এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ডি এন এ বারকোড ও ককরোচ আখ্যান।

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ জুন ২০২৬ | ৮০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ডি এন এ বারকোড ও ককরোচ আখ্যান।

    এই মুহূর্তে ভারতের রাজনৈতিক নাগরিক সমাজ এক পতঙ্গের ডাকাডাকিতে যারপরনাই আলোড়িত। হ্যাঁ,ঠিক‌ই আন্দাজ করিয়াছেন। আমি ককরোচ ওরফে আরশোলা ওরফে তেলাপোকা বা তেলাচোরার কথা বলিতেছি। অবশ্য রাজনীতি ল‌ইয়া সামান্য বাক্য ব্যয়ের অভিপ্রায় আমার নাই। আমি যাহা বলিব তাহা একান্তই ককরোচ তথা আরশোলা নামক পতঙ্গ বিষয়ক কথাবার্তা হ‌ইবে।
    খুব সম্প্রতি ভারতীয় প্রাণী সর্বেক্ষণ বিভাগ এবং অধ্যাপক রামকৃষ্ণ মোর কলেজ যৌথ উদ্যোগে ভারতের উপদ্বীপের আবাসিক ককরোচ তথা আরশোলাদের ডি এন এ বারকোড পরিচিতি লাইব্রেরি উদ্ঘাটন করিয়াছেন। তাহাদের দাবি এই ধরনের প্রয়াস ভারতে কেবলমাত্র প্রথম নহে, সর্ববৃহৎও বটে।

    আমাদের ভারতবর্ষে ১৯১ প্রজাতির আরশোলার দেখা মেলে। ইহাদের মধ্যে ১১৯ প্রজাতির আরশোলা সম্পূর্ণ রূপে দেশীয় বা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এনডেমিক ( endemic )। এই সংখ্যাটি ভারতে প্রাপ্ত মোট আরশোলা প্রজাতির ৬০%। এই সকল তথ্য আমার মস্তিষ্ক প্রসূত বলিয়া ভাবিবেন না, এই সকল খবর পাইয়াছি ZSI প্রকাশিত এক পুস্তক হ‌ইতে। এই পুস্তকটির শিরোনাম DNA barcodes and species delimitation reveal overlooked diversity in Indian cockroaches ( Blattodea )। ইহাও যেন এক আশ্চর্য আত্মানুসন্ধানের প্রয়াস। পূর্বে ভারতীয় ভূখণ্ডের আবাসিক এতো বিপুলসংখ্যক দেশীয় আরশোলার বিষয়ে আমাদের গবেষকরাও অবগত ছিলেন না। এই উদ্যোগের ফলে সেই তথ্য আজ সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হ‌ইয়াছে। ইহা পরম আনন্দের কথা, সন্দেহ নাই।
    প্রশ্ন হ‌ইলো এই endemism বলিতে ঠিক বুঝাইতে চাহেন জীববিজ্ঞানীরা? জীববিজ্ঞানের অভিধান খুঁজিয়া দেখিলাম এন্ডেমিজম বা স্থানিকতার অর্থ হ‌ইলো একটি বিশেষ প্রজাতির শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থানে পাওয়া যাওয়ার বিশেষ অবস্থা। আলোচ্য সমীক্ষা নিবন্ধে স্পষ্টতই উল্লেখ করা হ‌ইয়াছে যে ভারতে লভ্য ১৯১ টি স্থানিক আরশোলা প্রজাতির মধ্যে ১২৬ টি প্রজাতির আরশোলাকে উপদ্বীপিয় ভারতীয় ভূখণ্ডের ৭৪টি বিশেষ বিশেষ এলাকায় দেখা গেছে।
    আরশোলা ল‌ইয়াই যখন কথা উঠিয়াছে, তখন এই ইতর পতঙ্গের বিষয়ে আরও কয়েকটি কথা বলিবার লোভ সামলাইতে পারিতেছি না। ইহাতে আরশোলার মহিমা কতদূর বাড়িবে কহিতে না পারিলেও আমার এই নিবন্ধের ওজন কিঞ্চিত বাড়িলেও বাড়িতে পারে। নথিপত্র তল্লাশি করিয়া দেখিলাম, বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে সাকুল্যে প্রায় ৪০০০ প্রজাতির আরশোলার সন্ধান পাওয়া গিয়াছে।ইহার মধ্যে মাত্র ৪০ টি প্রজাতির আরশোলা খতরনাক পেস্ট বলিয়া বিবেচিত হ‌ইলেও বাকিরা তাহাদের প্রাকৃতিক বাসস্থানের পক্ষে উপকারী। তাহাদের উপস্থিতিতে বাসস্থানের ভারসাম্য কোনো ভাবেই বিঘ্নিত হয়না। অথচ আমাদের দেশে এই অবলা প্রাণিদিগের বিণাশ ও উৎখাতের নিমিত্ত কতনা আয়োজন !

    বিজ্ঞানীদের মতে ভারতের আরশোলা সমাজ একান্তই বহুজাতিক, কসমোপলিটন। নানান বিচিত্র প্রজাতির আরশোলা আসিয়া ঘাঁটি গাড়িয়াছে এই দেশের নানা প্রান্তে।
    ইহাদের ল‌ইয়া বিস্তারিত আলোচনার ইচ্ছা নাই, মুরোদ‌ও নাই।
    কেবলমাত্র ভারতীয় আরশোলা সমাজের বৈচিত্র্যময় সহাবস্থানের কথাটি বুঝিয়া উঠিতে প্রজাতিদিগের নামটুকুর উল্লেখ করিবো।

    ১. জার্মান ককরোচ - Blattella germanica.

    ২. আমেরিকান ককরোচ - Periplaneta americana.

    ৩. ব্রাউন - ব্যান্ডেড ককরোচ - Supella longipalpa.

    ৪.ওরিয়েন্টাল ককরোচ - Blatta orientalis.

    ৫.অস্ট্রেলিয়ান ককরোচ - Periplaneta australasiae.

    ৬.স্মোকিব্রাউন ককরোচ - Periplaneta fuligenosa.

    ৭. সুরিনাম ককরোচ - Pycnoscelus surinamensis.

    তালিকাখানি অতিশয় দীর্ঘ। এই বিষয়ে পাঠ পাঠকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাইবে মনে করিয়া আপাতত এইখানেই পূর্ণ তালিকা প্রকাশের আগ্রহ ত্যাগ করিলাম। তবে যেই বিষয়টি প্রকাশের জন্য নামোল্লেখ পর্ব শুরু করিয়াছিলাম, সেই বহুজাতিক সহাবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই স্পষ্ট হ‌ইয়াছে। মানবসমাজে দুটি ভিন্ন গোষ্টীর মানুষ এক ঠাঁইতে
    বাস করিতে পারে না, অথচ ইহারা কেমন মিলিয়া মিশিয়া যুগ যুগ ধরিয়া একত্রে বসবাস করিতেছে!

    আবার মূল আলোচনায় ফিরিতে হ‌ইবে। ভারতে উপলব্ধ ১১৯টি সম্পূর্ণ স্বদেশী প্রজাতির আরশোলার মধ্যে মাত্র ২০% এর কম আরোশলার জেনেটিক ডেটাবেস পরিচিতি অদ্যাবধি সংরক্ষণ করা সম্ভব হ‌ইয়াছে। আধুনিক মলিকিউলার ডেটাবেসের এই স্বল্পতার কারণে এতোদিন ফাইলোজেনি বা প্রজাতি সকলের বিবর্তনীয় ইতিহাসের পাতায় ভারতীয় আরশোলা সম্পর্কিত তথ্যের বিপুল পরিমাণ ঘাটতি ছিল। অথচ এই তথ্যগুলি আধুনিক নিয়মে সংকলন করা হ‌ইলে দেশীয় আরশোলাদের ল‌ইয়া আন্তর্জাতিক স্তরেও হৈচৈ হ‌ইতে পারে। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা মনে করিতেছেন, ইহার ফলে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী মহলে এ দেশের আরশোলাদের ল‌ইয়া চর্চার আগ্রহ বাড়িবে সন্দেহ নাই।

    এই গবেষণা দলের সহিত যুক্ত বিজ্ঞানীরা এই প্রথমবারের জন্য উপদ্বীপীয় ভারতের আরশোলার DNA barcode প্রস্তুতিতে সাফল্য অর্জন করিয়াছেন। এক্ষণে প্রশ্ন হ‌ইলো এই বারকোড আদতে ঠিক কী? এই বিষয়ে দুই একটি বাক্য ব্যয়ের ইচ্ছা করি। ডিএন‌এ বারকোডিং হ‌ইলো একটি অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যাহার সাহায্যে জিনগত অনুক্রমের মাধ্যমে কোনো প্রজাতিকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। কোনো জীবের ডিএন‌এ–কে একটি ডিএন‌এ বারকোডের সহিত মিলাইয়া দেখা হয়।
    আধুনিক সময়ে বারকোডের সহিত আমরা সকলেই কমবেশি পরিচিত। আমরা যাহাই কেনাকাটা করিনা কেন প্রতিটি সামগ্রীর প্যাকেটের গায়েই একটি বিশেষ প্যাটার্নের বারকোড ছাপা থাকে। স্ক্যানারে বারকোডটিকে স্ক্যান করিলেই সেই উপকরণ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য নিমেষেই তুলিয়া ধরে। এই
    সুবিধার কারণেই বিগত তিন দশকের‌ও অধিক সময় ধরিয়া বিজ্ঞানীরা আমাদের গ্রহের সকল প্রকার জীবকে শণাক্ত করিবার জন্য ডিএন‌এ বারকোড পরিচিতি তৈরির কাজে ব্যস্ত রহিয়াছেন। ভারতীয় আরশোলাদের যাবতীয় তথ্য সংকলনের মধ্য দিয়া ভারতীয় বিজ্ঞানীরা এক চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করিয়াছেন সন্দেহ নাই। এই সাফল্য ভারতীয় প্রাণি সর্বেক্ষণ বিভাগের তথ্য ভান্ডারের খাজানা সমৃদ্ধ করিল।
    জেড. এস. আই. এর ডিরেক্টর ধৃতী ব্যানার্জি এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করিতে গিয়া বলিয়াছেন – এই গবেষণা ডিএন‌এ বারকোডিং ‘ এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তাকেই মান্যতা দিয়েছে। সারা বিশ্ব জুড়েই এখন এই পদ্ধতিতে নতুন নতুন প্রজাতির শণাক্তকরণের কাজ চলছে। এরফলে প্রাণিদের প্রজাতিগত বৈচিত্র্য, শ্রেণিকরণ তথা বর্গীকরণের কাজে লক্ষ্যণীয় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, বিশেষ করে আরশোলার মতো স্বল্প পরিচিত প্রাণিদের প্রজাতিগত বৈচিত্র্য এখন অনেকটাই সহজে জানতে পারছি আমরা।

    তবে এই গবেষণা হ‌ইতে জানা গিয়াছে, ভারতের পক্ষে যে ১২৬টি প্রজাতির আরশোলার বিবরণ নথিভূক্ত করা হ‌ইয়াছে তাহার মধ্যে মাত্র ৪০টি প্রজাতির আরশোলাকে উপদ্বীপিয় ভারতীয় ভূখণ্ডে নতুন করিয়া খুঁজিয়া পাওয়া গিয়াছে এবং অবশিষ্ট ৮৬টি ভারতীয় আরশোলা প্রজাতির বিবরণ সংকলনে বিভিন্ন মিউজিয়াম ও নথিভূক্ত বিবরণীর সাহায্য নেওয়া হ‌ইয়াছে। ভারতীয় ভূখণ্ডে বর্তমানে এক্ষণে তাহাদের সশরীরে উপস্থিত থাকিবার প্রমাণ পাওয়া যায় নাই। তবে অনুসন্ধান জারি রহিয়াছে।

    Zootaxa শীর্ষক জার্নালের অন্যতম লেখিকা শবনমের মতে -
    “ ডিএন‌এ বারকোডের সাহায্যে ভারতীয় আরশোলাদের নিয়ে গবেষণার সূত্রে সুপ্রাচীন গন্ডোয়ানা ভূখণ্ডের জীব- ভৌগোলিক পরিবেশের সঙ্গে অধুনা বিচ্ছিন্ন ভারতীয় ভূখণ্ডের
    জীবকুলের বিকাশ ও বিবর্তনের ইতিবৃত্তের তুলনামূলক আলোচনা সহজ হয়ে উঠেছে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।”

    এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দলের দলপতি কে. পি. দীনেশ ‘ এর মতে - “আরশোলা সম্পর্কে আমাদের ধারণা খুব গভীর, এমনটা কখনোই নয়। অধিকাংশ মানুষই মনে করেন যে আরশোলা নেহাতই একটি গৃহবাসী পতঙ্গ এবং খুব‌ই ক্ষতিকর। বিজ্ঞাপনেও এভাবেই আরশোলাদের দেখানো হয়। এদের বন্য পরিবেশেও দেখা যায় বিপুল সংখ্যায়, যাদের অধিকাংশই কিন্তু ক্ষতিকর নয়।”

    “আমাদের মনে রাখতে হবে যে এই পরিচিত পতঙ্গটি পৃথিবীর অন্যতম আদি আবাসিক এবং বহু বিচিত্র রূপে বিপুল সংখ্যায় তারা আমাদের পরিবেশে মানিয়ে নিয়ে বহাল তবিয়তে বেঁচে বর্তে আছে। ঘরের আনাচে কানাচে আরশোলাদের দেখলেই আমরা তাদের ক্ষতিকর বলে মারতে উদ্যত হ‌ই, অথচ বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষেত্রে আরশোলার ভূমিকা অপরিসীম – জৈব পদার্থের বিয়োজনে, পরিবেশে পুষ্টি মৌলের নিরবচ্ছিন্ন জোগান অব্যাহত রাখতে এবং আরণ্যক খাদ্য জালের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে আরশোলাদের ভূমিকা অনবদ্য। বন্য আরশোলারা অত্যন্ত সংবেদনশীল। বাস্তুতন্ত্রের যে কোনো পরিবর্তন সবার আগে ধরতে পারে আরশোলারা। বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্যহানির বিষয়টিও সবার আগে ধরতে পারে এই আরশোলারা। সুতরাং এদের এড়িয়ে গেলে ভুল করবো আমরা।” – শ্রী দীনেশের অভিমত।

    এই সত্যটি অবশ্যই মনে রাখিতে হইবে যে উপদ্বীপের মালভূমি অশটি পৃথিবীর প্রাচীনতম ভূখণ্ডের অংশ বিশেষ। এই ভূখণ্ডের সুপ্রাচীন রঙ্গমঞ্চে অতীতে প্রাণের কতনা বিচিত্র লীলাখেলা সংঘটিত হ‌ইয়াছে! সেই সকল রহস্যের উদ্ঘাটন আমাদের ঐহিত্যবাহী জীববৈচিত্রের অমূল্য স্মারক হ‌ইয়া উঠিবে এমনটাই আশা করি। আরশোলা বা ককরোচের দৌলতে তেমন কিছু ঘটিলে আম ভারতীয় হিসাবে সকলেই যে পুলকিত হ‌ইবেন, তাহাতে আর সন্দেহ কি !



    সোমনাথ মুখোপাধ্যায়
    জুন ২, ২০২৬.


    আরশোলা প্রসঙ্গে আরও কিছু কথার সংযোজন।
     
    আরশোলাদের ল‌ইয়া নতুন কিছু তথ্য পেশ করিবার জন্য‌ই এই অংশটি সংযোজন করিতে উদ্যোগী হ‌ইলাম। প্রাণিদের শাণাক্তকরণের ক্ষেত্রে ডিএন‌এ বারকোড প্রযুক্তির প্রয়োগ সুলভ হ‌ইবার কিছুকাল পূর্বে এক নতুন প্রজাতির আরশোলার সন্ধান পাইয়াছেন ভারতীয় পতঙ্গ বিজ্ঞানীরা। এইটির নাম Neoloboptera peninsularis। উপদ্বীপীয় মালভূমির কৃষিক্ষেত্রে এই প্রজাতির সন্ধান পাইয়াছেন তাঁরা। চিরাচরিত পদ্ধতিতে দেহ গঠনের উপর ভিত্তি করিয়া তাহাকে চিহ্নিত করিবার পর, আধুনিক ডিএন‌এ বারকোডের সাহায্যে আরশোলাটির পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হ‌ইয়াছেন বিজ্ঞানীরা।
    ইহাও যেন উদযাপনের‌ই অঙ্গ। বিজ্ঞানীদের মতে ভারতে পৃথিবীর প্রায় ৪% আরশোলা প্রজাতির বসবাস। ইহাও কম আনন্দের নহে।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পার্থ সারথি দাস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ০৩ জুন ২০২৬ ১৩:৫৪740987
  • অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ
  • Somnath mukhopadhyay | ০৩ জুন ২০২৬ ১৯:২০740994
  • এই পরিণত বয়সে এসে নতুন নতুন কিছু শিখতে পারছি, এটাই পরম আনন্দের।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন