• হরিদাস পাল  ব্লগ

    Share
  • সেই দিনের পর প্রতিদিন

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০১ নভেম্বর ২০১৩ | ১০৮ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • আপনি কি ভারতবর্ষে নারীর দুর্গতির এক ও একমাত্র কারণ খুব সহজে জানতে চান? আপনি কি নারীবাদ ও নারী-আন্দোলনের যথাযথ দিশার সন্ধান চান? আপনি কি কেবলমাত্র, সময় ও আগ্রহের অভাবে এসব কঠিন জিনিস খুঁজতে ও পড়তে পারেননা, এবং তজ্জনিত হতাশায় সন্ধ্যাবেলায় হয় রয়্যাল স্ট্যাগ নয়তো টিভি সিরিয়াল দেখে কালাতিপাত করেন?

    হতাশার আর প্রয়োজন নেই। আক্ষেপেরও কোনো কারণ নেই। কুঁড়ে মদ্যপ বা সরলমতি সিরিয়ালপ্রিয়দের জন্য এইসব দুরূহ বিষয়ে এতদিন কোনো সহজপাঠ না থাকলেও, এখন সে অভাব মিটেছে। আপনার হতাশা ও অভাববোধের ওষুধ হিসেবে বাজারে এসে গেছে অনুরাগ কাশ্যপের নতুন ছবি "সেই দিনের পর প্রতিদিন"।

    কী বলছেন? "ধুর এইসব সিরিয়াস জিনিস নিয়ে লম্বা লম্বা ছবি দেখতে ভালো লাগেনা, অতো আগ্রহ থাকলে তো হয়েই যেত"? চিন্তার কিছু নেই। প্রথম প্যারাগ্রাফে যা বলা হয়েছে, তা মোটেও মার্কেটিং গিমিক নয়। প্রথমতঃ আপনার কথা ভেবেই ছবিটি মাত্র কুড়ি মিনিটের। দ্বিতীয়তঃ এ জিনিস দেখার জন্য আপনাকে দুদ্দাড় হল-মাল্টিপ্লেক্সে দৌড়তে হবেনা, অতি সহজে ইন্টারনেটেই দেখতে পাবেন। তৃতীয়তঃ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, মৃণাল সেনের "একদিন প্রতিদিন"এর সঙ্গে থিমে মিল আছে ভেবে ঘাবড়াবেন না। ও শুধু নামেই। মৃণাল সেন মার্কা সোসাল কনটেন্ট থেকে এই ছবি একেবারে মুক্ত। আসলে অফিসক্লান্ত দিনের শেষে সপরিবারে একসাথে বসে দেখার মতই এ এক সম্পূর্ণ প্যাকেজ, যা সান্ধ্যকালীন সিরিয়ালের পরিবর্তে আপনি নিশ্চিন্তে এক ঢোকে মেরে দিতে পারেন। প্রকৃত প্রস্তাবে শাশুড়ি-বহু সিরিজের সঙ্গে আকার ও সারল্যে এর বিশেষ তফাত নেই।

    সিনেমাটি দেখলে, আপনি মাত্র কুড়ি মিনিটের মধ্যে জেনে যাবেন, নারীবাদী তিনটি ওয়েভ ভারতের বুকে ব্যর্থ হয়েছে কেন। সঙ্গে আরও কিছু খুচরো প্রশ্ন ফাউ।
    ১) কেন ভারতীয় নারীরা যখন সকালে উঠে ঘাম ঝরিয়ে বরের জন্য চা বানায়, তখন বর বসে বসে খবরের কাগজ পড়ে আয়েস করে?
    ২) কেন শাশুড়িরা বৌকে দিয়ে গা হাতপা টিপিয়েও পরিবর্তে ছুঁড়ে দেন শুধু গঞ্জনা?
    ৩) কেন ট্রামে-বাসে লোকেরা ধাক্কা মারে?
    ৪)কেন মোবাইলে দূর থেকে মেয়েদের ছবি তোলা হয়?
    ৫)কেন লোকে মেয়েদের দিকে লোলুপ চোখে চায়?
    ৬)এবং সর্বোপরি কেন ধর্ষণ হয়?

    এই এতগুলি, এবং আরও সমস্ত সম্ভাব্য প্রশ্নের একটিই উত্তর, যা আপনি মেড-ইজি ফর্ম্যাটে পেয়ে যাবেন স্রেফ কুড়ি মিনিটে। সেটি কি? সিম্পল। মেয়েরা ক্যারাটে জানেনা বলে। এই সিনেমা না দেখলে আপনার বিশ্বাস হবেনা, যে, এত কঠিন কঠিন সব প্রশ্নের এত সহজ একটা উত্তর হতে পারে। এ যেন নারীবাদের সহজিয়া সাধনা। জটিল দুনিয়ার সহজতম সমাধান। ই=এম সি স্কোয়্যার। সজতাই যার বিউটি। যে সমীকরণটি একবার বুঝে গেলেই আপনি নিশ্চিত হয়ে যাবেন, যে, গাদা-গাদা বই, গুচ্ছের আলোচনা, মিটিং-মিছিল, ব্রা-পোড়ানো, "যাহা ব্যক্তিগত তাহাই রাজনৈতিক" বলে স্লোগান, এক কথায় নারীবাদ এবং/অথবা নারী-আন্দোলন বলতে আপনি যা বুঝে এসেছেন, অ্যাদ্দিন সে সবই ব্যর্থ হয়েছে, কেবলমাত্র একটি খামতিতে -- একজন দরদী ও শক্তিমতী ক্যারাটে শিক্ষিকার অভাবে। তাই অবস্থা যদি বদলাতে চান, তো ওসব সামাজিক-রাজনৈতিক বুলিবাজি বন্ধ রাখুন। বুলির জবাবে বুলিবাজি নয়, মুখের বদলে হাত চালান। হাতেহাতে ফল পাবেন।

    কোনো নৈতিক শিক্ষা নয়। মেটাফর নয়। সিনেমাটি একদম হাতেকলমে করে এসব দেখিয়ে দিয়েছে। একজন দরদী ক্যারাটে শিক্ষিকা চাইলে কী না করাতে পারেন। ক্যারাটে শিখলে মেয়েরা কী না হয়।
    ১। তিনজন মেয়ে সাড়ে-তিনদিন ক্যারাটে শিখেই অন্ধকারে একগাদা তাগড়া বদ লোককে মেরে পাট করে দিতে পারে।
    ২। দুষ্টু লোকের নরম জায়গায় কনুই মেরে শিক্ষা দিতে পারে।
    ৩। এবং সর্বোপরি, একবার ক্যারাটে শিখলে, পারিবারিক জীবনেও সমস্ত সমীকরণ উল্টে যায়। ক্যারাটেশিক্ষিত মেয়ের প্রতাপে বর পরের দিন থেকে সকালে উঠে চা বানাতে শুরু করে। শাশুড়িও নিশ্চয়ই এসে বৌয়ের ঘাড় টিপে দেন।

    বাকিটা অক্ষরে অক্ষরে দেখালেও, শাশুড়ি কী করেন সেটা অবশ্য সিনেমায় দেখায়নি। কিন্তু ওটা আমরা আন্দাজ করতেই পারি। রোজ সিরিয়াল যতই দেখি, ওইটুকু আইকিউ আমাদের এখনও আছে। সেই আইকিউ দিয়ে আমরা আরও একটা জিনিস খানিক বুঝতে পারি। সেটি দ্রব্যগুণ বিষয়ক। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন রয়্যাল স্ট্যাগ নামক একটি পানীয়। যাদের স্লোগান হল "ইয়াব্বড়ো বানাও"। ইয়াব্বড়ো করে বানানো বস্তুর কতটা প্রযোজনা থাকলে, এবং সেটা কত বড়ো করে বানালে অনুরাগ কাশ্যপ, "নো স্মোকিং"এর স্রষ্টা অনুরাগ কাশ্যপের হাত দিয়ে এই মহৎ সৃষ্টি বেরোতে পারে, ভেবে আমরা শুধু বিস্ময়াভিভূতই হতে পারি।

    এ অবশ্য নেহাৎই আন্দাজের কথা। অন্যের কথা শুনে, (তা আবার সে যদি আন্দাজ হয়) এবং তাড়াহুড়ো করে লেখা প্রতিক্রিয়া পড়ে একদম বিশ্বাস করবেন না। নারীমুক্তি সম্পর্কে অথেন্টিক তথ্যাবলী জানতে হলে, এবং নারীমুক্তিতে ক্যারাটে শিক্ষার অপরিহার্যতা বুঝতে হলে, স্বচক্ষে ও সপরিবারে একটুও বিলম্ব না করে দেখে ফেলুন রয়্যাল স্ট্যাগ প্রযোজিত ও অনুরাগ কাশ্যপ পরিচালিত কুড়ি মিনিটের ছবি, "সেই দিনের পর প্রতিদিন"।
  • বিভাগ : ব্লগ | ০১ নভেম্বর ২০১৩ | ১০৮ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • রোবু | 213.147.88.10 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৩:০৪45891
  • টারগেট অডিয়েন্স রিদ্ধি। ওটা ছোটদের জন্য বানানো।
  • রোবু | 213.147.88.10 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৩:০৫45893
  • মেসেজটা কী?
  • Arpan | 126.203.159.184 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৩:০৮45894
  • ক্যারাটে শিখুন ও প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। মানে আমি যা পেলাম।
  • riddhi | 117.217.133.184 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৩:২৬45895
  • ছোটদের জন্যে হলে তো আরো সতর্ক হওয়া উচিত!!
  • রোবু | 213.147.88.10 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৩:৩৭45896
  • রিদ্ধি গোলপোস্ট সরাচ্ছে। কথা হচ্ছিল তো লেয়ার নিয়ে।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৪:৩১45885
  • অক্ষ-র সেশ পোস্টে ক
  • Arpan | 190.215.89.79 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৪:৫৮45886
  • হ্যাঁ, সিনিমাটা দেখে ঋদ্ধির কথায় সায় দিতে পারলে খুশি হতাম, কিন্তু দুঃখের বিষয় সিনেমাটায় কোন লেয়ারই নেই। এক এবং একমাত্র ফোকাল পয়েন্টকে কেন্দ্র করেই সিনেমাটার নির্মাণ হয়েছে।

    অনুরাগ কাশ্যপের ফ্যান হিসেবে হতাশ লাগল।
  • Santanu | 102.96.225.36 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ০৭:০৬45897
  • সিনেমাটা এইখানে

    কিন্তু সৈকত এতো রেগে গেলো ক্যানো? এতো ঐ সিগারেট খাবেন না। ফ্যামিলি প্ল্যানিং করুন এর মতো আর একটা , 'ডরো মত'। আমি তো দুবেলা মেয়েকে শেখাই,
    ১। এই খানকির ছেলে বলে মুখ খুলতে
    ২। দময়ন্তির বলা লন্কা স্প্রে টা জেনারেলি স্প্রে করতে, আর
    ৩। নেপাল এর ভয়ন্কর দেখতে কুকরিটা অন্য হাতে রাখতে
    সবটাই তো 'ডরো মত' এর জন্য।
    এখানে না হয় কারাটে দেখিয়েচে।
  • riddhi | 117.217.133.184 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ১২:৪৬45879
  • শর্ট মানে আঁতেল, কশ্যপ মানে ঘ্যাম, এত সব ইকুএশান সলভ করে কি কেউ আর ফিল্ম দেখতে বসবে?
    কত্ত কত্ত সিরিয়াল হয়েছে অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের নিয়ে। এগুলো তো ইতিহাস, একসময়ের জ্বলন্ত ইস্যু। তখন কি ডিসক্লেমার দেয়া হয় "ভবিষ্যত বিপ্লবীরা দয়া করিয়া এই এপিসোডের স্টান্ট নকল করিবেন না, নতুন রিসার্চ প্রমান করিয়াছে ইহা সব হঠকারিতা ছিল " কেউ কিচ্ছু বলে না, মানে যাদের বলা উচিত। হ্যাঁ , অগ্নিযুগ নিয়ে আলোচনা সভায় নিশ্চয়ী তাদের বক্তব্য পেশ করে। তখন ব্যাপারটা আলাদা।
    (আর হ্যাঁ অমিতাভ আর মিঠুনের সব কটা সিনেমা জ্বলন্ত সামাজিক সমস্যা নিয়ে। যেমন দারিদ্র্য, ধর্ষন।)

    শিল্প হচ্ছে শিল্প। ওতে বিশেষ কিছু হয় না। যেটা হয় একটা "গুরু কি দিল" আমেজ। কেউ অমিতাভ দেখে, কেউ ডিলান শুনে, কেউ কাফকা পড়ে ঐ একি আমেজ পায়। গুরু গুলো আলাদা , কিন্তু অনুভব একি। অল্ট্রুইস্টিক বা হিরৈক সত্তায় সুড়সুড়ি লাগা ঐ আমেজের অংশ। এতে খারাপ কিছু নেই। কিন্তু এর বেশী কিছু না। যদি কোন কন্সার্ভেটিভ বাড়ির অল্পবয়সী মেয়ে এইটা দেখে প্রথমবার ঐ আমেজটা পাই, তার থেকে ভাল আর কি হতে পারে?
  • riddhi | 117.217.133.184 (*) | ০২ নভেম্বর ২০১৩ ১২:৫৫45880
  • এই লেখাটা ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড, শুধু সিনেমার রেফারেন্স সরিয়ে, বহু পাবলিকের কাছে ছুড়ে দেয়া যায়, যারা সব্কিছুতে একস্ট্রিম সলিউশান বলে।

    এখন অনুরাগ কি ভেবে বানিয়েছে আমি জানি না। ওর এই ইস্যু নিয়ে বক্তব্য জানা নেই । ব্যক্তিগত ভাবে, লোকটাকে স্লাইটলি ঘাঁটা মাল মনে হয়।
  • π | 118.22.237.132 (*) | ০৩ নভেম্বর ২০১৩ ১২:৩৮45898
  • ঋদ্ধি এবার দেখছে, সোশ্যাল মেসেজ গেছে কিনা আর গেলেও কী মেসেজ গেছে ? ঃ)
  • π | 118.22.237.132 (*) | ১০ নভেম্বর ২০১৩ ০১:৪৯45899
  • http://www.huffingtonpost.ca/manjot-bains/delhi-gang-rape-film_b_4197156.html?

    '..Rather than provide a larger critique of patriarchy and the systems that support it, the film tells us that in order for men to take women seriously and stop harassing us, we need to look them in the eye with confidence and scare them off by fighting back with physical violence. It doesn't change the overall issue about how men treat women and how patriarchy and misogynistic attitudes are embedded in systems like policing, government, families and popular culture. What happens if, despite fighting back, a woman is still overpowered by her attacker? Should she stare at him with confidence and anger, and hope he'll run away?' ..
  • π | 118.22.237.132 (*) | ১০ নভেম্বর ২০১৩ ০৪:০৪45900
  • এটাও এখানে থাক ঃ
    http://www.business-standard.com/article/beyond-business/you-ve-got-the-wrong-villain-mr-kashyap-113110100741_1.html

    এবং অনুরাগ কাশ্যপের উত্তর ঃ
    ' Anurag Kashyap:
    I apologise if it came across like that. It wasn't the intention. But it does come across like that. And I should have thought more. It was done very fast , and there was very short time, not that it should have been an excuse. In retrospect we never thought it would go viral and we should have thought that. But the idea and intention was not to offer a solution, idea was to make people angry, very angry, for them to feel the harassment. But when you are telling a story, it has to have completion, and the writer decided, along with us to end it that way. It never felt right shooting it, but every other thing we wanted to explore was becoming a verbal exposition and hence seemed like a lecture, and we chose it to end the way it ended. But you are right and I think people should read your article. Apologies again. Wasn't the intention and yes we could have done better.'
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ০৩:৫০45902
  • থ্যাংকু, সৈকতের লেখাটা মিস করে গেছিলাম...
  • lcm er janyo | 24.139.221.129 (*) | ১০ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৪45901
  • তুলে দিলাম।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত