এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • আম্বেদকর ও পাকিস্তান তত্ত্ব 

    দীপ
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৭ জুন ২০২৬ | ১৯ বার পঠিত
  • শ্রদ্ধেয় বি আর আম্বেদকর রচিত "Pakistan or The Partition of India" গ্রন্থের নির্বাচিত অংশের অনুবাদ।
    আগ্রহী হলে পড়তে পারেন।
    -------------------------------------------------------------------
     
    পাকিস্তান কিংবা ভারতভাগ: ডক্টর বি আর আম্বেদকর।

    অধ্যায় ১: মুসলিম লীগের দাবি কী?

    পর্ব ১:

    ১৯৪০ সালের ২৬শে মার্চ, হিন্দু ভারত এমনভাবে সচকিত হয়ে উঠেছিল যা আগে কখনও হয়নি। ওই দিন মুসলিম লীগ তাদের লাহোর অধিবেশনে নিম্নলিখিত প্রস্তাবটা পাস করে:

    "১. সাংবিধানিক ইস্যুতে অল-ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের কাউন্সিল এবং ওয়ার্কিং কমিটির ২৭শে আগস্ট, ১৭ ও ১৮ই সেপ্টেম্বর এবং ২২শে অক্টোবর ১৯৩৯ এবং ৩রা ফেব্রুয়ারি ১৯৪০-এর গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে অনুমোদন ও সমর্থন জানিয়ে, এই অধিবেশন দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে যে, ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনে (Govt. of India Act, 1935) অন্তর্ভুক্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোটা (Scheme of Federation) এদেশের বিশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অনুপযোগী ও অকার্যকর এবং মুসলিম ভারতের কাছে তা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।"

    "২. ইহা আরও দৃঢ়ভাবে মত প্রকাশ করে যে, মহামান্য ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে ভাইসরয় কর্তৃক ১৯৩৯ সালের ১৮ই অক্টোবর প্রদত্ত ঘোষণাটা যদিও কিছুটা আশাব্যঞ্জক— কারণ সেখানে বলা হয়েছে যে, ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের ভিত্তি ও নীতিগুলো ভারতের বিভিন্ন দল, স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বিবেচনা করা হবে— তবে, মুসলিম ভারত ততক্ষণ সন্তুষ্ট হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না সম্পূর্ণ সাংবিধানিক পরিকল্পনাটা নতুন করে (de novo) বিবেচনা করা হয়। মুসলমানদের অনুমোদন ও সম্মতি ছাড়া নতুন কোনও সংশোধিত পরিকল্পনাই লীগের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।"

    "৩. এই অধিবেশনের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত হল যে, এই দেশে এমন কোনও সাংবিধানিক পরিকল্পনাই কার্যকর বা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না তা নিম্নলিখিত মৌলিক নীতির ওপর ভিত্তি করে প্রণীত হয়; অর্থাৎ ভৌগোলিকভাবে সংলগ্ন এককগুলোকে এমনভাবে অঞ্চলে বিভক্ত করতে হবে, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এমন আঞ্চলিক রদবদল করতে হবে, যাতে উত্তর-পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতের মতো যেসব এলাকায় মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেগুলোকে একত্রিত করে 'স্বাধীন রাষ্ট্র' (Independent States) গঠন করা যায়, যেখানে গঠনকারী এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত এবং সার্বভৌম (autonomous and sovereign)।

    এই এককগুলোতে এবং অঞ্চলগুলোতে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য তাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সংবিধানে পর্যাপ্ত, কার্যকর এবং বাধ্যতামূলক সুরক্ষার (safeguards) সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকতে হবে। একইভাবে, ভারতের অন্যান্য যেসব অংশে মুসলমানরা সংখ্যালঘু, সেখানেও তাদের এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার জন্য তাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সংবিধানে পর্যাপ্ত, কার্যকর এবং বাধ্যতামূলক সুরক্ষার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকতে হবে।"

    "এই অধিবেশন ওয়ার্কিং কমিটিকে এই মৌলিক নীতিগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি সাংবিধানিক রূপরেখা প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলো চূড়ান্তভাবে প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক বিষয়াবলি, যোগাযোগ, শুল্ক এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সকল ক্ষমতার অধিকারী হবে।"

    এই প্রস্তাবটি আসলে কিসের ইঙ্গিত দেয়? প্রস্তাবের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, যেসব এলাকায় মুসলমানদের আধিপত্য রয়েছে সেগুলোকে স্বাধীন রাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাস্তব অর্থে, এর মানে হল উত্তর-পশ্চিমের পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, বেলুচিস্তান এবং সিন্ধু এবং পূর্বের বাংলা— ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশ হিসেবে থাকার পরিবর্তে ব্রিটিশ ভারতের বাইরে গিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। এটিই হল মুসলিম লীগের প্রস্তাবের মূল কথা।

    এই প্রস্তাবটা কি এমন ইঙ্গিত দেয় যে, এই মুসলিম প্রদেশগুলো রাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর প্রতিটিই আলাদা আলাদা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে থাকবে, নাকি তারা একটা একক সংবিধানের অধীনে যুক্ত হয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় (federal) বা এককেন্দ্রিক (unitary) রাষ্ট্রের সদস্য হবে? এই বিষয়ে প্রস্তাবটা বেশ অস্পষ্ট, এমনকি স্ববিরোধীও বটে। এখানে অঞ্চলগুলোকে "স্বাধীন রাষ্ট্র" হিসেবে একত্রিত করার কথা বলা হয়েছে, যার "গঠনকারী এককগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত এবং সার্বভৌম।" "গঠনকারী একক" এই পরিভাষাটা ইঙ্গিত দেয় যে, এখানে একটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর (Federation) কথা ভাবা হয়েছে। যদি তা-ই হয়, তবে এককগুলোর ক্ষেত্রে "সার্বভৌম" শব্দের ব্যবহারটি একেবারেই বেমানান। এককগুলোর ফেডারেশন বা একত্রীকরণ এবং এককগুলোর সার্বভৌমত্ব— এই দুটি ধারণা পরস্পরের বিরোধী। এমনও হতে পারে যে তারা একটি কনফেডারেশন (confederation) গঠনের কথা ভেবেছে। তবে, এই স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো একটি ফেডারেশন তৈরি করবে নাকি কনফেডারেশন, তা এই মুহূর্তে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল মূল দাবিটা, আর তা হল— এই এলাকাগুলোকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে হবে।

    প্রস্তাবটা এমনভাবে লেখা হয়েছে যেন মনে হয় এতে বর্ণিত পরিকল্পনাটা সম্পূর্ণ নতুন। কিন্তু এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, এই প্রস্তাবটা মূলত এমন একটি পরিকল্পনারই পুনরুজ্জীবন ঘটিয়েছে যা ১৯৩০ সালের ডিসেম্বরে লখনউতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে স্যার মুহম্মদ ইকবাল উত্থাপন করেছিলেন। সেই সময়ে লীগ পরিকল্পনাটা গ্রহণ করেনি। তবে, পরে জনাব রহমত আলী এটা গ্রহণ করেন এবং তিনি এর নাম দেন 'পাকিস্তান', যে নামেই এটা আজ পরিচিত। জনাব রহমত আলী, এম.এ., এল.এল.বি., ১৯৩৩ সালে পাকিস্তান আন্দোলনের সূচনা করেন। তিনি ভারতকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেন— পাকিস্তান এবং হিন্দুস্তান। তাঁর 'পাকিস্তান'-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, কাশ্মীর, সিন্ধু এবং বেলুচিস্তান। তাঁর চোখে বাকি অংশই ছিল হিন্দুস্তান। তার মূল ধারণাটি ছিল উত্তরের পাঁচটি মুসলিম প্রদেশ নিয়ে একটি স্বাধীন ও পৃথক "পাকিস্তান" রাষ্ট্র গঠন করা। এই প্রস্তাবটা গোলটেবিল বৈঠকের (Round Table Conference) সদস্যদের কাছে প্রচারিত হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কখনও উত্থাপন করা হয়নি। মনে হয়, ব্যক্তিগতভাবে ব্রিটিশ সরকারের সম্মতি আদায়ের একটা চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তারা এটা বিবেচনা করতে অস্বীকার করে, কারণ তাদের ধারণা ছিল এটা "পুরনো মুসলিম সাম্রাজ্যের পুনরুজ্জীবন" মাত্র।

    মুসলিম লীগ কেবল পাকিস্তানের মূল পরিকল্পনাটাকেই সম্প্রসারিত করেছে। তারা বাংলা ও আসামের মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত করে পূর্বে আরও এক মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই সংযোজনটুকু বাদ দিলে, এটি মূলত স্যার মুহম্মদ ইকবাল কর্তৃক উত্থাপিত এবং জনাব রহমত আলী কর্তৃক প্রচারিত পরিকল্পনারই সারাংশ এবং সাধারণ রূপরেখা প্রকাশ করে। পূর্বে প্রস্তাবিত এই নতুন মুসলিম রাষ্ট্রটার কোনও নাম দেওয়া হয়নি। তবে এটা জনাব রহমত আলীর আদর্শের তত্ত্ব এবং এতে জড়িত বিষয়গুলোতে কোনও পার্থক্য তৈরি করেনি। একমাত্র সমস্যা হল, লীগ তাদের দৃষ্টিভঙ্গি সম্প্রসারিত করলেও, পশ্চিম এবং পূর্বের দুটো মুসলিম রাষ্ট্রের জন্য সংক্ষিপ্ত এবং সুন্দর কোনও নাম দেয়নি, যেমনটা তাদের কাছ থেকে আশা করা গিয়েছিল। যেহেতু তারা তা করেনি, তাই পশ্চিমের মুসলিম রাষ্ট্র এবং পূর্বের মুসলিম রাষ্ট্র— এই দীর্ঘ ও উচ্চারণ-কঠিন নামগুলো নিয়েই আমাদের আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। আমি এই সমস্যার সমাধান হিসেবে দুটি জাতি-তত্ত্ব (two nation theory) এবং এর অবশ্যম্ভাবী পরিণতি অর্থাৎ দেশভাগের আদর্শকে বোঝাতে 'পাকিস্তান' নামটি সংরক্ষণ করার প্রস্তাব করছি এবং উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বের দুটি মুসলিম রাষ্ট্রকে যথাক্রমে পশ্চিম-পাকিস্তান (Western Pakistan) এবং পূর্ব-পাকিস্তান (Eastern Pakistan) হিসেবে চিহ্নিত করছি।

    এই পরিকল্পনা হিন্দু ভারতকে কেবল সতর্কই করেনি, বরং গভীরভাবে হতবাকও করেছিল। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, এই পরিকল্পনায় এমন কী আছে যা এতটা নতুন বা বিস্ময়কর!
    -------------------------------------------------------------------
    অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে এদের সমর্থকদের অভাব নেই! এরা শরিয়তী আইনকে সমর্থন জানায়!
    পশ্চিমবঙ্গকে গ্রেটার বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করাই এদের আসল উদ্দেশ্য!
     
    এবার এরা বোধহয় আম্বেদকরকে চাড্ডি বলবে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন