এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • বহ্নি মধুময় অথবা মধু বহ্নিময়: (উপন্যাসিকা ঃ পর্ব ৩) 

    রানা সরকার লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২৪ জুলাই ২০২৬ | ৪০ বার পঠিত
  • | | |
    পূজার ঘর। তাতে মা কালী, ভক্ত রামপ্রসাদ, লোকনাথ এবং আরো বেশ কয়েকটি ছবি টাঙান আছে। চারুবাবু রোজ সকালের একটি ঘন্টা এই ঘরে কাটান। পূজা করেন বেশ ঘটা করে। ক’মাস আগে এলাকার ‘জিভে গজা’ দলের জোনাল সেক্রেটারী হওয়ার পর মা কালীর ছবিটা বেশ ভালো করে বাঁধিয়েছেন।

    নিজেকে শাক্ত বলেন বটে, তবে সময় সময় রামপ্রসাদভক্ত হয়ে যান। তার সব সময়ের সাথী হল তাদের পুরোনো চাকর, নাম সারদাপ্রসাদ। চারুবাবু অবশ্য তাকে চাকর ভাবেন না; ভাবে ন একজন বাড়ির লোক। গোটা ২০বছর হয়ে গেল সারদাপ্রসাদ তাদের সাথে আছে। আগে সারদাপ্রসাদের বাবা তাদের দোকানে কাজ করত। বড়বাজারের সেই দোকান এখনও আছে, তবে সারদাপ্রসাদকে তিনি বাড়িতেই রেখেছেন, তার খাস কাজের লোক হিসেবে। সারদাপ্রসাদও এখানে এতো স্নেহ-মমতা পেয়েছে যে আর অন্য কোথাও নড়তেই চায় না। মূলত তিনিই বাবুর ফাই-ফরমাশ খাটেন।


    তবে দোষের মধ্যে সারদা কানে বেশ খাটো। তা আকারে ইঙ্গিতে কাজ চালিয়ে নেন। তবে এর মধ্যে উল্টোপাল্টা কাজও কম করেনি। যেমন, ‘মানপত্র’ আনতে গিয়ে এনেছিল ‘মানকচু’। ‘ঝিঙের’ জায়গায় একবার খানকতক ‘ফিঙে পাখি’ কিনে নিয়ে এসেছিল।

    সেই থেকে বাজার যাওয়া তার বন্ধ। চারুবাবু কানের যন্ত্র নিতে বলেছিলেন। সারদাপ্রসাদ ভয়ে সে যন্ত্র কানে লাগাতে চায় নি। ভয় ছিল যন্ত্রটা যদি উল্টো কাজ করে তাকে বদ্ধ কালা করে দেয়! এর চেয়ে এই ভালো। জোর করে যন্ত্র পরাবার জন্য চেপে ধরাতে পালিয়ে গেছিল দেশে। ওদিকে চারুবাবু পড়ে গিয়েছিলেন বেজায় মুশকিলে। ২০ বছরের অভ্যেস। কানে ঠিক মতো না শুনলেও কাজের জিনিসগুলো কোথায় আছে জানত, গুছিয়েও রাখত ভালো করে। সাধ করে কতদিন আর খোঁড়া হয়ে থাকবেন? শেষে অনেক অনুনয় বিনয় করে সপ্তাহ তিন আগে দেশ থেকে নিয়ে এসেছেন। কথা দিয়েছেন যে আর কখনও কোনো যন্ত্র লাগানোর কথা বলবেন না।

    আজ রবিবার। গতকাল রাতে কয়েক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ায় সকালে বেশ ঝলমলে রোদ উঠেছে। মনে মনে বেশ একটা ভক্তিগদগদ ভাব এনে চারুবাবু পূজো সেরেছেন। এবার চা খেতে খেতে সকালের পেপারটা পড়বেন। প্রতিদিনই তিনি এই রুটিন ফলো করেন। না করলে সারাদিন একটা অস্বস্তি হয়। অনেকটা নেশার মতো হয়ে গেছে।

    লুঙ্গি আর ফতুয়া পড়তে পড়তে নাকে একটা ভাজার গন্ধ এল।বুঝলেন গিন্নী আজ লুচি ভাজছে। গরম গরম লুচির সাথে কালো জিরে কাঁচা লঙ্কা দেওয়া আলুর তরকারী চারুবাবুর খুব প্রিয়। মেয়ে বহ্নি ওদিকে হারমোনিয়াম নিয়ে বসেছে। গলায় সুর এখনও আসেনি, তবে আসব আসব করছে।

    গানের মাষ্টারমশাই বলেছেন যদি হঠাৎ মনে হয় সুর চলে এসেছে, জানবেন সেটা অস্থায়ী। অনেকটা নিম্নচাপের ফলে বৃষ্টি হওয়ার মতো; কিন্তু বর্ষা নয়। বর্ষা যখন আসবে তখন যেমন তার রূপ আলাদা হবে, তেমনি বহ্নির গলায়ও যখন সুর আসবে দেখবেন থামতেই চাইছে না। যখন তখন গান গাইবে। ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও গান গাইবে শুনে চমকে উঠেছিলেন চারুবাবু! ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে যদি মেয়ে গান গায় তো অন্যের ঘুমের দফা গয়া। গানের মাষ্টারকে সেই উৎকন্ঠার কথা জানাতে তিনি হেসে বললেন যে ওটা একটা উপমা। আরও বলেছিলেন, “যেমন গাছের সারা শরীর জুড়ে ফুল ফোটে, ঠিক তেমনি বহ্নির গলা জুড়ে সুর ফুটে উঠবে আর তার সৌরভে মন-প্রাণ যাবে ভরে”।

    চারুবাবু অবশ্য কথা বেশি বাড়ান নি। ভাবছিলেন স্যারের এই গদগদ ভাব কিসের জন্য? মাইনে বাড়াতে চান নাকী অন্য কিছু। যাইহোক এটা বুঝেছিলেন যে মেয়ের প্রতি আরও কড়া হতে হবে। প্রগলভতাকে কোনমতেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।

    ওদিকে বহ্নি গান ধরেছে, “তুমি যে সুরের আগুণ লাগিয়ে দিলে মোর প্রাণে, মোর প্রাণে, মোর প্রাণে .....”।

    শুনে চারুবাবু ভাবছিলেন আগুণ লাগতে দেওয়া যাবে না, তাহলেই সব ছাই হয়ে যাবে। তার আগেই করতে হবে জলের বন্দোবস্ত। বুদ্ধিটা অবশ্য চারুশশীবাবুর নয়, বউ প্রমীলাদেবী অনেকদিন ধরেই বলছিলেন মেয়েটার জন্য একটা পাত্র দেখতে।

    টাকাপয়সা নেহাত কিছু মন্দ নেই তাদের। বড়বাজারে রমরমা দোকান। তাছাড়া এর ওর সালিশী করে বেশ কিছু সুবিধাও পান, যাকে কর্পোরেট ঘরানার লোকেরা বলে ‘পার্কস’। সেই মতো বন্দোবস্তোও করেছিলেন যে পার্টির সৎ একনিষ্ঠ সুন্দর দেখতে ছেলে দেখে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেবেন। বাদ সেধেছেন স্ত্রী।

    তিনি আবার দু’চক্ষে ঐ পার্টি দেখতে পারেন না। কথায় কথায় স্বামীর সাথে ঝগড়া হয়। প্রমীলাদেবীর বাবা ছিলেন আবার ‘চমচম’ পার্টির লোক। কামিয়ে নেওয়া স্বভাবে ছিল না, তাই পরে দলত্যাগ করেন। বাড়িতে সততা, স্বচ্ছতার একটা ভাব ছিল সদা প্রবহমান।সেটা প্রমীলাদেবীর মজ্জায় মজ্জায় ঢুকে গেছে।

    কিন্তু কী কুক্ষনে যে জিভে-গজার নেতা চারুবাবুকে ভালো লেগে যায় কে জানে! বলবার মতো আহামরি চেহারা চারুবাবুর ছিল না কোনোদিন। কিন্তু মানুষের দরকারে, অদরকারে চলে আসতেন। কী লাগবে না লাগবে নিতেন জেনে আর ব্যবহারটি ছিল বড় মধুর। এই কারণে বোধহয় ভালো লেগে গিয়েছিল।

    চারুবাবুর বাবা আর না করেন নি। প্রমীলাও ‘চমচম’ ছিলেন। তাই স্বামীকে পছন্দ করলেও তার সাঙ্গপাঙ্গদের কোনোদিনই ভালো চোখে দেখেননি প্রমীলাদেবী। স্বামী যে সালিশী করে মাঝে মধ্যে এর ওর কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিতেন তাও তার গোচড়ে আছে। কখনও সখনও ঝগড়াও জুড়ে দিতেন এই নিয়ে, কিন্তু যুক্তিতে পেরে ওঠতেন না। কীরকম পাত্র পছন্দ এই নিয়েও তর্কাতর্কি চলত সব সময়।

    প্রমীলাদেবী চাইতেন ছেলেকে একদম স্মার্ট হতে হবে। ফর্সা বা কাছাকাছি হলেও চলবে তবে লম্বা হওয়া চাই। আর চেহারায় হ্যান্ডসাম হওয়া চাই। স্ত্রীর এই পছন্দকে ঠাট্টা করে চারুবাবু বলতেন যে এর চেয়ে হয় চিড়িয়াখানা থেকে একটা জিরাফ ধরে নিয়ে এসো, নয়তো কুমোরটুলিতে গিয়ে পছন্দমতো অর্ডার দাও। আরে মেয়ের উচ্চতা অনুযায়ী তো বর আনবে।

    বরঞ্চ চারুবাবুর চাইতেন যে ছেলে শিক্ষিত হোক, নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরী করুক। ছেলের ভিতরে যেন থাকে একটা ভরপুর আত্মবিশ্বাস। স্ত্রীর এই আত্মবিশ্বাসীতে আবার অমত। শেষে অতো আত্মবিশ্বাসী ছেলে জামাই করে ঘরে এনে বিপদে পড়ি আর কী! ছেলেকে ভালো রোজগেরে হতে হবে, তবে তার চলার পথের স্টিয়ারিংটা থাকবে প্রমীলাদেবীর হাতে।

    চারুবাবু বিচক্ষণ ব্যাক্তি।এক্ষেত্রে বেশী তর্কের মধ্যে যান নি।বেশী বোঝাতে গিয়ে যদি হোম ডিপার্টমেন্ট ক্ষেপে যায় তাহলেই হয়েছে। গিন্নীর পীড়াপীড়িতে কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। আজ ছেপে বেরোনোর কথা।

    পুজো শেষ করে জলখাবার খেতে খেতে খবরের কাগজের হেডলাইনগুলো কোনো মতে পড়েই চারুবাবু চলে গেলেন পাত্র-পাত্রী বিজ্ঞাপণের পাতায়। এপাতা ওপাতা খুঁজতে খুঁজতে একটা বড় আশ্চর্যের বিজ্ঞাপণ চোখে পড়ল তার।

    লিখেছে - ‘উদভ্রান্ত পরিবারের বেলপাতাবাসী নৈবেদ্য কুশ্রী পাত্রীর জন্য অনুপযুক্ত পাত্র চাই! পাত্রী দাঁত কনকনভেন্ট শিক্ষিতা! ঘেমে (পাগল)। গোল্ড স্মাগলিস্ট, গর্ভবতী, মহম্মদ আলী গোত্র! পাত্রের বায়োডাঁটাচচ্চড়ি পোস্ত করে পাঠাবেন’।

    “ছি! ছি! ছি! কী দিনকাল পড়ল! শেষে কারা সব কাগজে বিজ্ঞাপণ দিচ্ছে? গর্ভবতী!, তার ওপর আবার গোল্ড স্মাগলিস্ট! এতো বুকের পাটা যে.........। আচ্ছা, কেউ ঠাট্টা করেনি তো? ঠিকানাটা দেখি তো, কারা এমন তরো বিজ্ঞাপণ দিয়েছে?”, বলে নীচের ঠিকানাটা দেখেই রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে গেলেন চারুবাবু। মুখ, নাক, চোখ, কান দিয়ে ধোঁয়া বেরতো লাগল। সারা শরীর কাঁপতে লাগল। শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে চিৎকার করে বললেন, “এ্যাই, কে কোথায় আছিস, ব্যাটাকে আজই পুলিশে দেব। ...কোথায় গেল সব? এই পুলিশ, ...., এই দমকল! ...”। বলে উঠতে গিয়েও বসে পড়লেন, “উফ্ফ! কী সব্বনেশে ব্যাপার। আজই তাড়াব ..., আজকেই। এই দমকল!”।

    হঠাৎ করে হৈ হল্লা শুনে প্রমীলাদেবী রান্না ফেলে ছুটে এলেন। বহ্নি ছুটে এলো গান ফেলে। আরো যত কাজের লোক যে যেখানে ছিল ছুটে এলো তাদের কাজ ফেলে। প্রমীলাদেবী গলায় উৎকন্ঠা নিয়ে চিৎকারের কারণ জিজ্ঞাসা করলেন।

    খবরের কাগজটা চারুবাবু বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, “দেখো, দেখো। আমার সম্মানের জামানত কীভাবে বাজেয়াপ্ত হয়েছে দেখো। পড়ো। হায়! হায়। মান ইজ্জত সব গেল।.... কোথায় সে, কোথায় ...?”

    কেউই এখনও গোলমালের সঠিক কারণ সম্পর্কে অবহিত হতে পারে নি। সবাই নিজেদের মধ্যে মুখ চাওয়া-চাওয়ি করছে।

    বহ্নি মাকে জিজ্ঞাসা করল, “কী হয়েছে?”

    উত্তর না দিয়ে পেপারটা পড়ে চললেন প্রমীলাদেবী। পড়া শেষ করে শরীরটা সোফায় এলিয়ে দিয়ে জুড়ে দিলেন কান্না, “ওগো আমার কী হবে গো! আমায় মেরে ফেল গো! এখন আমি কী করে বাঁচব গো ...? কাকে কী জবাব দেব গো!”।

    অনেকে দুদ্দার করে জল এনে চারুবাবু আর প্রমীলাদেবীকে পান করতে বলল।বহ্নি পেপারটা তুলে পড়তে থাকল। রাগে চারুবাবু ছুড়েঁ ফেললেন গ্লাস, কাকে যেন হিংস্রভাবে খুঁজছিলেন।

    সারদাপ্রসাদ গোলমাল কিছুটা আঁচ করে থামের আড়ালে ছিল লুকিয়ে।চারুবাবু তাকে দেখতেই হুংকার দিলেন। তারপর হাতে চটিটা তুলে নিয়ে সারদাকে উদ্যত হলেন মারতে। সারদাও দে ছুট। চারুবাবুও ছুটলেন পেছনে পেছনে। দৌড়নোর সময় চারুবাবুর ফতুয়ার পকেট থেকে একটা কাগজ গেল পড়ে।

    ওদিকে প্রমীলাদেবী বিলাপ করে চলেছেন। বিলাপ করতে করতে অন্য চাকরদের বললেন, “দেখ, লোকটার পেছন পেছন যা। রাগে উন্মত্ত হয়ে কিছু আবার করে না বসে! হায়! হায়! এখন আমার কী হবে গো!”।

    কয়েকজন সেদিকে দৌড় লাগাল।

    বহ্নি তার বাবার পকেট থেকে পড়ে যাওয়া কাগজটা তুলে পড়তে থাকল। লেখা আছে - ‘সম্ভ্রান্ত পরিবারের কলকাতা নিবাসী বৈদ্য, সুশ্রী পাত্রীর জন্য উপযুক্ত পাত্র চাই। পাত্রী কনভেন্ট শিক্ষিতা। এম. এ.(ভূগোল)। গোল্ড মেডেলিস্ট, স্বাস্থ্যবতী, আলিম্মান গোত্র। পাত্রের বায়োডাটা পোস্ট করে পাঠাবেন’। নীচে তাদের ঠিকানা ....।

    (চলবে)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | |
  • ধারাবাহিক | ২৪ জুলাই ২০২৬ | ৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন