স্বৈরতন্ত্রের অবসান ও জাগ্রত জনতালেখক : শংকর হালদার শৈলবালা
রচনাকাল : ২৪ জুলাই, ২০২৬
লেখার স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
একদিন স্বৈরাচার হবে ছারখার,
গণ-অভ্যুত্থানে ভাঙবে শাসনের দ্বার।
সেনা-অভ্যুত্থান যদি জাগে রাজপথে,
অবাক হবে না কেউ সময়ের রথে।
সারা বিশ্বজুড়ে আজ কেন হাহাকার?
মৃত্যু আর হত্যায় কি হয় সমাধান আর?
সহিংস বাণের মুখে ধুঁকে মরে প্রাণ,
শান্তির বার্তা ভুলে পশুর সম্মান!
যন্তর মন্তরে জাগে ন্যায়ের লড়াই,
আহত নিহতের ত্যাগে অশ্রু দিয়ে যাই।
আত্মত্যাগী রক্তে আজ ধন্য হলো ধরা,
বিপ্লবী চেতনায় জাগে বসুধারা।
প্রতিরোধ গড়ে তোলো শোষিত জনতা,
অত্যাচারী শাসকের ভাঙো বর্বরতা।
শহীদের আত্মত্যাগে শুভ দিন আসে,
শুভ শক্তি জয়ী হয় সত্যের বিশ্বাসে।
তুচ্ছ নয় কোনো প্রাণ এই ধরণীতে,
অধিকার পেতে চায় সমান প্রীতিতে।
অস্ত্রের হুঙ্কার বন্ধ হোক তবে,
শান্তিময় পৃথিবীতে নতুন ভোর হবে।
স্বৈরাচারী ক্ষমতার অবসান নিশ্চিত,
জনতার জয়গানে দেশ হবে আনন্দিত।
আহত-নিহতদের প্রণাম জানাই,
ন্যায় বিচারেতে আলো খুঁজে পেতে চাই।
“বিক্ষোভের মহাপয়ার” কাব্যগ্রন্থের ১১৮ নম্বর কবিতা
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।