এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  গপ্পো

  • তোমার বাস কোথা যে... - ৬

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | গপ্পো | ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৭২ বার পঠিত
  • ।। ছয় ।।

    [এই কাহিনীর সব চরিত্র কাল্পনিক। জীবীত বা মৃত কোনো ব্যক্তির সাথে কোনও মিল যদি কেউ খুঁজে পান তা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং কাকতালীয়। ]
     
    এক সপ্তাহ পরের কথা। অরুণাভর অপারেশন হয়ে গেছে, তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পায়নি এখনও। টিউমার থেকে স্যাম্পল পাঠানো হয়েছে বায়োপ্সি পরীক্ষার জন্য। আজ সেই পরীক্ষার রিপোর্ট আসার কথা ছিল। সেটা নিতে গিয়ে জানতে পারল ইন্দ্রনীলের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডক্তারের চেম্বারে গিয়ে বিনীতা শুনল উনি ওটি-তে আছেন। ইন্দ্রনীল নাকি বলেছে সে নিজেই ওটা নিয়ে অরুণাভর ঘরে যাবে। অতয়েব ঘরে এসে চেয়ারে বসল সে। 
    অরুণাভ শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে। হারুকি মুরাকামির ‘কাফকা অন দ্য শোর’। বালিশের পাশে আরও দুটো বই রাখা আছে। অপারেশনের জন্য হাসপাতালে আসার সময়েই গোটা পাঁচ-ছয় বই নিয়ে এসেছে সে; তারই একটায় মগ্ন হয়ে আছে। তার স্বামী এমনিতেই কথা কম বলে, অপারেশনের পর আরও কম বলছে। অরুণাভর গায়ে আকাশী নীল রঙের হাসপাতালের পোশাক, বুকের কাছটা সামান্য ফাঁক হয়ে যাওয়ায় বিনীতা চোখে পড়ল ভেতরের ব্যান্ডেজটা। সেই ব্যান্ডেজের নিচ থেকেই টিউমারটা সরানো রয়েছে, আর তারই খানিকটা অংশ পাঠানো হয়েছে বায়োপ্সি করতে। কখন রিপোর্ট নিয়ে আসবেন ডাক্তারবাবু, অধৈর্য লাগছে বিনীতার। আজ কারও দেখতে আসার কথা জানা নেই, গতকাল জি এম খুরানা স্যার এসেছিলেন, সঙ্গে অরুণাভর পিএ কবিতাও ছিল। অপারেশনের দিন গায়ত্রী আর ওর বর রঞ্জিত পুরো সময়টাই ছিল। 
    এই সব ভাবতে ভাবতেই সিঙ্গল-বেড কেবিনের চারদিকটা আবার দেখছিল বিনীতা। ঘরে ঢোকার পরেই একটা ছোট প্যাসেজের বাঁ দিকে বাথরুম, তার দরজায় ভেতর থেকে কোনও ছিটকিনি নেই। প্যাসেজ পেরোলেই বড় ঘরের ঠিক মাঝখানে বেড যেখানে শুয়ে আছে অরুণাভ। বেডের মাথার কাছে দেওয়ালে একটা সাদা বোর্ডে কয়েকটা প্লাগ পয়েন্ট, অক্সিজেনের টিউব ইত্যাদি। বেডের পাশে একটা চেয়ার, যেটায় বিনীতা বসে আছে। একটা উঁচু টেবিলও আছে যার ওপর ওষুধপত্র ইত্যাদি রাখা। বেডের ওপাশে একটা বড় জানলা, এখন পর্দা দিয়ে ঢাকা। আর জানলার ঠিক উল্টো দিকের দেওয়ালে, মানে বিনীতার পিছন দিকে একটা সোফা আর নিচু সেন্টার টেবিল। ওই সোফায় পেশেন্টের বাড়ির লোক শুতে পারে। একজন বাড়ির লোক থাকতে পারে কেবিনে সব সময়ে, তবে ছোট মেয়েকে বাড়িতে রেখে বিনীতার পক্ষে হাসপাতালে থাকা সম্ভব নয়।
    বাড়িতে ফোন করে একটু আগে বিসপাতিয়ার কাছে রঙিনের খবর নিয়েছে বিনীতা। মা দীর্ঘ সময় বাড়িতে না থাকায় তার ভাল লাগছে না, সেটা বাড়ি ফেরার পর রোজই বুঝতে পারে সে। বাবাকে না পেয়ে সে অভ্যস্ত, মা-কে নয়। দু-এক দিনের মধ্যে হয়তো ছেড়ে দেবে অরুণাভকে। তারপর বাড়িতে নিয়ে যেতে হবে। তবে অরুণাভ হয়তো বাড়ি যেতে না যেতেই অফিস করতে চাইবে, অথবা বাড়িতেই অফিস উঠিয়ে আনবে। সমস্যা হল বিনীতা দুটোর কোনওটাই চায় না। 
    একট শব্দ হওয়াতে পিছনে তাকাল বিনীতা। ডাক্তার বাবু ফোনে কথা বলতে বলতে ঢুকছেন। হাতে রয়েছে একটা খাম। অরুণাভও তাকাল ইন্দ্রনীলের দিকে।
    ফোনে কথা বন্ধ করল ইন্দ্রনীল, জামার পকেটে মোবাইল রেখে দুজনের দিকে একবার তাকাল। তারপর খামটা এগিয়ে দিল বিনীতার দিকে, সে ওটা হাতে নিল। ইন্দ্রনীল দেখল অরুণাভর বই বুকের ওপর খোলা, চোখ তারই দিকে। 
    “সার্জারি ভালই হয়েছে। কিন্তু কন্ডিশন ভাল নয়। টিউমারটা ম্যালিগন্যান্ট,” কথা বলতে বলতেই ডাক্তার দেখল অরুণাভর চোখ বইয়ের দিকে ঘুরল। “আমি অকারণ আশা দিতে চাই না। মেটাস্টেসিস শুরু হয়েছে, মানে ছড়িয়ে গেছে রোগ, স্টেজ ফোর।”
    বিনীতা বিস্ফারিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল ইন্দ্রনীলের দিকে, তারপর দেখল তার স্বামীর দিকে। তার চোখ বইয়ের পাতায়, তবে মন কোথায় বলা কঠিন।
    “আমি প্রেসক্রিপশন লিখে দিচ্ছি। কেমোথেরাপি শুরু করে দিতে হবে। পরে প্রয়োজনে রেডিওথেরাপিও,” বলল ইন্দ্রনীল।
    কী বলবে বুঝে উঠতে পারছিল না বিনীতা, তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। এইটুকু বলতে পারল যে তার স্বামী তো ধূমপান করে না।
    “নন-স্মোকারদেরও লাং ক্যান্সার হতে পারে, ম্যাডাম। কোল মাইনে যাঁদের রেগুলার যাতায়াত করতে হয় তাদের অনেকেরই ব্ল্যাক লাং, সিওপিডি ইত্যাদি হয়। এর সাথে স্মোকিং-এর কোনও রিলেশন নেই,” বলল ডাক্তার।
    চুপ করে থাকল বিনীতা। ইন্দ্রনীল বেরিয়ে যাচ্ছিল, অরুণাভর ডাকে ফিরে দাঁড়াল সে।
    “আমায় ডিসচার্জ করবেন কবে?” জিজ্ঞাসা করল সে।
    “একটা লো ডোজ কেমোথেরাপি দিয়ে আপনাকে ছেড়ে দেব, নইলে তিন চার দিনের মধ্যে আপনাকে আবার আসতে হবে। কেমোর শিডিউল দিয়ে দেব।”
    “প্রথম ডোজটা আজ দেওয়া যায় না?”
    “না, কাল চেষ্টা করব। আসি।”
    ইন্দ্রনীল চলে যায়। অরুণাভর ফের বই পড়া শুরু করেছে। বিনীতা উঠে এসে স্বামীর পাশে কিছুক্ষণ দাঁড়ায়, তার গায়ে হাত রাখে। অরুণাভ বইয়ের পাতা উলটে বলে, “ইন্টারেস্টিং"। 
    ***
     
    ঘণ্টা দুই বাদে হাসপাতাল বিল্ডিং-এর বাইরের সিঁড়িতে দেখা যায় ইন্দ্রনীলকে। সন্ধ্যা হয়ে গেছে, ডিউটি শেষ করে আজকের মত বাড়ি ফিরছে সে। দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে দুটো কথা বলে, তারপর ধীরেসুস্থে হাঁটতে থাকে। এই সময়টা তার খুব পছন্দের - সারা দিনের নানা ঝক্কিঝামেলার পর একটু আরাম। যদিও জানে যে কোনও সময়ে ফোন বেজে উঠতে পারে, কোনও পেশেন্টের আচমকা সমস্যা তৈরি হতেই পারে, অনেকে সময়ে সেটা অপারেশন অবধি গড়ায়। তবু সন্ধ্যাবেলার এই পরিসরটুকু তার প্রিয়। হাঁটতে ভালবাসে সে, কোয়ার্টার অবধি হেঁটেই আসা যাওয়া করে, বিভিন্ন দিক ঘুরে। আজ কোন দিক দিয়ে যাবে ভাবছিল ইন্দ্রনীল, হঠাৎ কানে এল কেউ ডাকছে - “ডাক্তারবাবু”। তাকিয়ে দেখল রাস্তার এক পাশে রয়েছে বিনীতা, এগিয়ে আসছে তার দিকে। 
    “একি, এখনও বাড়ি যাননি? আজ কি থেকে যাবেন কেবিনে?”
    সামনে এসে দাঁড়াল বিনীতা। “আপনি তখন বললেন রোগ ছড়িয়ে গেছে। একটু যদি পরিস্কার করে বলেন…”
    এমন প্রশ্নের মুখোমুখি ইন্দ্রনীল আজ প্রথম হচ্ছে না। তবু একটু অস্বস্তি হয় বইকি। “দেখুন ম্যাডাম, এক জন পেশেন্ট কত দিন সারভাইভ করবে সেটা অনেক কিছুর ওপর ডিপেন্ড করে। অসুখের টাইপ, মেডিকেশনের টাইপ, পেশেন্টের ফিজিক্যাল অ্যান্ড মেন্টাল কনডিশন, পেশেন্টের ওপর ওষুধের এফেক্ট, পেশেন্টের উইল টু লিভ, এটসেটরা এটসেটরা…”
    বিনীতা বলল, “বুঝতে পারছি। কিন্তু আপনার এক্সপেরিয়েন্স কি বলছে?”
    ইন্দ্রনীল কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল। “এর উত্তর কি দিতেই হবে?”
    “দিলে সব কিছু গুছিয়ে নিতে সুবিধে হবে।”
    একটা বড় নিঃশ্বাস ফেলল ইন্দ্রনীল। “আট থেকে দশ মাস, খুব বেশি হলে এক বছর।”
    বিনীতা এতক্ষণ ডাক্তারের মুখের দিকে তাকিয়ে দিল, এবার মুখটা ঘুরিয়ে নিল অন্যদিকে। ইন্দ্রনীল বোঝার চেষ্টা করে বিনীতা কাঁদছে কি না।
    “আই অ্যাম সরি ম্যাডাম,” বলল ইন্দ্রনীল।
    বিনীতা কিছুক্ষণ অন্যদিকেই তাকিয়ে থাকে। সময় নেয়, তার পর ফিরে তাকায়। না, সে কাঁদছে না। অন্য কথা বলে সে, “আপনি বোধ হয় বাড়ি ফিরছিলেন। আমি দেরি করিয়ে দিলাম।”
    স্বস্তি পেল ইন্দ্রনীল। “একদমই না। আমি ধীরে সুস্থে হাঁটতে হাঁটতে এদিক ওদিক ঘুরে বাড়ি ফিরি। এটা আসলে আমার আনওয়াইণ্ড করার সময়।”
    “আমারও একটু আনওয়াইন্ড করতে পারলে ভাল হত। তবে হেঁটে বাড়ি ফেরার উপায় তো আমার নেই,” বলল বিনীতা।
    “আপনার গাড়ি কোথায়?” জিজ্ঞাসা করল ইন্দ্রনীল।
    “পার্কিং লটে। কেন?”
    “আপত্তি না থাকলে আমার সঙ্গে কিছুটা হাঁটতে পারেন। তাতে যদি আপনার আনওয়াইন্ড হয়।”
    একটু ভেবে নিল বিনীতা, হাত ঘড়িতে সময়টা দেখে নিল। বলল, “চলুন।”
    দু-জনে হাঁটতে শুরু করে। বিএসসি হাসপাতালের কম্পাউন্ডটা সুন্দর করে সাজানো। প্রচুর গাছ, ভেতরের রাস্তাগুলোও চওড়া বলা যায়। পাশ দিয়ে গাড়ি চলে গেলেও হাঁটার অসুবিধে হয় না। যারা হেঁটে যাচ্ছে তাদের মধ্যে নানা রকম লোক, নানা রকম পোশাক - আধ-ময়লা ধুতি পাঞ্জাবি থেকে রিপড জিনস আর টি-শার্ট, সাধারন সালোয়ার কামিজ থেকে দামী শাড়ি। কেউ কেউ পাশের লোকের সাথে কেউ কথা বলছে, কেউ বা দুজনে মিলে হাঁটলেও চুপ। একজন মোবাইলে কথা বলতে বলতে যাচ্ছে বেশ জোরে জোরে। ডাক্তার তো এসব দেখে অভ্যস্ত, অরুণাভর স্ত্রীর মনে হল এই সব মানুষজনের মনের অবস্থাও নিশ্চয় নানারকম। কিছুক্ষণ আগে প্রায় ফাঁকা ক্যান্টিনের পাশে বেঞ্চে বসা এক মহিলাকে রুমাল দিয়ে চোখ মুছতে দেখেছে সে, পাশে বসা তরুণ ছেলেটি তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছে। দৃশ্যটা ভাল লাগল না বিনীতার। একটা লোক ফোনে কথা বলতে বলতে খুব হাসছিল, সেটাও পছন্দ হল না।  
    “আপনি কোথায় থাকেন?” কিছু একটা বলার জন্য বলল বিনীতা।
    “আমার কোয়ার্টার কাছেই। অনেক সময়েই বেশ কিছুটা ঘুরে বাড়ি ফিরি।”
    “আমি বেশি ঘুরতে পারবো না। মেয়ে রয়েছে বাড়িতে।”
    “কোন ক্লাসে পড়ে মেয়ে?”
    “ক্লাস টু-তে,” বলল বিনীতা।
    “ওকে আনবেন না এক দিন? সানডেতে তো বাচ্চারা অ্যালাওড।”
    “নাহ, হসপিটালে ওকে আনতে চাই না ।
    “সেটা অবশ্য এক দিক থেকে ভাল,” বলল ডাক্তার।

    এরা হাঁটতে হাঁটতে একটু ফাঁকা জায়গায় চলে এসেছে। এই মুহূর্তে এখানে লোক চলাচল তেমন নেই। বিনীতা দেখল সামনে একটা বোর্ড, তাতে লেখা ‘মর্চুয়ারি’। কিছুটা সামনে একটা বিল্ডিং-এর দরজা খোলা, আলো আছে, কয়েকজন লোকও। আর দাঁড়িয়ে আছে একটা মৃতদেহ বহন করা গাড়ি।
    দাঁড়িয়ে গেল বিনীতা। “এবার যাই।”
    “আর হাঁটবেন না? ওদিকে যাব না,” সামনের দিকটা দেখিয়ে বলল ইন্দ্রনীল।
    বিনীতা মাথা নাড়ে। ফের ঘড়ি দেখে। “এবার ফিরতে হবে।”
    “চলুন আপনাকে গাড়ি অবধি পৌঁছে দিই,” বলল ইন্দ্রনীল।
    “থ্যাঙ্ক ইউ।” 
    বাড়ি ফিরে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে অনেকক্ষণ বসে থাকল বিনীতা। আট থেকে দশ মাস, খুব বেশি হলে এক বছর। তারপর…? (ক্রমশঃ) 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ১৩ জুন ২০২৪ | ৫৭২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৩ জুন ২০২৪ ১২:১২533110
  • আহ...
  • Nirmalya Nag | ১৪ জুন ২০২৪ ২০:১৭533166
  • দ - ধন্যবাদ
  • :|: | 174.251.163.128 | ১৪ জুন ২০২৪ ২১:২২533169
  • এই ইমোশনটি একটু অদ্ভুত ধরনের। মৃত্যু দুঃখের। কিন্তু সেতো অনিবার্যও বটে। সবাইই তো যাবে আজ, নয় কাল। মহারাজ পরীক্ষিতের ক্ষেত্রে তক্ষক জানিয়ে দিয়েছিলেন -- সাতদিন। প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই সময়টা অলরেডি ডিসাইডেড। কেউ জানি, কেউ জানি না। জানলেই ইমোশনাল হয়ে পড়তে হবে না জানলে নিশ্চিন্ত -- এই ভাবটির কাছে বড় অসহায় বোধ করি। কারণ, সেটি কিছুতেই বুঝতে পারিনা।
  • Nirmalya Nag | ১৬ জুন ২০২৪ ২২:২৭533345
  • :|: - ধন্যবাদ 
  • &/ | 151.141.85.8 | ২০ জুন ২০২৪ ০৭:৩১533523
  • @চতুর্মাত্রিক, সেই যে 'আশ্চর্য কী' -সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন যুধিষ্ঠির, সেও তো সেইটাই। 'অহন্যহানি ভূতানি গচ্ছন্তি... "
  • Nirmalya Nag | ২১ জুন ২০২৪ ১০:০৬533554
  • &/ - ধন্যবাদ। যুধিষ্ঠিরের উত্তরগুলি সত্যিই অসাধারণ। বিশেষ করে এইটি আর 'পথ কী' প্রশ্নের জবাব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন