• বুলবুলভাজা  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • চাষার ভোজন দর্শন – ১৩শ

    সুকান্ত ঘোষ
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৫৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)

  • রাজকীয় ভুরিভোজ

    কয়েকবছর আগের কথা, আমার এক মালয়েশিয়ান বান্ধবী ভারত বেড়াতে এসেছিল। ভারতে ভ্রমণ-সংক্রান্ত জ্ঞান, আমার থেকে, আমাদের ডিপার্টমেন্টের আর একজন ভারতীয় ছিল – তার বেশি বলে, তাকেই বলেছিলাম হেল্প করতে প্ল্যানিং-এ। খুব বেশি দিন ছুটি ছিল না ওদের হাতে, আর ওরা তাজমহল দেখতে চায়। ফলে, সবাই যেটা করে – ওই গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল রুটের আশেপাশেই প্ল্যান করেছিল, একটু এদিক-ওদিক করে নিয়ে। কলকাতা থেকে ট্রিপ শুরু করেছিল – দিল্লি, আগ্রা, জয়পুর এবং রাজস্থানের আরও কিছু জায়গা ঘুরে ভারত-ভ্রমণ শেষ হয় তাদের সেই বারে। যখন সেই বান্ধবী ফিরে গেল, জিজ্ঞেস করলাম – কি রে, কেমন লাগল ভারত? প্রথম উত্তর হল, প্রচুর শপিং করেছি শাড়ি! আমি অবাক – কারণ শাড়ি এরা পরে না, যদিও ভারতীয় কালচারের শাড়ির সাথে এদের চেনা জানা আছে। উত্তর শুনে বুঝলাম, যে শাড়ির রঙ এবং বাহার দেখে এত বেশি ভালো লেগে গেছে, যে কি করবে সেটা নিয়ে ভাবেনি – কিনে ফেলেছে ব্যাগ ভরে। মালুম হল, যে এ মূলত শাড়িগুলোকে ফ্যাব্রিক হিসাবে ব্যবহার করবে – মানে সেই কাপড় দিয়ে নিজের ইচ্ছেমত ডিজাইনার পোষাক বানাবে নিজের জন্য। কোথা থেকে শাড়ি কিনলি জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম, তিনি কলকাতার নিউমার্কেট এবং গড়িয়াহাট চত্বরের দোকানগুলিতে দু’দিন ঘুরে ঘুরে এসব কাজ সেরেছেন। আর ভারতের অন্য কোনো জায়গার শাড়ি কিনিসনি? তখন আমাকে জানানো হল, আর বাদবাকি সব শাড়ি তিনি কিনেছেন জয়পুর থেকে। এমনিতে এরা লাইট-ট্রাভেল পছন্দ করে, অর্থাৎ খুব বেশি বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে ঘোরাঘুরি নয় আর কি। তাই ভ্রমণের শেষের দু’দিন শপিং-এর জন্য রেখে দিয়েছিল। কিন্তু ভারতে বেড়াতে গিয়ে কনসেপ্ট কিছু চেঞ্জ করতে হয় তাকে, কারণ আমাদের দেশ সাংস্কৃতিকভাবে এতই ডাইভার্স, যে প্রত্যেক প্রদেশের শ্যুভেনিরে সেই জায়গার নিজস্ব সিগনেচার আছে। জয়পুরের জিনিসের সাথে তো কলকাতার জিনিস মিলবে না – বা ভাইস ভার্সা। এই জিনিস টের পেয়ে সেই মেয়ে জয়পুরেও প্রচুর শাড়ি বা রাজস্থানি রংচঙে ফ্যাব্রিক কিনেছে।

    জয়পুর আমার এক খুব প্রিয় শহর, তাই সেই বান্ধবীর সাথে অনেক গল্প হল – কেমন এনজয় করেছে। সে নিয়ে অন্য একদিন লিখব না হয়। তবে গল্প করার মাঝে কয়েকবার বলল, রাতে নাকি খেয়েছে চক-দানি নামে কি একটা জায়গায়, খুব এনজয় করেছে সেই এক্সপিরিয়েন্স। আমি তো বুঝতে পারলাম না – তাই সেই ভারতীয় টিম মেম্বারটাকে জিজ্ঞেস করলাম, চক-দানি কি, কারণ সে-ই রেকমেন্ড করেছিল বান্ধবীটিকে। ভারতীয় কলিগের কাছে জানলাম, ওটা চক-দানি নয়, ‘চোকি ধানি’ রিসর্ট জয়পুরের!


    এতক্ষণ যে গৌরচন্দ্রিকা করলাম, সেটা ওই ‘চোকি ধানি’ জায়গাটার জন্য। বছর-দুয়েক আগে আমি আর আমার নেদারল্যান্ডস-এর ডাচ বন্ধু টম জয়পুর যাই একটা কনফারেন্স অ্যাটেন্ড করতে। টমের সাথে গত চোদ্দ বছরে পৃথিবীর নানা দেশে ঘুরেছি অফিসের কাজে। আমার অন্য বেশিরভাগ বিদেশি বন্ধুদের মশলাদার ভারতীয় খাবার খেতে সমস্যা হয় – বেশি ঝাল-ঝোল না হলে কিন্তু থালা চেটেপুটে খায়। আমার গ্রামের বাড়িতে এরা অনেকে এলে, মায়ের হাতের নিরামিষ রান্না এদের সবচেয়ে পছন্দের ছিল। কিন্তু টম এদের থেকে আলাদা – মশলাদার খাবারের টলারেন্সে। বললে বিশ্বাস করবেন না, আমার থেকে বেশি মশলাদার এবং ঝাল খেতে পারে টম। আমস্টারডামে মাঝে মাঝেই ভারতীয় রেস্টুরান্ট-এ খেতে যেতাম আমি আর টম। সেন্ট্রাল স্টেশনের কাছে ‘রঙ্গোলি’ নামক একটা সাউথ ইন্ডিয়ান রেস্টুরান্ট আছে, সেখানে গিয়ে প্রথমবার ধোসা খেয়ে তো টম ফিদা। কিন্তু তখনকার দামে প্রায় ১২০০ টাকা দিয়ে ধোসা খাওয়ার আমার একদমই ইচ্ছা হত না – ওভার প্রাইসড ধোসা, তা সে যতই ডেলিকেসি বলে চালাবার চেষ্টা করুক না কেন! কিন্তু টমের পাল্লায় পড়ে মাঝেমাঝেই রঙ্গোলি-তে ধোসা খেতে যেতাম। অন্য কিছু – কারি জাতীয় – খেলে, কম ঝাল দিতে বলতাম, তবে টমের জন্য নয়, আমার জন্য!

    যাঁরা ভারতীয় কনফারেন্স অ্যাটেন্ড করতে যান, তাঁরা নিশ্চয়ই জানেন – আমাদের দেশের খাওয়া-দাওয়া কিন্তু বিশাল হয়। অন্য দেশে যেখানে কনফারেন্সে একদিন-মাত্র ডিনার (তা-ও কুপন কেটে) আর দুপুরে শুকনো স্যান্ডউইচ হয়তো দিন-দুই (বাকিটা তোমার নিজের), সেখানে আমাদের ভারতীয় কনফারেন্সে রোজ লাঞ্চ এবং ডিনারে চর্ব্য-চোষ্য খাওয়া! আমার তো দারুণ লাগে – প্রথম ভারতীয় কনফারেন্সে এসে টম অবাক এত খাওয়া দেখে! আমাকে জিজ্ঞেস করল – এত খাবার? আমি বললাম – বটেই তো! তা না হলে, লোকে কনফারেন্সে আর আসবে কেন! বিস্ময়ে মাথা নাড়তে নাড়তে টম খেতে থাকল প্লেট ভরা খাবার নিয়ে – এবং প্রত্যেক বারের মতই আমার থেকেও বেশি খেল। আমাকে তারপর শোনাল নেদারল্যান্ডস-এ ওদের ইউনিভার্সিটি বা ইন জেনারেল ডাচ কনফারেন্সের দুঃখের কথা। বলল, তুই তো জানিসই ডাচেরা কেমন কৃপণ, কিচ্ছু দেয় না খেতে কনফারেন্সে, ম্যাক্সিমাম স্যান্ডউইচ।

    কনফারেন্সে এমন জবরদস্ত লাঞ্চ হলে, তার নেগেটিভ দিক হচ্ছে, লাঞ্চের পরের টকগুলোতে খুব কম লোক হাজির হবে। যারা হাজির হবে, তারাও অনেকে ঢুলবে! আমাকে দু’একবার কোন কোন সেশনের চেয়ারম্যান হতে হয়েছিল, তাই স্টেজ থেকে একদম সামনা-সামনি দেখি অডিয়েন্স কেমন ঢুলছে! আর যদি কোনো সরকারি কোম্পানির বড় কর্তা টক দেয়, তো রুম ভরে যাবে – সেই ভরা রুমে লোকে ঢেকুর তুলছে, কেউ নিঃশব্দে বাতকর্ম করে দিল ধরুন – মাটন রোগান জুসের ঢেকুর বা পাদের গন্ধ কি আর রুম ফ্রেশনার দিয়ে আটকানো যায়!


    যাই হোক, কনফারেন্স শেষের আগের দিন রাতে বললাম টমকে, যে চল আজকে আর কনফারেন্সের ডিনার না খেয়ে স্থানীয় রাজস্থানি খাবার ট্রাই করি! টম একপায়ে খাড়া – যে কোনো রকম ভারতীয় খাবার খেতেই সে প্রস্তুত! আমি চাইছিলাম একটা ভালো রেস্টুরান্ট, যেখানে রাজস্থানি অ্যাম্বিয়েন্স থাকবে। গুগুল সার্চ করতে গিয়ে অবাক! প্রথমেই এল ‘চোকি ধানি’-র নাম। আমি বুঝতেই পারিনি, যে আমরা যে হোটেলে ছিলাম এবং যেখানে কনফারেন্স হচ্ছিল (জয়পুর কনভেনশন সেন্টার), সেখান থেকে হাঁটা পথে মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই চোকি ধানি। আমার সেই মালয়েশিয়ান বান্ধবীর কথা মনে এসে গেল – আমি নিজেও আগে কোনদিন চোকি-ধানি যাইনি, কিন্তু ভাবলাম এক বিদেশির যখন ভালো লেগেছে, অন্য বিদেশির কি আর খারাপ লাগবে!

  • তো সেদিন সন্ধ্যেয় হাজির হলাম চোকি ধানি তে। আপনারা তো অনেকেই গেছেন চোকি ধানিতে আশা করি। কারণ যা বুঝলাম, এটা বেশ একটা টুরিস্টিক জায়গা! তবুও, যাঁরা যাননি, তাদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি – এই চোকি ধানি এক বিশাল এলাকা নিয়ে রিসর্ট। এখানে আপনি চাইলে থাকতে পারেন – রয়্যাল কটেজ, লাক্সারি সুইট, কনফারেন্স হল, মাল্টি-ক্যুজিন রেস্টুরান্ট, আউটডোর বারবিকিউ, বার, ডিস্কোথেক, ব্যাঙ্কোয়েট হল – সব আছে। কিন্তু সন্ধ্যের দিকে ভিড় দেখে বুঝতে পারবেন, যত লোক না এখানে থাকে, তার থেকেও অনেক বেশি লোক এখানে ডিনার করতে আসে।

    অনেক রেস্টুরান্ট আছে এখানে – বিন্দোলা রেস্টুরান্ট, যেটা বৃত্তাকার লাক্সারি ডাইনিং, রাজস্থানি পেন্টিং ইত্যাদি দিয়ে সাজানো; আরোগোসা রেস্টুরান্ট – রাজস্থানি হেরিটেজ টাইপের, দেওয়ালের কাজকর্ম চোখে দেখার মত। আরোগোসা মানে নাকি ‘দয়া করে খান’! কি ভাষায় কে জানে, হবে হয়তো রাজস্থানি! এ ছাড়া আছে সাজন গথ রেস্টুরান্ট – মাল্টি ক্যুজিন, আছে চাঁদি মহল বার, আছে কেশর কায়েরি যেখানে বারবিকিউ ইত্যাদি হয়, আউটডোর ডাইনিং এখানে। আছে স্থানীয় রাজস্থানি স্টাইলে ডাইনিং – মানে ওই বাবু হয়ে বসে, সামনের একটু ডেস্কের মত উঁচু টেবিলে বসে খাওয়া যেটা। আছে রয়্যাল ফাইন ডাইনিং – অর্থ শুনেই বুঝতে পারছেন যে রাজার মত ট্রিট করা হবে এখানে।


    ইচ্ছে ছিল টম-কে নিয়ে র‍্যয়াল ফাইন ডাইনিং করব। কিন্তু আমার মত টম-ও খাবার সময় বেশি কেত পছন্দ করে না। আমরা বুঝতে পারছিলাম না, যে এখানে ঢুকলে কি হবে – দু’জনেই শর্টস পরে আছি, খুব খিদে পেয়ে গেছে। রাজাদের মত কেত করতে গিয়ে খাবার হাতছাড়া করতে দুজনেই কেউই রাজি হলাম না। সন্ধ্যেবেলায় এখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ব্যুফে ডিনার। দুই বা তিন রকমের ব্যুফে প্রাইস আছে – সব থেকে জনপ্রিয় মনে হল ট্র্যাডিশনাল মাটিতে বসে খাওয়া। কিন্তু টম আবার মাটিতে বাবু হয়ে বসতে পারবে না। তাই আমি চ্যুজ করলাম সবচেয়ে দামি যে ব্যুফেটা ছিল সেদিন – চৌপল রেস্টুরান্টে। এটা সবচেয়ে ইনফর্মাল – লোহার টেবিল চেয়ার – বসে বসে গল্প করা যাবে আউটডোর ডাইনিং। ব্যস, আর কি চাই! পার হেড ১১০০ না ১২০০ কত টাকা করে নিয়েছিল, ঠিক মনে পড়ছে না। এখানে টাকার কথাটা উল্লেখ করলাম, কারণ একটা বেশ মজার ব্যাপার হল এই নিয়ে। বলছি সেটা পরে।


    চোকি-ধানি রিসর্ট কিন্তু রাতের বেলায় বেশ জেগে ওঠে। এটাকে আপনি ধরতে পারেন মিনিয়েচার রাজস্থান – রাজস্থানের সব কালচারাল দিকগুলো তুলে ধরেছে। ব্যুফের টিকিট দেখিয়ে আপনি ঢুকে গেলেন, আলাদা করে আর টিকিট লাগবে না। অনেক রাজস্থানি পারফর্মেন্স হচ্ছে, উট ইত্যাদি রয়েছে। মানে রাজস্থানের সব ইন্টারেষ্টিং জিনিসগুলো রি-ক্রিয়েট করা হয়েছে। বেশ ভিড় – কিন্তু ছড়ানো জায়গা বলে তেমন প্রবলেম হচ্ছে না। আমার তো দেখতে বেশ ভালো লাগল – টম-ও খুব ইমপ্রেসড।

    ঘুরতে ঘুরতে খিদে আরো বেড়ে গেল – দু’জনা গিয়ে বসলাম চৌপল রেস্টুরান্টে। স্থানীয় রাজস্থানি মহিলারা এখানকার স্পেশাল খাবার বানাচ্ছেন – এ ছাড়া ব্যুফেতে অন্য অনেক ভারতীয় এবং কিছু কন্টিনেন্টাল খাবারও রয়েছে। খুব স্বাদু খাবার – আমরা দু’জনাই স্থানীয় রাজস্থানি খাবার ট্রাই করলাম। গরম গরম রুটি বানাচ্ছে, সেটা তো খুবই মুখে লেগে থাকার মত।


    ড্রিঙ্কস কিন্তু বাফেট (বা ব্যুফে) প্রাইসে ইনক্লুডেড নয় – তাই খেয়ে দেয়ে পে করতে গেলাম, পেট কোলা ব্যাঙের মত ফুলে গেছে আমাদের। এত কম বিল দেখে টম ঘাবড়ে গেল – বলল, কিছু মনে হয় গড়বড় করেছে ওরা, ডবল চেক করতে হবে, এত কম টাকা কেন! আমি বললাম এটা তো শুধু ড্রিঙ্কসের দাম! ব্যুফের দাম তো আগের টিকিটেই ধরা আছে! টম বিশ্বাস করছে না – ও ভেবেছিল ১১০০/১২০০ টাকটা এখানে শুধু এনট্রান্স ফি! খাওয়ার টাকা আলাদা। আমি ওকে বোঝাতে লাগলাম, ভাই, তুই এখন ইউরো-তে কনভার্ট করে খুব কম দেখছিস, কিন্তু এই ১১০০/১২০০ টাকা ভারতের লোকেদের কাছে অত কম টাকা নয়!

    এত কম টাকায় এত ভালো খাবার খেয়ে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে টম আর আমি ফিরলাম হোটেলে হেঁটে হেঁটে। এত খাওয়ার পরে হাঁটাটা দরকার ছিল আমাদের দুই-জনার জন্যেই!


  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৫৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ramit Chatterjee | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:০৩498638
  • অসাধারণ
  • Priyanka | 122.172.198.111 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৪৪498640
  • ওদের পক্ষে ১২০০ টাকায় এত খাওয়াটা অস্বাভাবিক তো হবেই। গল্পঃ টা বেশ লাগলো
  • Mukti Goswami | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:৫৮498655
  • এরপর জয়পুর গেলে চোকি ধানিতে যাবার ইচ্ছে রইলো। 
  • সুকি | 49.207.195.10 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:০৮498676
  • রমিত, মুক্তি, প্রিয়ঙ্কা - ধন্যবাদ আপনাদের
     
    'চোকি ধানি' - একটা বেশ কর্মাশিয়াল ব্যাপার, তবে একবার যাওয়া যেতেই পারে। 
  • dc | 2402:e280:2141:9b:6ca5:e8e5:f522:1c65 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৪৮498677
  • চৌকি দানি বা চোখি ধানি (আমি অনেক সময়ে নামটা ভুলে যাই আর খালি মনে পড়তে থাকে মচ্ছরদানি) চেন্নাইতে একটা আছে, আমাদের বাড়ির কাছেই, আধ ঘন্টা মতো দুরে। পাঁচ ছ বছর আগে গেছিলাম, তখন টিকিট ছিলো আটশো টাকা। সন্ধেবেলা ফোক মিউজিক হয়, হাতিতে চড়ে ভেতরটা ঘুরে দেখা যায়, এইসব। আর রাত্তিরে খাওয়ার ব্যবস্থা ছিলো, সুকি যেমন বলেছেন। আমরা এক জায়গায় বসে খেয়েছিলাম, যাঁরা খাবার সার্ভ করছিলেন তাঁদের সাথে নানান গল্পও হচ্ছিল, আর জোর জবরদস্তি বেশী করে খাইয়ে ছাড়ছিলেন। খাবারটা অসাধারন ছিলো, তার সাথে নানারকম আচার, আর ডেজার্টে নানারকম মিষ্টি, রাবড়ি ইত্যাদি। ঐ খাওয়ার লোভেই আরও একবার গিয়েছিলাম। তবে কিনা শুধুই ভেজ খাবার, তাই দ্বিতীয়বার যাওয়ার পর একটু বোর হয়ে গেছিলাম, আর যাইনি। তবে এক দুবার গিয়ে খাওয়া যেতেই পারে, অসাধারন টেস্ট আর পরিবেশন, অ্যাম্বিয়েন্সও ভালো। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন