এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ১০

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২০ অক্টোবর ২০২২ | ৫৯৩ বার পঠিত
  •  
     

    মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। দশ ।।

    “হঠাৎ রাস্তায় আপিস অঞ্চলে,
    হারিয়ে যাওয়া মুখ চমকে দিয়ে বলে -
    বন্ধু কি খবর বল, কত দিন দেখা হয়নি?”
    - সুমন চট্টোপাধ্যায় (তখনও তিনি কবীর সুমন হননি)

    অরিজিৎ ঠিক হারিয়ে যাওয়া মুখ না, তবে বেশ কিছু দিন যে দেখা হয়নি সেটা ঠিক। আমার স্কুলের বন্ধু আর নানা বিষয়ে আমার গুরুদেব, মানে পরামর্শদাতা। যে প্রতিষ্ঠানে আমি চাকরি করছি, তার ইন্টারভিউ দিতে যাবার আগেও ওর কাছে টিপস নিয়েছিলাম, আর তা কাজেও এসেছিল। বন্বেতে ইঞ্জিনিয়ারের চাকরি ছেড়ে ফরেন সার্ভিসে যোগ দিয়েছে, তার প্রশিক্ষন চলছে দিল্লিতে। কিছু বছর পরে সে চাকরি অবশ্য ছেড়ে দিয়েছিল অরিজিত। যাই হোক, আমার অফিসের কাছেই রাস্তায় হঠাৎ দেখা। দু-জনে চা খেতে গেলাম ফুটপাথের দোকানে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সামনে বিরাট গেট-টার দু-দিকে মহেঞ্জোদরোর ধাঁচের বিরাট এক পুরুষ আর এক মহিলার মূর্তি আছে। নারী মূর্তির দিকে সামান্য দূরে ফুটপাথের ওপর একটা কিয়স্ক, সেখানে চা, মঠঠি (মাঝারি সাইজের গোলাকার নিমকির মত খাবার), কেক, বিস্কুট এই ধরনের সস্তা টিফিন পাওয়া যায়, একটা ফোনও আছে। দিল্লিতে এইরকম কিয়স্ক প্রচুর দেখা যায়। এখানকার চা-টা বেশ ভাল, দামও কম। সুবে দিল্লিস্তানে তখন ফুটপাথের চা দু-টাকা গ্লাস, এখানে দেড় টাকা। আমাদেরই বয়সী একটা ছেলে চালায়, এক জন কর্মচারীও রেখেছে। মাঝখানে ছেলেটাকে কিছুদিন দেখিনি, আজ দেখলাম রয়েছে।
     
    চায়ের গ্লাসে চুমুক দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কি হে কোথায় গেছিলে, দেখিনি যে ক’দিন ?’’
    বলল, “দেশে গেছিলাম স্যার।”
    “কোথায় দেশ?”
    “বিহার, মুঙ্গের জেলা।
    “শাদি করতে নিশ্চয়,” মুচকি হেসে বললাম।
    ছেলেটা হো হো করে হাসল, তারপর বলল, “জমি কিনতে গেছিলাম।”
    আমার মুখ দেখে ছেলেটা কিছু একটা বুঝল। বলল, “বিশ্বাস হল না, না ?”
    আমি চুপ। সত্যিই বিশ্বাস হয়নি।
    “কিছু মনে করবেন না স্যার, আপনি কত মাইনে পান? পাঁচ হাজার? সাত হাজার? দশ হাজার?”
    আমি চুপ। ১৯৯৬ সালে দশ হাজার টাকা মানে বেশ ভাল মাইনে। আমি তার চেয়ে অনেক কম পাই।
    “আমার ডেইলি প্রফিট ৫০০ টাকা। সেল নয়, প্রফিট,” বলল ছেলেটা।
    আমায় থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অরিজিত তাড়াতাড়ি চায়ের পয়সা মিটিয়ে দিয়ে বলল, “চল”।
    অরিজিত তথাগতর মত অর্থনীতির ছাত্র নয়, তবে আই-এ-এস পরীক্ষায় ৫০-এর নিচে র‍্যাঙ্ক করেছে, অনেক কিছু জানে। হাঁটতে হাঁটতেই আমায় বুঝিয়ে দিল বিহারী ছেলেটার বিজনেস মডেল।

    হবু আই-এফ-এস অফিসার যা বলল তার সারমর্ম হল চায়ের ব্যবসায়ে এমনিতেই লাভ বেশি। লোকেশন অফিস পাড়া, তার ওপর আমাদের চা-ওয়ালা অন্যদের তুলনায় দাম রেখেছে ৫০ পয়সা কম, ফলে অন্যদের তুলনায় খদ্দের বেশি পাচ্ছে। প্রতি ইউনিটে লাভ কম থাকলেও মোট বিক্রি ওরই বেশি হচ্ছে। যাকে কর্মচারি রেখেছে সেও সম্ভবতঃ আত্মীয় টাত্মীয় হবে, মাইনে তাই তেমন কিছু নয়। তবে আসল কথা হচ্ছে ওর খরচটা কোথায়? ওই কিয়স্কেই থাকে, ফলে থাকার খরচ শূণ্য। জামা-কাপড় আর খাওয়ার পেছনে খরচ অতি সামান্য। অন্যান্য খরচও তেমন কিছু নয়। তাহলে কস্ট অফ লিভিং যখন খুবই কম, তার পক্ষে জমি কেনা আদৌ অসম্ভব নয়। বুঝলাম, ধাতস্থ হয়ে বললাম, “আমারই তো ওকে স্যার বলে ডাকা উচিত।”

    অরিজিতের সঙ্গে গেলাম কনট প্লেস। দিল্লির লোকেরা বলে সি-পি, অনেকটা কলকাতার ধর্মতলা বা চৌরঙ্গীর মত। যাকে সেনট্রাল বিজনেস ডিসট্রিক্ট বলে, বৃটিশ শাসকরা সি-পি তৈরি করেছিল সেই হিসেবেই, নাম রাখা হয়েছিল প্রথম ডিউক অফ কনট, প্রিন্স আর্থার-এর নামে। ১৯২৯-এ শুরু হয়ে কাজ শেষ হয়েছিল ১৯৩৩-এ।

    সি-পি-তে আগেও দু-এক বার গেছি। দুই সারিতে গোল করে সাজানো সাদা রঙের বাড়িগুলো, তাতে দিল্লির, বা বলা ভাল দেশের প্রথম সারির বেশ কিছু সংস্থার প্রধান দফতর। আছে কয়েকটা নামী দামী সিনেমা হল - রিগ্যাল, প্লাজা, রিভোলি, এই সব। রিগ্যাল সিনেমা এদের মধ্যে সব চেয়ে পুরনো, ১৯৩০-এর দশকের প্রথম দিকে তৈরি। সিনেমা হল ছাড়াও আছে নামী দামী সব রেস্তোরা, তার একটার নাম ছিল রাশিয়ার নদীর নামে - ভলগা। এ রেস্তোরা এখনও আছে। এক একটা রেস্তোরায় প্রেস কনফারেন্স করেন এক এক জন বড় মাপের রাজনৈতিক নেতা। যেমন ভলগায় প্রেস কনফারেন্স করতেন বিতর্কিত কংগ্রেস নেতা সজ্জন কুমার। খাবার খাওয়ার জায়গায় যে কেন সাংবাদিক সম্মেলন করা হয় কে জানে! অরিজিত গন্তীর ভাবে বলল, “দুলাল স্যরের কথা মনে নেই - আমাদের স্কুলটা হল নাট্যশালা আর বাজারটা পা্ঠশালা। এটাও সেই রকম।” দুলাল বাবু ছিলেন আমাদের স্কুলের ইংরাজী আর ইতিহাসের শিক্ষক। সল্টলেকে আমাদের স্কুলবাড়ির দোতলায় ছিল একটা অডিটোরিয়াম যেটার মালিক ছিল স্থানীয় প্রশাসন। নাটক বা গান-বাজনার অনুষ্ঠানের জন্য ওই হল ভাড়া দেওয়া হত। আর স্কুলের কাছেই বাজারের দোতলায় ছিল লাইব্রেরি। দুলালবাবুর কথায় ভুল ছিল না।

    সি-পি-র অন্যান্য রেস্তোরার মধ্যে ছিল নিরুলা’স, গে লর্ড। নিরুলা’স-এর সামনে এসে অরিজিত বলল, “চ, পিৎজা খাওয়া যাক”। তারকা খচিত হোটেলগুলো ছাড়া কলকাতার অন্য কোন জায়গায় তখন এ খাবার পাওয়া যেত কিনা আমার জানা ছিল না। তবে পিৎজা সম্পর্কে দুটো জিনিস জানতাম। এক, পিৎজা একটা কনটিনেন্টাল খাবার (সব মহাদেশই যখন কনটিনেন্ট, তখন ইউরোপকে আলাদা করে কনটিনেন্ট কেন বলে কে জানে), এবং দুই, পিৎজা খেয়ে একবার স্টেফি গ্রাফের সাংঘাতিক পেটের গন্ডগোল হয়োছল, সম্ভবতঃ ইটালিয়ান ওপেন খেলতে গিয়ে। জ্ঞানের পরিধি সব সময়েই বাড়ানো উচিত, তাই সোজা ঢুকে গেলাম। গুরুদেবের কথা মন দিয়ে শুনতে শুনতে চিলি ফ্লেকস, অরিগ্যানো, মোজারেলা চিজ এসবের ব্যবহারিক জ্ঞান বাড়িয়ে নিচ্ছি, এমন সময়ে একটা ঘটনা ঘটল। আমাদের পাশের টেবিলের সুন্দরী বিদেশিনী (ভারতীয়দের কাছে অবশ্য বিদেশিনী মাত্রেই সুন্দরী, কেবল শ্বেতাঙ্গিনী হলেই হল) মধুর হেসে আমাদের বললেন তাঁর বছর চার-পাঁচের ছেলে তার পিৎজাটা আর খেতে পারছে না, অতএব আমরা যদি সেটা পেটস্থ করি তবে তিনি যারপরনাই আহ্লাদিত বোধ করবেন। এ রকম অদ্ভুত অনুরোধ আগে পরে কখনও পাইনি। অরিজিত মধুরতর হাসি হেসে তাঁর প্রস্তাব প্রত্যাথ্যান করল।

    এর পরে এক বার অরিজিত আর এক জায়গায় খাওয়াতে নিয়ে গেছিল, বরাখাম্বা রোডে স্টেটসম্যান হাউসের কাছে। সে দোকানটার নাম ছিল Croissant (গুরুদেব কানে কানে জানিয়ে দিল উচ্চারনটা হবে ‘ক্রেস্যান্ট’ কিন্বা ফরাসীতে “কোয়াসো” কিম্বা ওই রকমই একটা কিছু। গন্তীর ভাবে মাথা নাড়লাম যেন কতই বোদ্ধা)। জিনিসটা হল এক ধরণের প্যাটিস, যার আকারটা সাধারণতঃ হত দাঁড়াসহ কাঁকড়ার মত। আমি আর তথাগত পরে আমাদের অনেক বন্ধুদের ওই দোকানে নিয়ে গিয়ে খাইয়েছি, এমনকি অমিতাভর নতুন বৌকে পর্যন্ত (অমিতাভর কথা পরে আবার আসবে)। এ দোকানে বসার ব্যাবস্থা ছিল না, ছোট ছোট গোল টেবিলে ভেজ বা নন-ভেজ 'ক্রেস্যান্ট’ বা “কোয়াসো” (বা ওই রকমই একটা কিছু) রেখে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খেতে হত। এ জিনিস এখন সারা দেশে গাদা গাদা কেক পেস্ট্রির দোকানে পাওয়া যায়, এমন কি পাড়ার মুদীর দোকানে প্যাকেট করা অবস্থাতেও - অরেঞ্জ, চকলেট এই সব ফ্লেভারে। সহজ কথায়, এ জিনিসের কৌলীন্য আজ আর নেই। পরে যে দিন শুনলাম দোকানটা উঠে গেছে, মনটা বেশ খারাপ হয়ে গিয়েছিল।

    মন খারাপ ব্যাপারটা বর্ষার মেঘের মতন। আকাশের একটা হালকা শ্যামল কোণ থেকে শুরু হয়, তার পর আস্তে আস্তে ঘন হতে হতে পুরো নীল ছেয়ে যায় ঘন কালো চাদরে। একটু একটু মন খারাপ দিয়ে আরন্ত হয়, তার পর কখন যে সেটা গাঢ় হয়ে ওঠে, টেরই পাওয়া যায় না। গত কয়েক দিন ধরে বাড়ি থেকে চিঠি আসছে না, বন্ধু বান্ধব যারা মোটামুটি নিয়ামিত পত্রাঘাত করে থাকে, তারাও চুপচাপ। সাপ্তাহিক ফোন যেটা বাড়িতে করতাম সেখানেও লাইন পাওয়া গেল না। বাবা-মায়ের দিল্লি আসার কথা ছিল, কিছু কারণে আসতে পারলেন না। ফলে মনের আকাশে কালো ভাবটা ছিলই। সেটাই গাঢ় হয়ে ছেয়ে গেল বাসের মধ্যে একটা গান শুনে। আগে বলা হয়নি, বাসে এফ-এম রেডিও-তে গান বাজা দিল্লিতে শুরু হয়ে গেছে, কলকাতায় তখনও হয়নি। গানটা ছিল “দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে” ছবির ‘ঘর আযা পরদেশি’।

    “ইস গাঁও কি আনপড় মিট্রী পড় নেহি সকতি তেরি চিটঠি
    ইয়ে মিট্রী তু আ কর চুমে, তো ইস ধরতি কা দিল ঝুমে
    মানা তেরে হ্যায় কুছ সপনে পর হম তো হ্যায় তেরে আপনে
    ভুলনেওয়ালে হামকো তেরি ইয়াদ সতায়ে রে
    ঘর আযা পরদেশি তেরা দেশ বুলায় রে...”

    আনন্দ বক্সি সাব, আপনাকে প্রণাম। সিনেমার গানের কথাকে গুরুত্ব দেওয়া আমরা অনেক দিন ভুলে গেছি, কলকাতা ছেড়ে না গেলে এ গানও হয়তো কোনও দিন ভাল করে শুনতাম না। যতিন-ললিতের সুর, গেয়েছেন পামেলা চোপড়া আর মনপ্রীত কওর। দিল্লির লজঝরে ব্লু-লাইন বাসে আশেপাশের প্রবল কোলাহলের মধ্যে এ গান আমায় ফিরিয়ে নিয়ে গেল আমাদের ছোট্ট বাড়িতে। দেখতে পেলাম মা রান্না করছেন, বাবা যথারীতি খবরের কাগজ নিয়ে বসে আছেন, আর বোন কলেজের পড়া ফাঁকি দিয়ে বেড়াল ছানার পরিচর্যা করছে।

    আর ওদিকে সারা দেশ শুরু করল গণতন্ত্রের পরিচর্যা। অর্থাৎ দাদাঠাকুর শরৎ পণ্ডিতের ভাষায় ‘আয় ভোটার আয় ভোট দিয়ে যা… ।‘’ (ক্রমশঃ)
     
  • ধারাবাহিক | ২০ অক্টোবর ২০২২ | ৫৯৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sugata Sanyal | 2401:4900:3145:d72c:5522:a936:affd:4dcc | ২১ অক্টোবর ২০২২ ১৮:৪০513071
  • Excellent 
  • দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ০১:৫৩513103
  • আপনি কি তখন ডায়েরি লিখতেন? এত খুঁটিনাটি ঘটনা এতদিন ধরে টাইমস্ট্যাম্প সমেত মনে রাখা তো খুব মুশকিল yes
  • Ranjan Roy | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ০৬:৩২513104
  • চমাৎকার স্মৃতির কোলাজ।
  • Nirmalya Nag | ২৩ অক্টোবর ২০২২ ২২:১৭513114
  • @ Sugata Sanyal - অনেক ধন্যবাদ
     
    @  দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায় - না, ডায়রি লিখতাম না। এখন মাঝে মাঝে মনে হয় লিখলে ভালই হত। এই লেখায় আমায় সাহায্য করেছে আমার সেই সময়ের লেখা চিঠিপত্র যেগুলো হারিয়ে যায়নি। আর লিখতে বসে কিছু কিছু ঘটনা তো মনে এসেই যায়।
     @ Ranjan Roy - অনেক ধন্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন