• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • আমার কম্পিউটার শিক্ষার ইতিবৃত্ত

    রৌহিন লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৯ জুলাই ২০২০ | ১০৮১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ১৯৮৮ সালের মাধ্যমিক ব্যাচ আমি - ডুয়ার্সের অধুনা স্বল্পখ্যাত মালবাজার শহর থেকে। তারপর শিলিগুড়ি - কুচবিহার হয়ে ১৯৯২ এর শেষভাগে বিএস সি পরীক্ষা দিয়ে কলকাতায় পদার্পন - উদ্দেশ্য, "কম্পিউটার শেখা"। সে এক আচাভুয়া ব্যপার। ১৯৯২ সালের কুচবিহারে পুরো জেলায় একটি কম্পিউটার ছিল বলে জানা যায় - কোন একটি চার্চের পাদরি ব্যক্তিগত উদ্যোগে আনিয়েছিলেন। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেল কলকাতায় দুটি প্রধান সংস্থা আছে যারা কম্পিউটার শেখায় - ডেটা প্রো এবং এন আই আই টি (নীট বললে কেন জানিনা এর ছাত্র থেকে মাস্টার সবাই বেশ আপত্তি করতেন)। তা এর কোন একটায় ভর্তি হব বলে কুচবিহার থেকে পাড়ি দেওয়া গেল কলকাতার উদ্দেশে।

    এখানে এসে বোঝা গেল যত সহজ ভাবা গেছিল ব্যপারটা ততটাও সহজ নয়। দুটি সংস্থাই তাদের কোর্স ফী বাবদ যে টাকা দাবী করছিল তা তখনকার দিনের হিসাবে অবশ্যই এক্সরবিটান্ট এবং আমাদের সাধ্যের বাইরে। ফলে আবার ফিরেই যাব নাকি কলকাতা / যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কলেজে মাস্টার্স এর চেষ্টা করব সেই চিন্তাতেই তখন মশগুল - ইতিমধ্যে চলে এল অন্য এক সুযোগ।

    মাতৃবাণী ইন্সটিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন দমদমের সেভেন ট্যাঙ্কস লেনের একটি অপেক্ষাকৃত অখ্যাত সংস্থা। কর্ণধার ডাঃ সুদেব শঙ্কর দাশগুপ্ত কানাডা থেকে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পোস্ট ডক্টরেট করে নিজের মেধা দেশের কাজেই লাগাবেন বলে এদেশে এসে এই সংস্থাটি খুলেছেন, পাশাপাশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্সের রীডার। সেভেন ট্যাঙ্কস লেনে ওনার বাড়ির নীচের তলাতেই ইন্সটিটউটের হেড অফিস - এছাড়া বৌবাজারে পিয়ারলেস পলিক্লিনিকের (এখন বন্ধ হয়ে গেছে) সাত তলায় একটি সাতশো স্কোয়ার ফুটের অফিস - পিয়ারলেসের ডোনেশন। এই সুদেবদা পাড়াতুতো সূত্রে আমার মেশোমশাইএর পরিচিত - মেশো একদিন আমাকে নিয়ে গেলেন সেই সেভেন ট্যাঙ্কস এর বাসায়।

    আমার মনে আছে আমার সব কথা শোনার পর সুদেবদা আমাকে প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন, "বল তো, জাড্যাপহ কাকে বলে?" আমি বোমকে গিয়ে আমতা আমতা করছিলাম, উনি আমাকে বুঝিয়েছিলেন যে মোমেন্ট অফ ইনার্শিয়াকেই বাংলায় জাড্যাপহ বলা যেতে পারে। যাই হোক, কথাবার্তায় যা জানা গেল, সুদেবদা বললেন যে এখানে ঠিক "কম্পিউটার শেখানো" হয় না, তবে কম্পিউটার একটা আছে। কাজে লাগে - রিসার্চের এবং অন্যান্য। আমি যদি ওদের সাথে কাজে যোগ দিই ইন্সটিটুটের একজন সদস্য হিসাবে তাহলে কম্পিউটার তো কাজের জন্যই শিখতে হবে, সে জন্য আমাকে কোন টাকাপয়সা তো দিতে হবেই না, উল্টে ওরাই আমাকে মাসে দুশো টাকা করে স্টাইপেন্ডের ব্যবস্থা করে দেবেন কিছুদিন পর থেকে। জীবনে সেই প্রথম চক্ষুকর্ণের বিবাদ ভঞ্জন করে "কম্পিউটার" দেখা হল - ইনটেল 386 - সাদা রঙের পিসি - টিভির মত দেখতে সাদা দামড়া মনিটার, ইয়া গাব্বা সাইজের সি পি ইউ, সেটাও সাদা, তাতে ছোট এবং বড় দুই রকমের ফ্লপি ডিস্কের স্লট। বলা বাহুল্য এসব ডিটেইল কিছুই তখন জানতাম না - ওটাকে ফ্লপি বলে বা ওই ঢোকানোর জায়গাটাকে স্লট বলে, সেটুকুও না। সিডি ব্যপারটার নামই শুনব আরো প্রায় বছরখানেক পরে। পুরাই মফো - সুদেবদা বলতেন "কুচ কুচ বিহারি"।

    হ্যাঁ স্বাতীদি যেমন বলেছ - বেসিক, কোবোল আর ফোরট্রান - ততদিনে বোধ হয় ফক্স প্রো ও এসে গেছে। আমি স্বাভাবিকভাবেই এগুলোর কোনটাই জানতাম না (আজও আমি কোন ল্যাঙ্গুয়েজেই এক লাইনও কোড লিখতে শিখলাম না - একটু আধটু এইচ টি এম এল আর এস কিউ এল কোয়ারি লিখতে পারি কষ্টেসৃষ্টে), সে অন্য একজন করত। আমি শিখছিলাম ডকুমেন্টেশন - তখনো মাইক্রোসফট ওয়ার্ড মার্কেটে আসেনি - উইনোয়ার্ড বা ওইরকম কিছু নামের সফটওয়ার ছিল - যেটাকে আজকের ওয়ার্ডের পূর্বসুরী বলা যায়। এক্সেলেরও ওরকম একটা কিছু ছিল কিন্তু সে আর শেখা হয়নি - তার আগেই চলে এসেছিল এম এস অফিস।

    তো এই হল গে আমার সেই " কম্পিউটার শেখা"র আদিযুগের ঐতিহাসিক দলিল। সুদেবদা এবং মাতৃবাণী ইন্সটিটিউটের গল্প আরো অনেক বিস্তৃত, সে পরিসর এখানে নয়।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৯ জুলাই ২০২০ | ১০৮১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
গল্প - moulik majumder
আরও পড়ুন
গল্প - moulik majumder
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ar | 96.230.106.154 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০০:২৩95308
  • Lotus 1-2-3!!
  • | ১৯ জুলাই ২০২০ ০০:২৯95309
  • হে হে Wordpro, Lotus 1-2-3 আর dBase III plus.
  • মারিয়া - কোয়েল | 2409:4060:19:4cb6::1310:a8a5 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০০:৩০95310
  • ইয়েপ্পিইইই

  • মারিয়া - কোয়েল | 2409:4060:19:4cb6::1310:a8a5 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০০:৩১95311
  • আগের কমেন্ট টা ক্রমন আধখেঁচড়াপোস্ট হল

  • স্বাতী রায় | 2402:3a80:a44:818a:cb0f:6ace:f78:3c81 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০০:৩৬95312
  • আরে dbase নিয়ে যা সব গল্প। কলকাতার পানের দোকানদারদেরও নাকি 95 -96 এ লোকে কনসালটেন্সি দিত কম্পুটারাইজেশনের। বোঝা! Dbase. 

  • এলেবেলে | 202.142.71.33 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০১:০০95313
  • কিন্তু মালবাজার তো জলপাইগুড়িতে। তবুও রৌহিন কুচ কুচ বিহারি কেন? জলবিহারি বা জলপাইবিহারিও তো বলা যেত!

  • | ১৯ জুলাই ২০২০ ০১:০২95314
  • ডিবেস থ্রি প্লাস, ডিবেস ফোর, ডিবেস ফাইভ অবধি এসেছিল। এদিকে তখন ফক্সবেস লাফিয়ে ফকসপ্রো হয়ে গেছে। গল্প মানে বস্তা বস্তা গল্প। কলেজগুলোতে কম্পুসেন্টার হয়েছে। প্রফরা আসেন হেব্বি ঘ্যাম নিয়ে যেন ডিখে ধন্য করে দেবেন।
  • | ১৯ জুলাই ২০২০ ০১:০৫95315
  • *শিখে ধন্য করে দেবেন।
    ওদিকে সরকার থেকে ভোটার আইডি কার্ড বানাবার ঘোষণা। ধুম পড়ে গেল ডিটিপি শেখার
  • ar | 96.230.106.154 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০১:২২95316
  • সেই সব এজেন্টদের পাড়াতে নামকরণ হয়েছিল D.Base
    (উ কলি তে ঘটি উচ্চারণে ডী বেঁস্স)।
    ভাইরাস ব্যাপারটা খুব বিভ্রান্তিকর ছিল। অনেককে মাফলার গলায় কম্পু করতে দেখেছি। সেটা এসি না ভাইরাসের জন্য, ক্লীয়ার হয়নি!!!

    রৌহিন স্মৃতিঘরের দরজাটা হাট-আলগা করে খুলে দিলেন!!
  • রৌহিন | ১৯ জুলাই ২০২০ ০২:২৬95318
  • @ এলেবেলে

    মালবাজারে মাধ্যমিক। শিলিগুড়িতে উচ্চ মাধ্যমিক। কুচবিহারে গ্র্যাজুয়েশন। আমার বাবার বদলির চাকরি ছিল কি না

  • Tim | 174.102.66.127 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০৪:১৯95323
  • হ্যা হ্যা সেই ফক্সপ্রো। ঐ দিয়েই আমাদের কোডিং এর হাতেখড়ি হলো।

    লেখাটা ভালো হয়েছে।
  • dc | 103.195.203.231 | ১৯ জুলাই ২০২০ ০৯:৫১95325
  • আমি ৯২ উমা, প্রথম কম্পু শিখেছিলাম কলেজে। প্রথমে শিখলাম ডস আর ফোর্ট্রান, ফোর্ট্রানের নাম্বারড স্টেটমেন্ট আর ডু লুপ ভাইর মজা লাগতো। এর মধ্যে এক বন্ধু ফ্লপিতে করে একটা বাইক রেসিং গেম (রোডর‌্যাশ না) এনে একটা হিডেন ডিরেক্টরিতে লোড করে দিল, ব্যস, আমরা কয়েকজন মিলে সারা দিনরাত সেই গেম খেলতে ব্যস্ত হয়ে উঠলাম। পরের ক্লাসে সি শেখানো হবে, আমি গিয়ে স্যরকে জিগ্যেস করলাম, একটা বইএর নাম বলুন না, নিজেই যাতে শুরু করে দিতে পারি! স্যর বললেন সি এর বই চাই, সে আর কি এমন, রিচি কার্নিহ্যান নামের একটা বই আছে, কিনে ফেলো। চটিমতো বই, সহজে শিখে যাবে। সে বইটা কিনে দেখি প্রথম পাতাতেই আটকে গেছি! পরে জেনেছিলাম ওটা সি এর বাইবেল।

    তারপর চাকরি নিয়ে সুরাট গেলাম, সেখানে দেখি বিশাল কন্ট্রোল রুম, সেখানে সার সার কম্পু আর সেগুলোর ঢাউস সব মনিটর, সেগুলোতে প্রসেস কন্ট্রোল হয়। সেই প্রথম কালার স্ক্রিন দেখা। আরেকটা দুর্দান্ত জিনিষ শিখেছিলাম, লাইট পেন। পেনের মতো একটা পয়েন্টার, সেটা দিয়ে স্ক্রিনের ওপর প্রেশার ভেসেল বা ভালভ ইত্যাদিতে টাচ করে প্যারামিটার পাল্টানো হতো। (ডাই হার্ড টু তে লাইট পেন দেখিয়েছিল)। আর ছিল ট্র্যাক বল। তারপর সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে শুরু করলাম পোগ্রা, সেখানে প্রথম ব্যবহার করলাম উইন্ডোজ 3.1। আর শিখলাম নেটওয়ার্কিং, প্রথম ভাইরাস টেস্ট করলাম, প্রথমবার চ্যাট করলাম, আরও কতো কি! কোনদিন নাতনিকে শোনাবো সেসব গল্প।
  • গুড়গুড়ি | 185.220.101.207 | ১৯ জুলাই ২০২০ ১০:৩৩95326
  • শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি, মালগুড়ি...সব একজায়গাতেই না?

  • রৌহিন | ১৯ জুলাই ২০২০ ১২:৪৬95328
  • হ্যাঁ যেমন জয়পুর, কানপুর, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর। কিম্বা ধরুন লস অ্যাঞ্জেলেস আর লস অ্যালামস। সবই এক। সবাই অহম ব্রহ্মাস্মি

  • Atoz | 151.141.85.8 | ২০ জুলাই ২০২০ ০৫:১৪95345
  • সাম্যসিদ্ধান্তসভায় একেই বলা হত, " কেন্দ্রগতং নির্বিশেষং ...
    ঃ-)
  • বিপ্লব রহমান | ২৪ জুলাই ২০২০ ০৯:৩২95456
  • তৎকালে হায়ার সেকেন্ডারি পাশের পর টাইপিং, স্টেনোগ্রাফি শেখার চল ছিল, রীতিমতো ইন্সটিটিউট থেকে বেসিক, শর্ট ও ফুল কোর্স শেখার বিষয় ছিল, বাসায় বড়দের কারো শর্ট হ্যান্ড শেখার বই পর্যন্ত ছিল। 

    তবে চণ্ডাল  পাশ করে বেরুতে বেরুতে সে সব উঠে গেল। ঢাউস আইবিএম সাদাকালো মনিটরে বেসিক, শর্ট ও ফুল কোর্স কম্পিউটার শেখার আট-দশটি প্রতিষ্ঠান গজিয়ে গেল। রৌহিন কথিত এনআইআইটি (নিট) তে পিঠাপিঠি দিদি ভর্তি হলেন। চণ্ডালকেও ঢুকিয়ে দেওয়া হলো কোনো একটি খোঁয়াড়ে। 

    কিছুদিন কি-বোর্ড গুঁতোগুঁতি করে এক্সেল, হার্ডডিস্ক, সফটডিক্স, ফ্লপিডিক্স ইত্যাদি ভাবের ইংরেজি শব্দ শিখেই চম্পট।   

    সত্যিকার অর্থে সাপ্তাহিকে কলম ঘষে সাংবাদিক হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টার ক্রান্তিলগ্নে নয়ের দশকে প্রথম কম্পিউটার শেখা এপেলের ছোট্ট সাদাকালো মনিটরে। ততোদিনে ছাপাখানায় কম্পিউটার বিপ্লব শুরু হয় গেছে।  অফিস ফাইল আর চোরাই বিজয়ই ভরসা। 

    ধন্যবাদ রৌহিন,  অনেক পুরনো কথা মনে করিয়ে দিলে।    ভাল থেক ভাই                                            

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন