• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • একটি ভাইরাসনাট্য

    Simool Sen লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৭ মার্চ ২০২০ | ৩৯৩ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • (লেখাটার আগে কিছু সাবধানবাণী থাকা প্রয়োজন। এ' লেখার উদ্দেশ্য এই কঠিন সময়ে ভাইরাসের গুরুত্বকে খাটো করে দেখা নয়, অতএব, খুবই বিরসবদনে এই সার্কুলার লেখার আগে ঝুলিয়ে রাখছি, যে, লেখাটিকে তেমন ভাবে পড়বেন না। দিচ্ছি এই জন্যই যে, ১১ মার্চ, ভাইরাসের প্রভাবে সামাজিক তিড়িতঙ্ক শুরু হওয়ার অনেকটা আগে, লিখেছিলাম। কী আশ্চর্য, আজ পুনর্বার পড়তে গিয়ে টের পেলাম, খুব হাস্যচ্ছলে যে-সব কথা লিখে ফেলেছিলাম, আজ কী রকম করে মিলে গেছে, আশ্চর্য– তখন ভাবিও নি এ সব আদৌ ফলার জিনিস, খুবই অসচেতন ছিলাম। এ' দিকে দিতে সাহস পাই নি এই জন্যেই যে অনেকে লেখাটিকে ছুতো ধরে ভাইরাস তো থোড়াই কেয়ার মর্মে বিপুল বিপ্লব নামাতেন। আপাতত, রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের জন্য হোক আর যে কারণেই হোক, সে চাপ দূরবর্তী। অতএব দেওয়া যায়। হাত ধোবেন অবশ্যই, আর শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখবেন)

    ও বাড়ির মিত্রজায়া ব্রাহ্মমুহূর্তে উঠিয়া ঘণ্টায় সাতশো মাইল বেগে হস্তপ্রক্ষালন করিতেছিলেন। বসন্ত এসে গ্যাছে বলিয়া ভ্রম হয়, কিন্তু অন্তিমে উপলব্ধি হয় উহা সৃজিতেরই সিনেমার তুল্য: গর্জায় যতখানি, বর্ষায় না। দূর শাখে পিক ডাকিবে এমন শাখ কোথায় এই ম্রিয়মান নগরীপ্রান্তে। এরই মধ্যে, অপ্রতিহত মিত্রজায়া সাতশো মাইল ঘণ্টাপ্রতি বেগে হাতটি বেসিনতলে উন্মত্তের মত নাচাইতেছিলেন।

    'মা, বেসিনে যদি ভাইরাস থাকে?' খোকা বলিল। খোকার বয়স তিন। অক্ষরজ্ঞান হয় নাই, তথাপি বাপমায়ের ফেসবুকে উঁকি দিয়া সেও বুঝিয়াছে, বিকট কিছু একটা আসিতেছে। তাকে চোখে ঠাউরানো যায় না, অস্ত্রে না কাটিতে পারে, অগ্নি না পারে পুড়াইতে, তথাপি বিশ্বব্যাপী উহার অবাধ চঞ্চল গতি। প্রতি অনুপলে চরাচর মথাইয়া এক অদৃশ্য দূষণ সে ঘটাইয়া দিতে পারে, উহার তীব্র ছোবলে আজ সভ্যতা আক্রান্ত: তিব্বত হইতে তাকলামাকান, জালালাবাদ হইতে জোহানেসবার্গ। সেই সভ্যতারই এক নগণ্য প্রতিনিধি হইয়া ব্রাহ্মমুহূর্তে তড়াক করিয়া উঠিয়া মিত্রবাবু বাজার যাইবেন ভাবিতেছিলেন, কেন-না বেলা প্রখর হইলে ভাইরাসেরাও তাহাদের ঘুম হইতে জাগিয়া উঠিবে, তাহাদের জাগরণ ও দংশন মানেই সভ্যতায় লয়, ক্ষয় ও বিলোপ– অতএব গৃহস্থালির আনাজপত্র এই বেলা রক্ষিত রাখা ভাল, যত দিন উদরপূর্তি হয় আর কী। নহিলে সংসার তো চলিবে না। সেই গেল বসন্তে, প্রবল তুষারঝড়ে আলাবামায় পথ হারাইয়াও এরূপ তিড়িতঙ্ক মিত্রবাবুর উত্তরতিরিশ হৃদয়ে ঠাঁই পায় নাই।

    'বাবা বাবা বেসিনে যদি ভাইরাস থাকে!' খোকা পুনরায় ফুকারি উঠিল। মিত্রবাবু ধপাস করিয়া মাটিতে বসিয়া পড়িলেন। তবে কি আর বাঁচার কোনও আশাই নাই? সমস্ত জানলাগুলি এক এক করিয়া বন্ধ হইয়া যাইতেছে? এ' ক-দিনে সতর্কতামূলক মিত্রবাবু পরিবার-ব্যতীত অপর কারও সঙ্গে দেখা করেন নাই। আপিসের অধস্তন কর্মচারীগণ দেখলেই ত্রাসে উহাদের লেটলতিফপনা হইতে ইউনিয়নবাজির বাঁদরামো, সবই সশঙ্কচিত্তে মকুব করিয়া দিয়াছেন– সকলে ভাবিতেছে, কত্তাবাবুর হলটা কী! সকল কাজ তিনি মুলতুবি রাখিয়াছেন, দিনে সোয়াশো কোটি বার মোবাইলখানি সাবানজলে দ্রবীভূত রাখিতেছেন, পাছে ছদ্মরূপী ভাইরাস-বাহিনী তথায় চাক প্রস্তুত করে। গত সাত দিন সংক্রমণাশঙ্কিত দাড়ি কামান নাই, মাংস খান নাই, ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিধেয় পাল্টাইতেছেন। কেবল এক পূর্ণিমারাত্রে আর সংবরণ না করতে পেরে কামাচারে লিপ্ত হয়েছেন, তবে মুখোশ পরে। চুম্বন পর্যন্ত আর বিষয়টি গড়াইতে পারে নি, অবরুদ্ধ মুখের উহ্ আহ্ রতিধ্বনি মুখোশে সংগুপ্ত দুর্বোধ্যতায় জড়াইয়া গিয়াছে।

    মিত্রবাবু ভাবিলেন, সেই রাতে নগ্নতার মধ্যেও কি-না টেনে আনিয়াছেন ভান ও ছদ্মবেশ। একদা, কত কাল পূর্বে, সেই বিবাহজীবনের গোড়ায়, হবু সঙ্গমসঙ্গী স্ত্রীকে রতিসুখের অব্যবহিত পূর্বে ফ্রয়েডের লিবিডো তত্ত্ব ব্যাখ্যান করিতে বসায় বিপুল ঝাড় খাইয়াছিলেন৷ এই নাতিস্বল্প জীবদ্দশায় মিত্রবাবুর সম্যক উপলব্ধি: যৌনতাই হইল সেই বিশুদ্ধ নির্জ্ঞান মুহূর্ত– যথায় আসিয়া যাবতীয় জ্ঞানপ্রেত যথা কাফকা কামু হাইডেগার প্রমুখ আবিল হইয়া যান, বিস্মরণের যে অপার সুখ মধ্যবিত্ত বাঙালি যৌবনোত্তর কালে খসা মুকুল অবলোকন করিয়া দীর্ঘশ্বাসসহ সন্ধান করে, তাহার নির্বিকল্প বীজ এই চরম রতিমুহূর্তেই উপ্ত।

    এমতাবস্থায়, যৌনতাও যখন খসিয়া পড়ে, মিত্রবাবু কী করিবেন? সমাজ সংসার লইয়া ভাবিবেন? হোয়াটস্যাপ খুলিলেই নিকটজনের তরফে রোদ্দুর রায় সে দিন দু-জনে-সহ প্রকম্পিত। নয়ডানিবাসী বিকল্প নন্দনতত্ত্বের এই বাঙালি কুলগুরুর কণ্ঠে খিস্তি শ্রবণ করিয়া মিত্রবাবুর গাত্রচর্ম পলে পলে গুলাইয়া উঠে, তথাপি গঙ্গাজল বাড়ন্ত, কেন-না উহাতেও তো থাকিতে পারে প্রচ্ছন্ন কোনও গূূঢ় জীবাণু-নাশকতা!

    ভাবিয়া কোনও কূল পাইতেছেন না মিত্রবাবু। খোকা পুনর্বার আসিয়া বলিল, 'বাবা, মা, বেসিনে যদি ভাইরাস থাকে!'

    মিত্রবাবুর শরীরময় এক অজানিত শনশনে তরঙ্গ প্রবাহিত হইল। অতঃপর? তাঁর মনে হইতে থাকিল, এত কাল ব্যাপিয়া জনসমাজের সঙ্গে মেলামেশা করিয়া, এ-পার্টি ও-পার্টিতে আকণ্ঠ মদ্যপান করিয়া, বাজারে গিয়া দরিদ্র মেছুনির পয়সা না ফেরত দিয়া যে পাপ তিনি করিয়াছেন, তাহারই পুঞ্জ পুঞ্জ ভাইরাস উহার সমগ্রসত্তা উদরসাৎ করিতে আসিতেছে। উহাদেরই হস্তগত কোনও অজানা গোপন ভাইরাসের কৌটো হয়তো মোক্ষম মুহূর্তে খুলিয়া গেছে মিত্রবাবুর প্রতি, তাহারা থলে করে বাড়ি আসিয়াছে, উহার সঙ্গে এক থালায় ভাত খাইয়াছে, কলঘরে হিসি করিয়াছে, রাতে স্বপনমাঝারে কিলবিল করিয়া বেড়াইয়াছে তাঁহারই অভ্যন্তরে। মিত্রবাবু আর ভাবিতে পারিলেন না। বেদনার রক্তচমকে তাঁহার শিরা ও ধমনী টাটাইয়া গিয়াছে। ফ্ল্যাটের এক প্রান্তে, প্রায় দুর্ল্যক্ষ কৌণিকতায় পারিবারিক ঠাকুর স্থাপিত। পাশেই বেসিন, যত পাপ উহার নালা বইয়া পুরানো আদিগঙ্গার খালে পড়িতেছে৷ প্রক্ষালনরত গিন্নিকে দেখিয়া তিনি মনে মনে ঠাকুরকে বলিলেন:

    'ঠাকুর৷ আমি জানি, এত কাল ধরিয়া বিবিধ লোকের সহিত অকারণ সংলাপ, অবান্তর ভাষণ, হ্যান্ডশেক, অনুরাগ কিংবা যৌনতায় মজিয়া আমার অন্তঃপুরটিকে বরাবর খাটো করিয়া আসিয়াছি। ঠাকুর। তুমি সর্বজ্ঞ, ত্রিকালদ্রষ্টা, অমোঘ নিয়তি। ঠাকুর, আমি জানি আমার আপিসের এ' বেতন কদাপি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হইবে না। আমি জানি, এ অল্টো'পরি আর কোনও শকট প্রাপ্তি হইবে না। তথাপি আমি ছুটিতেছি সেই লক্ষ্যহীন ঝলমলে সুড়ঙ্গ বহিয়া। কী হইবে আমার? ঠাকুর, এ' পাপ বেসিনেই ধোও আর কমোডেই ধোও, আরবের শত ডিটারজেন্ট পারফিউম আনিলেও কভু উবে যাইবেক না। ঠাকুর। হে প্রভো। জানি ভাইরাসের মার কদাপি না কদাপি কোনও না কোনও অঞ্চলে পড়িবেই, তথাপি, আমার এযাবৎকালের সকল কৃতকার্যের জন্য তোমার নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করিতেছি৷'

    অতঃপর? এই নগরীপ্রান্ত হইতে জাতীয় সড়ক ধরিয়া আন্দাজ পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরেই মিত্রবাবুর আদি বসতবাটী। এই কলুষ নগরসভ্যতা হইতে পিঠটান দিয়া গ্রামে চলো মর্মে পলাইবেন তিনি? তথায় সবুজ ধানখেত, কুঁড়েঘর, শরিকরা যদিচ সম্পত্তি লইয়া বিবদমান তথাপি নাগিনীরা ফেলিতেছে অপেক্ষাকৃত কম নিশ্বাস– কী দুত্তোর এই কলুষ নগরজীবন, একে তাঁহার মর্মে নিরুদ্ধ থোক থোক পাপোপলব্ধি, তাহা' পরি ভাইরাস তাণ্ডবে নাই সিনেমা হল, নাই সপ্তাহান্তে ক্রীড়াবিনোদন, নাই রেস্টুরেন্ট খোলা। এক বার মনে হইল, নগরজীবনের এই হিজিবিজি কাটিয়া লং ড্রাইভে উপনীত হওয়া যায় সেই চরাচরে, যে প্রান্তর যৌনতা হইতেও অমল, নিপাট ও কুসুমকীর্ণ। কিন্তু খোকার বিদ্যালয় আছে, উপরন্তু ফোনেটিক্যালি অ্যাবিসিডি শিখাইবার তরে তিন-তিনখানি মাস্টার। তাঁহাদের না হয় বৈঠকখানা অবধি টাঙিয়া রাখিয়া গেল, কিন্তু খোকা তো পড়াশুনো ছাড়িবে না।

    অতঃপর অনেক ভাবিয়া তাঁহার মনে হইল, ইহার একটি জবরদস্ত সমাধান সম্ভব। অঙ্কটি পরশুরামোচিত। নামজাদা প্রযুক্তিবিদ ধরেবেঁধে আনাইবেন তিনি, তাঁহার চর্ম হইবে জীবাণু ইনসুলেটেড। ক্ষণিকের অতিথি হইয়া জীবাণু তথায় আসিতে পারে, বাসা বাঁধিতে পারে, কিন্তু উহা সংক্রমণ ঘটাইতে নাচার– বৈদ্যুতিক তরঙ্গের মায়াপাশে ভাইরাসগুলি একাদিক্রমে ছিন্ন, রিক্ত ও অবল হইয়া পড়িবে, তাঁহার বা তাঁহার পরিবারের কিছুই হইবে না। কিন্তু তাঁহার সমান্তরালে এই শঙ্কাও জাগিতেছে, যদি পৃথিবীর সমস্ত জনসংখ্যা কোনও না কোনও পদ্ধতিতে ভাইরাসাক্রান্ত হইয়া পড়ে, তাহা হইলে খেতখামারে কাজই বা করিবে কে, গাড়ির পেট্রলই বা তিনি পাইতেছেন কোথায়, বাসন ধুইবেই বা কে। অতএব সমষ্টির ঘাড়ে বন্দুক ঠ্যাকাইয়া নিজেকে ও প্রিয়জনকে সুরক্ষিত রাখিবার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কিঞ্চিৎ সমস্যা রহিয়াছে প্রমাণিত হইল।

    সেই গোটা দিবসে এমত চিন্তাজর্জর মিত্রবাবুর সাড়ে সাতশোখানা চুল পড়িয়া গিয়াছিল। ইহা রেকর্ড। মিত্রবাবুর জেনেটিক অ্যাডভান্টেজ বিপুল, উহাদের বংশে কদাপি কাহারও চুল পড়ে নাই, কানের লতিতে পর্যন্ত ভরভরন্ত কেশদাম ছুটাছুটি করে। বিরস পাংশু মুখে, দিনব্যাপী মস্তিষ্ককণ্ডূয়নান্তে, শিথিল কম্পমান পদসঞ্চালনে আঠাশতলার বারান্দায় বাহির হইলেন জাঁদরেল কর্পোরেটকর্তা, মধ্যতিরিশ মিত্রবাবু। তাঁহার বারান্দাটা সেফ মনে হয়, মাটি থেকে অনেক উপরিস্থিত, আবার ততটাও নহে যে কোনও বিমানযাত্রী নভোচারীর লালা, হাঁচি অথবা কাশি উড়োজাহাজের গবাক্ষ বাহিয়া ঝরিয়া পড়িবে।

    বিশুষ্ক সিগারেটটিতে আগুন জ্বলিল। ধোঁয়া ঘন কুণ্ডলী পাকাইয়া বসন্তবাতাসে প্রকাশিত। উল্টো প্রান্তে লম্বা হাইরাইজ, তার সমোচ্চতার জানলা থেকে কে যেন হাত নাড়িল।

    'হাই!' বলিলেন মিত্রবাবু।

    'হাই!' বলিল সে।

    কণ্ঠস্বর শুনিয়া মিত্রবাবু নিশ্চিত হইলেন, দূরের বারান্দায় দাঁড়ানো লোকটা তিনি।

    ***

    'গিন্নি, রাগ করিয়ো না। বহু কাল অগুনতি ঘাটবন্দর চড়াই উতরাই ডিঙাইয়া দেখিলাম, এ' ভাইরাস অতিক্রম অসাধ্য ব্যাপার। পুঞ্জ পুঞ্জ ভাইরাস সমারূঢ়, কে যে কখন চড়ে বসে, বুঝিতেছি না। সংসারে আরও পাঁচ জনের সহিত গা ঘষাঘষি করিতে হয়, কোন জাহাজের ব্যাপারী তারা, সব ভাইরাস এনে এনে শরীরটাকে পাঁকে ছেড়ে দেয়৷ আর আমরাও তেমন। স্রেফ দেহ, দেহ, দেহ। চামড়া, মজ্জা, অস্থি, রক্তজালিকা নিয়েই বেশ তো থাকা– কী বলো?...' ইত্যাদি সম্বলিত চিঠি৷ মোদ্দা কথা হইল: মিত্রবাবু সন্ন্যাস লইলেন। গার্হস্থ্যে তাঁহার অরুচি, বিপ্লবও আসিবে না, এ দিকে ভাইরাসের সতর্ক সুচারু পদক্ষেপে বিশ্ব টলোমলো। অতঃপর বড় ব্যবস্থার ঘুঁটি হিসেবে তাঁহার এই দূষিত মধ্যবিত্ত শরীরখানি আর কালান্তক ভাইরাসদ্বারা ব্যবহৃত হইবে না কোনও মতে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২৭ মার্চ ২০২০ | ৩৯৩ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Rajkumar Raychaudhuri | ২৭ মার্চ ২০২০ ২০:০৫91816
  • লেখাটি সাধু ভাষায়না লিখে চলিত ভাষায় লিখলে ভাল লাগত।   

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন