এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ২৯ 

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৫ জুলাই ২০২৩ | ৮৮৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (৪ জন)
  •  

    মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। ২৯ ।।

    যা যা দান করার তার ব্যাবস্থা হয়ে গেলে আমি আর তথা টুকটাক গোছগাছ করে নিচ্ছিলাম অফিসের আগে বা পরে। জিনিসপত্র তেমন কিছু নেই ঠিকই, তবু কিছু তো আছেই। এরপর কাজ হল দিল্লি ছাড়ার আগে অফিসের বাইরের চেনাজানা মানুষজনের সাথে একবার দেখা করে নেওয়া। তাদের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। রাজধানী শহরে আমার একজন সম্পর্কীত দাদু আর মেসো আছেন – তাঁদের বাড়ি যাওয়া হল। বন্ধুরাও আছে – তাদের সবার সাথে অবশ্য দেখা হল না সময়াভাবে। ‘গুরুদেব’ অরিজিত বেশ কিছুদিনের জন্য বাইরে, লেপওয়ালা অনিন্দ্য তো কবেই বিদেশ চলে গেছে। বাকিদের সাথে মোলাকাত হল না অফিসের কারণে।

    দিল্লিতে আমার শেষ সপ্তাহের ডিউটি পড়ল সারা রাতের – মানে মাঝ রাতে শুরু হয়ে সকাল আটটা-সাড়ে আটটায় শেষ হয়। এর নাম ‘এক্সট্রা নাইট’ শিফট। এমনি নাইট শিফট রাত দুটোয় শেষ হয়। ‘এক্সট্রা নাইট’ ডিউটি থাকে চার দিন; এর ফলে যেটা হয় তা হল সকালে বাড়ি ফিরে কোথাও যাওয়ার মত এনার্জি আর থাকে না, দুপুর বেলাতেও ভাল করে ঘুমিয়ে নিতে হয়।

    শেষ দিন সকাল বেলা যে কয় জন মর্নিং ডিউটিতে এসেছিল তাদের থেকে বিদায় নিলাম। মাঝখানে একদিন, তার পরেই ট্রেন ধরব। অফিস থেকে বেরিয়ে কয়েক পা দূরে প্যাটেল চৌকের দিকে হেঁটে যাচ্ছি, একটু থামছি, চারপাশ দেখছি। আপাততঃ এদিকে আর আসা হবে না, কবে আসব, বা আদৌ কোনও দিন আর আসব কি না, কে জানে। এই চত্বরে আসার পরে প্রথম প্রথম আশপাশগুলো তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতাম, তারপর সব রুটিন হয়ে গেল। এখন চলে যাওয়ার আগে ফের সব একবার দেখে নিতে সাধ জাগছে কেন তাই বা কে বলবে?

    পুরনো বার বার করে দেখা জিনিসগুলো যেন নতুন করে সামনে এল। তার মধ্যে একটা হল প্যান্টের চেন সারানো; আসলে জিপারটা ঠিক করে দেয়। সে এক উদ্ভট দৃশ্য – ফুটপাথে দাঁড়িয়ে একটা লোক, তার ট্রাউজার অর্ধেক নামানো, সেই অবস্থায় জিপার ঠিক হচ্ছে। এই সারাইওয়ালারা অবশ্য ব্যাগ বা জ্যাকেটের চেনও সারিয়ে দেয়। জুতো পালিশ ওয়ালারা একে একে নিজেদের জায়গায় বসছে – এদের দু-এক জনের কাছে ভিড় বেশি হয়, লাইন পড়তেও দেখেছি। চা ওয়ালাদের দোকানের সামনে কয়েকজন করে লোক। অফিসের উলটো দিকে অল ইন্ডিয়া রেডিও, নাইট ডিউটি সেরে সেখানকার লোকেরা চা খাচ্ছে।

    একটু এগোতেই ডান দিকে রিজার্ভ ব্যাংকের সামনে যক্ষ আর যক্ষিণীর জমকালো মূর্তিদুটো। স্বাধীনতা লাভের পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু চেয়েছিলেন দেশের বড় বড় অফিসগুলোয় কম খরচে স্কাল্পচার বসানো যায়, যাতে দেশের শিল্পীরা উৎসাহিত হয়। রিজার্ভ ব্যাংকের ক্ষেত্রে নয় জন নামী শিল্পীর কাছে আমন্ত্রণ গেছিল, পাঁচ জন উত্তর দিয়েছিলেন। আর তাদের মধ্যে অবশ্য একজনই নকশা পাঠিয়েছিলেন। তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হয় – তিনি আমাদের ঘরের লোক রামকিংকর বেজ। কুবের দেবতার সম্পত্তির রক্ষক যক্ষ আর যক্ষিণীর মূর্তির আইডিয়া অবশ্য দিয়েছিলেন শিল্প বিশেষজ্ঞ কার্ল জামসেদ খান্ডালাওয়ালা। রামকিংকর যক্ষের নকশা করেছিলেন মথুরা মিউজিয়ামের এক মূর্তি থেকে, আর যক্ষিণী এসেছিলেন কলকাতার যাদুঘর থেকে। মূর্তি বসতে সময় লেগেছিল কয়েক বছর, আর যক্ষিণীর “নগ্ন মূর্তি” কেন বসানো হবে তাই নিয়ে বিতর্কও হয়েছিল। এক জন মনোনীত সাংসদ (যিনি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্যও বটে) রাজ্যসভায় ওই তথাকথিত নগ্নতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এক ইংরেজি ট্যাবলয়েড পত্রিকা আবার ওই মূর্তির সাথে একজন ভদ্রমহিলার (যাঁর সাথে দেশের ব্যবসা বাণিজ্যের যোগাযোগ ছিল) মিল খুঁজে পেয়েছিল।

    তা পাক, আমার চোখে পড়ল বড় বড় বাস স্ট্যান্ড, তার গায়ে সেখানে কোন কোন বাস থামবে তার নাম নম্বর লেখা। একই বাস স্ট্যান্ডে যাতে ভিড় বেশি না হয় তাই পাশাপাশি দুটো স্ট্যাণ্ডও আছে। রিজার্ভ ব্যাংকের পাশেই নিউ দিল্লি জিপিও। ওখান থেকে চিঠি লেখার জন্য খাম কিনতাম, কিম্বা ইনল্যান্ড লেটার। অনিন্দ্য আগে যে কোম্পানিতে চাকরি করত, তারা পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের জন্য কিছু কাজ করত। আর অনিন্দ্যও তখন এই জিপিওতেই বসত। মনে পড়ল অফিসে যোগ দেওয়ার দিন ওকে দিয়ে টাই বাঁধিয়ে নিয়েছিলাম গলায়, তখনও ভাল করে ওটা ম্যানেজ করতে পারতাম না। পরে অফিসে দেখেছি বড় কর্তারা ছাড়া কেউই স্যুট-টাই পড়ে না। আমিও তাই আর ওই পথে হাঁটিনি এক বারও, টাই বাক্সে ভরে ফেলেছিলাম।

    বাস, ট্যাক্সি, অটো, ব্যক্তিগত গাড়ি আসছে যাচ্ছে – ট্রাফিকের শব্দ বাড়ছে আস্তে আস্তে। তবে আমার বাসে উঠতে ইচ্ছে করছে না। পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সাদা বাড়িটা পেরোতেই প্যাটেল চৌক - পার্লামেন্ট স্ট্রিট আর অশোক রোডের সংযোগস্থলে, সেখানে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মূর্তি। আর আমি যেদিকে যাচ্ছি তার উল্টোদিকে বৃত্তাকার সংসদ বা পার্লামেন্ট। তার পাশ দিয়ে আরও খানিক এগোলে পাওয়া যাবে নর্থ ব্লক, সাউথ ব্লক, রাষ্ট্রপতি ভবন। তবে আমি এগোচ্ছি কনট প্লেসের দিকে, আমার এক দিকে পড়ে রইল যন্তরমন্তর যে জায়গায় বহু মানুষ ধরনা আন্দোলন করেন। যন্তরমন্তর অবশ্য তৈরি হয়েছিল মানমন্দির হিসেবে, ১৭২৪ সালে। স্থাপন করেছিলেন জয়পুরের মহারাজা দ্বিতীয় জয় সিংহ।

    এসব একাধিক বার ঘোরা আমার আর তথার। কিন্তু আর নয়, দেরি হয়ে যাচ্ছে, বাড়িতে খুচরো কিছু কাজ বাকি আছে এখনও। নস্টালজিক হওয়াকে এই জন্যই অনেকে ‘নষ্ট লজিক’ বলেন। কনট প্লেস থেকে বাস ধরে ফিরে এলাম বাড়ি – মানে ভাড়া বাড়ি, প্রীত বিহারের যে ঘরে আমরা এক বছর বাস করছি।

    মার্চ ১, ১৯৯৭। সকাল থেকেই সাজোসাজো রব। যদিও গাড়ি ছাড়বে বিকেল বেলা। আমাদের অবশ্য একটু আগেই যেতে হবে। একটা টেম্পো বলা হয়েছে, সেটা আমাদের দু’জনকে আর আমাদের মালপত্র নিউ দিল্লি স্টেশন নিয়ে যাবে। দুপুরের খাওয়া দাওয়া চটপট সেরে নিলাম। বাড়িওয়ালী আন্টির জামাই রমেশ দেখি ওনার স্কুটারটা বার করছেন। কাজে বেরোচ্ছেন নিশ্চয়। বললাম, “ভাল থাকবেন রমেশজী। আমরা একটু পরেই বেরিয়ে যাব।” আমাদের অবাক করে দিয়ে উনি বললেন, “হ্যাঁ আমিও যাচ্ছি তো আপনাদের সাথে স্টেশন অবধি।” এইটা আমাদের আশার অতীত, ওনাকে কিছুই বলতে পারলাম না।

    টেম্পো এসে গেলে আমরা মালপত্র তুলে ফেললাম। বাড়িওয়ালী আন্টি, তাঁর ছেলে, রমেশজীর স্ত্রী, বাচ্চা পুনীত সবার থেকে বিদায় নিয়ে আমরা এগোলাম। সামনে পুরী জেনারেল স্টোর্স, যে আন্টির দোকান থেকে আমরা জিনিসপত্র কিনতাম আর ফোন করতাম। দিল্লির ৮০ ভাগ মুদীখানা-স্টেশনারি দোকানের নাম হয় মালিকের পদবীর সাথে জেনারেল স্টোর্স জুড়ে। সে সব দোকান থেকে জিনিস কেনা সাহায্য করেছে কথ্য হিন্দী শিখতে। খাতা কিনতে চাই সেটা দোকানদারকে বোঝাতে অনেক সময় লেগেছিল, তারপর জেনেছিলাম যে ওই বস্তুকে এনারা ‘কপি’ বলেন।

    নেড়িদের মুক্তাঞ্চল পেরিয়ে আমরা পড়লাম বড় রাস্তা বিকাশ মার্গে। প্রীত বিহার বাস স্ট্যান্ডের গায়ে উইম্পির বিশাল হলুদ রঙের সাইনবোর্ড জ্বলজ্বল করছে। আমাদের গাড়ির গতি বাড়লো – শকরপুর, লক্সমি নগর পেরিয়ে যমুনা নদীর সেতুতে উঠলাম। সেতু মানে যে জোড়ে, দিল্লি নগরীর দুই দিককে জুড়ে রেখেছে সে; আমাদের অফিসের জীবন আর ঘরের জীবনকেও যোগ করেছে বললে ভুল বলা হবে না। সেতুর নিচ দিয়ে বয়ে চলেছে যমুনা নদী – এক বছরের ওপর ধরে তা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেছে। যখন এসেছিলাম তখন আমার কাছে দিল্লি ছিল এক রকম, আর আজ যখন ফিরে যাচ্ছি, শহর অনেক চেনা হয়ে গেছে। ঐতিহাসিক এই শহর, তার নানাবিধ অঞ্চল, অগণিত রাস্তা আর গলিঘুঁজি - তাদের যাবতীয় রহস্যময়তা একটু একটু করে উন্মুক্ত হয়েছে আমার কাছে। আর ততই যেন মনে হয়েছে এই শহরের আরও অনেক কিছুই আড়ালে রয়ে গেল।

    ব্রিজ পেরিয়ে আই-টি-ও মোড় চলে এল। প্রবল ভিড় এই দুপুর বেলা। এখান থেকে ডান দিকে গেলে শংকর ইন্টারন্যাশনাল ডলস মিউজিয়াম আর বাঁদিকে একটু গেলেই প্রগতি ময়দান, যেখানে বই মেলা দেখতে গেছিলাম। সুমনের গান মনে পড়ল, “চেনা ভাঙ্গা পথঘাট, চেনা বাড়ি চেনা মাঠ / চেনা নাগরিক জঙ্গল…।”

    আমাদের টেম্পো স্টেশনে পৌঁছে গেল। মালপত্র নামাতে নামাতে দেখতে পেলাম রমেশজী একটা জায়গায় স্কুটার পার্ক করলেন। তারপর এগিয়ে এলেন আমাদের দিকে, বারণ না শুনে সাহায্য করলেন মালপত্র স্টেশনের ভেতরে নিয়ে যেতে। লাগেজ ভ্যানে বুক করা হল আমার আর তথার ট্রাঙ্ক আর খাট। ওদিকে এসে গেছে অমিতাভ আর ওর বৌ। ম্যাডাম অবশ্য আমাদের সাথে যাবেন না, ওনার কিছু কাজ বাকি আছে দিল্লিতে। সেগুলো সেরে কলকাতা ফিরবেন।

    রাজধানী এক্সপ্রেসের আসনে গুছিয়ে বসে কাঁচের জানলার বাইরে প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। একটা বাচ্চা সুটকেসে ওপর বসে আপন মনে খেলছে আর পাশে এক মহিলা – মনে হয় ওর মা হবেন – উদ্বিগ্ন মুখে এদিক ওদিক তাকাচ্ছেন। কারোর জন্য অপেক্ষা করছেন মনে হয়। ট্রেন ছাড়ার সময় হয়ে এল। কুলিরা মাথায় মাল নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে। নানাবিধ ঘোষণাও নিশ্চয় চলছে রেলের তরফ থেকে যেটা আমি ভেতর থেকে শুনতে পাচ্ছি না। চায়ের দোকান, বই-পত্রপত্রিকার দোকানে কিছু লোক, ক্রাচ বগলে এক ভদ্রলোককে একা একা আসতে দেখলাম। ভিখারিও চোখে পড়ল দু’এক জন। খেয়াল করলাম সেই উদ্বিগ্ন মা আর বাচ্চার পাশে এক ভদ্রলোক হাজির হয়েছেন, তাঁরা এগিয়ে এলেন ট্রেনের দিকে। একফালি ট্রেন-জানলার বাইরে প্ল্যাটফর্মের ওপর জীবন বয়ে চলেছে নিজের মত।

    ভেতরেও তাই। মোটামুটি সবাই নিজের আসনে থিতু হয়েছে। যারা ট্রেনে তুলে দিতে এসেছিল অন্যদের তারা একে একে নেমে যাচ্ছে। আমাদের অফিসের কেউ আসতে পারেনি, সুবিধেজনক ডিউটি কারও ছিল না। অমিতাভর স্ত্রী জানলার বাইরে দাঁড়িয়ে; রমেশজী কোথায় গেলেন? উনি তো ভেতরে আসেননি, বাইরেই ছিলেন। চলে গেলেন নাকি?

    ট্রেন নড়ে উঠল। আমি আর তথা বাইরের দিকে তাকিয়ে। অমিতাভ আছে গেটে। হাত নাড়ছে বাইরের অনেক লোক, অমিতাভর বৌও। হঠাতই দেখলাম রমেশজীকে – তিনি অমিতাভর দিকে তাকিয়ে হাত তুললেন। ট্রেন ধীরে ধীরে বেরিয়ে এল নিউ দিল্লি স্টেশনের বাইরে।

    এতদিন পরে সত্যিই এবার ফিরে যাচ্ছি কলকাতা। বেশ কিছু দিনের অনিশ্চয়তার ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি পেয়ে। রাজধানী এক্সপ্রেস ছেড়ে এল দেশের বর্তমান রাজধানী, ছুটে চলেছে তার পূর্বতন রাজধানীর দিকে। আমি আর তথা একসাথে এসেছিলাম, ফিরেও তাই যাচ্ছি, এখন অমিতাভও আছে। আরও তের জন আগেই মুম্বাই ফিরে গেছে, যেখানে তাদের যাওয়ার ছিল। শ্রীকান্ত আর জর্জও শিগগিরই চলে যাবে চেন্নাই।
     
    রয়ে গেল কেবল সুকুদা - তার আর ফেরা হল না। (শেষ)
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ০৫ জুলাই ২০২৩ | ৮৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • জয়দীপ রায় চৌধুরী | 2402:3a80:198b:6a55:678:5634:1232:5476 | ০৫ জুলাই ২০২৩ ০৭:৪৭521011
  • অনবদ্দ লেখা - খুঁটিনাটি , তথ্যসমৃদ্ধ কিন্তু কত  সহজ এবং  প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা। ধন্যবাদ নির্মাল্য, জীবনের এক অমূল্য অধ্যায় আর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরার জন্য। 
     
     
  • kk | 2607:fb91:83d:8bfc:3266:4a39:2eb5:953a | ০৫ জুলাই ২০২৩ ০৭:৫২521012
  • খুব সুন্দর লাগলো এই সিরিজটা। আপনার আরো লেখা পড়বার অপেক্ষায় থাকবো।
  • | ০৫ জুলাই ২০২৩ ০৯:৩৫521014
  • পছন্দের সিরিজটা শেষ হয়ে গেল। খুবই ঠিকঠাক জায়গায় শেষ হল।  আশা করি শীগগিরই ফিরবেন অন্য সিরিজ নিয়ে। 
  • Nirmalya Nag | ০৫ জুলাই ২০২৩ ১২:৪৯521016
  • @ জয়দীপ রায় চৌধুরী - অনেক ধন্যবাদ। 
     
    @ kk -  অনেক ধন্যবাদ। 
     
    @  দ - অনেক ধন্যবাদ। একটা সিরিজের পরিকল্পনা আছে। দেখা যাক কবে শুরু করতে পারি। 
     
  • aranya | 2601:84:4600:5410:2989:9ba1:2b93:35f0 | ০৬ জুলাই ২০২৩ ০২:১০521036
  • খুবই উপভোগ্য একটা ধারাবাহিক শেষ হল। আরও লিখুন @নির্মাল্য 
  • ইন্দ্রাণী | ০৬ জুলাই ২০২৩ ০৪:২৩521041
  • খুবই ভালো লেগেছে সিরিজটা। লেখার ফ্লো, ঘটনার পারম্পর্য,ডিটেলিং, বর্ণনা সর্বোপরি ভাব- সব মিলিয়ে মনে থেকে যাবে। মান বজায় রইল আগা গোড়া। একটি পর্বেরও মান পড়ে যায় নি/ তাড়াহুড়ো করে লেখা হয় নি।

    নমস্কার জানবেন।
  • Nirmalya Nag | ০৬ জুলাই ২০২৩ ০৯:৫২521043
  • @ aranya - অনেক ধন্যবাদ। 
     
    @ ইন্দ্রাণী - অসংখ্য ধন্যবাদ। 
     
  • a | 49.185.87.87 | ০৬ জুলাই ২০২৩ ০৯:৫৫521044
  • একদম একমত, খুব ভালো লেখা হয়েছে। 
  • Subhas Dutta | ০৭ জুলাই ২০২৩ ২১:৫৬521079
  • খুব ভাল লাগল কিন্তু শেষ হয়ে গেলো বলে দুঃখ পেলাম।
  • সাগরী মজুমদার | 117.197.70.221 | ০৮ জুলাই ২০২৩ ১৬:৫৯521102
  • এ লেখা যেন নুড়ি পাথরের উপর হাল্কা পায়ে লাফিয়ে চলা তিরতিরে নদীটির মত - প্রাণময় গতি আছে, অথচ ভার নেই।  
     
  • Nirmalya Nag | ০৮ জুলাই ২০২৩ ১৭:৫৫521103
  • @ a -অনেক ধন্যবাদ। 
     
    @ Subhash Dutta - অনেক ধন্যবাদ 
     
    @ সাগরী মজুমদার - অনেক ধন্যবাদ। উপমাটা খুব ভাল লাগল। 
  • সুদীপ্ত | ০৮ জুলাই ২০২৩ ১৯:৩৪521104
  • ভালো লাগলো স্মৃতিচারণা, হায়দ্রাবাদ থেকে কলকাতা ফেরার কথা মনে পড়ল 
  • Nirmalya Nag | ০৮ জুলাই ২০২৩ ২২:৩২521106
  • @ সুদীপ্ত - অনেক ধন্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন