এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়া : একটি নদী, এক সাধক আর নয়নধোয়া আলোর গল্প

    L P Datta লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩০ জুন ২০২৬ | ১৩ বার পঠিত
  • সেসময়টা ছিল সেপ্টেম্বর মাস; সপ্তাহান্তের আর পাঁচটা দিনের মতো এক রবিবার। প্রতিবেশী বন্ধু-দম্পতির সৌজন্যে বেড়িয়ে পড়েছিলাম মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়ার উদ্দেশ্যে। প্যারিসের অদূরে বহমান এক ছোট্ট নদীর নামটি লোঁয়া, সেই নদীর তীর ধরে এক ছোট্ট গ্রাম, মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়া; ছবির মতো সেই গ্রামের আলোকেই নিজের ছবির মধ্যে বেঁধে রাখলেন চিত্রশিল্পী আলফ্রেড সিসিলি, ঠিক যেন তুলির আঁচড়ে সময়কে বেঁধে রাখা।

    ছবির মধ্যে বন্দী আলো, এও কি সম্ভব! আসলে একেকটি স্থান যখন দৃশ্যপট রচনা করে তখন বুঝি সে ইন্দ্রিয়াতীত হয়ে যায়। আলো ইন্দ্রিয়াতীত, কিন্তু সত্যিই কি আলোকে অনুভব করা যায় না! আমাদের জীবনের বিশেষ বিশেষ ক্ষণে, আনন্দে, অনুভবের গভীরতায় আলোকের ঝর্ণাধারায় স্নাত হই। অ্যান্থন ডোয়ারের বিখ্যাত উপন্যাস “All the lights we cannot see” এর বিখ্যাত উদ্ধৃতি মনে পড়ে “The most important light is the light we cannot see” ! সত্যিই তো যে আলো হৃদয়বীণার তন্ত্রীতে অনুরণন তুলে অনন্তের কাছাকাছি নিয়ে যায় সে আলোর পথ আমাদের অজানাই রয়ে যায় আমৃত্যু। সে আলোর খোঁজে নিয়ত চলনশীল মুক্তিপ্রত্যাশী মরণশীল হৃদয় জীবনের কোন এক বিশেষ ক্ষণে ইন্দ্রিয়াতীত আলোকে বেঁধে ফেলেন ইন্দ্রিয়ের অনুভবে, মার-জয়ী সেই তপস্বীর চোখ দিয়ে আমরা তখন খুঁজে ফিরি নয়নধোঁয়া আলোর রূপ, রস, গন্ধ। এমনই এক তপস্বী শিল্পী আলফ্রেড সিসিলি। অদ্ভুত তাঁর সে সৃষ্টি!
    স্থান-কাল-পাত্রের যথার্থ সমন্বয় না ঘটলে এমন সৃষ্টি অধরা রয়ে যায়, সে ব্রক্ষাণ্ডই হোক কি এ বিশ্বচরাচর কিংবা এক সাধারণ মনুষ্যের জীবনের ঘটনাপঞ্জি। এক্ষেত্রে স্থান ছবির মত সুন্দর এই গ্রাম, কাল ঊনবিংশ শতকের ইম্প্রেশনিজমের সময়কাল এবং পাত্র আমাদের সাধক চিত্রকর আলফ্রেড সিসিলি। ১৮৭০ সাল, ফ্রান্স-প্রুশিয়ান যুদ্ধে ফ্রান্সের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ সংকটজনক, এদিকে পিতাকে হারিয়ে পারিবারিক ব্যবসার টালমাটাল অবস্থায় সময়োপযোগী একটি সিদ্ধান্তই শিল্পী বাস্তবোচিত মনে করলেন, বসতবাটি প্যারিস থেকে উঠিয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট্ট এক গ্রামে স্থানান্তকরণ। মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়ার অবস্থান শিল্পীর একদম অজানা নয়, এই গ্রামের অদূরে ফন্তেনব্লুর গভীর বনের পথে ঘুরে ঘুরে সঙ্গী ক্লাউড মনে এবং ক্যামিল পিসারোকে নিয়ে কত যে ছবি একদা এঁকে বেড়িয়েছেন ! "স্যুর ল্যে মোটিফ", প্রকৃতির কোলে খোলা আকাশের নীচে তাদের অজস্র শিল্পসৃষ্টি। তবু কোন এক স্থানকে দূর থেকে চাক্ষুষ করা আর আজন্মের ভিটেমাটি ছেড়ে নতুন করে বসতি স্থাপনে পার্থক্য থাকে। অনেক অনিশ্চয়তা, আশা-নিরাশার দোলাচলে দোদুল্যমান শিল্পীর জীবনে এই স্থানবদল যে এক সন্ধিক্ষণের সূচনালগ্ন শিল্পী তা জানতে পারেননি, শুধু বিধাতাপুরুষ অলক্ষ্যে হেসেছিলেন। ইতিহাস বলবে মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়া গ্রামে পা দেওয়ার মুহূর্তে আলফ্রেড সিসিলির নামের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জুড়ে গেল এই গ্রামের নাম ; এরপর সারা বিশ্ব এই অজানা গ্রামকে চিনবে শিল্পীর সৃষ্টিকর্মে। পরবর্তী দুই দশক শিল্পী বুঁদ হয়ে থাকবেন এই গ্রামের ছোট্ট মিঠে নদী আর অলিগলির সৌন্দর্যে। খুব সাধারণ দৈনন্দিন ঘটনাবলীকে তিনি বেছে নিয়েছিলেন আঁকার বিষয়বস্তু রূপে।গ্রামের পথে চলতে চলতে হঠাৎ চোখে পড়া পপলার গাছের তলায় শস্যক্ষেত্রে রাখা চারটি খড়ের গাদা কখনো হয়ে ওঠে শিল্পের পটভূমি।আমাদের চোখে যা সাধারণ এক মেঠো শস্যক্ষেত, শিল্পীর অসাধারণ চোখের গভীরতা খুঁজে বার করে সেই খড়ের গাদায় মেঠো রঙের ভিতর থেকে শস্যদানার প্রতিফলিত রঙ গাঢ় কমলা এবং ইটারঙ হয়ে শস্যক্ষেতে মিশে যাচ্ছে। নীল আকাশের গায়ে হালকা সাদা সাদা মেঘের ভেলা, পপলার গাছের রঙে সবুজের সাথে ধূসরের যুগলবন্দী, দূরে চাষ করে চলা এক কৃষক আর শস্যদানার ইটারঙ সকলই যেন বড় বাস্তব, সময় পেরিয়ে গেলেও সে দৃশ্যকল্পের কোন পরিবর্তন নেই, শুধু দেখার চোখ চাই। আমরা সেই কবে থেকে বিজ্ঞান পড়তে গিয়ে জানি আলোর কোনো নিজস্ব বর্ণ, গন্ধ, স্বত্বা নেই, আলো এক শক্তি যা বস্তুকে দৃশ্যমান করে, বাস্তবায়িত করে ; বিজ্ঞানের সেই ভাষাকেই নিজের মতো করে ফ্রেমে আটকে দিলেন এক চিত্রশিল্পী, আলোর ছায়ার কারসাজি আর রঙের ব্যবহার জীবন্ত করে রাখলো এক অতি সাধারণ চিত্রকল্পকে।গ্রামের ছোট্ট গির্জায় সারাদিন ধরে খেলে বেড়ানো আলোছায়ার প্রতিচ্ছবি ১৪টি সমান্তরাল ছবিতে দিনের বিভিন্ন ক্ষণে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। একাধারে ব্রাশের তীক্ষ্ণ স্ট্রোকের অনুভূমিক রেখায় ফুটিয়ে তুলেছেন গির্জার পাথরের কাঠিন্য, অপরদিকে তুলির সূক্ষ আঁচড়ে রঙের কারুকার্যে বেঁধে রেখেছেন সময়কে।আলো-ছায়ার এইযে খেলা, কখনো সূর্যকিরণে দীপ্যমান চার্চের চূড়া তো কখনো গোধুলির স্নিগ্ধ ছায়া পিছলে পড়ছে একই চার্চের কালো পাথুরে দেওয়ালে, সমান্তরালে বদলে বদলে যাচ্ছে আকাশের রং, ভোরের সতেজতা হারিয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যের বিষন্নতায়; মনে হয় যেন পরপর ১৪টি ছবিতে কাটিয়ে এলাম একটা সম্পূর্ণ দিন, এখানেই সিসিলির কৃতিত্ব। তার ছবিতে আলোর ব্যবহার ঠিক যেন হেমন্তের হালকা কুয়াশা ভেদ করে আসা একফালি তীব্র সূর্যের আলো, যা স্বল্প হলেও স্পষ্ট রূপে প্রতীয়মান।নিয়ত সঞ্চরণশীল গতীয়মান আলোকে বেঁধে ফেলা বড় সহজ কথা নয়, মনে মনে আমি বেশ বুঝতে পারি সাধক সিসিলি চোখে দেখা দৃশ্যের একগুচ্ছ প্রতিচ্ছবি এঁকে ফেললেন মানসপটে, নীল আকাশের বুকে আদিত্যদেবের বিদায়ের পটভূমি রচলেন সযতনে, গোধূলির রঙে মিশে গেল উজ্জ্বল সোনালী, কমলা, নীল আর বাদামি, ঘন নীল আকাশের বিপরীতে।চিত্রকলার জগতে বিপ্লবের সন্ধিক্ষণের সূচনালগ্ন সে সময়কাল, রঙের পদ্ধতিগত ব্যবহার প্রয়োগ নিয়ে নিরন্তর গবেষণা খুলে দিচ্ছে নিও-ইম্প্রেশনিজমের দুয়ার। সাধক সিসিলি অবগত নন সেসব তাত্বিক জ্ঞানের কচকচানিতে, কিন্তু অদ্ভুতভাবে প্যারিসের অদূরে এক গন্ডগ্রামে তার চিন্তাধারা একই স্রোতে বহমান।

    আলফ্রেড সিসিলির জীবনের মতোই মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়ার ইতিহাসও কম চিত্তাকর্ষক নয়! নব্যপ্রস্তরযুগের সময়কাল থেকে এই অঞ্চলের পথ চলা শুরু। আশেপাশের খননকার্য থেকে প্রাপ্ত দ্রব্যসামগ্রী এবং মন্টিগনি-স্যুর-লোঁয়াতে প্রাপ্ত গুহাচিত্র লোঁয়া নদীর তীর ধরে আদিম জনবসতির চিহ্ন বহন করে। মেরোভিঞ্জিয়ান কবরস্থান আর পাথুরে চওড়া রাস্তা গ্যালো-রোমান এবং তৎপরবর্তী ফ্রাঙ্কিস মেরোভিঞ্জিয়ান রাজকালের স্বাক্ষর বহন করে যার সময়কাল ৫০০-৬০০ খ্রিস্টাব্দ। খাতায়-কলমে মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়ার
    প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ৮৫০ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত ফ্রেঞ্চ ধর্মযাজকদের ধর্মসভা পরিষদ থেকে। ১০৮০ সাল, ফরাসি সম্রাট প্রথম ফিলিপ তার খুল্লতাত বার্গেন্ডি প্রদেশের ডিউকের কাছ থেকে কিনে নিলেন লোঁয়া নদীর আশেপাশের এলাকা সহ মোরেৎ। মোরেৎ-স্যুর- লোঁয়ার কৌলিন্য বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় দ্বাদশ শতাব্দী নাগাদ যখন সম্রাট ষষ্ট এবং সপ্তম লুই এই শহরকে রাজাদের আবাসস্থলের অংশরূপে প্রাচীর এবং দুর্গ পরিবেষ্টিত করার কাজ শুরু করেন। দ্বাদশ শতকের শেষার্ধে সম্রাট অগাস্টাস ফিলিপ দুর্গ, তোরণ এবং ন্যতোরদাম চার্চের স্থাপনা সমাপন করেন এবং বার্গেন্ডি প্রদেশের সীমানাবর্তী এলাকারূপে মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়া সেই সময়কাল হতে সর্বদাই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়ে যায়। ইংরেজ এবং ফরাসিদের মধ্যকার শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধের সময় চার্লস ষষ্ঠের স্ত্রী বাভারিয়ার রানী ইসাবেউ বার্গেন্ডি সমর্থিত জোট-শক্তি ইংরেজদের কাছে মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়াকে সমর্পন করেন। ১৪৩০ সালে সপ্তম চার্লস মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়াকে ইংরেজ শাসনের কবল থেকে পুনরুদ্ধার করেন।

    ইতিহাসকে সঙ্গী করে লোঁয়া নদীর তীর বরাবর অনেকখানি সময় হেঁটে চলেছি, পরিশ্রান্ত লাগছে বেশ, জিভ শুকিয়ে কাঠ।পথের দুধারের বেকারি দোকানে দেখি রংবেরঙের লজেন্স ঝুলছে, মোরেৎ শহরের নিজস্ব রেসিপি বার্লির লজেন্স। ব্রিজ ধরে আরেকটু এগোতেই পৌঁছে গেলাম শতাব্দীপ্রাচীন বার্লি সুগার কারখানায় যা বর্তমানে মিউজিয়াম। ফরাসিরা বরাবরই রন্ধনকে শিল্পের মর্যাদা দিয়ে এসেছে, ফ্রান্সের মোটামুটি সব বড় শহরেরই নিজস্ব কিছু রন্ধনশৈলী বা খাদ্যবস্তু আছে যা কুলীন এবং অভিনব। মোরেতের বার্লি লজেন্স কিন্তু কোনো প্রসিদ্ধ শেফের মস্তিষ্কপ্রসূত নয়, মধ্যযুগীয় বেনেডিকটিয়ান নানদের রান্নাঘরের একান্ত নিজস্ব রেসিপি।কালের পথ ধরে অনেককিছু হারালেও এই রেসিপি কিন্তু তার নিজস্বতা হারায়নি! আজো কোনরকম বাহ্যিক রঙ বা সিনথেটিক স্বাদ ব্যবহৃত হয়না এই লজেন্স তৈরিতে! স্বাদ কেমন ? মুখে দিয়ে কার কথা মনে পড়লো জানেন! আমাদের প্রিয় পরমপূজ্য স্বামীজীর কথা।১৮৯৪ সালে আমেরিকায় স্বামীজীর সাথে দেখা হয় এমা কালভে ও মাদাম সারা বার্নহার্ডের। সেই সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্বামীজী লিখেছিলেন
    " মাদাম বার্নহার্ড বর্ষীয়সী, কিন্তু সেজে যখন মঞ্চে ওঠেন, তখন যে বয়স, যে লিঙ্গ (স্ত্রী বা পুরুষ চরিত্র) অভিনয় করেন, তার হুবহু নকল।--- এরা বলে তাঁর কন্ঠে রূপার তার বাজে। বার্নহার্ডের অনুরাগ-বিশেষ ভারতবর্ষের উপর। আমায় বারংবার বলেন--- "তোমাদের দেশ - ত্রেজাঁসিএন, ত্রেসিভিলিজে — অতি প্রাচীন, অতি সুসভ্য।" —— বার্নহার্ডের ভারত দেখবার ইচ্ছা বড়ই প্রবল—"সে মঁ রাভ; C’est mon rave"... সে আমার জীবনস্বপ্ন।’"
    এই স্মৃতিচারণের সাথে বার্লি লজেন্সের কি সম্পর্ক ! ঐযে কথাটি "কন্ঠে রূপার তার বাজে"; মোরেতের মানুষজনেরা বলেন সেই রুপার তারের মিষ্টত্ব নাকি মোরেতের এই বার্লি লজেন্সের স্বাদের কারসাজি; মাদাম বার্নহার্ড মঞ্চে গাইতে উঠবার আগে প্রতিবার নাকি এই লজেন্স দিয়েই গলা ভেজাতেন।

    লোঁয়া নদীটি বুঝিবা এমনই কত গল্পকথার সাক্ষী হয়ে বয়ে যাবে আরো অনন্তকাল ! গোধূলির আলোকে সঙ্গী করে ফেরার পথ ধরে ভাবছিলাম কালের নিয়মে একসময় মোরেৎ-স্যুর-লোঁয়া
    তার রাজনৈতিক প্রাধান্য হারালেও আলফ্রেড সিসিলির ছবিকে বুকের ভিতর নিয়ে সময় আজো স্থির হয়ে রয়েছে বার্লি লজেন্সের মতোই মিষ্টি এই গ্রামে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন