বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ৪

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৫৬৫ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    ।। চার ।।
     
    অলিগলি সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে।
    গণেশ দুধ খাচ্ছেন বিনা পরিশ্রমে।।
    মন্দিরে মন্দিরে দেখ লোকে দেয় ছুট।
    লাইনে দাঁড়িয়ে চলে তক্কো ঝুটমুট।।
    দুধ ঘটি আছে হাতে শোভিছে চামচ।
    কৃপা যেন দেন দেব মনে খচখচ।।
    এই দেখ দুধ খেয়ে নেন গণপতি।
    ধন্য ধন্য প্রভু তুমি অগতির গতি।।
    এ মির‍্যাকলের কথা অমৃতসমান।
    নাগানন্দ কবি কহে শোনে পুণ্যবান।।

    গণেশ ঠাকুরের মূর্তিরা হঠাৎ দুধ খেতে শুরু করলেন ১৯৯৫-এর ২১ সেপ্টেম্বর ভোর থেকে। মানে আমরা দিল্লি আসার মাস দুই আগে। মা দুর্গার ছোট পুত্রটি দুধ খাওয়া শুরুও করেছিলেন নাকি রাজধানীরই একটা মন্দির থেকে। আর তার পরেই - সংস্কৃতে যাকে আসমুদ্র হিমাচল বলে আর বলিউডি গানে আক্ষা ইন্ডিয়া – তা পুরো তোলপাড় হয়ে গেল। আর আমাদের দিল্লি বাস আরম্ভ হওয়ার মাসখানেকের মধ্যে এল দু নম্বর ঝড়, তবে সেটা যে আসছে তা একটু একটু করে টেরও পাওয়া যাচ্ছিল। প্রথমটা ছিল ধর্মীয় আর পরেরটা রাজনৈতিক। দুর্জনেরা অবশ্য বলে প্রথমটারও পলিটিক্যাল অ্যাঙ্গল আছে। যা হোক আমরা সে সবের মধ্যে যাব না। তবে কিনা দু-তিন মাসের মধ্যেই লোক সভার ভোট, হাওয়া ক্রমশঃ গরম হচ্ছে, আর সেই জন্যই আমার দিল্লি বাসের আগের ঘটনা হলেও যাকে পরিস্থিতি বলে সেটা একটু বোঝাতে চাইছি। আর তাই এই কিস্তিতে নিজের কথা একটু কম। কিন্তূ দ্বিতীয় ঝড়ের যে ক্রিমিনাল অ্যাঙ্গল ছিল তার জন্য কোনও কনস্পিরেসি থিওরির দরকার নেই। তবে পরের কথা পরে, আপাততঃ গণপতি বাপ্পা মোরিয়া।

    আচ্ছা, গণপতি বাপ্পা তো বোঝেন – ‘গণপতি’ হল জনগণের শাসক আর ‘বাপ্পা’ অর্থ পিতা বা প্রভু। কিন্তু ‘মোরিয়া’ কী? মোটামুটি দুটো ব্যাখ্যা আছে। প্রথমটা হল এই রকম – চতুর্দশ শতকে মোরিয়া গোসাভি ছিলেন গণেশের বড় ভক্ত, তাঁর পূজার্চনায় মুগ্ধ হয়ে প্রভু তাঁকে স্বপ্নে দর্শন দেন। বর চাইতে বলায়, তিনি কোনও ধনদৌলত চাননি। বলেন তাঁর নাম যেন চিরকাল গণেশের সাথে একাত্ম হয়ে থাকে। প্রভু বলেন তথাস্তু। এর পর থেকেই ‘মোরিয়া’ শব্দটা গণেশের সাথে জুড়ে যায়। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটা হল ‘মোরিয়া’ আসলে কোলাপুরি উপভাষার দুটো শব্দের যোগফল যার অর্থ হল ‘এগিয়ে এসে আশীর্বাদ করুন’।

    যাক, যা নিয়ে কথা হচ্ছিল সেখানে ফেরা যাক। “দ্য ‘মিল্ক মির‍্যাকল’ দ্যাট ব্রট ইন্ডিয়া টু আ স্ট্যান্ডস্টিল”, এটা ছিল বিবিসির হেডলাইন। ইংল্যান্ড, অ্যামেরিকার অনেক কাগজ আর সংবাদ সংস্থাও ওই তথাকথিত মির‍্যাকল নিয়ে খবর করেছিল। মির‍্যাকলটা কী? না গণেশ ঠাকুর দুধ খাচ্ছেন। কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর হয়ে ক্যানাডা পর্যন্ত সর্বত্র গণেশ মূর্তির অবাক দুধপান শুরু হয়ে গেল। ঘটনাটা আরম্ভ হয়েছিল দিল্লির ঝান্ডেওয়ালান এলাকার এক মন্দিরে। তারপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশজুড়ে একই চিত্র, সবাই দলে দলে যেখানে মন্দির পেল সেখানেই দুধের ঘটি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ল। অর্কুট, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, টুইটার, টেলিগ্রামের দরকার পড়ল না। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্মের অনেক আগেই এ খবর ছড়িয়ে পড়ল শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে। কে যেন বলেছিল না, মিথ্যের ঠ্যাং নাও থাকতে পারে, তবে গুজবের অবশ্যই ডানা থাকে।

    টিভি দেখার তেমন অভ্যাস কোনও কালেই নেই, সকালে খবরের কাগজ পড়ছি। মা এসে বললেন তাঁকে কে যেন এই কথা বলেছে, আমি প্রথমে উড়িয়ে দিলাম। তারপর টিভি খুলে দেখি এক্কেরে হৈহৈ কান্ড, রৈরৈ ব্যাপার। পাড়ার একজন এসে বলে গেলেন বাড়ির কাছের মন্দিরেও নাকি এমন হচ্ছে। ব্যাপারটা চাক্ষুস করার জন্য সেখানে গিয়ে দেখি ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি চলছে। যেটুকু জানা গেল তা হচ্ছে চামচে করে দুধ নিয়ে গণেশের শুঁড়ের ডগায় ধরে ধীরে ধীরে ঢেলে দিতে হবে, আর দুধ গায়েব হবে। এদিকে মাস হিস্টিরিয়ায় দেশ আক্রান্ত। দিল্লি, বম্বের স্টক মার্কেটও শুনলাম বন্ধ হয়ে গেছে। বুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা মেলে না টাইপের ঘটনা যে ছুটকো ছাটকা ঘটে না তা নয় (যাদের অনেকের ব্যাখ্যাই অবশ্য পরে পাওয়া যায়), তাই বলে এমন পাইকারি হারে মির‍্যাকল!
     
    পাবলো পিকাসো নাকি বলেছিলেন, “আরে সবই তো মির‍্যাকল। স্নান করতে গেলে লোকে যে চিনির ডেলার মত গলে যায় না সেটাও তো মির‍্যাকল।”

    বুঝতে পারছিলাম একটা সহজ ব্যাখ্যা কিছু নিশ্চয় আছে যেটা আমার জানা নেই। সে দিনই পরের দিকে টিভি চ্যানেলগুলো বৈজ্ঞানিকদের স্টুডিওতে নিয়ে এল আর ঘটনাটার ব্যাখ্যা পাওয়া গেল। সারফেস টেনশন (পৃষ্ঠ টান) আরে ক্যাপিলারি অ্যাকশন (কৈশিক নিয়ম)-এর ব্যাপার। মূর্তির গায়ে সেই দুধ লেগে থাকবে, গড়িয়ে নিচের দিকে চলে যাবে। কিন্তু দেবমূর্তি যেহেতু ফুলমালায় ঢাকা থাকে তাই সে ব্যাপারগুলো চোখে পড়ছে না।
     
    কয়েক দিনের মধ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা একটু থিতিয়ে গেল। জানা গেল শুধু হিন্দু দেবতা গণেশের মূর্তিই নয়, উত্তর প্রদেশে বুদ্ধ মূর্তি, আম্বেদকরের মূর্তি, সিঙ্গাপুরে মেরি মাতার মূর্তিও নাকি দুধ খেয়েছে। ব্যাপারটা ক্রমে ক্রমে হালকা হয়ে এল। এর পরেও অবশ্য মূর্তির দুধ খাওয়া নিয়ে হইচই হয়েছে দু-তিন বার, তবে তার প্রচার আর এমন ছিল না, সাধারণ লোকেও বুঝে গেছিল যে এটা বিশেষ কোনও ব্যাপার নয়।
     
    কিন্তু তাই কি? বললে পেত্যয় যাবেন না, এই নিয়ে ওয়েবসাইটও আছে। সেখানে বড় বড় অক্ষরে লেখা আছে, “দ্য বেস্ট ডকুমেন্টেড প্যারানরম্যাল ফেনোমেনন অফ মডার্ন টাইমস”। আর খুব কঠিন ইঞ্জিরিতে যা বলা হয়েছে তার সারমর্ম হল “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর”।
    প্যারানরম্যাল হোক আর যাই হোক, আমরা তো দিল্লি এসে গেলাম তার কিছু দিন পরেই, আর জানুয়ারি মাসে দেখা দিল অন্য এক ফেনোমেনন - হাওয়ালা কেলেংকারি। সামনের এপ্রিল আর মে মাসে লোক সভার ভোট হবে, তার ঠিক আগে এর কালি ছড়িয়ে গেল রাজধানীর রাজনীতিতে আর কালিমালিপ্ত হল প্রায় সব পার্টি।

    “হাওয়ালা” জিনিসটা আর কিছুই নয়, ব্যাঙ্ক, পোস্ট-অফিস, বা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এসব আইনি পদ্ধতির বাইরে গিয়ে টাকা পাঠানোর ব্যাবস্থা। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো এবং দু-নম্বরী ব্যবসায় জড়িতরা এভাবেই নিজেদের মধ্যে টাকা দেওয়া নেওয়া করে। কেউ হয়তো কোনও এক দেশে বেআইনী ভাবে বসবাস করছে, সেও এই পদ্ধতি অনুসরণ করে, কারণ এতে কাগজপত্র লাগে না, সরকারকে ট্যাক্স দিতে হয় না। বড় বড় কোম্পানিগুলোও নাকি এই পদ্ধতিতে এক দেশ থেকে অন্য দেশে টাকা পাঠায় নানা কারণে, মূলতঃ ট্যাক্স বাঁচানোর তাগিদে আর বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় মূল্যের তারতম্যকে নিজের কাজে লাগাতে।

    ব্যাপারটা অনেকটা এই রকম – মনে করুন আপনি শ্রীযুক্ত ক বাবু একজন অতি ধনী লোক, থাকেন ইউ ইয়র্কে, নানা ভাবে মানুষের টুপকার করে থাকেন। তো কোনও ভাবে “রাজধানী লোকাল” আপনার হাতে এল আর পড়ে আপনার মনে হল আমি লোকটা লেখাজোখা বন্ধ করলে জগতের বিশেষ উপকার হবে। তাই আপনার ব্ল্যাক মানি থেকে লাখ ৫০ টাকা আমায় পাঠাবেন আমার না-লেখার ফি হিসেবে। স্বাভাবিক ভাবেই আইনি পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সেটা পাঠাবেন। আপনি নিউ ইয়র্কের হাওয়ালা এজেন্ট খ-এর সাথে যোগাযোগ করলেন। ঠিক হল প্রতি লাখ ভারতীয় টাকার জন্য এত ডলার করে চার্জ দিতে হবে। আপনি সেই হিসেবে খ-কে ডলার দিয়ে দিলেন, সাথে দিলেন একটা পাশওয়ার্ড। খ তখন কলকাতায় তার লোক গ-কে ফোন করে সেই পাশওয়ার্ড জানিয়ে বলে দিল আমায় যেন ৫০ লাখ টাকা দিয়ে দেয়। গ বলল ওক্কে বস, ডান। ইতিমধ্যে আপনি আমায় ওই পাশওয়ার্ড জানিয়ে দিয়েছেন। আমার থেকে সেটি জেনে আমায় টাকা দিয়ে দিল গ। এবার কলকাতা থেকে কেউ যখন নিউ ইয়র্কে ওই চ্যানেল দিয়ে টাকা পাঠাতে চাইবে, ব্যাপারটা ঠিক উলটে যাবে। অর্থাৎ সবাই খুশি, কেবল মাঝের থেকে সরকার বাহাদুর কিছুই পেলেন না।

    এটা অবশ্য অতি সরল করে বলা হল। এর বেশি ‘বুঝিয়ে বলা’ হলে ব্যাপারটা ‘বস্তুপিন্ড সূক্ষ্ম হতে স্থূলেতে’ যাবে আর ‘পঞ্চভূতের মূলেতে’ গিয়ে ঠেলা দেবে। তার দরকার নেই। দু-নম্বরি টাকা ইধার-উধার করায় ব্যবসায়ী আর রাজনৈতিক নেতাদের আঁতাত তো সাধারণ জনের আড়ালেই থাকে। এ ব্যাপারটাও নাকি ১৯৯১ থেকে চলে আসছিল, কিন্ত গোপন কথাটি আর গোপন থাকল না৷

    দু জন কাশ্মীরী জঙ্গিকে গ্রেফতার করে তদন্তের কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে বিরাট দুর্নীতির কেউটে বেড়িয়ে পড়ল। সিবিআই-এর হাতে এল হাওয়ালা ব্রোকার এস কে জৈন-এর এক ডাইরি যার থেকে জানা গেল দেশের ১১৫ জন তাবড় তাবড় নেতা আর আমলা নাকি জৈন আর তার ভাইদের থেকে টাকা নিয়েছিলেন কিছু সুবিধে দেওয়ার বিনিময়ে। এই নেতারা ছিলেন কংগ্রেস, বিজেপি সহ অনেক দলের। নেতাদের বাড়িতে তখন ঘন ঘন ‘রেড’ হচ্ছে আর তাঁরা দলে দলে আদালত থেকে অগ্রিম জামিন নিচ্ছেন। ‘রেড’ হওয়াটা হয়ে দাঁড়াল স্ট্যাটাস সিম্বল। কাগজে কার্টুন বেরোল এক নেতার স্ত্রী কর্তাকে মুখ ঝামটা দিচ্ছেন ; কেন ? না, তাঁদের বাড়ি ‘রেড’ না হওয়ায় ভদ্রমহিলার মানসম্মান আর থাকছে না, তিনি পাড়া প্রতিবেশীদের কাছে মুখ দেখাতে পারছেন না।

    অফিসে মাঝে মাঝে এই সব নিয়ে আলোচনা হয়। তাতে দেখি মোটামুটি দুটো মতের লোক রয়েছে। এক দল অতীব উত্তেজিত, তাদের মতে কংগ্রেসের ভরাডুবি হবে। কারণ অর্জুন সিং, এন ডি তিওয়ারির মত বড় নেতারা দল ছেড়েছেন, প্রাক্তন আর বর্তমান নেতাদের নাম জৈন ডায়রিতে পাওয়া গেছে, প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাও-এর বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ। তাছাড়া, গত জুলাইতে তন্দুর মার্ডার ঘটিয়েছেন কংগ্রেসেরই যুব নেতা, এন এন ভোরা কমিটির রিপোর্ট রাজনীতির দুবৃত্তায়নের কথা জানিয়েছে ; তাই কংগ্রেস গোহারা হারবে। ওদিকে অন্য মতের প্রবক্তারা মোটেই বিচলিত নন। তাঁরা দুঃখেষু অনুদ্বিগ্নমনা সুখেষু বিগতস্পৃহঃ। চা খেতে খেতে তাদেরই এক জন বললেন, ‘হে ভ্রাতঃ, পশ্য। বিজেপির বরিষ্ঠ নেতা আদবানি মহোদয় - তাঁর নামও রহিয়াছে ওই ডায়রির পৃষ্ঠায় (যদিচ তিনি পদত্যাগ করিয়াছেন), আমলারাও তথায় বর্তমান। ইহার পূর্বে কি কোনও কেলেংকারি ঘটে নাই এই দেশে ? রাজনীতিকরা কি অভিযুক্ত হন নাই পূর্বে ? সে সকল লইয়া প্রবল তদন্ত হইয়াছে এবং তাহা যে অতি বৃহৎ গ্রিন ব্যানানা ব্যতীত অন্য কিছু প্রসব করে নাই, তাহা বুঝিতে চিন্তন বৈঠক নিষ্প্রয়োজন। অতয়েব, হে অর্বাচীন, তুমি নিশ্চিন্তে পানভোজনে নিরত থাক এবং বাহুমূলকে বাদ্যযন্ত্র রূপে ব্যবহার কর।’’

    তাই হল, সব দলের নেতারা এবং আমলারা যখন এক সাথে আছেন তখন ‘খাঁচায় বন্দী তোতা’ আর কি করবে? এই ঘটনার অনেক পরে ২০১৩-র মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট কয়লা খনি বন্টন কেলেঙ্কারি নিয়ে শুনানির সময়ে সিবিআই সম্পর্কে বলেছিল এ হল “খাঁচায় বন্দী এক তোতা পাখি যে প্রভুর শেখানো বুলি আওড়ায়”। বেশির ভাগ রাজনৈতিক মামলার তদন্তে সিবিআই যেমন “দুর্দান্ত কৃতিত্ব’’ দেখায় এখানেও তাই হল। ধীরে ধীরে সবাই প্রমানের অভাবে ছাড়া পেয়ে গেল। মজা হল কোন দলই কিন্ত এর আগে বা পরে হাওয়ালা কেলেঙ্কারি নিয়ে তেমন সরব হয়নি। ‘ইউনিটি ইন ডাইভারসিটি’ তো একেই বলে, তাই না ?

    আজ্ঞে না মশায়, আরও অনেক কিছুকেই বলে, শুধু একটা দিক দেখলে চলবে না তো। (ক্রমশঃ)
     
  • ধারাবাহিক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৫৬৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নেতা - Nirmalya Nag
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:৩৪511758
  • দারুন। এভাবে সবাইকে ন্যাঙটো করে দেয়াটা বড় ভালো লাগলো। তাছাড়া আমরা ,,, মানে এই সাধারণ মানুষের পঙ্গপাল গন এছাড়া ‌‌‌‌আর কিই বা করতে পারি। এদের উলঙগ করার মধ্যে একটা আনন্দ আছে । তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলাম, দাদা। ধন্যবাদ। 
  • Nirmalya Nag | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০০:৫৮511877
  • @ santosh banerjee - অনেক ধন্যবাদ 
  • | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২২:৩৪511892
  • বাহ চমৎকার।
  • Nirmalya Nag | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০০:২০511896
  • @ দ - অনেক ধন্যবাদ 
  • Atish Chandra Sarkar | 117.201.154.169 | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১০:৫২511912
  • Khub sukhopathyo godye bastober chhobi phutiyechhen lekhok. Pore anondo pachhi 
  • Nirmalya Nag | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:৫৩511917
  • @ Atish Chandra Sarkar - অনেক ধন্যবাদ 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন