এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ১১ 

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৪১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  •  
    মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। এগার ।।
     
    যেন বিদায়ের মিছিল চলছে।

    যে ব্যাচে আমরা এই অফিসে যোগ দিয়েছিলাম সেখানে ২০ জন ছিলাম, তার মধ্যে ১৩ জন আমাদের ছেড়ে মুম্বাই চলে গেল। এই ব্যাচের ছেলেমেয়েরা প্রায় সবাই ছিলাম সমবয়সী, ফলে অফিসের কাজের সময়ের বাইরেও আমাদের গল্প আড্ডা চলত। তাদের একটা বড় অংশ মূলতঃ পশ্চিম ভারত থেকে এসেছিল আর প্রথম থেকেই ঠিক ছিল যে তারা মুম্বাই অফিসে চলে যাবে তিন মাস পরে।

    তিন মাস কেটে যেতেই তারা চলে গেল আরব সাগরের তীরের শহরটিতে, সেখানে একটা মেট্রো অফিস, যেটা আমাদের পশ্চিম ভারতের কাজকারবার দেখাশোনা করে। দক্ষিণের জন্য আরও একটা ওই রকম অফিস আছে ম্যাড্রাসে, সে শহরের নামও ক’মাস পরে জুলাইতে নাম বদলে চেন্নাই হয়ে যাবে। আগামী ডিসেম্বরে সেখানে চলে যাবে আমাদের ব্যাচের সুকুমারন (যাকে আমি আর তথা সুকু-দা বলে ডাকতাম), জর্জ রোজারিও আর শ্রীকান্ত বরদাচারি। এই তিন জন তামিলনাড়ুর বাসিন্দাই বয়সে আমাদের চেয়ে একটু বড় ছিল। শক্তপোক্ত লম্বা কোঁকড়া চুলের জর্জ ছাড়া কাউকে আর কোনও দিন গার্ল-এর বদলে ‘বেল’ শব্দটা ব্যবহার করতে শুনিনি। আজ্ঞে হ্যাঁ, কিটসের ‘লা বেল ডেম স্যান্স মার্সি’-র (পাতি বাঙালি উচ্চারনেই বললাম) ‘বেল’-এর কথাই বলছি। আর বেঁটে টাকমাথা শ্রীকান্তকে তথাগত ভুট্টা উচ্চারণ করতে শেখানোর ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল। শ্রীকান্ত সব চেয়ে কাছাকাছি যে উচ্চারণটা করেছিল সেটা হল ‘বু-ঠা’।

    এই তিন জন ছাড়া আমাদের মানে আমি, তথাগত, অমিতাভ আর দাশগুপ্ত সাহেবরও ডিসেম্বরে পাততাড়ি গোটানোর কথা দিল্লি থেকে। আমাদের নেওয়া হয়েছে কলকাতার জন্য, সেখানে পূর্ব দিকের মেট্রো অফিস। সে এখনও ঢের দেরি।

    আমাদের না হয় দেরি আছে, জনা দুই-এর নেই। তারা হল শংকর আর শীর্ষেন্দু, এপ্রিল মাসে লোক সভা ভোটের কিছু দিন আগে তারা ফিরে গেল কলকাতা। আর আমার সাথে তাদের দিল্লিবাসের শেষটা কাটল দুভাবে। এখানে বলে রাখা ভাল তথাগতকে বাদ দিলে এই বাকি চার জন বাঙালিই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সহপাঠী ছিল।

    যাই হোক, শীর্ষেন্দু আর আমি একটা গোটা দিন পুরনো দিল্লির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখে বেড়ালাম। ফিরোজ শাহ কোটলা থেকে জামা মসজিদ হয়ে লাল কেল্লা।

    কোটলা মানে হল দুর্গ। দিল্লির সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন দিল্লির এক জায়গায়, নাম দিয়েছিলেন ফিরোজাবাদ। গড়ে তুলেছিলেন এক দুর্গ, ১৩৫৪ সালে। এখন পড়ে আছে তার অবশেষ। দেখতে দেখতে মনে পড়ছিল রবীন্দ্রনাথের ‘ওরা কাজ করে’ থেকে অমোঘ লাইনগুলো - “রাজছত্র ভেঙে পড়ে,রণডঙ্কা শব্দ নাহি তোলে, / জয়স্তম্ভ মূঢ়সম অর্থ তার ভোলে, / রক্তমাখা অস্ত্র হাতে যত রক্ত-আঁখি / শিশুপাঠ্য কাহিনীতে থাকে মুখ ঢাকি।”

    ফিরোজ শাহ কোটলা থেকে আমরা গেলাম জামা মসজিদের কাছে। ১৬৫০ থেকে ৫৬ সালের মধ্যে শাহ জাহানের নির্দেশে তৈরি এই উপাসনা স্থল ভারতবর্ষের অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ। জায়গাটা লাল কেল্লার কাছেই আর এর আশেপাশেই পাওয়া যায় দুর্দান্ত সব মোগলাই খাবার। তাই দিয়ে খাওয়া সেরে আমরা গেলাম প্রগতি ময়দান, যেখানে ওয়ার্ল্ড বুক ফেয়ার হয়েছিল। সেখান থেকে লাল কেল্লা। ওখানে কিছু দিন আগেই চালু হয়েছে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। দিল্লির ইতিহাস নতুন করে জীবন্ত হয়ে উঠল আমাদের সামনে। পরে দিল্লির ভাঙাচোরা পুরানা কেল্লাতেও একটা লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো চালু হয়েছে। হুমায়ুনের বানানো এই কেল্লা পরে দখলে আসে শের শাহের। 

    শীর্ষেন্দু থাকত অর্জুন নগরে, আরও দু জন সহকর্মী – বাঙালি অলয় আর ওড়িয়া ভরতেন্দু – তাদের সাথে। জায়গাটা ইউসুফ সরাই আর গ্রিন পার্ক -এর কাছে। আমি আর তথাগত সেখানে গিয়ে থেকেও এসেছি বার দুই। আর প্রতিবারই মনে হয়েছে, এত ‘সরাই’ কেন দিল্লিতে ? শেখ সরাই, কাটোয়ারিয়া সরাই, কালু সরাই ইত্যাদি ইত্যাদি। আসলে এই সরাইগুলো ছিল ব্যবসায়ীদের আশ্রয়স্থল - সুলতানী আমলে, মোগল যুগেও। ক্যারাভান নিয়ে দূরদূরান্ত থেকে এরা আসত। আর বেশ কিছু সরাইগুলোর নাম হয়েছিল সুফি সন্তদের নামে। সরাই কালে খান, ইউসুফ সরাই, শেখ সরাই – কিংবদন্তী অনুযায়ী এদের নামগুলো এভাবেই এসেছে। তবে কাটোয়ারিয়া সরাই, কালু সরাই, বের সরাই – এসব নামের পিছনে নাকি আলাদা গল্প আছে।

    তা থাক, আমাদের গল্পে ফিরে আসি। দিল্লি ছেড়ে যাওয়ার আগে শংকরের বাবা-মা এসেছেন। আমাদের কয়েকজনকে রাতে ওর বাড়িতে খেতে বলল শংকর। আমরা অফিস থেকে ফিরে নিউ দিল্লি কালীবাড়ির কাছে মন্দির মার্গে শংকরের বাড়িতে চব্য-চোষ্য খেলাম। বাবা-মায়ের স্নেহের পরশ আর বাড়ির ঘরোয়া রান্নার স্বাদ পাওয়া গেল বহু বহু দিন বাদে। ‘বহু বহু দিন’ লিখলেও আসলে খুব বেশি হলে মাস পাঁচেক হবে। আড্ডাসহ খাওয়া দাওয়া করতে করতে অনেক রাত হয়ে গেল। পরের দিন আমাদের অফিস আছে, শংকররাও ট্রেন ধরবে।

    আমাদের অফিসের খুব কাছে নিউ দিল্লি জিপিও, আর শংকরদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটু গেলেই দিল্লি জিপিও, ওখান থেকে বাস পাওয়া যাবে। এত রাতে অটোরা যে কেমন ভাড়া চাইবে তা ভাবতেই আঁতকে উঠলাম আমরা। তাই বাসের আসার আশায় অপেক্ষা, নাইট সার্ভিস বলে একটা পদার্থ নাকি আছে। দেখা যাক। অমিতাভ আর অলয় দক্ষিণ দিল্লির একই দিকে থাকে, ওরা বাস পেয়ে গেল। আমি, তথা আর দাশগুপ্ত সাহেব দাঁড়িয়ে রইলাম। আমরা ফিরব প্রীত বিহার, দাশগুপ্ত যাবে একই রুটে আরও কিছু দূরে, কারকারদুমাতে। যেখানকার কোর্টের কথা আপনি মাঝে মাঝে খবরের কাগজে পড়েন।

    রাত ক্রমশঃ বাড়ছে, সেই সঙ্গে আমাদের চিন্তাও। আরও কিছু লোক আমাদের মতই দাঁড়িয়ে আছে বাস স্ট্যান্ডে। ঘড়ির কাঁটা বারোটার ঘর পেরিয়ে কয়েক পা এগিয়েছে, তখন দাশগুপ্তর হঠাৎ মনে পড়ল আজ যে দেরি হবে ফিরতে সেটা দাদা-বৌদিকে বলে আসতে ভুলে গেছে। বাইরের গেটে তালা পড়ে গেলে মুশকিল হবে। ও থাকত এক তুতো দাদা-বৌদির সাথে।

    আমিঃ জিপিও তো খোলা থাকে সারা রাত, ওখান থেকে ফোন করে বলে দে। বাস এসে গেলে তোকে ডেকে নেব।
    দাশগুপ্তঃ হ্যাঁ, কিন্তু…
    তথাঃ কিন্তু কী ?
    দাশগুপ্তঃ দাদার বাড়ির ফোন নাম্বার ভুলে গেছি।
    আমিঃ ফ্যানটাসটিক। নোটবুক-টুকে লেখাও নেই নিশ্চয় ?
    (সাহেব মুণ্ডু নাড়ল, ওর মুখ শুকিয়ে গেছে)
    তথাঃ আরে ঘাবড়াচ্ছিস কেন ? সেরম হলে আমাদের সাথে রাতে থেকে যাবি।
    (সাহেব যা জানালো তাতে বোঝা গেল রাতে বাড়ি না ফিরলে কাল ওকে প্রচুর কৈফিয়ত দিতে হবে।)
    আমিঃ এক কাজ কর। বাবা-মাকে এসটিডি কর কলকাতায়, ওঁদের থেকে নম্বর নে। তারপর দাদার বাড়ি লোকাল কল করে দে।
    এমন চমৎকার পরামর্শ দাশগুপ্ত গ্রহণ করবে কি করবে না ভাবছে, এমন সময়ে বাস এসে গেল। তেমন ফাঁকাও ছিল না সেটা। প্রীত বিহারে নামার সময়ে তথা ফের জিজ্ঞেস করল আমাদের সাথে আসবে কি না, মুণ্ডু নাড়ল সাহেব। পরের দিন জানালো দাদা রাত জেগে কিছু পড়াশোনা করছিলেন, তাই ওর বাড়ি ঢুকতে অসুবিধে হয়নি।

    ইংরেজিতে যাকে বার্নিং দ্য মিডনাইট অয়েল বলে, সেটা পলিটিক্যাল পার্টিগুলোও করছিল। ভোট বলে কথা, সেটাও দেখতে দেখতে চলে এল। এপ্রিল মাসের ২৭ আর মে মাসের ২ আর ৭ তারিখে ৫৪৩ আসনের লোক সভার জন্য নির্বাচন হয়ে গেল। ফলাফল বেরোনোর পর দেখা গেল ২৭২+ আসন অর্থাৎ নিরঙ্কুশ  সংখ্যাগরিষ্ঠতা কেউই পায়নি। সবচেয়ে বেশি আসন জিতেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (১৬১), তার সহযোগী দল সমতা পার্টি, শিব সেনা আর হরিয়ানা বিকাশ পার্টি সবাই মিলে পেয়েছে ২৬, অর্থাৎ মোট ১৮৭। কংগ্রেস আছে দ্বিতীয় স্থানে ১৪০ আর ন্যাশনাল ফ্রন্ট অর্থাৎ জনতা দল, বাম আর তেলুগু দেশম মিলে ১১৪।

    ভোটের ফলাফল বেরোনোর সময়ে আমি আর তথা সন্ধ্যা আর রাতের দিল্লি ঘুরে ঘুরে মানুষজনের প্রতিক্রিয়া দেখছিলাম। দোকানে, রাস্তায়, বাড়িতে লোকে রেডিও টিভি খুলে বসে আছে। চায়ের দোকানে দোকানে উত্তেজিত আলোচনা চলছে, রাস্তার লোকেরাও অনেকে ক্রিকেট কমেন্টারি শোনার মত কানে রেডিও নিয়ে ঘুরছে। জনপথে কোনও এক ভিআইপির বাড়ির সামনে রক্ষী রেডিও শুনছিল, তার সামনে কোমরসমান উঁচু বালির বস্তার সারি, তার ওপর বন্দুক রাখা। আমরা নতুন কিছু শোনার আশায় দাঁড়িয়ে গেলাম। রক্ষী রেডিওর ভল্যুম কমিয়ে গম্ভীরভাবে আমাদের চলে যেতে বলল, ওখানে দাঁড়ানো নিষেধ। 
        
    রাষ্ট্রপতি শঙ্করদয়াল শর্মা বিজেপি নেতা অটলবিহারি বাজপেয়ীকে সরকার গঠন করার ডাক দিলেন। তিনি শপথ নিলেন ১৫ মে আর ২৮ তারিখ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন না বুঝে পদত্যাগ করলেন। তের দিনের সরকারের পতনের পর এবার দায়িত্ব নেবেন কে ? কংগ্রেস রাজী হল না, তবে বলল জনতা দলের সরকারকে সমর্থন দেবে। সুতরাং হারাদনহাল্লি দদ্দেগৌড়া দেবে গৌড়া প্রধানমন্ত্রী হলেন। পামুলাপার্তি ভেংকট নরসিমহা রাও-এর কংগ্রেস মন্ত্রীসভার পর বাজপেয়ীর সরকারও দিল্লির কেন্দ্রীয় মসনদ থেকে বিদায় নিল।

    আর এসবের মাঝে ঘটে গেল আরও একটা অদ্ভুত ঘটনা। (ক্রমশঃ) 
  • ধারাবাহিক | ২৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৪১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন