এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেটের সমালোচনামূলক আলোচনা 

    বই পুরুষ লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ জুন ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • পশ্চিম বঙ্গ রাজ্য বাজেটের প্রগতিশীল দিকগুলো নিয়ে অনেকে আলোচনা করছেন। তাই আমিও ভাবলাম একটু আলোচনায় আসা যাক। বিধানসভা ভোটের আগেই আমি আশঙ্কা করেছিলাম। রাজ্যে বিজেপি সরকার আসলে জমি নীতিকে শিথিল করা হবে। বাজেট দেখে যা মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে সে রকমই কিছু হতে চলেছে। এবার অনেকে মনে করতেই পারে যে, ভালোই তো হয়েছে। রাজ্যে শিল্প আসবে। অসুবিধা কী? শিল্প এলে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু কথা হল কোন দ্রব্য বা সেবা নির্ভর শিল্প আসবে? শিল্পের প্রকৃতি কী? একটু সোজা ভাবে বোঝা যাক।

    শিল্প কী? ব্যবসা বা ট্রেডিং করার জন্য, দ্রব্য উৎপাদনের স্বার্থে, উৎপাদন ব্যবস্থার নামই হল শিল্প। ব্যবসা কী? মানুষ তার নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্য বা সেবা সামগ্রী তার চাহিদা বা প্রয়োজন মেটানোর স্বার্থে ক্রয় করে থাকে। কেউ যদি কোনো কিছু ক্রয় করে। তাহলে কেউ না কেউ তো সেই পণ্যটা বিক্রি করবে। আর যদি কেউ বিক্রি করে, তাহলে কেউ না কেউ সেটা উৎপাদন করবে। উৎপাদন থেকে শুরু করে ফাইনাল কনজিউমার, পুরো প্রক্রিয়াটাই হল ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া। উৎপাদক থেকে শুরু করে ক্রেতা। প্রতিটি ব্যক্তিই এই প্রক্রিয়ার অংশীদার। যদি সর্বশেষ ক্রেতা বা উপভোক্তা (কনজিউমার) না থাকে, তাহলে যত বড় কোম্পানিই হোক না কেন কেউ উৎপাদন করবে না। সুতরাং সব উৎপাদনের পিছনেই একটি চাহিদা কাজ করে।

    এবার বুঝতে হবে এই ব্যবসাটা বা এই বিশেষ পণ্য ও শিল্প প্রক্রিয়াটা কি আগে থেকে উপস্থিত ছিল? যেমন দই শিল্প। দই শিল্প বাংলায় আগে থেকেই ছিল। মিষ্টির দোকানদার ও ময়রারা দই বানাতো। সুতরাং বড় পুঁজি এই শিল্পে ঢুকলে, এই দ্রব্যটির জন্য কি কোনো নতুন বাজার তৈরি হবে? এক দমই না। কারন দইয়ের বাজার বা চাহিদা অনেক আগে থেকেই আছে। বাস্তব উদাহরন দিয়ে বুঝুন। যে ব্যক্তি সপ্তাহে এক কেজি করে দই খায়, আমূল দই বানানোর পর থেকে সে দুই কেজি করে দই খেতে আরম্ভ করবে না। কারন দই কেনার জন্য ঐ ব্যক্তির বাজেট সীমিত। এবং ঐ ব্যক্তির ভোগ করার ক্ষমতাও সীমাবদ্ধ। বরং ঐ ব্যক্তি স্থানীয় মিষ্টির দোকান থেকে দই কেনা বন্ধ করে আমূল থেকে দই কিনতে আরম্ভ করবে। ফলে কী হল? ছোট ময়রা বা মিষ্টির দোকানের ব্যবসাটা বন্ধ হয়ে গেল। তাহলে কোনো নতুন ব্যবসা তৈরি হল কী? যা দিয়ে অর্থনৈতিক উন্নতি হবে। একে বারেই নয়। ব্যবসার হস্তান্তর হল।

    তাহলে বড় পুঁজি কি কোনো ব্যবসা করবে না? অবশ্যই করবে। যে কাজগুলো ছোট পুঁজি করতে পারে না, সেগুলো করবে। যেমন গাড়ি শিল্প, আই টি,টেক, ফিনান্স, ইত্যাদি। কিন্তু ঐ সব উচ্চমানের উৎপাদনের বদলে নিম্নমানের উৎপাদনে বড় পুঁজির আগমন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের জন্য ভালো নয়। এর ফলে অনেক মানুষের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। আর দই কারখানায় কাজ করে কত বেতন পাওয়া যায় বলে মনে হয়? কিন্তু পুঁজিমালিকদের লাভ আছে। কৃষি ভিত্তিক সব কটি পণ্যই অত্যাবশ্যক পণ্য। যেমন কেউ একটু খারাপ পোষাক পরে থাকতে পারবে। কিন্তু কেউ না খেয়ে বা কম খেয়ে থাকতে পারবে না। বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে পারবে না। সেজন্য এগুলো হল অত্যাবশ্যক পণ্য। বড় বেসরকারি পুঁজি যদি এই অত্যাবশ্যক পণ্য ব্যবসায় প্রবেশ করে, তাহলে তারা তাদের ইচ্ছা মতন বাজারকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। মনে করুন অনেক ছোট চাল ব্যবসায়ী আছে। একজন চাল ব্যবসায়ী যদি আপনাকে খারাপ চাল দেয় বা বেশি দাম নেয়। তাহলে আপনি ঐ দোকান থেকে চাল কিনবেন না। অন্য দোকানে চলে যাবেন। কিন্তু দুজন বড় ব্যবসায়ী যদি একটি এলাকার সব চাল কিনে নেয়। এবং দুজনেই যদি একই দামে একই মানের চাল বিক্রি করে, তাহলে আপনি ঐ দামে ঐ মানের চাল কিনতে বাধ্য হবেন। এইভাবে বাজারকে নিয়ন্ত্রন করে বড় পুঁজিপতিরা অত্যাবশ্যক পণ্য থেকে মুনাফা আদায় করে। এছাড়া এর অন্য একটি দিক রয়েছে। যেমন আই টি একটি উচ্চমানের আধুনিক পণ্য। একটা আই টি কোম্পানি বানাতে কতটা জমি লাগে? আর একটা কোল্ড স্টোরেজ বা গোডাউন বানাতে কতটা জমি লাগে? দেখা যাবে কোল্ড স্টোরেজ বানাতে অনেক বেশি জমি লাগে। একই ভাবে ডেটা সেন্টার বানাতেও অনেক জমি লাগে। এবার যে ব্যক্তি কোল্ড স্টোরেজে বিনিয়োগ করবে, সে তো ঐ জমিটাতেও বিনিয়োগ করবে। জমি নীতি শিথিল হলে সাধারন মানুষ জমির সঠিক দাম পাবে কি? না সস্তায় পুঁজিপতিদের জমি পাইয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে দেশজুড়ে অর্থ-ব্যবস্থা ধসে পড়েছে, সেই অবস্থায় এই ধরনের ব্যবসা করে পুঁজি মালিকরা তাদের সম্পত্তির মূল্যকে ধরে রাখে। এর ফলে সাধারন মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয় ও পুঁজিপতিরা লাভবান হয়। এই ধরনের ব্যবস্থা কোনো পুঁজিবাদী ব্যবস্থা না। এটা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা। মনে করে দেখুন ব্রিটিশ আমলে জমিদারি ব্যবস্থাও কিছুটা এই ধরনেরই ছিল। এখন ঐ জমিদারদের চেয়েও অনেক বড় পুঁজির আগমন হয়েছে।

    এই বিষয়বস্তু বা ধারনার উপর ভিত্তি করে বাকি বিষয়গুলি নিচে আলোচনা করা হল।

    ১. কুটির শিল্প ভিত্তিক পণ্যের হাব: অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের মত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম যখন এসেছিলো তখন অনেকে বলেছিলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লাভবান হবে। সেটা কি হয়েছে? সেটা আদৌ কি হওয়া সম্ভব? যে ব্যক্তি কয়েক কোটি টাকার ব্যবসা করে সে ক্রেতাকে বেশি ডিসকাউন্ট দিতে পারবে? না যে ব্যক্তি ছোট খাটো কোনো ব্যবসা করে সে বেশি ডিসকাউন্ট দিতে পারবে? অবশ্যই যে ব্যক্তি কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে সে বেশি ডিসকাউন্ট দিতে পারবে। কারন বেশি মাল কেনার জন্য সে নিজে বেশি ডিসকাউন্ট পায়। অথবা যে ব্যক্তি দ্রব্যটি তৈরি করবে সে নিজেই এই সব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সরাসরি বিক্রি করবে। তাহলে ক্রেতা আরও কম দামে জিনিস কিনতে পারবে। ফলে মাঝখানকার সব ধরনের ব্যবসায়ীদের উপর খারাপ প্রভাব পড়বে। এর ফলে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে উঠবে। এছাড়া বিদেশে এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এক্সপোর্ট করার মত সামর্থ আছে কি? না থাকলে সরকার কি তাদের সাহায্য করবে? না সেখানেও বড় পুঁজির হাত ধরতেই হবে। যে ব্যক্তির নিজের জাহাজ বা বিমান কেনা আছে। সে এক্সপোর্টে বেশি লাভবান হবে? না যে ব্যক্তির জিএসটি নম্বরটাও নেই সে বেশি লাভবান হবে? সুতরাং এখানেও শোষন এবং কুটির শিল্পেও বড় পুঁজির আগমন পরিলক্ষিত হচ্ছে।

    ২. এম এস এম ই: ভোটের আগে শিল্পের যে ডাঙ্কা বাজানো হয়েছিল, সেটা পূরণ করতে পারবে না বলেই এমএসএমই র কথা বলা হচ্ছে। পোঁড়া মাটি, দই শিল্প এগুলোর জন্য জনতা ভোট দেয়নি। বরং এর একটা খারাপ প্রভাব আছে। যদি বড় পুঁজি দই, মিষ্টি, পোঁড়ামাটি বানাতে থাকে, তাহলে সাধারন মিষ্টির দোকানদার, ময়রা, ও শিল্পীদের উপর খারাপ প্রভাব পড়বে। অনেকের ব্যবসাও বন্ধ হয়ে যাবে। আর দই কারখানায়, পোড়ামাটি কারখানায় কাজ করে কত বেতন পাওয়া যেতে পারে বলে মনে হয়? এভাবে অর্থনৈতিক উন্নতি হবে? বড় পুঁজি যদি ছোট খাটো প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে শুরু করে। তাহলে সেটা কর্মসংস্থান ও অর্থনীতির জন্য ভয়ঙ্কর। এটা ক্যাপিটালিজম নয়। এটাকে বলা হয় ফিউডালিজম। মানুষ ক্যাপিটালিজম চায়। ফিউডালিজম চায় না।

    ৩. মূল অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান না করে অর্থের খয়রাতি: বর্তমানে পুরো দেশের মূল সমস্যাটা হল রিয়েল ইনকাম বা প্রকৃত আয় সংক্রান্ত। বাজারে মূল্যবৃদ্ধি যে হারে হয়েছে, সে হারে আয় বাড়েনি। সমস্যাটা সাপ্লাই সংক্রান্ত নয় সমস্যাটা ডিমান্ড সংক্রান্ত। যে সরকারি কর্মচারী পঞ্চাশ হাজার টাকা বেতন পায়, তার বেতন পঞ্চাশ থেকে ষাট হাজার হলে, সে অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা খরচ করে অতিরিক্ত দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করবে না। ফলে বিক্রয় বৃদ্ধি না পেলে, শিল্প ও বিনিয়োগ হবে কোথা থেকে? আর সে যদি ব্যাঙ্কে টাকা জমায়। তাহলে ব্যাঙ্ককেও তো কোথাও না কোথাও বিনিয়োগ করে সেই টাকার উপর সুদটা দিতে হবে এবং ব্যাঙ্কের নিজের খরচ চালাতে হবে। সুতরাং ব্যাঙ্কের কাছে সেটা অ্যাসেট নয় লায়াবিলিটি। এবং বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল। সুতরাং যে কর্মচারীর বেতন পঞ্চাশ হাজার আছে, হয় তার বেতন বাড়িয়ে এক লক্ষ টাকা করতে হবে। যাতে সে বিলাসবহুল পণ্য কিনতে পারে। নতুবা যে সব হত দরিদ্র মানুষের হাতে টাকা দিলে যারা তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করবে, তাদের হাতে টাকা দিতে হবে। তবে সরকারি অনুদানে বিশেষ কোনো লাভ হয় না। তার থেকে রিয়েল ইনকাম বাড়ানো ও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রনের উপর নজর দেওয়া উচিৎ।

    ৪. ব্যবসায় লিগাল বা আইনি কাজগুলোর কেন্দ্রীকরণ: বড় পুঁজির সব লিগাল কাজগুলো যদি এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হয়। তাহলে কালোবাজারির আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। কাজগুলো অনেক জায়গায় ছড়ানো থাকলে রি-ভেরিফিকেশন বা পুনর্মূল্যায়নের জন্য সুবিধাজনক। এছাড়া যেসব সিএ, উকিল, অ্যাকাউন্ট্যান্টরা আছেন তাদের উপরও এর খারাপ প্রভাব পড়বে বা তাদের ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

    সবশেষে এটাই বলার যে আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল নিয়ন্তা কেন্দ্র সরকার। তাই কেন্দ্রীয় স্তরে ম্যাক্রোইকোনমিক লেভেলে যতক্ষণ না পর্যন্ত নীতিগত সংস্কার করা হচ্ছে। দেশের অর্থব্যবস্থা যে তিমিরে আছে সেই তিমিরেই থেকে যাবে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন