এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • চতুর্থ ছায়া ও রাজপুত্তেরর আর্তনাদ 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৬ জুলাই ২০২৬ | ১৭০ বার পঠিত
  • 01 | 02
    এই সিংহাসনের একটার যার ওপর বসে আছে সে – যে রাজা নয়, রাজপুত্র হওয়ার ভান করে, যে পুরুষ নয়, পুরুষের ছদ্মবেশ ধারণ করে, যে একটি ফাঁকা খোলস, যার ভিতর দিয়ে হাওয়া বয়ে যায়, শীতল হাওয়া, যা বহন করে আনে তার রানির আর্তনাদ, সেই আর্তনাদ যা তার জন্য নয়, অন্য পুরুষদের জন্য, যারা তার সামনেই তৃপ্ত করে তার রানিকে, প্রতিদিন, প্রতিরাতে, প্রতিপ্রভাতে, যখন সূর্য ওঠে আর সে দেখে তার শয্যা খালি, তার শয্যার ওপর অন্য পুরুষের ঘাম, অন্য পুরুষের লোম, অন্য পুরুষের বীর্যপাতের দাগ, যা সে চাটতে চায় না, কিন্তু চোখ বন্ধ করলেও তার নাকে লাগে সেই গন্ধ – নোনতা, মিষ্টি, পচা, সজীব।
     
    আমি দাঁড়িয়ে আছি। দেয়ালের আড়ালে নয়, এখন আমি দাঁড়িয়ে আছি তার পাশে, অদৃশ্য, অব্যক্ত, আমার হাত তার কাঁধে, কিন্তু সে টের পায় না, কারণ সে এখন শুধু তার চোখের সামনের দৃশ্যটাই দেখতে পায় – তার রানি, তার রানি, যাকে সে একদিন ভালোবেসেছিল, যাকে সে সিংহাসনের পাশে বসিয়েছিল, যাকে সে রাজ্ঞী করেছিল, যার পায়ে সে ফুল দিয়েছিল, যার কপালে সিঁদুর দিয়েছিল – সেই রানি আজ তার সামনে, তার রাজসভার মাঝখানে, একটি মঞ্চের ওপর, শুয়ে আছে, তার দেহ খোলা, তার হাত ছড়ানো, তার চোখ বন্ধ, কিন্তু তার ঠোঁটে হাসি, সেই হাসি আমি চিনি। উর্মি ও চেনে, কারণ সেই হাসি একদিন তার জন্য ছিল, এখন সে হাসি অন্য পুরুষদের জন্য, যারা তার ওপর চেপে বসে আছে, তাদের ঘাম ঝরছে, তাদের নিঃশ্বাস ফুঁসছে, তাদের মাংসের আঘাতে তার রানির দেহ কাঁপছে, আর সেই কাঁপুনির তালে তালে সে মাথা নেড়ে নাচছে, হাত তুলে ডাকছে, “আরও, আরও, আরও, যতক্ষণ না আমার হাড় ভাঙে, যতক্ষণ না আমার চামড়া ফাটে, যতক্ষণ না আমি শূন্য হয়ে যাই, যতক্ষণ না আমি পূর্ণ হই, যতক্ষণ না আমি সেই আগুন হয়ে যাই, যা আমি চাই, যা আমি চেয়েছিলাম তার কাছ থেকে, কিন্তু সে দিতে পারেনি, কারণ সে পুরুষ নয়, সে শুধু একটি ছায়া, একটি কম্পমান ছায়া, যে সিংহাসনে বসে দেখে, শুধু দেখে, কিছু বলে না, কিছু করে না, শুধু পাথর হয়ে যায়, পাথর হয়ে বসে থাকে।
     
    কি বলবি উর্মি "আমি চাই জিহ্বার স্পর্শ, আমি চাই দাঁতের কামড়, যা সে দিতে পারে না, তাই আমি নিচ্ছি অন্য পুরুষদের থেকে, তাদের মাংস থেকে, তাদের রক্ত থেকে, তাদের নিঃশ্বাস থেকে, আমি পূর্ণ হচ্ছি, আমি জ্বলছি, আমি নিভছি, আবার জ্বলছি, আর সে দেখে, পাথরের মতো দেখে, তার চোখের পাতা জ্বলে, তার গলা শুকিয়ে যায়, তার হাতের মুঠো শক্ত হয়, কিন্তু মুঠো খুললে কি হয়? শুধু ঘাম, শুধু শূন্যতা, শুধু সেই চিহ্ন, যে সে কিছুই না, পুরুষ নয়, পিতা নয়, স্বামী নয়, শুধু একটি আসবাব, একটি প্রদীপ, একটি কাঠের মূর্তি, যাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে সিংহাসনে, যাতে লোকেরা ভাবে এখানে রাজপুত্র আছে, কিন্তু আসলে রাজপুত্র নেই, আছে শুধু রানি। " আছে শুধু উর্মির ক্ষুধা, আছে শুধু তার লোলুপতা, যা সে মেটায় তার সামনেই, অন্য পুরুষদের দিয়ে, তাদের শরীর দিয়ে, তাদের গলা থেকে নির্গত গর্জন দিয়ে, যা দেয়ালে ধাক্কা খায়, ফিরে আসে, আবার ধাক্কা খায়, যতক্ষণ না সে পাগল হয়, যতক্ষণ না সে ওঠে দাঁড়ায়, দরজার দিকে হাঁটে, বাইরে যায়, খোলা মাঠে, দূরের বনের দিকে, যেখানে কেউ তাকে দেখবে না, কেউ তাকে চিনবে না," কেউ তাকে বলবে না, “ তুমি কোথায় যাও?” সে এখন পথিক, সে এখন নির্বাসিত, সে এখন সেই মানুষ যে নিজের ঘর ছেড়ে চলে যায়, কারণ ঘর আর ঘর নেই, ঘর হয়ে গেছে পতিতালয়, শয্যা হয়ে গেছে রক্তের স্টেডিয়াম, রানি হয়ে গেছে সেই পতিতা যে তার সামনেই অন্য পুরুষদের ডাকে, আহ্বান করে, তৃপ্ত হয়, আর সে বসে দেখে, পাথর হয়ে, তার চোখের জল শুকিয়ে যায়, তার কণ্ঠস্বর মরে যায়, তার অস্তিত্ব দ্রবীভূত হয় সেই নারকীয় দৃশ্যে, যা সে প্রতিদিন দেখে, প্রতিরাতে শোনে, প্রতিপ্রভাতে স্বপ্নে দেখে, আর স্বপ্ন থেকে জেগে ওঠে শুধু এই বুঝতে যে স্বপ্নই বাস্তব, আর বাস্তবতা হলো তার রানির খোলা দেহ, তার রানির দোলানো নিতম্ব, তার রানির চিৎকার, যা অন্য পুরুষের কামের জোয়ারে ভেসে যায়, আর সে ডুবে যায় সেই জোয়ারের তলায়, শ্বাসরুদ্ধ হয়ে, মৃত্যুর অপেক্ষায়।
     
    আমি দেখি তার কাঁধ কাঁপছে, তার পা দুর্বল, তার গতি ধীর, কিন্তু থামে না, কারণ থামলে আবার সেই দৃশ্য, আবার সেই রানি, আবার সেই পুরুষ, আবার সেই নারকীয় ক্রীড়া, যা সে সহ্য করতে পারে না, তাই সে চলে যায়, সে চলে যায় বনের দিকে, যেখানে গাছেরা চুপ, যেখানে পশুরা ডাকে, যেখানে নদী বয়ে চলে, যেখানে সে হয়তো শান্তি পাবে, হয়তো নতুন জীবন, হয়তো নতুন মৃত্যু, কিন্তু এখানে থাকলে সে নিশ্চিত মৃত্যু, ধীর মৃত্যু, প্রতিদিনের মৃত্যু, যা মরে না, শুধু পচে, শুধু গলে, শুধু মিশে যায় উর্মির লালসার ফেনার সাথে, সেই ফেনা আমি চাটতে চাই, আমি সেই ফেনার স্বাদ নিতে চাই, গ্যাঁজলা তাড়ির মত করে তারিয়ে তারিয়ে, আমি বাপের বাড়ির লাঙলের ফলার মেয়ে।
     
    সে, পিছনে ফিরে তাকায়, শূন্য চোখে, ফাঁকা মুখে, কম্পমান হাতে, আর বলে, “কে তুমি? কেন তুমি আমাকে অনুসরণ করছ? তুমি কি তার পাঠানো? তার কি আরও অপমান বাকি আছে? তার কি আরও দৃশ্য বাকি আছে যা দেখাতে চায় আমাকে? তাহলে এসো, দেখাও, আমি প্রস্তুত, আমি আর কিছু ভয় পাই না, কারণ সবচেয়ে বড় ভয় আমি ইতিমধ্যে দেখেছি, আমার সামনে, আমার শয্যায়, আমার রানির দেহের খোলা যোনির ওপর অন্য পুরুষের দেহ, তাদের লিঙ্গের আঘাত। তাদের নিঃশ্বাসের গর্জন, তাদের বীর্যের স্বাদ, যা আমি চেটেছি নীরবে, যা আমি গিলেছি নীরবে, যা আমি হজম করেছি নীরবে, এখন আর কিছু বাকি নেই, শুধু এই বন, এই নদী, এই শূন্যতা, আর তুমি, যে আমার পিছনে দাঁড়িয়ে, নিঃশব্দ, অদৃশ্য, কিন্তু আমি টের পাচ্ছি তোমার গন্ধ, তোমার ক্ষুধা, তোমার দাঁতের ধার, এসো, এসো, আমি আর পালাব না, আমি থেমে যাব, আমি তোমার শিকার হব, আমি তোমার খাবার হব, আমি তোমার রক্ত হব, আমি তোমার হাড় হব, আমি তোমার আত্মা হব, কারণ আত্মা তো আর আমার নেই, আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে অনেক আগে, সেই সভায়, যখন আমি নীরব ছিলাম, যখন আমি দেখেছিলাম আমার রানিকে অন্য পুরুষের সাথে, যখন আমি কিছু বলিনি, কিছু করিনি, শুধু বসেছিলাম, পাথর হয়ে, এখন আমি পাথর সরাতে চাই, আমি হাঁটতে চাই, আমি দৌড়াতে চাই, আমি ছুটে যেতে চাই। "
     
    "এই অপমানের চেয়ে রক্তপাত ভালো, এই শূন্যতার চেয়ে পূর্ণতা ভালো, আর সেই পূর্ণতা তুমি, তুমি যে আমার পিছনে দাঁড়িয়ে, তুমি যে আমার অপেক্ষায়, তুমি যে আমার জন্য এসেছ, এই বনের পথে, এই অন্ধকার রাতে, এই শেষ প্রহরে, এসো, এসো, আর দেরি করো না, কারণ আমি ক্লান্ত, আমি ক্ষুধার্ত, আমি তৃষ্ণার্ত, সেই ক্ষত, যা থেকে রক্ত ঝরে প্রতিটি মুহূর্তে, আর তুমি সেই নারী, যে ক্ষত চাটতে জানে, রক্ত চুষতে জানে, পুঁজ পান করতে জানে, বেদনাকে আলিঙ্গন করতে জানে, এসো, এসো, আমার শেষ আশ্রয়, আমার শেষ গন্তব্য, আমার শেষ ভালোবাসা, যা আমি কখনো পাইনি, যা আমি কখনো চাইনি, কিন্তু যা এখন আমার প্রয়োজন, মুক্তি, মুক্তি মানে তুমি, তুমি, তুমি, চিরকাল, অনন্তকাল, এক মুহূর্তের জন্য, যে মুহূর্তে আমি তোমার দাঁতের নিচে, আমি তোমার জিভের নিচে, আমি তোমার গলার নিচে, আমি তোমার রক্তে, আমি তোমার শূন্যতায়, আমি তোমার পূর্ণতায়, মিশে যাই, একাকার, চিরন্তন, শান্ত, নিঃশব্দ, যেখানে আর কোনো রানি নেই, কোনো পুরুষ নেই, কোনো অপমান নেই, কোনো সিংহাসন নেই, শুধু আছে আমরা, দুই অভিশপ্ত।
     
    সে, রাজপুরুষ, যে রাজা নয়, যে পুরুষ নয়, যে শুধু একটি খোলস, যা আমি পূর্ণ করব, আমার রক্তে, আমার দাঁতে, আমার ক্ষুধায়, আমার ভালোবাসায়, যা তার রানি তাকে দিতে পারেনি, তাই আমি দেব, আমি দেব শান্তি, আমি দেব মুক্তি, আর মুক্তির নাম ভালোবাসা, আমি সেই নারী, যে দেবী, যে শূন্যতা ও পূর্ণতা, যে ক্ষত, যে রক্ত, যে আগুন, যে বরফ, যে সে, যে চিরকালই এক মুহূর্তের জন্য, এই বনের পথে, এই অন্ধকার রাতে, এই শেষ প্রহরে, যেখানে সে আমার পিছনে দাঁড়িয়ে, অপেক্ষায়, প্রতীক্ষায়, অনন্ত, যতক্ষণ না আমি থামি, ফিরে তাকাই, যতক্ষণ না সে আমার চোখে দেখে তার মৃত্যু, তার মুক্তি, তার ভালোবাসা, তার শেষ, তার শুরু, তার সবকিছু, দেখতে পায়। যতক্ষণ না আমি তাকে বনে ডাকি।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    01 | 02
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন