এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ১৩

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১১ নভেম্বর ২০২২ | ৪৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। তের ।।

    ‘’বাঁ দিকের বুক পকেটটা সামলাতে সামলাতে
    হায়! হায় ! লোকটার ইহকাল পরকাল গেল !
    অথচ আর একটু নীচে হাত দিলেই
    সে পেতো আলাদ্বীনের আশ্চর্য প্রদীপ,
    তার হৃদয় !
    লোকটা জানলোই না !’’
    - সুভাষ মুখোপাধ্যায়

    এক কালে যখন বেশির ভাগ লোক দর্জির দোকান থেকে জামা-প্যান্ট বানাতো, তখন বাঁদিকের বুক পকেটের পিছন দিকে (মানে বিজ্ঞাপনের ভাষায় যাকে ত্বক বলে, তার দিকে) আর একটা পকেট বানিয়ে দিত। আবার ট্রাউজার বানাতে দিলেও একই কায়দায় কোমরের ভিতরের দিকে থাকত একটা পকেট। জামার আর প্যান্টের ওই দুই পকেটই বানানো হত মূলতঃ টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য। যদিও আমার এক কাকা বাসে উঠেই পাঁচ মিনিট অন্তর যে ভাবে বুক পকেটে হাত দিতেন তাতে সেই গোপন কথাটি আর গোপন রহিত না। সে যাক, বিজ্ঞ জনেরা বলতেন প্যান্টের ইনসাইড পকেটে রাখা টাকা নাকি মোটেই নিরাপদ নয়। পকেটমাররা সহজেই ওখান থেকে ক্যাশ ভ্যানিস করতে পারে, অভিজ্ঞ আঙুলের সামান্য চাপে। তাই আমিও যখন দু-চার টাকা অতিরিক্ত থাকত সেটাকে বুক পকেটের ভেতর দিকে জায়গা দিতাম, আর ট্রাউজারের লুকনো পকেটে রাখতাম চাবি। আরও অনেকেই অবশ্য এমন রেখে থাকেন কারণ সাইড পকেটের কাপড় হয় পাতলা, আর চাবি তাকে ফুটো করে দিতে পারে। সে তুলনায় ইনসাইড পকেট ট্রাউজারেরই তুলনায় মোটা কাপড় দিয়ে তৈরি হত, ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

    আজ্ঞে না, জামা আর প্যান্টের তুলনাত্মক পকেটতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করতে বসিনি। আসল ব্যাপারটা হল আমি সেই যুগে ট্রাউজারের ভিতরের পকেটে চাবি রাখতাম। একটাই চাবি, সেটা একটা স্বাস্থ্যবান কী রিং-এর মধ্যে আটকানো। প্রীতবিহারে আমাদের প্রাসাদের দরজার চিচিং ফাঁক মন্ত্র। কাকাকে যতই আওয়াজ দিই না কেন, আমারও স্বভাব ছিল কোমর থাবড়ে মাঝে মাঝেই দেখে নেওয়া চাবিটা আছে কি না, বছর খানেক আগে একবার পড়ে গেছিল কি না।

    যাক, আসল কথায় আসা যাক। সিনেমা (খুব সম্ভব ছবিটা ছিল ‘স্পিসিস’) দেখতে যাব বলে ঠিক করেছি। তথা তো কলকাতা গেছে। আমি চটপট খাওয়া দাওয়া সেরে বাসে উঠে পড়েছি। বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগবে যেতে, জানলার ধারে জায়গা পেলাম একটু পরে, আর ঘুমিয়ে পড়লাম। নিদ্রাভঙ্গ যখন হল তখন আর অল্প দূরত্বই বাকি আছে আমার স্টপেজের। আর ঠিক সেই সময়ে আমি কোমর থাবড়ালাম, আর বুঝলাম – হ্যাঁ, যা ভাবছেন তাই – চাবি সেখানে নেই। বসে থাকা অবস্থায় চাবি নিচে পড়ে যেতে পারে না, তবুও পায়ের কাছে বাসের মেঝেটা দেখতে গেলাম – নেই। প্যান্টের অন্য পকেটগুলো খুঁজলাম – নেই। জামার পকেটটাও হাতড়ালাম – নেই। শেষ বারের মত ট্রাউজারের লুকনো পকেটটা আর একবার দেখলাম – নেই।

    সম্ভাবনাগুলো দ্রুত সিনেমার ছবির মত পরপর ভেসে এল। ১) বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রীতবিহার বাসস্ট্যান্ডে আসার সময়ে পড়ে গেছে কোথাও ; ২) বাসে ওঠার পর যে ভিড় ছিল তার মধ্যে কোনও পকেটমার টাকার গোছা ভেবে বার করেছে তার পর হতাশ হয়ে ফেলে দিয়েছে, এখন আর তাকে খোঁজা সম্ভব নয় ; আর ৩) আমি দরজা খুলে রেখেই চলে এসেছি, যদিও সেটা নিজের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য ঠেকল না। এত দূর চলে এসে আর ফিরে যাওয়ার কোনও মানে হয় না, তাই টিকিট কেটে সিনেমা হলে ঢুকে গেলাম।
     
    ফিল্মে খুব একটা মন দিতে পারলাম না। মনে হতে লাগল যদি প্রথম দুটোর মধ্যে একটা সম্ভাবনা মেলে তা হলে কী ভাবে ঘরে ঢুকব, আর যদি তিন নম্বরটা হয়ে থাকে তাহলে ঘরে ঢুকে আর কি কিছু পাব ? দিল্লির যা ক্রাইম রেট ! পুনীতের বাবা-মাও তো বাড়ি নেই দেখে এসেছি, ওনারা থাকলে না হয় ব্যাবস্থা কিছু একটা করতেন। চোরটোর যদি ঢুকে পড়ে তাহলে … আমার কী কী জিনিস আছে, তথারই বা কী কী আছে… ওর কাছে মুখ দেখাব কেমন করে… ট্রাংকের মধ্যে কিছু টাকা পয়সা আছে। ট্রাংকের কথা খেয়াল হওয়ায় ওই অবস্থাতেও শক্তি চাটুজ্জের কবিতা মনে এল – ‘’আমার কাছে এখনো পড়ে আছে / তোমার প্রিয় হারিয়ে যাওয়া চাবি / কেমন করে তোরঙ্গ আজ খোল!’’

    বাস থেকে নেমে হেঁটে আসার সময়ে রাস্তাটা দেখতে দেখতে এলাম – যদি চাবিটা দেখতে পাই। বাড়ির যত কাছাকাছি আসছি তত বুক ঢিপঢিপানি বাড়ছে। গেট খুলে সিঁড়ি দিয়ে উপরে এসে দেখলাম দরজা বন্ধ এবং শুধু ছিটকিনি দেওয়া, নো তালা। এবার কী দেখব ভেতরে গিয়ে ? কাঁপা হাতে ছিটকিনি খুলে ঘর যেমন রেখে গেছিলাম তেমনি রয়েছে, আর তালা এবং চাবি যেখানে থাকার কথা সেখানেই তারা শোভা পাচ্ছে। আহা, তখন যে ঠিক কেমন অনুভূতি হয়েছিল সেটা বোঝানো আর ‘পাউরুটি আর ঝোলা গুড়ের’ কম্বিনেশন কেন ‘সবার চাইতে ভাল’ সেটা ব্যাখ্যা করা একই রকম কঠিন কাজ।

    পাউরুটির কথা লিখে একটা ব্যাপার খেয়াল হল। সেটা হল আমরা মুড়ি যেমন দিল্লিতে পাইনি, তেমনি পাউরুটিও খাইনি। যদি স্মৃতি বিট্রে করে তাই কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম যারা সেই সময়ে দিল্লিতে ছিল। আর অদ্ভুত ব্যাপার কেউই পাউরুটি খাওয়ার কথা মনে করতে পারল না। পরোটা বা পুরি জাতীয় নানা জিনিস পেয়েছি কিন্তু কয়েক হাজার বছর ধরে মানুষ যে পদার্থটি দিয়ে খিদে মিটিয়ে আসছে তার দেখা মেলেনি। সম্ভবত সে সময়ে পাউরুটির খুব একটা চল ছিল না, পাওয়া নিশ্চয় যেত কারণ বেকারির অভাব ছিল না। ছোটবেলায় ইংরেজি ‘বেকার’ আর বাংলা বেকার গুলিয়ে ফেলে বাবার কাছে বকুনি খেয়েছিলাম মনে আছে। ‘পাউ’ শব্দটা অবশ্য ইংরেজি নয়, সেটা পর্তুগীজ, অর্থ হল ছোট গোল রুটি। আমাদের পাউরুটি আর মারাঠিদের পাউভাজি-র ‘পাউ’ আসলে একই। বেশিরভাগ রুটি দেখতে গোল, শূণ্যের মত, আর তার গুরুত্বও শূণ্যের মতই বিশাল। এতটাই বিশাল যে বিশ্বের একাধিক দেশে রুটি বা ব্রেড নিয়ে মিউজিয়াম আছে। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় যে মিউজিয়াম, সেই বাড়ির মাথাটাও একটা বিশালকায় রুটির মত। দিল্লিতেও নানা কিসিমের মিউজিয়াম আছে, তার মধ্যে একটা হল – আঁৎকে উঠবেন না – ‘টয়লেট’ নিয়ে, দুনিয়ায় সম্ভবত এর জুড়ি নেই। তবে ওই মিউজিয়ামে পরে ঢোকা যাবে, আপাতত যেখানে ছিলাম সেখানে ফেরা যাক।

    সিনেমা দেখতে যাওয়ার আগে খেয়ে বেরিয়েছিলাম। কী খেলাম সেটা এখানে জানানো জরুরী। প্রীতবিহারে আসার পর থেকে তো আমরা স্বপাকে খেতাম। আমি রান্না করেছিলাম সেটাই যেটা আমি একা খেলে সাধারণত করে থাকতাম – ভাতেভাত। এই শব্দটা যে কীভাবে এল কে জানে ; ভাতে সবজি না বলে দু’বার ভাত বলে কী লাভ হয় জানি না। তবে আমার ভাতেভাত-এর একটা বিশেষত্ব ছিল। সেটা হল ভাত বসানোর সময়ে যখন আলু, পটল আর ডিম হাঁড়ির মধ্যে দিতাম, তখন তার মধ্যেই ফেলে দিতাম ভাল করে ধোওয়া ডাল – মুগ বা মসুর। আলাদা করে ডাল করতে হত না, কিন্তু ডালের উপকারটা পাওয়া যেত। মাছের প্রোটিন তো জুটতো না, ডালই সই।

    এর মধ্যে অবশ্য আমি আর তথা একবার ঘুরে এসেছিলাম উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ। দিল্লি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের এই জায়গাটাকে অনেকে ‘গেটওয়ে অফ ইউ পি’ বলেন। ১৭৪০ সাল নাগাদ মুঘল দরবারের এক উচ্চপদস্থ আমলা গাজিউদ্দীন এই জায়গার পত্তন করেন, নাম দেন গাজউদ্দীন নগর। প্রায় দেড়শো বছর পরে রেল স্টেশন বানানোর সময়ে এ জায়গার নাম ছোট করে রাখা হয় গাজিয়াবাদ। ওখানে এনটিপিসির একটা পাওয়ার প্রোজেক্ট আছে, তথাগতর পরিচিত একজন সেখানে কাজ করেন। ওনাদের ক্যাম্পাসটা খুব সুন্দর, অনেকটা সল্টলেকের মত মনে – অনেক সবুজ, নিরিবিলি। ওখানে একদিন থেকে বাড়ির রান্না মাছ খেয়ে মন ভরে গেছিল।
     
    বাঙালির মৎস্য প্রীতি বেশ গুরুতর ব্যাপার। সুভাষচন্দ্র বসু তখনও বিখ্যাত হননি, নেতাজি পরিচিতিও পাননি। এক বার দেশ ঘুরতে বেরিয়েছিলেন, মনে কিঞ্চিৎ বৈরাগ্য ছিল। উত্তর প্রদেশের এক সরাই খানা থেকে তাঁকে বার করে দেওয়া হয়েছিল শুধুমাত্র তিনি ‘মছলি’ খাওয়া বাঙালি বলে। যদিও সেখানে তিনি ‘মছলি’ খেতে যানিনি। আসলে মাছ খাওয়ায় যে কী সুখ তা অন্যে বোঝে না।

    জন লেননের যখন পাঁচ বছর বয়স, তাঁর মা তাঁকে বলতেন সুখই হল সুন্দর জীবনের চাবিকাঠি। স্কুলে যখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় বড় হয়ে কী হবে, তিনি উত্তর দেন, “সুখী”। আরে না না, ব্যাপারটা তুমি বুঝতে পারছো না, বলেছিলেন স্কুলের শিক্ষক। ভবিষ্যতে যিনি ‘ইম্যাজিন’ গাইবেন, তিনি নাকি বলেছিলেন, “আর আপনারা তো জীবনটাকেই বুঝতে পারছ না’’।

    খাওয়ার জন্য অনেকেই অনেক কিছু করে, আমরাও করতাম – মানে শুধু মাত্র মাছ খাওয়ার জন্য। সে জন্য যেতে হত গোল মার্কেটে। সেখানে মুড়ি পাইনি ঠিকই, তবে সেখানে মাছ-ভাত খেতে এক রকম মিছিল করেও গেছি। (ক্রমশঃ)
     
  • ধারাবাহিক | ১১ নভেম্বর ২০২২ | ৪৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হজবরল | 23.128.248.204 | ১১ নভেম্বর ২০২২ ১৪:৩৪513699
  • পাঁউরুটি আর ঝোলা গুড় শুনলেই এই গানটা মনে পড়ে :-))
     
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:b0ec:acc4:ab5b:658d | ১১ নভেম্বর ২০২২ ২২:০২513721
  • এই সিরিজটা আমার বেশ ভালো লাগছে। সুখপাঠ্য। প্রত্যেক পর্বে কমেন্ট করা হয়না যদিও। এবারের পর্বটা সামান্য একটু হ্যাফাজার্ড লাগলো। অবশ্য সেটা আমার পাঠকালীন ফোকাসের অভাবের জন্যও হতে পারে। পরে আবার পড়লে হয়তো লাগবেনা।
  • তীর্থঙ্কর বিশ্বাস | 2401:4900:1c01:8483:9d36:b1b5:d332:65f0 | ১২ নভেম্বর ২০২২ ০০:২৫513723
  • চালিয়ে যাও। এখনও টানটান ভাবটা আছে। আর বিশদ ব্যাখ্যার জবাব নেই। সাথে শব্দের খেলা অসাধারণ।
  • Nirmalya Nag | ১৩ নভেম্বর ২০২২ ২০:৫১513755
  • @ হজবরল - পাউরুটি আর ঝোলা গুড়ের স্রষ্টা চিরজীবী হোন। আর এই গানটা চিরকাল সবাইকে আনন্দ দিক।
     
    @ kk - অনেক ধন্যবাদ। এই হ্যাফাজার্ড লাগার কথাটা আরও এক জন বলেছেন। ভাল করে আরও এক দুবার দেখতে হবে।
     
    @ তীর্থঙ্কর বিশ্বাস - অনেক ধন্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন