• বুলবুলভাজা  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • চাষার ভোজন দর্শন – ৮ম

    সুকান্ত ঘোষ
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ১৯ আগস্ট ২০২১ | ১১৮৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)

  • হেলথি পিৎজা

    অক্টোবর মাস প্রায় শেষ হতে চলল – সেই হিসাবে মোটামুটি ভালোই ঠাণ্ডা পড়ে গেছে। কেমব্রীজ হয়ে উঠেছে বেশ মনোরম, কারণ আবহাওয়া বেশ ভালো – সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরে। এমন একটা অবস্থা যে আপনি বাইরে রোদে বসে খানিকক্ষণ উপভোগ করলেও, রেষ্টুরান্টের বাইরে টেবিলে বসে লাঞ্চ করতে পারবেন না। গা বেশ শিরশির করে উঠবে খানিক পরেই। তাই রেষ্টুরান্টওলারা তাদের বাইরের টেবিল ইত্যাদির ব্যবস্থা গুটিয়ে নিয়েছে। এমন ওয়েদার থাকলে বহুক্ষণ হাঁটা যায় – ঘাম নেই, ক্লান্তিও অনুভব করবেন না। কিন্তু একসময় তো খিদে পেয়ে যাবেই! আর আমাদের তখন সেরকম অবস্থা – সকাল থেকে ঘুরে ঘুরে পা প্রায় ব্যাথা করছে, এবার কিছু না খেলেই নয়। বাইরে বসা যাবে না দেখে আমরা দরজা ঠেলে ঢুকলাম রেষ্টুরান্টের ভিতরে।


    এমন নয় যে এই প্রথম কেমব্রীজ এলাম। তবে আগের বেশীর ভাগ সময়েই গেছি ট্যুরিষ্ট হিসাবে যাকে বলে। এবারে রিসার্চ ইত্যাদি বিষয়ে কিছু কাজ থাকার জন্য কেমব্রীজের অ্যাকাডেমিক বিভাগের সাথে কথা বার্তা হচ্ছিল – বিশেষ করে কেমেষ্ট্রির লোকজনের সাথে। আর সেই প্রসঙ্গেই ক্যাভেন্ডিস ল্যাবরেটরিতে একটু ঘুরছিলাম সকাল থেকে। আমরা যার সাথে কাজ করি, সেই কেমেষ্ট্রির প্রফেসর খুবই মাই ডিয়ার লোক – নিজে নোবেল লরিয়েট না হলেও (এখনও পর্যন্ত), নোবেল লরিয়েটের অধীনে কাজ করেছেন, আর অন্য নোবেল লরিয়েট তাঁর মেন্টর ছিল ক্যাভেন্ডিস ল্যাবে। খুব উৎসাহ নিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন।


    তো, ঘুরতে ঘুরতে যেন ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে হাঁটছিলাম। আপনি যদি বিজ্ঞানের লোক হন এবং একদম পাষাণ-হৃদয় তৈরী না করে ফেলেন, তাহলে আপনারও চমক লাগতে বাধ্য। ভারতীয় নাগরিক হিসাবে এখনও পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন। আর অন্য দেশের হয়ে কিন্তু জন্মসূত্রে ভারতীয় ধরলে আরও চারজন। তো, সেই হিসাবে যদি আপনি কোন এক গবেষণাগারে ঢোকেন, যেখানে শুধু সেই বিল্ডিং-য়েই গবেষণা করে নোবেল পেয়েছেন ৩৪ জন, তাহলে আপনার কেমন অনুভূতি হবে? আমারও তেমন গায়ে কাঁটা দেওয়া অনুভূতি হল কেমব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাভেন্ডিস গবেষণাগারে ঢুকতে গিয়ে।


    রাদারফোর্ড, সিনিয়ার এবং জুনিয়ার থম্পসন, ওয়াটসন, ক্রিক, চ্যাডউইক, ব্র্যাগ – এই নাম গুলো চেনাশুনা লাগছে? ডাইসাইটে সব বিজ্ঞানী - এঁদের মধ্যে এক মিল এই, যে এঁরা সবাই নোবেল পেয়েছিলেন, আর তার থেকেও বড় মিল এই, যে এঁরা সবাই নোবেল পেয়েছিলেন সেই ক্যাভেন্ডিস ল্যাবে কাজ করে! প্রচুর কিছু দেখলাম – ম্যাক্সওয়েলের ডেস্কটা আছে এখনও, তার উপরে রাখা আছে নিজের হাতের লেখা রিসার্চের কিছু পাতা। থম্পসন এখানেই ইলেকট্রন আবিষ্কার করেছিলেন – সেই যন্ত্রপাতি কিছু এখনও রাখা। রেডিওঅ্যাক্টিভিটি আবিষ্কারের জিনিসপত্র দেখলাম – সেই প্রথম এক্স-রে করা ছবি দেখলাম, একটা বালকের গলায় পেনি আটকে যাওয়া এবং একটার হাতে গুলি ঢুকে যাওয়ার ছবি তোলা। ক্লাউডচেম্বার, ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ, ওয়াটসন-ক্রীকের কাজকর্ম, ডিসলোকেশন থিওরি, ক্রিষ্টালোগ্রাফি, লো-টেম্পারেচার ফিজিক্স ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক কিছু দেখা হল। বাই দি ওয়ে, কনফার্ম করলাম যে এখন কেমব্রীজ থেকে অফিসিয়ালি ক্রেডিট দেওয়া হয় রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন-কে ডিএনএ গঠন আবিষ্কারের জন্য।

    ক্যাভেন্ডিস ল্যাবে কাজকর্ম শেষ হলে, প্রফেসর জিজ্ঞেস করলেন যে আমরা কি আর কিছু দেখতে চাই কেমব্রীজ স্পেশাল হিসাবে? বললাম, তাহলে ট্রিনিটি কলেজটা একটু দেখিয়ে দিন। কেমব্রীজ ইউনিভার্সিটির ৩১টা কলেজের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত নিঃসন্দেহে ট্রিনিটি কলেজ। ট্রিনিটি কলেজের গেটের ঠিক বাইরেই আছে নিউটনের বিখ্যাত আপেল গাছটার নাতনী গাছ, আর তার পিছনেই নিউটনের অফিস ঘর। ওদের লাইব্রেরীটা দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করলাম।

    প্রফেসর বললেন, ঠিক আছে, এই লাইব্রেরীতে ভিজিটর নিয়ে যেতে গেলে একটা স্পেশাল পারমিশন লাগবে। তবে ব্যবস্থা হয়ে যাবে, আমার একটা ক্লাস আছে এখন – আমি ক্লাসটা নিয়ে পারমিশন নিয়ে আসছি। তোমরা বরং এই ফাঁকে চাইলে লাঞ্চটা করে ফেলতে পারো – দেড় ঘন্টা পরে গেটের সামনে অপেক্ষা করবে, আমি ওখানে তোমাদের মিট করব।


    ট্রিনিটি কলেজ

    তো এই হল সকালের ঘটনা – সেখান থেকে বেরিয়েই আমরা ঢুকলাম রেষ্টুরান্টে, যার কথা আগেই বলেছি। ভিতরে গিয়ে দেখলাম বিশাল ভিড় – একটু ওয়েট করতে হ’ল, খানিক পরে একটা টেবিল খালি হ’লে আমি আর সাথের বন্ধুটা গিয়ে বসলাম টেবিলে। থ্রি-কোর্স মিল খাওয়ার সময় নেই – কি খাব ভাবছি, দেখি চারপাশে সবচেয়ে বেশী সার্ভ হচ্ছে পিৎজা – আর উড-ফায়ার্ড পিৎজা।

    মেনু দেখে আজকেও কি মনে হল – আবার সেই ‘হেলথি পিৎজা’ অর্ডার করব ঠিক করে নিলাম। কিছু কিছু মানুষ নানা জায়গায় ঠোক্কর খেয়েও শেখে না – আমি তেমন একজন মানুষ। ওদিকে আমার মাথার ভিতরে তখনো পুরনো কেমব্রীজ ঘুরে বেড়াচ্ছে – ইতিহাসে চরে বেড়াচ্ছি। আর তেমন ভাবে দেখতে গেলে পিৎজার ইতিহাস এবং নাড়ি-নক্ষত্র মোটামুটি জানি।

    ছেলেটা অর্ডার নিতে এলে – পিৎজা এদের স্পেশালিটি কিনা জিজ্ঞেস করলে, হ্যাঁ বলল। আমার কি মনে হল - এও না সেই অন্য রেষ্টুরান্টের মত পিৎজার ইতিহাস ব্যাখ্যা করা শুরু করে! তাই সে-ই কিছু বলার আগেই আমি বললাম –



    -আমি জানি পিৎজা বলে আধুনিক কালে আমরা যে জিনিসটিকে চিনি তার জন্ম হয় ১৮৮৯ সালে ইতালির নেপলস্‌-এ। একসময়ে নেপলস্‌-এর বাজারে যা পরিচিত ছিল ‘পিৎজা আলা মোজারেল্লা’ নামে, সেই পিৎজা খেয়েই রাণী মার্গারিটা কুপোকাত – বিশাল ভালোবেসে ফেলে ডিক্লেয়ার করে দিলেন, যে এটাই তাঁর সবথেকে প্রিয় পিৎজা। ব্যাস, সেই থেকে এই পিৎজার নাম হয়ে গেল ‘পিৎজা মার্গারিটা’

    সেই ওয়েটার দেখি আমার কান্ড দেখে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে –

    -কি অর্ডার দেবেন - সেটা না বলে, এসব বকছেন কেন?
    -না, মানে, অন্য জায়গায় তো কোন ডিশ অর্ডার করলেই সেই ডিশের জন্মকথা শোনাতে আসে – তাই ভাবলাম তোমাকে জানিয়ে দিই যে পিৎজা সম্পর্কে আমার জানা আছে!
    -এই এত কাস্টমার দেখছেন, সামলাতেই হিমসিম খাচ্ছি – আপনার কি মনে হয় আমার হ্যাজানোর টাইম আছে? কি নেবেন ঠিক করেছেন কি, নাকি পরে আসব ঘুরে?
    -একদম ঠিক করে ফেলেছি – আমি হেলদি পিৎজা আর আমার বন্ধু এমনি পিৎজা

    অর্ডার নিয়ে চলে গেল। খাবার টেবিলে সার্ভ করা হল এটা – আমার ভাগে আধখানা পিৎজা!


    হেলদি পিৎজা আর সোনার পাথর বাটি দুটোই এক গোত্রের! এটা দিয়ে লাঞ্চ করা যায়? এটা তো আমি চায়ের সাথে ডুবিয়ে আটার রুটির মত খেয়ে নেব!

    আমার মাথা গরম হয়ে গেল – ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলাম

    -এটা তো আধখানা পিৎজা! একে হেলথি বলে চালানোর কি আছে?
    -ওই যে স্যার, শাক-সবজি সবুজ রয়েছে আধা

    আমি বাকরুদ্ধ! কি বলব বুঝতে পারছি না – এটা পুরো ‘অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ’ কেস হয়ে গেল। যুধিষ্ঠির তবু আস্তে করেও বলেছিল গজ-এর ব্যাপারটা। আর এ ছেলে তো হেলথি পিৎজা মানে যে আধখানা মাল সার্ভ করবে, সেটা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে দেয় নি। আমার রাগ এবং কষ্ট আরও বাড়ছে সামনের বন্ধুর প্লেট ভরা নধর পিৎজা দেখে!

    নেহাত চাষার ছেলে আর পৈতে নেই বলে ছেলেটা বেঁচে গেল – নাহলে কি একটা বড়সড় ফাঁড়ার যে ওর উপর দিয়ে যেত তা সে টেরও পেত না!

    তবে পিৎজাখানি বড় অপূর্ব খেতে ছিল – রেগে মেগে শাপ দিয়ে ফেললেও এই পিৎজা খাওয়ার পর সেই শাপমুক্তির ব্যবস্থা করেই আমি ফিরতাম সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।


  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ১৯ আগস্ট ২০২১ | ১১৮৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 68.184.245.97 | ১৯ আগস্ট ২০২১ ২০:১৫496882
  • আমি যা দেখছি 'হেলথি' লেবেল লাগানো খাবারগুলো খেয়ে সুকির বারেবারে বেশ খারাপ অভিজ্ঞতা হয়েছে। এই সিরিজের প্রথম পর্বই তো সেই নিয়ে ছিলো। তারপরে সেই হেলথি ব্রেকফাস্টেও। তারপরেও আপনি ঐ বিশেষ মার্কামারা খাবার অর্ডার করেন? হ্যাঁ সুকি?

  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৯ আগস্ট ২০২১ ২১:৪৮496884
  • হেলদি পিৎজা কেউ সুস্থ মস্তিষ্কে চাইতেই পারে না! ক‍্যাভেন্ডিশ ল‍্যাবে অতিরিক্ত সময় কাটিয়ে আর ট্রিনিটির অপেক্ষায় থেকে মাথাটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল আর কি। :)

  • ময়ূখ দত্ত | 5.107.1.131 | ২০ আগস্ট ২০২১ ১০:০৫496894
  • হা হা হা... খুব আনন্দ পেলাম, আমি সাধারনত আন-হেলদী ই খাই, এই সব হেলদী অপশান ও যে ভাল খেতে হয় এই প্রথম শুনলাম!! উতসাহ পেলাম!!

  • সুকি | 49.207.203.154 | ২০ আগস্ট ২০২১ ১০:৩৯496896
  • kk, ঠিকই বলেছেন :) আরো আসছে সামনে এমন। চাষার ছেলে হলে যা হয় আর কি :) ক্রমশঃ পরিবর্তনশীল সমাজের সাথে মানিয়ে নিতে গিয়ে এমন নানাবিধ কষ্ট সইতে হয়! 


    অমিতাভদা - সেটাই! একটা ল্যাব থেকে ৩৪ খানা নোবেল লরিয়েটের কাজকর্মের ইতিহাস দেখে মাথা একটু ব্যোম মেরে গিয়েছিল :)


    ময়ূখ-দা - হয় হয়, মাঝে মাঝে হয়ে যায় হেলদি খাবার ভালো খেতে :) 

  • শিবাংশু | ২০ আগস্ট ২০২১ ১১:২৬496899
  • রোমাঞ্চকর, 


    ক্যাভেন্ডিশ এবং কেলেংকারি (হেলদি ), দুইই ...

  • শিবাংশু | ২০ আগস্ট ২০২১ ১১:২৬496898
  • রোমাঞ্চকর, 


    ক্যাভেন্ডিশ এবং কেলেংকারি (হেলদি ), দুইই ...

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন