এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  সমোস্কিতি

  • বারুইপুর

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়
    সমোস্কিতি | ০৬ জুলাই ২০২৬ | ৫৫ বার পঠিত
  • অভিযোগ, বারুইপুরে একটি ১০ বছরের মেয়েকে গণধর্ষণ এবং খুন করা হয়। অভিযুক্তদের স্থানীয় লোকে সিসিটিভি দেখে স্থানীয় লোকে ধরে, পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ কোনো তদন্ত করেনি। তারপর বিজেপির স্থানীয় নেতা অভিযুক্তদের ছাড়িয়ে আনেন। লোকে খবর পেয়ে গণপিটুনি দেয়। একজন অভিযুক্ত মৃত।

    এগুলো আমি স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার দেখে লিখলাম, নিউজওয়ান বলে একটি চ্যানেলে। কারণ, যথারীতি বারুইপুরে ডিম্মিডিয়া পৌঁছতে পারেনি। মাসতিনেক আগে অবশ্য এরকম কিছু ঘটার আঁচ পেলেই হাজির হত। সেটা ঠিকই আছে, নইলে ডিম্মিডিয়া কেন। 'প্রতিবাদীরা'ও চুপ করে আছেন। এর আগে পুলিশ ধরে ফেললেও তাঁরা প্রতিবাদে নেমে পড়তেন। বড় বড় বাইট দিতেন। এখন ডিম্মিডিয় বাইট চাইছেওনা, কোন লাইনে বলতে হবে সেটাও বলে দিচ্ছেনা। তাছাড়া সরকারও হয়তো কপ করে ধরে ফেলল। ফলে সেটাও ঠিকই আছে।

    মন্ত্রী-সান্ত্রী নেতাদের বাইট দেখিনি। দুদিন আগে শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, পুলিশের তো ডিম-ডিটেক্টর নেই। এবার বলার সুযোগ আছে, পুলিশের তো ধর্ষক-ডিটেক্টর নেই। বললে, সঠিক কথাই হবে। অগ্নিমিত্রা পালকে দুদিন আগে বলতে শুনেছিলাম, আমাদের দল ডিম ছোঁড়া সমর্থন করেনা। এবার নিশ্চয়ই করুণ সুরে বলবেন, আমাদের দল ধর্ষণ সমর্থন করেনা। এখনও বলেননি, কিন্তু বললে সেও সত্যি কথা। কিন্তু ওঁদের লোক ​​​​​​​ডিম ​​​​​​​মারা ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​শুরু ​​​​​​​করে, ধর্ষণের অভিযোগে জড়িয়ে ​​​​​​​যাচ্ছেন, ​​​​​​​ওঁরা ​​​​​​​ক্ষমতায় ​​​​​​​আছেন, ​​​​​​​স্রেফ ​​​​​​​সমর্থন ​​​​​​​করিনা ​​​​​​​বললেই ​​​​​​​তো ​​​​​​​ল্যাটা ​​​​​​​চুকে ​​​​​​​যায়না। ​​​​​​​সরকারে ​​​​​​​থাকলে ​​​​​​​দায় ​​​​​​​এবং ​​​​​​​দায়িত্ব ​​​​​​​নিতে ​​​​​​​হয়। ​​​​​​​ফলে ​​​​​​​এর ​​​​​​​দায়টা ​​​​​​​ওঁদের ​​​​​​​সরকারের ​​​​​​​এবং ​​​​​​​দলের। ব্যারিটোনে ​​​​​​​কিংবা ​​​​​​​করুণ ​​​​​​​সুরে ​​​​​​​বাণী ​​​​​​​দেবার ​​​​​​​কোনো ​​​​​​​মূল্যই ​​​​​​​নেই।

    এবং এটা শুধু একটা ধর্ষণ বা কয়েকটা ডিমে-ছোঁড়ার অভিযোগ না। রাজ্যজুড়ে নৈরাজ্য নেমে এসেছে। ব্যবসায়ী-ইশকুল মাস্টারকে ডিম মারা হচ্ছে। সাংসদদের ডিম মারা হচ্ছে। কোমরে দড়ি দিয়ে ঘোরানো হচ্ছে বিরোধী নেতাদের। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এইসব কাজে লাগানো হচ্ছে। এবং এখন গণপিটুনিতে খুনই হয়ে গেল। ডিম্মিডিয়া দেখাক বা না দেখাক, এই পুরো নৈরাজ্যের দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। ডিম-ছোঁড়া, কোমরে-দড়ি, ইউটিউবারদের গ্রেপ্তার, এবং গণপিটুনি, কোনোটাই ন্যায়বিচার না, ঠিক উল্টো।

    অন্য সব রাজনীতি ছেড়ে দিন। এঁরা আসলে প্রশাসন চালানোর যোগ্য কিনা নিজেদেরই ভেবে দেখার সময় হয়েছে। দুদিন আগে এক বিধায়ককে দেখছিলাম, বললেন, আমার এলাকায় ​​​​​​​বিজেপি পরিচয় ​​​​​​​দিয়ে ​​​​​​​কারা ​​​​​​​মারল, ​​​​​​​তাদেরককে ​​​​​​​কেউ ​​​​​​​বিজেপি বলে চেনেই ​​​​​​​না। যদি এই কথা সত্যি হয়, অবস্থাটা ভাবুন। সংগঠনের এমনই অবস্থা, কোথায় কে বিজেপি বা বিজেপি পরিচয় দিয়ে রাজত্ব চালাচ্ছে, কোনো ট্রেস নেই। বুথে লোক নেই, সংগঠন নেই, এঁরা চালাবেন প্রশাসন। ঈশ্বর এঁদের, এবং বাংলার মানুষের মঙ্গল করুন।




    অনেকে এখনও জানতে চাইছেন, বারুইপুরে কী হয়েছে? কী অভিযোগ? তাঁদের জন্য সংক্ষেপে পুরোটা লিখে দিই। দয়া করে কপি করে লোকজনকে পাঠান, কারণ মিডিয়ায় তেমন কিছু নেই, ফলে অনেকেই পুরোটা জানেন না।

    বারুইপুরে একটি ছোট্টো বছর দশেকের মেয়ে, ধরা যাক তার নাম হাস্নুহানা, হঠাৎই "হারিয়ে" যায়। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ, হাস্নুহানার নামে মিসিং কমপ্লেন্ট করার পরেও পুলিশ কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। নানা স্থানীয় চ্যানেলে তাঁরা বলেছেন, যে, পুলিশকে নিষ্ক্রিয় দেখার পরে স্থানীয় মানুষই সন্ধানের কাজে নেমে পড়েন। প্রথমে সারা রাত খোঁজা হয়। তারপর সকাল হলে, যে কাজ গোয়েন্দার, সেটাই তাঁরা করতে থাকেন। বিভিন্ন দোকানের সিসিটিভি খতিয়ে দেখে মেয়েটির অনুসন্ধানের কাজ শুরু হয়।

    অনুসন্ধানের কাজ খুব দ্রুতগতিতে এগোয়। দুপুরের দিকে এক বস্তার মধ্যে ছোট্ট মেয়েটার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ধর্ষণ ও খুন করে পুকুরে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। স্থানীয় মানুষ শুধু মৃতদেহ উদ্ধার করেন নয়, সম্ভাব্য অপরাধীদের চিহ্নিত করেন। তাদের জেরা করেন এবং ৪ জন অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। অভিযোগ, এই অনুসন্ধান এবং দেহ উদ্ধারের সময় থানার কোনো পুলিশকর্মীর টিকি দেখা যায়নি। শুধু স্থানীয় ক্যাম্পের এক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এর পর ঘটনা মারাত্মক দিকে ঘোরে। পুলিশ ওই ৪ জনকেই ছেড়ে দেয়। অভিযোগ, ওই ৪ জন অভিযুক্তই RSS কর্মী। এবং আরও অভিযোগ, যে, স্থানীয় বিজেপি নেতা শান্তনু মণ্ডল থানায় প্রভাব খাটিয়ে ওই ৪ অভিযুক্তদের ছাড়িয়ে আনেন। বলাবাহুল্য, জনরোষ এরপর বাড়তে থাকে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামে। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়, এবং পুলিশের ওপর আস্থা না রেখে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় অভিযুক্তকে।

    পুরো ঘটনা সারাদিন ধরে দফায় দফায় ঘটতে থাকলেও, মূলধারার মিডিয়া, যাকে ডিম্মিডিয়া বলা হয়, সন্ধ্যের আগে এক লাইনও সম্প্রচারের সময় পায়নি। সন্ধ্যের পর থেকে যৎসামান্য দেখানো শুরু হয়। রিপাবলিকের ময়ূখরঞ্জন রাত থেকে অবস্থা সামাল দিতে সারারাত ফেসবুকে পোস্ট করতে থাকেন। "বারুইপুরে খরচা হোক", জাতীয় ইঙ্গিতপূর্ণ কথাবার্তা লিখতে থাকেন। "বিজেপি-নেতার কথায় পুলিশ অভিযুক্তদের ছেড়ে দিয়েছে" - এই অভিযোগ নিয়ে একটি বাক্যও বলেননি।

    এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী হাস্নুহানার বাবাকেই পুলিশের বড় দপ্তর, ভবানীভবনে তলব করেন। আর কালীঘাটে নেমে যায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যেন কিছুতেই বারুইপুরে পৌঁছতে না পারেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, তাঁকে কার্যত গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত এর কয়েকদিন আগেই গোটা কলকাতার বিরাট অংশ জুড়ে মিটিং-মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারী হয়েছে।

    পুরো ঘটনা নিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বা অগ্নিমিত্রা পাল, যাঁরা এই জমনার ব্যতিক্রমী 'ভব্য' মুখ বলে পরিচিত, তাঁদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। লকেট বলেছেন তিনি শোনেনই নি। বাকিরা কোথায় কেউ জানেনা, সম্ভবত ডিম্মিডিয়া তাঁদের বিব্রত করেনি। তবে গভীর রাতে শ্রদ্ধেয়া কাকীমা রত্না দেবনাথ একটি ফেসবুক পোস্ট করে জানিয়েছেন, মা-বাবার কোল খালি করল যারা তাদের কড়া শাস্তি পাওয়া উচিত। দলীয় নেতার হস্তক্ষেপেই অভিযুক্তদের ছাড়িয়ে আনার অভিযোগ নিয়ে তিনি রা কাড়েননি।

    এই নিয়ে এখনও কোনো আন্দোলনের ডাক পাওয়া যায়নি। রাত-দখলের কৃতিত্ব নিয়ে যাঁরা কাড়াকাড়ি করছিলেন, তাঁরা মোটের উপর নিশ্চুপ, কিংবা মৃদু সমীরণের মতো বক্তব্য রাখছেন। অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে লাইভ করে সরকারের প্রতি আস্থাজ্ঞাপন করা হয়েছে। সুবিচারের জন্য আবেদন করেছেন শ্রী পুণ্যব্রত গুণ এবং মানুষকে আইন হাতে তুলে নিতে বারণ করেছেন।

    সব মিলিয়ে যা বোঝা যাচ্ছে, বিরোধীদের জন্য বারুইপুর অবরুদ্ধ। কিছু হলেও ডিম্মিডিয়া দেখাবেনা। মোটের উপর ব্ল্যাক আউট চলছে। পোস্ট মর্টেম কী হয়েছে কেউ জানেনা। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, যে বস্তায় দেহ ছিল, সেটা এখনও পড়ে। এভিডেন্স আদৌ সংগ্রহ করা হয়েছে কিনা জানা নেই। এবং ময়ূখের বক্তব্যের পর সন্দেহ হচ্ছে, একমাত্র সাক্ষী বলে যাঁর কথা শোনা যাচ্ছে, তাঁকেই "খরচা" করে দেওয়া হতে পারে। পরপর অনেকগুলো ধর্ষণ বা লাঞ্ছনার ঘটনা ঘটল নতুন জমানায়। চন্দ্রনাথের খুনের কোনো কিনারা হয়নি। ইভিএম পুড়ে গেল এবং ডিম-ছোঁড়া জাতীয় গণহিংসায় কার্যত উৎসাহ দেওয়া চলছে।

    এই হল অবস্থা। এখানে দুটো কথা বলতে পারি। এক, ডিম্মিডিয়ার উপর কোনো আস্থা রাখবেন না। অনেকেই অভ্যাসবশত ওখানেই খবর খোঁজেন, দেখন, অভ্যাস কাটানো সহজ না। কিন্তু অভ্যাসটা ছাড়তে হবে। এমনকি শেয়ার করার অভ্যাসও। পরিবর্তে ছোটো মিডিয়া দেখুন। তাতে অনেক জল থাকে, কিন্তু শুধুই ভূষিমাল থাকেনা। আমি এই খবরগুলো পেলাম জি-আই, বেঙ্গল-নিউজ এবং নিউজ-ওয়ান বলে তিনটে চ্যানেল থেকে। যা যা চ্যানেল দেখি, ইউটিউবে এবং ফেসবুকে, তার একটা তালিকা বানিয়ে একটা পাতা বানাব ঠিক করেছি।

    আর দুই হল, ডিম্মিডিয়াকে মহিমান্বিত করার কাজটা এখনও বিজেমূল এবং রাম্বামরা করে চলবেন। বিজেমূলরা পরিদৃশ্যমান, রাম্বামরা অনেকেই গা ঢাকা দিয়ে আছেন। চিহ্নিত করুন। অন্য কোনো কারণে না, এঁদের কথা আর শুনবেন না বলে।

    আন্দোলন কে কবে করবেন, সেসব অ্যাকটিভিস্টরা বলবেন। সাধারণ মানুষ বলবেন। দলগুলো বলবে। কিন্তু এইটুকু আমরাই করতে পারি।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • সমোস্কিতি | ০৬ জুলাই ২০২৬ | ৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৬ জুলাই ২০২৬ ১২:২৪741638
  • বাচ্চাটির চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছিল। গলায় পা দিয়ে দাঁড়িয়ে মেরে ফেলেছে। ধর্ষকরা সকলেই RSS কর্মী বলে রিপোর্ট করেছিল Awaz. বিজেপী নেতা শান্তনু মন্ডল গিয়ে পুলিশের হাত থেকে ছাড়িয়ে আনার পরেই পাবলিক ক্ষেপে ওঠে।
    Awaz এর ভিডিও ফেসবুকে রিপোর্ট করে উড়িয়েছে সরকার থেকে।
    আজ আবাপ বা এই সময়ের প্রথম পাতায় খবর করেছে কিন্তু শান্তনু মন্ডলের ছাড়িতে আনা বা সব ধর্ষকের RSS ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যপারটা এড়িয়ে গেছে।
    কোন বিরোধীপক্ষকে বারুইপুরে যেতে দিচ্ছে না পুলিশ। বিরোধীপক্ষ মানে ঋতমূল বাদে অবশ্যই। ঋতমূলের নেতাই এরকম অভিযোগে অভিযুক্ত কাজেই তিনি যেতে চাইলে পারবেন নিশ্চয়।
     
    আর পুলিশ অবিকল হাথরাস স্টাইলে কাজ করছে। বিজেপীর রাজত্বে সেটাই স্বাভাবিক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন