হয়েছে, তাদের স্ট্রিট-ফুড সত্যিই অসাধারণ। তবে আমাকে বললে, আমি হয়তো সিঙ্গাপুরের জায়গায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরকে রাখতাম। আর প্রথম দশটি স্থানে যেখানে ঠাঁই নিতে পেরেছে এশিয়ার চারটি শহর, তাই একথা মেনে নিতে কোনো বাধা নেই, যে স্ট্রিট-ফুডের স্বর্গ হল এই এশিয়ার নানা শহর। আবার এই স্ট্রিট-ফুডের মধ্যে যদি আপনি স্ট্রিট-সি-ফুডের দিকে নজর দেন, তাহলে তো সোনায় সোহাগা যাকে বলে!

    মালয়েশিয়ার পর্যটনের বিজ্ঞাপনে লেখা হয় – “মালয়েশিয়া – ট্রুলি এশিয়া”। এই ট্যাগলাইনটা যে শুধু মালয়েশিয়া ভ্রমণের জন্য প্রযোজ্য তা নয় – বরং এটা আরো বেশি করে সত্যি মালয়েশিয়ার খাবারের ক্ষেত্রে। কারণ মালয়েশিয়ার ক্যুজিন প্রধানত তিনটি দেশের সংস্কৃতির সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছে – মালয়, চাইনিজ এবং ভারতীয়। আর তাছাড়া, সুস্পষ্ট প্রভাব আছে ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ডেরও। মালয়েশিয়ার খাবারের উপর এই সব প্রতিবেশী দেশগুলির প্রভাব একদিনে গড়ে ওঠেনি – বরং এই প্রভাব এসেছে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নানা দেশের সংস্কৃতির মিশ্রণের মাধ্যমে। এই মিশ্রণকে ঠিক ওই ‘ফিউশন’ ডিশ্‌-গুলির সাথে তুলনা করা যাবে না – কারণ নানা দেশের খাবারের মিশ্রণ ঘটিয়ে নতুন কিছু করার জন্য একদিনে সৃষ্টি হয় নি মালয়েশিয়ান ক্যুজিন। বরং দীর্ঘদিনের সহবস্থানের ফলে হয়তো বা মালয়েশিয়ান খাবার অজান্তেই হয়ে উঠেছে অন্য দেশের প্রভাবে সম্পৃক্ত। এই কারণেই আজকের মালয়েশিয়ায় অনেক খাবার পাওয়া যাবে আর যেগুলি মালয়েশিয়ান বলে পরিচিত, সেগুলির অনেককেই পাওয়া যাবে অন্য দেশে। কিন্তু তাদের নামগুলি হয়তো পালটে গেছে বা স্বাদে তারা পরিবর্তিত হয়ে গেছে মালয়েশিয়ায়।

    মালয়েশিয়ার সমুদ্র তীরবর্তী সব শহরেরই সমুদ্রের ধারে পেয়ে যাবেন আপনি স্ট্রিট-ফুড বা হকার-ফুড, যা সত্যিকারের প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে সন্ধ্যে নামার পর। প্রায় সারি দিয়ে বিচের ধার ঘেঁসে আপনি অসংখ্য ফুড-স্টল পেয়ে যাবেন। অনেকে লাইভ বারবিকিউ করছে দেখতে পাবেন। খুবই সিম্পল ব্যাপার – সাধারণ টেবিল একদম সার দিয়ে বসানো, তাতে প্লাস্টিকের টেবিল ক্লথ দেওয়া। যাতে তাড়াতাড়ি টেবিলের টার্ন-ওভার হয় – আপনার খাওয়া শেষ হল, টেবিল ক্লথ পাল্টাবার কোন চাপ নেই। কেউ এসে প্লেট উঠিয়ে নিয়ে ঝটপট করে মুছে দিল টেবিল – আপনি বসে পড়লেন। প্লেট-ও খুব সিম্পল। আপনাকে একটা প্লেট দিয়ে যাবে – বেশির ভাগ সময়েই এগুলো প্লাস্টিকের – আর সাথে দেবে ন্যাপকিনে জড়ানো একটা চামচ এবং কাঁটাচামচ।


    মনোমতো স্টল দেখে বসে যান। প্রায় সব খাবারই ফ্রেস বানানো, তাই ওই সব নিয়ে বেশি চিন্তা করতে হবে না আপনাকে। এখানকার প্রধান আকর্ষণই হল পাশের সমুদ্র থেকে ধরা ‘সি-ফুড’! মেনু এদের বেশি নয় – মাত্র একটা কার্ডের একপাশে ধরে যায়। ড্রিঙ্কস আর খাবার অর্ডার করে দিন – অন্য বড় রেস্টুরান্টের মত এখানে বেশিক্ষণ বসে থাকতে হবে না – ড্রিঙ্কস শেষ করেছেন কি, চলে আসবে মেন-ডিশ। পুরো হাত চালিয়ে খেয়ে নিন এবার।


  • অবশ্য সমুদ্রের ধারে ফ্যান্সি রেস্টুরান্ট নেই এমন নয় – সেখানেও যেতে পারেন। হানিমুন ট্রিপে বা রোমান্টিক ব্যাপার-স্যাপারে ফোকাস করতে পারেন সেই সব রেস্টুরান্টে। রেস্টুরান্টে ঢোকার আগে দেখবেন বিশাল বিশাল ট্যাঙ্কে নানাবিধ সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া ইত্যাদি ছাড়া আছে। নিজের ইচ্ছেমতো বেছে নিতে পারেন – আপনার চাহিদা মতই খাবার বানিয়ে দেবে ওরা তাই দিয়ে। যেমন ঝাল, তেমন মশলা। এই ট্যাঙ্কে রাখা লবস্টারগুলোর কিছু, বিশাল সাইজের হয়। অনেকেই দেখেছি তার মধ্যে থেকে পছন্দ করে, সেই লবস্টার হাতে নিয়ে রীতিমত ফটোশ্যুট করে তবে সেটার খাবার বানানোর জন্য হ্যান্ড-ওভার করে। এমন ইচ্ছে অবশ্য আমার কোনোদিন হয়নি – ট্যাঙ্ক থেকে পছন্দ করে লবস্টার বা অন্য কিছু নিয়েছি, তারা জানতে চেয়েছে, “স্যার, স্পেশাল কিছু ইনস্ট্রাকশন?”। আমি বলেছি, “হ্যাঁ – খাবার জলদি আনো”। রেস্টুরান্টে আশেপাশে সবাই হাপুস-হুপুস খাচ্ছে আর আপনি ওয়েট করছেন কখন খাবার আসবে, বারবার কিচেনের দরজার দিকে তাকাচ্ছেন – এর থেকে বড় যন্ত্রণার আর কিছু হতে পারে না!

    তা মালয়েশিয়ায় এমন সি-ফুড খেতে যে দুটো ডিশ মিস করা উচিত নয়, তারা হল ‘চিলি ক্র্যাব’ (সোজা বাংলায় কাঁকড়ার ঝাল) আর বাটার বেস (সাথে গার্লিক, লেমন আরো কি সব থাকে) দিয়ে লবস্টার।


    সিঙ্গাপুরেও এই চিলি ক্র্যাব খুব জনপ্রিয় – তবে মালয়েশিয়ার সাথে সিঙ্গাপুরের এই রান্নার মূল পার্থক্য হচ্ছে, সিঙ্গাপুরে চিলি ক্র্যাব রান্না করা হয় ট্যামেটো-বেসড সস দিয়ে, আর মালয়েশিয়ার ট্র্যাডিশনাল চিলি ক্র্যাব বানানো হয় তেঁতুলের জুস, সয়াবিন পেস্ট ইত্যাদি দিয়ে। তবে এটাও ঠিক, যে আজকাল উভয় জায়গাতেই দুই ধরণেরই জিনিস পাওয়া যায় ঠিকমতো খুঁজলে।

    চিলি ক্র্যাব বানাতে সাধারণত ব্যবহার করা হয় ‘গ্রিন মাড ক্র্যাব’ – তবে এই জিনিস না পেলে, হাতের কাছে অন্য কাঁকড়া থাকলে, তাই দিয়েও চলবে। তবে বুঝতেই পারছেন, এই যা জিনিস বানাবেন, তার জন্য কাঁকড়ায় যেন মাংস থাকে সেটা দেখতে হবে। স্লিম-বডি কাঁকড়া এই কাজে অচল – সবচেয়ে ভালো হয় মিনিমাম ১ কিলো সাইজের কাঁকড়া নিলে। আর এই রান্নায় অন্য উপাদানের মধ্যে আছে – চিলি সস, সয়া সস, রাইস-ভিনিগার, টম্যাটো কেচাপ বা তেঁতুলের জ্যুস – যেটা আপনার পছন্দ, রসুন, আদা ইত্যাদি। এর পরের পদ্ধতি তেমন কিছু জটিল নয় – আমাদের ভারতীয় রান্নার মতই। কাঁকড়া ছাড়িয়ে নেবেন প্রথমে – কড়াইয়ে তেল দিয়ে এই সব মশলা হালকা ভেজে তুলে নিয়ে পেস্ট বানিয়ে নেবেন – এবার কাঁকড়া তেলে ভেজে সেই পেস্ট দিয়ে আবার রান্না – বুঝতেই পারছেন কি করতে হবে – ঠিক মত সেই কাঁকড়াকে বাগে আনতে পারলে তার স্বাদ স্বর্গীয়। কাঁকড়া খাওয়ার প্রবলেম একটাই – বড় ঝকমারি খেতে গিয়ে – হাত লাগিয়ে, একদম হাত-মুখ মাখামাখি হয়ে যাওয়ার অবস্থা। তাই কাঁকড়া খেতে যাওয়ার সময় ব্যাপারটা খেয়াল রাখবেন – বেশি ফ্যান্সি ড্রেস পরে বা মেকাপ লাগিয়ে কাঁকড়া অভিযানে না নামাই ভালো!


    তবে লবস্টার খেতে গিয়ে অত প্রবলেম নেই – ওরা ঠিকঠাক সাইজ করেই দেবে আপনাকে, ফর্ক আর স্পুন দিয়েই ম্যানেজ করে নেওয়া যায়। মালয়েশিয়ায় বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অনেক জায়গায় ফর্ক-স্পুনের সাথে নাইফটা মাস্ট নয় – দরকার হলে চেয়ে নিন। লবস্টার নানা ধরণের সস-বেসড আপনি পেতে পারেন, তবে আমার মতে বেশি মশলাদার সস-এ না যাওয়াই ভালো – লবস্টার-মাংসের টেস্ট ঢেকে দেয়। বাটার বেসড কিছু একটা সস ট্রাই করতে পারেন।
    তবে বলি কি, এত বেশি ভেবে লাভ নেই, একাধিক দিন থাকলে একাধিক ডিশ ট্রাই করুন নিত্য নতুন – নিজের মতামত গড়ে তুলুন, স্বাদের ব্যাপারে নিজের জিহ্বাই শেষ রায় দেবে
  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (৪ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | 203.0.3.2 | ০১ অক্টোবর ২০২১ ০৩:০৭498899
  • এইটা দারুন লাগলো পড়ে। সত্যি এই দেশগুলোতে স্ট্রিট ফুডস বিশেষ করে সিফুড জাস্ট অসাধারণ। আর স্ট্রিট ফুড স্টলগুলোও বেশ ভালো মত পরিষ্কার আর হাইজিনিক আর দাম বেশ ভালোই সস্তা ওখানের তুলনা করলে। ওই জন্যেই হয়তো দেখতাম ​​​​​​​বেশির ভাগ ​​​​​​​লোকাল ​​​​​​​কলিগ ​​​​​​​গুলো ​​​​​​​বাড়িতে ​​​​​​​রান্না ​​​​​​​করতোই না ​​​​​​​নেহাত ​​​​​​​দরকার ​​​​​​​না ​​​​​​​পড়লে। 
     
    এসব দেশে  এ বেশ কয়েকটা জায়গায় দেখেছি কাঁকড়া খেতে গেলে প্লেটের সাথে একখান করে ছোট হাতুড়ি বা প্লায়ার্স দিতো শেল ভাঙার জন্যে । খেতে বসে বৌ বা গার্লফ্রেন্ড র সাথে ঝগড়া হলে বেশ চাপের ব্যাপার কিন্তু। আর মাথায় টাক থাকলে ডবল চাপ। :) :) 
  • বিপ্লব রহমান | ০১ অক্টোবর ২০২১ ০৭:২৮498901
  • চিলি ক্র্যাব এপারে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ঘেঁষে রেঁস্তোরাগুলোতে খুব পাওয়া যায়। গলদা চিংড়ি, রূপচাঁদা, ভেটকি তো বটেই। 
     
    এখন ঢাকার সুপার শপেও কাঁকড়া বিক্রি করছে। ছোট মত অক্টোপাসও পাওয়া যায়। 
     
    অমিতের কাঁকড়ার দাঁড়া ভাঙ্গার জন্য প্লায়ার্সের আইডিয়া দারুণ! 
     
    বান্দরবানের রোয়াংছড়ির পাহাড়ে বম আদিবাসী গ্রামে শামুক সেদ্ধ খেতে দিয়েছিল, সঙ্গে একটি সজারুর কাঁটা। ওই কাঁটা দিয়ে খুঁচিয়ে শামুকের মাংস বের করে খেতে হয়, ছোট শামুকগুলো চুষলেই মাংস বের হয়ে আসে, কায়দা আছে। :))
  • সুকি | 49.207.197.122 | ০২ অক্টোবর ২০২১ ০৮:৩৯498966
  • অমিতাভদা, একদম। সাউথ ইষ্ট দেশগুলোতে স্ট্রীট ফুড দারুন। বেশ বেশ পরিষ্কার, খুব তাড়াতাড়ি দেয় - কুয়ালালামপুরের মত ব্যস্ত শহরে অফিস আওয়ার্সে কি তাড়াতাড়ি খাবার সার্ভ করে। এবং সবই যে অস্বাস্থ্যকর এমনও নয়। তাই অনেকেই বাড়িতে রান্না করে না - বিশেষ করে কম বয়সীরা - 
     
    বিপ্লবঃ হ্যাঁ, আমাদের দেশের দীঘা বা সমুদ্রের আশেপাশে সী-ফুড স্টল আছে, নানা মাছ ভাজা ইত্যাদি দেয়। তবে কাঁকড়া রেঁধে বিক্রী করতে খুব একটা দেখি নি। কিন্তু পাশের যে হোটেল গুলো আছে থাকার - সেখানে কিনে দিলে তারা রান্না করে দেবে এমন জনপ্রিয় ব্যবস্থা আছে।
    আর হ্যাঁ, এই শামুক খাবার ব্যাপারটা কিন্তু সব জায়গাতেই কাঁটা দিয়েই টেনে বের করার ব্যবস্থা আছে। ফ্রেঞ্চ ডিস এসকার্গো তো খুবই বিখ্যাত। লিখছি সামনে একদিন এই নিয়ে । 
  • dc | 122.178.50.134 | ০২ অক্টোবর ২০২১ ০৯:০১498968
  • সিফুড আমার খুব প্রিয়। সুকির লেখা তো খুব ভালো হয়ই, তার সাথে খাবারের ছবিগুলোও অসাধারন হয়। সকাল সকাল এক গামলা জিভের জল ঝরিয়ে ফেললাম :-)
  • Mousumi Banerjee | ০৭ অক্টোবর ২০২১ ২০:৫৫499280
  • লেখা খুব ভালো লাগল। লেখা ও ছবি দুইই লোভী বানিয়ে ছাড়ল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন