এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ২২

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৬ এপ্রিল ২০২৩ | ১০০৪ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)

  • মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। বাইশ ।।

    ‘’কাছে এল পূজার ছুটি।
        রোদ্‌দুরে লেগেছে চাঁপাফুলের রঙ।
            হাওয়া উঠছে শিশিরে শির্‌শিরিয়ে,
               শিউলির গন্ধ এসে লাগে
        যেন কার ঠাণ্ডা হাতের কোমল সেবা।
               আকাশের কোণে কোণে
                   সাদা মেঘের আলস্য,
                       দেখে মন লাগে না কাজে।‘’ (ছুটির আয়োজন, রবীন্দ্রনাথ)

    উৎসবের সময়ে যারা বাইরে থাকে তদের অনেকেই বাড়ি ফিরতে চায়, মা-বাবাও চান ঘরের ছেলেমেয়েরা ঘরে ফিরুক কটা দিনের জন্য। অনেকে ভাবেন এই ব্যাপারটা শুধু বাংলার বা ভারতবর্ষের মা-বাবার একচেটিয়া। তাই কী ? আমার বন্ধু রাহুলের কথা বলি। সে তখন আমেরিকায়, ইনটেল কোম্পানিতে কাজ করে। কিছু দিন পর পর বসের যিনি বস, তাঁর সাথে মিটিং করতে হয়। বসের বস একজন পঞ্চাশোর্ধ ভদ্রমহিলা, দ্রুত কাজের কথা শেষ করে তিনি নানা অকাজের প্রসঙ্গ অবতারণা করতেন। এক জানুয়ারির বিকেলে তিনি রাহুলকে কথায় কথায় বললেন, ‘’জানো তো, এবারের ক্রিসমাসের ছুটিতেও ছেলেটা বাড়ি এল না। গতবারেও আসেনি। কোথায় যে থাকে, কোথায় যে ঘুরে বেরায়, কে জানে !’’ এই পর্যন্ত বলেই তাড়াতাড়ি যোগ করলেন, ‘’অবশ্য ও আমার অনেক খেয়াল রাখে। প্রায়ই ফোন টোন করে, কিছু দরকার কি না জিজ্ঞেস করে…’’ রাহুল শুধু এইটুকুই জানত ওনার ছেলে কোথাও চাকরি করে, আর সেও প্রায় তার নিজেরই বয়সী। রাহুল সেই রাতেই কলকাতায় বাড়িতে ফোন করেছিল, অকারণে।

    আমার বা তথার বাড়ি ফেরার উপায় নেই, তবু মন পুলকিত, অকারণেই। কাশ ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ দুর্গা পুজো। শিউলি ফুল আশেপাশে কোথাও নেই, তবু যেন কোত্থেকে তার গন্ধ ভেসে আসে। হলই বা কাঠখোট্টা মহানগর দিল্লি, তবু মনের মধ্যে সনৎ সিংহের গানের মত বাংলার কোনও এক চন্ডীতলায় গুড়গুড় করে ঢাকের বাদ্দি বেজে ওঠে - জা গি না, তাক তা ধিনা তাক তা ধিনা, তাক কুড় কুড়, কুড়ুর কুড়ুর তাক…

    একটু ডিউটি ম্যানেজ করতে হয়েছিল অফিসে। সে দিন অফিস থেকে বেড়িয়ে কাছাকাছি একটা প্যাণ্ডেলে খিচুড়ি ভোগ খেয়ে লাঞ্চ সারা গেল। তার পর চলে গেলাম দিল্লি ইউনিভার্সিটির কাছে একটা পুজো হয়, যেটা ৮৪ বছরের পুরনো। এখানে প্রচুর বাজি ফাটছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দল ভারত সফরে এসেছে, মনে হল তাদেরই খেলায় কিছু হয়েছে হয়তো। ওখান থেকে কাশ্মীরী গেটের কাছে একটা পুজো, যেটা নাকি দিল্লির প্রাচীনতম, ১৯১০ থেকে চলে আসছে। আর একটা পুরনো পুজো হল তিমারপুরে, সেটা প্রথম হয়েছিল ১৯১৪ সালে। আর কালীবাড়ির পুজো নাকি প্রথমে হত এখনকার বাংলা সাহিব রোডে, শুরু হয়েছিল ১৯২৫-এ, পরে মন্দির মার্গে কালীবাড়ি প্রতিষ্ঠা হলে ওই পুজো এখানে চলে আসে বলে মনে করা হয়।

    ওসব মতবাদ এখন মাথায় থাকুক, কারণ এখানে পেয়ে গেছি একটা মিষ্টির দোকান। ভুল বললাম – শুধু একটা মিষ্টির দোকান নয়, ওই সব বেঙ্গলি মার্কেট মার্কা ভেজাল বাঙালী নয়। পুরো আগমার্কা খাঁটি বাঙালী মিষ্টির দোকান। খাস বাংলা থেকে রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া ময়রাদের বানানো মিষ্টি। বললে বিশ্বাস করবেন না তিন জনে মিলে প্রায় ৬০ টাকার মিষ্টি খেয়ে ফেললাম (সালটা খেয়াল রাখবেন – ১৯৯৬)। আমি, তথা ছাড়া তৃতীয় ব্যক্তিটি হল অধ্যাপক বাগচীর ভাই। বাগচী বোধ হয় তখন ছুটিতে বাড়ি গেছিল, তবে তার ভাই কেন ছিল তা এত দিন বাদে আর মনে নেই। যেটা জানলাম তা হল প্রতি পুজোতেই এনারা মিষ্টির আয়োজন করেন, এবং বিক্রিবাট্টা যে ভালই হয় তা তো নিজের চোখেই দেখলাম।

    সন্ধ্যাবেলা গেলাম দিল্লি কালীবাড়িতে অনুষ্ঠান দেখতে। অমর-সব্যসাচীর  ‘ছায়াবাজি’ আর তারপর দেবশ্রী রায়ের ট্রুপের নাচের অনুষ্ঠান। একটা পরিস্কার সাদা পর্দা, একটা তীব্র আলোর উৎস, তার সামনে দু হাতের দশখানা আঙুল আর পর্দার ওপর তাদের পড়া ছায়া – এই দিয়ে অমর সেন আর সব্যসাচী সেন যে কী ম্যাজিক দেখালেন তা মুখে বা লিখে বোঝানো কঠিন। দুই কুকুরের ঝগড়া, পাখি, খরগোশ, হরিণ, হাতির নড়াচড়া, ছুটোছুটি নিয়ে আস্ত জঙ্গল ফুটে উঠল ওই পর্দায় – শুধুমাত্র আলোর সামনে নানা ভাবে আঙুল রাখার কারসাজিতে। ঠিক ওই ভাবেই এল নানা মুখ – শিশু, বৃদ্ধ, পুরুষ, মহিলা – আর সাথে তাদের অননুকরণীয় ভাষ্য। উপস্থিত কয়েকশো লোককে মুগ্ধ করে দিলেন ওই দু জন মানুষ।
            
    শ্যাডোগ্রাফির উৎপত্তি সম্ভবত হয়েছিল প্রাচীন যুগের চীনে। তাকে ইউরোপে জনপ্রিয় করে তোলেন ফেলিসিন ত্রেইউ, ১৯ শতকের এক ফরাসী ম্যাজিসিয়ান, মাইম শিল্পী, নর্তক, দড়ির ওপর হণ্টনে পারদর্শী, কমেডিয়ান – এক কথায় প্রায় সব রকম পারফর্মিং আর্ট তাঁর মধ্যে বাসা বেঁধেছিল। এখন দুশো রকম মজা সহজলভ্য হয়ে যাওয়াতেই মনে হয় ছায়াবাজী ক্রমশঃ অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছে।
            
    যাই হোক, পরের দিন ফের কালীবাড়ি গিয়ে বেনফিস (পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি প্রতিষ্ঠান)-এর দোকানে ভাত আর ইলিশ মাছের ঝাল দিয়ে তোফা লাঞ্চ হল। বেনফিস ওখানে অস্থায়ী স্টল দিয়েছিল, ইলিশ মাছ-ভাতের দাম পড়েছিল সম্ভবত ১০০ টাকা। আমাদের পকেটের পক্ষে অনেকটাই বেশি, তবে ওই যে রবি ঠাকুর বলেছেন ‘’রোদ্‌দুরে লেগেছে চাঁপাফুলের রঙ’’, সুতরাং এখন পকেটের কথা ভাবে কোন আহাম্মক। বাসমতি চালের গরম গরম ভাতের সুগন্ধ আর তার সাথে সঙ্গত করছে বড় সাইজের ইলিশের পিস, ঈষৎ হলুদ রঙের গ্রেভিতে ডোবানো। উফফফ… জীবন, বড় মধুর এ জীবন (না, কিশোর কুমারের গানটা অবশ্যই গাইনি তখন)। ওখানে অমিতাভর সাথে দেখা, ওর সঙ্গে এক জন ছিল। যে ছিল তার কথা… নাহ, এখন থাক, পরে বলা যাবে কোনও এক সময়ে। সবাই মিলে চলে গেলাম চিত্তরঞ্জনপার্ক। ভিড় দেখে মাথা এবং পা দুটোই ঘুরে গেল। কোনও মতে গোটা তিনেক ঠাকুর দেখে কেটে পড়লাম। ভিড় আমার একদম পোষায় না।

    ‘’যেও না রজনী আজি লয়ে তারাদলে’’ বলে হিমালয়জায়া যত অনুরোধই করুন না কেন, নবমী নিশি এক সময়ে শেষ হবে আর  বিজয়া দশমী এসে পড়বে। বিসর্জনের আগে দিল্লির ঠাকুরগুলো নিউ দিল্লি কালীবাড়ি হয়ে যায়। তাই ওখানে দাঁড়ালে অনেক ঠাকুর দেখা হয়ে যায়। আমি আর তথাও সময়মত চলে গেলাম। বেশ একটা কার্নিভ্যাল ধরনের ব্যাপার হল। আর হল অন্য একটা ব্যাপার। অফিসে বেশ সিনিয়র এক বাঙালী ভদ্রলোক ছিলেন, যিনি বেশ সুদর্শন ছিলেন, বেশ চিবিয়ে চিবিয়ে ইংরেজি বলতেন, আর সবাইকেই বেশ দুচ্ছাই করতেন। কারও কাজই তাঁর পছন্দ হত না। এখানে এই ভিড়ের মধ্যে তাঁকে দূর থেকে দেখলাম – যাবতীয় দাপট তো উধাও হয়েই গেছে, বরং একটু অসহায় বোধ করছেন বললে ভুল হবে না। দু-এক বার গলা তুলে কাউকে কিছু বলার চেষ্টা করলেন, কিন্তু এটা অফিস নয়, কেউ ওনাকে বিন্দুমাত্র পাত্তা দিল না। তাঁকে দর্শন দেওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে হয়নি আমাদের। বলতে দ্বিধা নেই বেশ আমোদই পাচ্ছিলাম ওনাকে ওই অবস্থায় দেখে। তিনিও অবশ্য আমাদের দেখতে পাননি ওই কালীবাড়ির প্রচুর মানুষের মধ্যে। নিউ দিল্লি কালীবাড়ি তৈরি হয়েছিল ১৯৩০-এর দশকে। প্রথম মন্দির কমিটির সভাপতি নাকি ছিলেন সুভাষচন্দ্র বোস।

     এখান থেকে আবার চিত্তরজন পার্ক। ভিড় এখন কমে গেছে, বাকি পুজোগুলো দেখা হল, শোনা হল শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়-এর গান, দ্বিতীয় বার দেবশ্রী রায় আমাদের দর্শন দিলেন এবং সেই সঙ্গে ক্যাঁচকোঁচ করতে করতে এসে হাজির হল একখানা গো-চালিত শকট। না, সত্যি সত্যি গরুর গাড়ি এসে যায়নি পুজোর মন্ডপে। তবে কিছুদিন আগে ঝান্ডেওয়ালান এলাকায় একটা জিনিস দেখেছি। আমি বাসে, জানলা দিয়ে দেখতে পেলাম বাসের পাশে একখানা মার্সিডিজ বেঞ্জ আর তার পাশে একখানা মোষের গাড়ি, সবাই সিগনালে দাঁড়িয়ে। মোষের গাড়িতে খুব সম্ভব ডাঁই করে বাঁশ রাখা ছিল। তা থাকুক, আমরা চিত্তরঞ্জন পার্কে যা দেখলাম তা হল একটা নাটক – ‘গরুর গাড়ির হেডলাইট’। সরোজ রায়ের নাটক, নটসেনা গ্রুপের নিবেদন। হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেল। স্যাটায়ার নয়, উইট আর হিউমার-এ পরিপূর্ণ নির্মল হাসির নাটক। এ নাটকটার কথা কলকাতা থাকতেই জানতাম, তবে দেখা হয়নি। ফলে পরের দিন অফিস থাকা সত্ত্বেও দেখে ফেললাম এবং হতাশ হলাম না।

    অনুষ্ঠান শেষ হতে হতে রাত প্রায় দুটো বাজল। এত রাতে আর ফেরার চেষ্টার কোনও মানে হয় না। এ পরিস্থিতি হতে পারে আন্দাজ করে আশু করণীয় কী হবে তা আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম আমি আর তথাগত। সুতরাং স্টেজের সামনে পেতে রাখা শতরঞ্জিতে শুয়েই রাত্রিযাপন, ভোর থাকতে উঠে গৃহে প্রত্যাবর্তন, এবং ভাতেভাত সেবন করে অফিস গমন।

    পুজো শেষ হল, দু-তিনটে দিন একটু অন্যরকম কাটল। তারপরেই পর পর দুটো খবর এল – একটা ভাল আর একটা মন্দ। (ক্রমশঃ)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ০৬ এপ্রিল ২০২৩ | ১০০৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন