এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ১৮

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৫১৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  •  
    মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। আঠারো ।।

    কথায় বলে ‘দিল্লি কা লাড্ডু – যো খায়া উও পস্তায়া, যো নেহি খায়া উও ভি পস্তায়া’। প্রবাদটা বেশ মজাদার, বিয়েটিয়ে নিয়ে আলোচনায় প্রচুর ব্যবহার হয়, কিন্তু এ হেন বাক্যটি এল কোথা থেকে ? মোটামুটি ভাবে যেটা সর্বজনগ্রাহ্য মত হল এটা অনেকটা ‘আপনা মাঁসে হরিণা বৈরী’ কেস। অর্থাৎ - এই লাড্ডু খেতে অতীব সুস্বাদু, ফলে না খেলে আপনি পস্তাবেন। ওদিকে লোভে পড়ে বেশি বেশি খেয়ে ফেললেও আবার সমস্যা আছে - ‘পেট্রিয়ট’ হয়ে যাওয়ার ঘোর সম্ভাবনা, তাই তাতেও পস্তাতে হবে।

    ‘পেট্রিয়ট’ বুঝলেন না ? এটা দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতের ভাষ্য। একবার এক বড়লোকের বাড়িতে ব্রাহ্মণ ভোজনের নেমন্তন্ন খাওয়ার পরের দিন সকালে তাঁর শরীরটা তেমন ভাল ছিল না। দাদাঠাকুরের জঙ্গীপুরের বাড়িতেই আত্মগোপন করে থাকতেন বিপ্লবী নলিনীকান্ত সরকার। যিনি ভবিষ্যতে ওনার জীবনী লিখবেন, তিনি তখন ওনার ছাপাখানার কাজে সাহায্য করতেন। নলিনীকান্তের প্রশ্নের উত্তরে দাদাঠাকুর বললেনঃ ‘’পেটের মধ্যে রায়ট বাধে বলেই তো লোকে পেট্রিয়ট হয়।‘’ নলিনীকান্ত কিছুই বুঝলেন না। অতি সাধারণ আর্থিক ক্ষমতার অধিকারী পন্ডিত মশায় তখন ব্যাখ্যা করলেন – তাঁর পেটের স্থায়ী বাসিন্দা হল ডাল ভাত চচ্চড়ি, ওদিকে ধনীর বাড়ির নেমন্তন্নে সেখানে এসে হাজির হয়েছে লুচি, মাছ, মাংস, পোলাও। বহিরাগতদের দেখে পুরনোরা চেঁচামেচি জুড়ে দিল ; আদি আর নব্যদের মধ্যে রায়ট বেধে গেল। ফলতঃ পেটের যন্ত্রণায় সারা রাত ঘুম ওনার ঘুম হল না।

    দিল্লির লাড্ডু অনেক রকমের – বুন্দি লাড্ডু, মতিচুর লাড্ডু, বেসনের লাড্ডু, যোধপুরী লাড্ডু, বিকানেরি লাড্ডু, মাল্টিগ্রেন লাড্ডু (এইটি অবশ্য হালের, সেই যুগে মনে হয় পাওয়া যেত না), ইত্যাদি নানা নামের, নানা দামের। আকার এবং মানের ওপর নির্ভর করবে কেমন দাম। তবে সবই বিক্রি হয় কেজি দরে, পিস হিসেবে নয়।

    বাড়ি ফেরার আগে বেঙ্গলি মার্কেটের একটা দোকান থেকে লাড্ডু কিনতে গেলাম। বিশাল দোকান, এক গাদা কর্মচারী। লম্বা শো-কেসে সাজানো রয়েছে নানা ধরণের লাড্ডু, এছাড়া অন্যান্য কিছু মিষ্টিও আছে। তিন চার রকমের লাড্ডু কিনে নিয়ে কলকাতার ট্রেনে উঠে পড়লাম।

    হারাধনের দশটি ছেলে একটি একটি করে খসে গেছিল। আমার পাঁচ দিনের ‘সি এল’ (ক্যাজুয়াল লিভ) প্লাস পাঁচ দিনের ‘ডি এল’ (ঢপের লিভ), মোট দশ দিনের ছুটিও তাই হল। অবশ্য এর মধ্যে দু-তিন দিন তো দিল্লি-কলকাতা আর কলকাতা-দিল্লি যাতায়াত করতেই কেটে গেল। শেষে হ্যারি বেলাফন্টের জ্যামাইকা ফেয়ারওয়েলের লোকটির মত পিছনে তাকাতে তাকাতে, আবার কবে আসব ভাবতে ভাবতে, কলকাতা ছেড়ে আবার ফিরে চললাম রাজধানীর পথে।

    ফিরে এলাম। আগের বারের আসার সাথে এবারের কোনও মিল নেই। তখন যখন এসেছিলাম, মনের মধ্যে গান হচ্ছিল ‘’এলেম নতুন দেশে…’’। আর এখন… ‘’বেদনায় ভরে গিয়েছে পেয়ালা… ‘’ ; যাকগে, অত ভাবতে পারি না। আমায় ওয়েলকাম জানাতে তথাগত সেদিন রাতে বাইরে খাওয়াল – পনির বাটার মশালা, চিকেন তন্দুরি আর রুটি। 

    চিকেন তন্দুরি খাওয়া নিয়ে একটা ঘটনা মনে এল। আমার এক বাঙালি বন্ধু – ধরে নিন মেয়েটির নাম সর্বানী - তখন দিল্লিতে চাকরি করছে এক আধা-কেন্দ্রিয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে। সর্বানী ভাল গান গাইত আর ভাল খেতে পারত। আমরা দু’জন মিলে এক বার রুমালি রুটি সহযোগে দেড়-খানা সুপার কিং সাইজ চিকেন তন্দুরি উড়িয়েছিলাম গোল মার্কেটের এক খাবারের দোকানে। এইখানে বলে রাখা যেতে পারে তন্দুর অর্থাৎ মাটির ওই ড্রাম আকৃতির উনুন কিন্তু বহু পুরনো, পাঁচ হাজার বছর আগে সিন্ধু সভ্যতার আমলের। মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা, মানে যা আজকের ইরাক, সেখানেও নাকি তন্দুর পাওয়া গেছিল, যেমন গেছিল প্রাচীন মিশরেও। গিলগামেশ কাব্যেও নাকি তন্দুরের উল্লেখ আছে। মনে করা হয় ভারতবর্ষে তন্দুর নিয়ে এসেছিল মুঘলরা আর বাদশা জাহাঙ্গিরের আমলে পোর্টেবল তন্দুরের ব্যবহার আরম্ভ হয়। আদিতে মাটির তন্দুরে কাঠ কয়লার আগুনে খাবার তৈরি হত, আর এখন তো ধাতব তন্দুর পাওয়া যায়, ইলেকট্রিকের সাহায্যেও নাকি সে সব চালানো যায়। গুরু নানক নাকি জাতপাতের ঝামেলা দূর করতে বারোয়ারি তন্দুর বানাতে বলতেন পাড়ায় পাড়ায়।

    তা বলুন, ইদিকে আমি তো পাঁচ দিন ‘ডি এল’-এর পর দুরুদুরু বক্ষে অফিসে গেলাম। ধরা পড়ে যাব না তো ? নাহ, দিব্য নিজের জায়গায় বসে কাজ শুরু করে দিলাম। বসেরা কেউ তাকিয়েও দেখলেন না। অলয় একবার মুচকি হেসে  কানে কানে বলে গেল, ‘’বলেছিলাম না, তুমি এমন কিছু কেউকেটা নও যে বসেরা তোমার অনুপস্থিতি লক্ষ্য করবেন। বিশেষ করে এই ব্লাস্টের বাজারে।’’

    আমি কলকাতা যাওয়ার ঠিক আগে দক্ষিণ দিল্লির লাজপত নগর বাজারে একটা বিস্ফোরন হয়েছিল। ১৩ জন মারা যায়, আহত হয়েছিল জনা চল্লিশ লোক। এক কাশ্মীরী জঙ্গী গোষ্ঠী নাকি এর পিছনে ছিল আর তার তথাকথিত ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, পরে অবশ্য কয়েকজন বেকসুর মুক্তি পায়। দিল্লি হাই কোর্ট পুলিশকে তুলোধোনা করেছিল ঠিক মতো তদন্ত না করায়।

    লাজপত নগরের জঙ্গি আক্রমণ ৯০ দশকের প্রথম দিকের গুলোর মধ্যেই পড়বে। অবশ্য প্রথম বললে সবার ১৯৯৩-এর বম্বের (তখনও এ মায়া নগরী মুম্বাই হয়নি) ঘটনা মনে পড়বে। যদিও ৮০-র দশকেও এমন বেশ কিছু ঘটনা ছিল পাঞ্জাবে যেগুলোর পিছনে ছিল খালিস্তানি আতঙ্কবাদীরা, আর তার পরের দশকের নানা জায়গার হামলাগুলোর জন্য দায়ী করা হয় কাশ্মীরের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে। ওদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মারামারির ব্যাপারটা আবার একটু আলাদা রকমের। তবে অনেকেই ভাবেন সমস্ত কিছুর পিছনেই পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ হাত আছে। পাকিস্তানী মিলিটারির সেই নীতিটার কথা এখানে স্মরণ করা যাক – ‘হাজার ক্ষতের মাধ্যমে ভারতের রক্তপাত ঘটানো’, যাতে দেশটা দুর্বল হয়। অন্য দু-একটা দেশের হাতও অবশ্য এই ক্ষেত্রে থাকতে পারে – বিশেষ করে উত্তরপূর্বে।

    বর্ষীয়ান সাংবাদিক শেখর গুপ্তা সেই ২০১৬-তেই একটি লেখায় বলেছিলেন, পাকিস্তান হল ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টেট’-এর ক্লাসিক উদাহরণ যে সারাক্ষণ কারও না কারও সাথে লড়াই করে চলেছে, আর যে যুদ্ধের মুখ শেষ পর্যন্ত ঘুরে যাবে তার নিজের দিকে, নিজের দেশের মানুষের দিকে।

    এত কথা যখন বলাই হল তখন ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টেট’-এর প্রকৃতি নিয়ে দু-চারটে তথ্য না দিলে ঠিক হবে না। এক নম্বরঃ ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টেট’-এ মিলিটারিই হল সর্বেসর্বা – তাদের হাতে যথেষ্ট রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক ক্ষমতা থাকে। দু নম্বরঃ গণতন্ত্র, নির্বাচন এগুলোকে খুব একটা সুনজরে দেখা হয় না। তিন নম্বরঃ এরা সব জায়গায় – দেশের ভিতরে ও বাইরে – সব সময়েই শত্রু দেখতে পায়। এই সব তথাকথিত শত্রূদের মোকাবিলা করতে করতেই এদের পুরো সময় চলে যায়। চার নম্বরঃ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ‘ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টেট’-এ প্রচুর গুরুত্ব পেয়ে থাকে। হল ? এবার কোন কোন দেশের সাথে মিল পেলেন তা ভাবুন।

    সে যার যার সঙ্গেই মিল পান, মনে রাখবেন আতঙ্কবাদীদের চেষ্টা থাকে মূলতঃ নিরীহ সাধারণ মানুষ মেরে একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা, লোকে বাড়ি থেকে বেরোতে, অফিসে ব্যবসার কাজে যেতে, বাসে ট্রেনে চড়তে ভয় পায়। এর জন্য বিস্ফোরন ইত্যাদির ফলে সরাসরি সম্পত্তি নষ্ট হওয়া ছাড়াও দীর্ঘকালীন অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। সম্ভাব্য মারাত্মক ঘটনার জন্য লোক যে কত ভয় পেতে পারে তা দেখেছিলাম এক বার বাসে, তবে সে কথা পরে হবে। ভয় কাটিয়ে উঠতেই হয়, নইলে জীবন চলে না। এই যে জ্ঞান বিতরণ করছি, সেই আমিও কি ভীত হইনি ? হয়েছি, সুকুমার রায়ের ষষ্ঠীচরণ তো আর নই, নিরীহ বঙ্গপুঙ্গব, জোর ভয় পেয়ে গেছিলাম। তবে লাজপত নগরের বিস্ফোরনের জন্য নয়। দাদাঠাকুরের মত ‘পেট্রিয়ট’ কেস।

    ব্যাপারটা হল কি সি-এল আর ডি-এল শেষ করে রাজধানীতে ফেরার পরে পরেই পেটের গোলমাল শুরু হল। শুধু কামিং আর গোয়িং চলছে সেই বিশেষ ঘরে যাকে ইয়ে…মানে… ভদ্র ভাষায় টয়লেট বলে। ভয় পেলাম এই ভেবে যে সবে ছুটি থেকে ফিরেছি, অফিস কামাই করলে চলবে না। আবার ঘরেও শুয়ে থাকা চলবে না, তথারও তো ডিউটি থাকবে। অতয়েব ওষুধের দোকানে গিয়ে দাওয়াই কিনলাম, তবে ট্যাবলেটের পুরো পাতা কিনতে হল, কলকাতার মত কেটে ওষুধ বিক্রি নেই, এমনকি এই ধরণের সাধারণ ওষুধ হলেও না। তবে দোকানদার লোকটা ভাল, ফ্রিতে পথ্য প্রেসক্রাইব করল – ‘’খিচড়ি খা লেনা’’। খিচুড়ি বানানোর জিনিসপত্র বা ইচ্ছে কোনওটাই তখন ছিল না। অনেক পরে অবশ্য শুনেছিলাম আমাদের বাঙালি ‘খিচুড়ি’ আর ওই উত্তর ভারতীয় ‘খিচড়ি’ মোটেই এক গোত্রের নয়।

    দিল্লিতে বছর দেড়েক ছিলাম, তার মধ্যে ওই একবার ছাড়া আর অসুস্থ হইনি। বোধ হয় অসুখ হলে কে দেখবে সেই আশংকা এই, যাকে বলে ‘নশ্বর’ শরীরটারও ছিল, তাই বেশি বেগড়বাঁই করেনি। আর জঙ্গি আক্রমণের ভয়ও মাথায় চেপে বসেনি। দিব্য অফিস করেছি, পরিচিতদের বাড়ি ঘুরে এসেছি আর দেখেছি বেশ কিছু দর্শনীয় জায়গা, যার মধ্যে একটা হল দু দিন আগে ঘণ্টায় দু-তিন বার করে যেতে হচ্ছিল যেখানে, তারই প্রদর্শশালায়, অর্থাৎ ‘টয়লেট মিউজিয়াম’-এ। (ক্রমশঃ)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৫১৮ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নভেলা - Sudip Ghoshal
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:১৮516468
  • হা হা হা হ্যাঁ দিল্লিওয়ালেদের সব সাধারণ রোগের দাওয়াই হল খিচড়ি। জ্বর হলে খিচড়ি মাংস সর্দি হকে খিচড়ি আর আচার ইত্যাদি।
  • Ranjan Roy | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৮:২৫516474
  • সত্যি, আমাদের শৈশবে বার্লি খাওয়ার মত।
    তবে ওদের খিচুড়ি হল জাস্ট চালডাল ফুটিয়ে সাদামাটা পথ্য। না তেল, না হলুদ, না কোন  সম্ভার, সামান্য নুন থাকে।
    ডাক্তার পেটখারাপের পথ্য খিচুড়ি বলায় মা ঘাবড়ে গিয়ে বলেছিলেন-- নকল করে পাশ করেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন