
“হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন”মাইকেল মধুসূদন দত্ত ***প্রবাদ কাকে বলে, এ ব্যাপারে সবারই জানা আছে। ব্যাপারটা হলো, কেউ ঠিক এর সংজ্ঞা নির্দেশ করতে চাইবেন না। প্রবাদ বলতে, সাধারণত আমরা যা বুঝি- সেটা এত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নানা রকম বিচিত্র ভাষায় প্রকাশ হয়, তাদের মধ্যে আপাত দৃষ্টিতে কোনো একটা সাধারণ লক্ষণ খুঁজে পাওয়া বড় মুশকিল। অসংখ্য উৎসমুখ থেকে আসা, ক্ষীণ স্রোত ধারাতে প্রবাহিত হয়ে, যা কিছু একসঙ্গে মিশেছে- তাদের একের সঙ্গে অপরের কোনো মিল বা যোগাযোগ নেই। এগুলোই প্রবা ... ...

বোম্বা্ই মেলে চড়ে বসেছি। গন্তব্য – পুণে শহরের কলেজ অফ এগ্রিকালচারাল ব্যাংকিং। মাথায় নানান চিন্তা; অচেনা জায়গার অস্বস্তি, ঘরে ছেড়ে আসা বৌ–বাচ্চার ভাবনা, চিন্তার কি আর শেষ আছে? হাতের পেপারব্যাকে মন বসছে না। হঠাৎ চোখ গেল কয় জোড়া বিদেশি দম্পতির দিকে – কটা রং, বেড়ালচোখো, নীলচোখো, তামাটেচুলো, কিন্তু সবাই খুব ফরসা। লালচে, ফ্যাটফেটে, হলদেটে–– নানান কিসিমের। আমেরিকান? ইংরেজ? – না, না, রাশিয়ান। সবাই ভিলাই ইস্পাত কারখানার স্টাফ। বর্ষশেষের ছুটিতে চলেছে গোয়ার সমুদ্রতীর, সপরিবারে ... ...

বেশ কিছুদিন আগে খবরে কাগজে পড়লাম কলকাতার কোন এক প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন বিক্রেতা নাকি রসগোল্লা বানাবার মেশিন আমদানি করেছে বিদেশ থেকে! রসগোল্লা বানাবার মেশিন ! তায় আবার বিদেশ থেকে! খবরটা শুনে যথারীতি নিদারুণ দুঃখিত হলাম। এখানে দেশপ্রেম রিলেট করে একটা মাখো-মাখো বা ভারত এতোদিনে ইঞ্জিনিয়ারিংটাও শিখল না – এই নিয়ে তুল্যমূল্য আলোচনা একটা ফাঁদা যেতেই পারত। সেই দিকটায় এখন আর ঢুকছি না, কারণ এটা মূলত খাবার-দাবার নিয়ে আলোচনা। যদিও আমরা জানি খালি পেটে যেমন বিপ্লব হয় না, খালি পেটে তেমন দেশপ্রেমের আলোচনাও জমে না। স ... ...

বৃষ্টি সে যেন এক গোধূলিরং শাড়ি পরা মেয়ে। চিনি না জানি না হঠাৎ হঠাৎ বাড়ি চলে আসে। আপাতত: আমি হচ্ছি যাকে বলে ঘরণী -গৃহিনী, তিনটি পোষ্য সমেত। অতিথি এলে পাদ্য - অর্ঘ্য না দিই, অন্তত: মুখের একটু মিষ্টি কথা, চোখে একটু আলতো হাসি, এসব তো করতেই হয় ! কিন্তু যাবার সময় সে অচেনা মেয়ে প্রশ্ন করে বসলো, আজকাল চাঁদের সঙ্গে তোমাকে দেখি না তো ?দেখেছ! এত বড় খবরটা ও পায় নি!সতর্কতা জারি হলো মাঝরাতে চাঁদের মৃত্যুতে দু-একটা গুমখুন রোজ-ই হয়, হয়ে যেতে পারে সাধারণভাবে তাই রাতমাখা নিষিদ্ধ হয়েছ ... ...

রাত তখন তিনটে হবে। একটা শীতের কাঁপন শরীরে। তরল আগুণও তার সব সামলাতে পারছে না। একটু সরে এলাম লঞ্চের সামনে। বসেছিলাম সারেঙের সামনের ডেককভারের উপর। নীচে, লঞ্চের খোলে তখন অন্তত ষোলোজন ঘুমোচ্ছে। একমাত্র একটা জেনারেটরের শব্দ আচ্ছন্ন করে রেখেছে চারপাশ। আলোটা জ্বলছিল। বড় ক্লান্ত একটা ফ্যাকাশে সাদাটে আলো। সেই আলোর বৃত্ত থেকে সরে এসে সামনের হালের দিকে যখন দাঁড়ালাম তখন দেখলাম জায়গাটা ভিজে ভিজে। শিশিরের শব্দ শুনতে পাইনি। জেনারেটরের আওয়াজে চাপা পড়ে গিয়েছে। পা-টা খালি ছিল। জোলো একটা ভাব পা দিয়ে উঠে ... ...

৭।ছেলেটার বয়স হবে বছর দশেক,পরের ঘরে মানুষ,যেমন ভাঙা বেড়ার ধারে আগাছা-মালির যত্ন নেই,আছে আলোক বাতাস বৃষ্টিপোকামাকড় ধুলো বালি-কখনও ছাগলে দেয় মুড়িয়েকখনও মাড়িয়ে দেয় গরুতে,তবু মরতে চায়না, শক্ত হয়ে ওঠে,ডাঁটা হয় মোটা,পাতা হয় চিকন সবুজ।।ভোরের আলো ভালো করে ফোটেনি। বাড়িতে সবাই ঘুমোচ্ছে। এই সময়টাতেই পড়াশুনা ভালো হয়। ঘন্টা খানেক পর থেকে ধীরে ধীরে জেগে উঠতে থাকে বাড়িটা। বাড়িটার দেওয়ালে দেওয়ালে তখন অনেক অর্থহীন শব্ধ ধাক্ ... ...

আমরা কাঠের বাড়িতে থাকতাম – ফারখান্দা অন্য কাঠের বাড়িতে। আমার মনে হয় ও অন্যরকম ভাবে আমাকে কাছের ভাবত। আর স্বাভাবিক কাছের ভাবত সেই ইতালিয়ান ছেলেটাকে। কেউ কেউ বলে ফারখান্দা নাকি পাখি হতে চেয়েছিল – প্রোফেসর বলতেন ও নাকি নিজেও জানত না – অথচ আমার মনে হত ফারখান্দা কেবল একটি পরিপূর্ণ মেয়ে হতে চেয়েছিল। সে ওড়না ভালোবাসত, মেহেন্দী – মাথার টিপ – আমার দেশে যাবার সময় ফরমাশ – ও স্যামন ভালোবাসত লাইম জুস দিয়ে। বাকি সময়টাতে ইতালিয়ান ছেলেটার সাথে খুনসুটি। ফেসবুকে ক্রিশ্চিয়ানোর ছবি দেখি, কিন্তু একটাতেও ফারখা ... ...

[গণমাধ্যমে প্রায়ই মজার মজার কিছু সত্যি ঘটনা ঘটে। এ সব কখনো কখনো প্রচলিত হাস্য কৌতুককে হার মানিয়ে দেয়। আবার এসব প্রেস জোকসের নেপথ্যে থাকে কষ্টকর সাংবাদিকতা পেশাটির অনেক অব্যক্ত কথা। এমনই কিছু বাস্তব ঘটনা নিয়ে এই 'প্রেস জোকস' পর্ব। রীতিমত প্রাপ্তমনস্কদের জন্য রচনা।]ট্যাক্স ফ্রি_______বিখ্যাত ফটো সাংবাদিক মোহাম্মাদ আলম (কিছুদিন আগে প্রয়াত) ভাইয়ের ঘটনা। ১৯৭২-৭৩ সালে আলম ভাই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত আলোকচিত্রী। পানপ্রিয় আলম ভাই প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সাথে মস্কো সফর শেষে ... ...

কুলদা রায়বাল্যকালে পরীরদের দেখেছি। সামনের রিজিয়া আপুদের বাসায়। ফরিদা আপুর বাসায়। আমেনা আপুদের বাসায়। তারা তিন বোন। আরেকটি বোন হয়েছিল। হামাগুড়ি দিত। জানালা দিয়ে আলোর রেখা দেখলে আবাক হয়ে চেয়ে থাকত। এই আলোর দিকে হাত বাড়িয়ে দিত। বলত, আ আ আ। সবাই বলত রিজিয়াদের এই বোনটি সত্যি সত্যি পরীর মত ছিল। তাকে পরে একদিন তালতলায় পাওয়া গিয়েছিল। সায়েম কবিরাজ বলেছিল—এটা পরীদের কাজ। এই ছোটো শিশুটিকে পরীরা ঘর থেকে নিয়ে গিয়েছে। ফেলে রেখে গিয়েছে আমাদের পুকুর পাড়ের তালগাছটির নিচে। ওই তালগাছটির নিচে তখনো ছায়ার ম ... ...

অশোক যেমন বাপের চাকুরী পেয়েছিল তেমনই তার বউ করত তার মৃত স্বামীর থেকে পাওয়া চাকুরীটা। সরকারী চাকুরী করা ছেলের ভালো পাত্রী পাওয়াটাই চল ছিল তখন – তাই অশোক এক মেয়ে সমেত বিধবাকে বিয়ে করল কেন সেটা আলোচনার বিষয় হয়ে উঠল গ্রামের জটলাগুলিতে, শিতের খামাড়ে বা রোদ পোয়ানো ছাদে। যাদের ব্রেন সুদূরপ্রসারী – যারা অন্ধের মাঝে কানা ছিল তারা ভাবে বার করল অশোকের এহেন আচরণের মূলে হল তার নিজের বাড়িতে তরুণ ঘটিত কমপ্লেক্সিটি।কিন্তু উহারা অচিরেই ভুল প্রমানিত হল – বেগারস্ ক্যান নট বি চুজারস্ আপ্তবাক্য ভুল প্রমা ... ...

৬। কারো বাঁশির মতন নাক ভালো লাগে,কারো হরিণের মতন চাহনি নেশা ধরায়-কিন্তু হাত তাদের নামানো মাটির দিকে,ঝঞ্ঝাক্ষুদ্ধ সমুদ্রে জ্বলে ওঠেনা তাদের দৃপ্ত মুখফসফরাসের মতকলেজের গেট থেকে কলকল করতে করতে মেয়েরা বেরোচ্ছে। ছেলেরা তাদের পেছনে পেছনে; একটু তফাৎ রেখে। সুধা মেয়েদের ভিড়টাকে বাঁচিয়ে বেরিয়ে আসছে কলেজের ভেতর থেকে। চেনা কারোর সাথে দেখা হলে দু-এক কথায় সময় নষ্ট হবে। এখন পড়াতে যাওয়া আছে পোড়ামাতলায়। একটা বাড়িতে দুই ভাই বোনকে পড়াতে হয়। স্কুলের নিচু ক্লাসে পড়ে দুজন ... ...

এটা গতকালই লিখব ভেবেছিলাম, তালেগোলে হয়ে উঠল না। মোদ্দা কথা হল, শচীন রিটায়ার করছেন, শেষের আগের টেস্টটা খোদ ইডেনে। ওঁরা - মিডিয়ার লোকজন - নানান্ কথা লিখবেন, প্রাক্তন ধারাভাষ্যকাররা বলবেন, সাহিত্যিকরা বলবেন, আর - আমরাও কিছু বলব।এর কয়েকটা ঘটনা আজ ঘটে গেছে। কয়েকটা কাল ঘটবে, কয়েকটা হয়ত ঘটবেই না। বেশিটাই আনুমানিক। তবে ঐ, লিখতে তো ক্ষতি নেই!***বিষয়: ধোনি টস করতে গেলেন।আনন্দবাজার: শেষ সিরিজ। ১৯৮ টেস্টের অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও বিশ্বক্রিকেটের সবথেকে বর্ষীয়ান সদস্যের ... ...

পুলিশ ! ওরে পুলিশ! (শেষ কিস্তি) ৩১ ডিসেম্বরের রাত। মাঝরাতে নববর্ষ বরণ। মোবাইলে নেমন্তন্ন পেয়ে গি্ন্নি ও বাচ্চাদের চোখ এড়িয়ে ঠিক সময়ে পৌঁছেচি গজ্জুশেঠের হোটেলে।প্রায় সমবয়সী শেঠজি আমার বন্ধু। জড়ো হয়েছি আমরা ক’জন, প্রায় জনাদশেক; কেউ ফক্কড়কবি বাবা নাগার্জুনের চেলা, তো কেউ কবি সম্মেলন আলো করা গোপালদাস নীরজের। তবে সবকটাই একলব্য–শিষ্য; গুরুর সঙ্গে সাক্ষাৎ পরিচয় নেই কিন্তু শিষ্য বটেক, খানিকটা বিদ্রোহী নাগাদের স্বঘোষিত কম্যান্ডারের মত। একটা হলঘরের মেজেতে গদির ওপর বিছানা পাতা।হেলান দ ... ...

বাঁশের তীর ধনুক দিয়ে পাখি মারার পর্যায়ের বয়সটা সবে শেষ করে মোড়লদের বাগানে নেউল কামারের তৈরী কাঠের ব্যাট নিয়ে ক্রিকেট খেলায় ঢুকেছি আর ঠিক তখনই প্রথম ঝটকাটা লাগল। সেই তখনও পর্যন্ত আমার মূল কৌতূহল সাধারণত খাদ্য বস্তুর ভিতরেই সীমাবদ্ধ ছিল। আনন্দমার্গ স্কুল থেকে সুবল কাকা সাইকেলে করে বাড়ি নিয়ে আসার সময় খালের মিষ্টির দোকানে পেটা সন্দেশ আমার বরাদ্দ ছিল। তৎকালীন বয়েসে আমি বেশীর ভাগ ভাবনাটাই কেন্দ্রীভূত করেছিলাম এটা বের করার জন্য যে পেটা সন্দেশ এ্যাতো ভালো খেতে হয় কেন! জ্যাঠা কলকাতা থেকে হালখাতার সময় মহা ... ...

৫।ওদের কথায় ধাঁধাঁ লাগে তোমার কথা আমি বুঝি,তোমার আকাশ, তোমার বাতাসএই তো সবই সোজাসুজি!বরাবরই খুব ভোরে ওঠা অভ্যেস সুবোধের। ছোটোবেলায় মা করিয়েছিলেন অভ্যেসটা। এগারো বছর বয়সে মা চলে গেলেন। অভ্যেসটা অবশ্য সঙ্গ ছাড়েনি। বাবার স্মৃতি প্রায় নেই বললেই চলে। তিন বছর বয়সেই পিতৃহীণ সুবোধ।তা এ হেন একটা মানুষের শৈশব-কৈশোর যেরকম করুণ আর অযত্ন লালিত হওয়ার কথা, সুবোধের বেলায় তা ঘটেনি। না ঘটার পেছনে যে মানুষটা, তিনি মেজকাকা সমরেন্দ্রনাথ। বিষয় সম্পত্তি সব ম ... ...

দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দয়ায় পাওয়া নয় ছাত্র অবস্থায় আপনার কবিতা পড়ে আমরা মুগ্ধ হয়েছিলাম। সদ্য যুদ্ধ ফেরৎ কবি, আপনি ১৯৭১ এর বারুদের সৌরভ ছড়িয়ে লিখেছিলেন: "আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছো বিপ্লবের সামনে আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছো ইতিহাসের সামনে হাতে দিয়েছো স্টেনগান আঙ্গুল ভর্তি ট্রিগার এখন আমার আর ফেরার কোনো পথ নেই…" ... ...

।। রেল যাবে,সভ্যতা যাবে বুকের উপর দিয়ে। ।দখলদারের সভ্যতা মানে গতি।মানে তুঙ্গ শক্তিমত্ততা। ইঁটের মাপ, দাঁতের ডাক্তারি, ওজন এবং স্থাপত্যের আশ্চর্য্য জ্যামিতি ছাপিয়ে সে চলে যায়। তার সময় নেই। তাকে একজীবনে অনেক কিছু করতে হবে, পেতে হবে। কে পরে থাকছে, কে অক্ষম, কে দুর্বল, কে সঙ্গ ছেড়ে দিল সে সব নিয়ে তার মাথা ঘামাবার সময় কই? সে জানে শুধু তাকে পেতে হবে। দেবার কথা নিয়ে মাথা সে ঘামাতে রাজী না। পেতে গেলে যে সামান্য দিতে হয় তাতেও তার কুন্ঠা, তার হিসেব, তার কার্পণ্য। কাজেই উইলিয়াম ভাবছিল নেটিভের সাহ ... ...

বেশ নেশায় পড়ে গেছি। কেবল পাখির কথা মনে হচ্ছে। চেম্বারে রোগী বলছে বুক ধুপধাপ করছে-আমার মাথায় ঘুরছে অ্যাশি প্রিনিয়া। রেড স্কেলড মুনিয়া। ইকো করতে করতে মনে পড়ছে ওরিয়েন্টাল হোয়াইট আই। যদি আর একটু সময় নিয়ে ছবি নিতাম। যদি আর একটু কেয়ারফুল থাকতাম! অত হন্তদন্ত ভাব কোনো পাখিই পছন্দ করে না।সার্কল অফ ফিয়ার বলে একটা ব্যাপার আছে না ! আহা, যদি সেন্টার ওয়েটেড মিটারিং রাখতাম! কেন যে ম্যাট্রিক্স মিটারিং ব্যাভার করতে গেলাম! আহা, যদি ৮০-৪০০ থাকতো ! আর একটু সময় পেলে পাইড কিংফিশারের ছবি হত। ওটা কী ঈগল-লং লেগড না কমন ... ...

৪।কোন হাটে তুই বিকোতে চাস ওরে আমার গান,কোনখানে তোর স্থান?পণ্ডিতেরা থাকেন যেথায় বিদ্যেরত্ন পাড়ায়,নস্য উড়ে আকাশ জুড়ে, কাহার সাধ্য দাঁড়ায়,চলছে সেথায় সূক্ষ্ম তর্ক সদাই দিবারাত্রপাত্রাধার কি তৈল কিম্বা তৈলাধার কি পাত্র,পুঁথিপত্র মেলাই আছে মোহধ্বান্তনাশন-তারি মধ্যে একটি প্রান্তে পেতে চাস কি আসন?গান তা শুনিয়া গুঞ্জরিয়া কহে নহে, নহে, নহে।।ঘরের জানলা দিয়ে সকালের রোদ আসছে। মেঝেতে ফরাসের ওপর বসে গলা সাধছে বিশ্বনাথ। দেশ রাগ। সাধ ... ...

আপনি কি ভারতবর্ষে নারীর দুর্গতির এক ও একমাত্র কারণ খুব সহজে জানতে চান? আপনি কি নারীবাদ ও নারী-আন্দোলনের যথাযথ দিশার সন্ধান চান? আপনি কি কেবলমাত্র, সময় ও আগ্রহের অভাবে এসব কঠিন জিনিস খুঁজতে ও পড়তে পারেননা, এবং তজ্জনিত হতাশায় সন্ধ্যাবেলায় হয় রয়্যাল স্ট্যাগ নয়তো টিভি সিরিয়াল দেখে কালাতিপাত করেন? হতাশার আর প্রয়োজন নেই। আক্ষেপেরও কোনো কারণ নেই। কুঁড়ে মদ্যপ বা সরলমতি সিরিয়ালপ্রিয়দের জন্য এইসব দুরূহ বিষয়ে এতদিন কোনো সহজপাঠ না থাকলেও, এখন সে অভাব মিটেছে। আপনার হতাশা ও অভাববোধের ওষুধ হিসেবে বাজ ... ...