এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ৯

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১৪ অক্টোবর ২০২২ | ৫৪৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)

  • মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    || নয় ||

    দূরে যাওয়া বুঝিয়ে দেয়
    সে কত কাছের
    দূরকে কাছে টানাও
    তাই প্রয়োজন সময়ে সময়ে…
    যে হাত যোজন দূরে আছে
    তাকে ছোঁয়ার আশাই
    নেশা হয়ে যায়।
    আর সে নেশার ঝোঁকে,
    চিঠিরা ডানা মেলে দেয়…

    কবিতা হল মিশ্র অনুভূতির এক সুন্দর প্রকাশ, বলেছিলেন কবি ডাবলিউ এইচ অডেন। আর মিশ্র অনুভূতি যে নিয়ে আসে সে হল চিঠি। রঙ্গিন খামের ওপর যত্নে লেখা হস্তাক্ষর বলে দেয় কার চিঠি। একটা সময়ে বাড়িতে টেলিগ্রাম এলে লোকে ধরেই নিত তাতে দুঃসংবাদ আছে। চিঠির ব্যাপারটা তা নয়, হালকা হলুদ পোস্ট কার্ডের মত খোলা খাতা হলে আলাদা কথা, নিলচে রঙের ইনল্যান্ড লেটারে গোপন থাকে চিঠির বক্তব্য, যেমন থাকে সাদা বা ক্রিম রঙের খামে। সেগুলো এলেই মনটা কেমন যেন ‘ছুটি ছুটি’ করে। হাল্লার রাজা যেমন ভাবে মনের আনন্দে ছুটতে ছুটতে প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে গেছিলেন।

    আচ্ছা, মহারানী অ্যাতোসার চিঠি যিনি পেয়েছিলেন তাঁর মনও কি অমন করেছিল ? কে জানে ! কী বলছেন ?  মহারানী অ্যাতোসা কে ? আরে তিনি ছিলেন পারস্যের রানী, যে দেশ হল আজকের ইরান। আনুমানিক ৫০০ বা ৫৫০ খৃষ্টপূর্বাব্দে তিনি একখানি পত্র লিখেছিলেন যেটিকে ঐতিহাসিকরা মনে করেন পৃথিবীর প্রথম লেখা চিঠি। অবশ্য সেটি যে তিনি কাকে লিখেছিলেন বা তার বক্তব্য কী ছিল তা জানা যায় না।

    আর ভারতবর্ষে ? কালিদাসের মেঘদূতে এক নির্বাসিত যক্ষ মেঘকে অনুরোধ করেছিল স্ত্রীর কাছে তার বার্তা (অর্থাৎ চিঠি) নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখানে ‘নির্বাসন’টা খুব জরুরী বিষয়। মহাভারতে যক্ষের প্রশ্নের উত্তরে যুধিষ্ঠিরও সুখী থাকার মানদন্ড হিসেবে যা যা বলেছিলেন তার মধ্যে ‘অপ্রবাসী’ কথাটা ছিল। পঙ্কজ উধাসের গাওয়া ‘চিঠঠি আয়ি হ্যায়’ গানটা মনে পড়ে ? সেখানে বলা হয়েছিল প্রবাসীর কাছে চিঠি যেন দেশের মাটির ছোঁয়া নিয়ে আসে।

    একটা চিঠি পাওয়ার আনন্দ যে কতখানি হতে পারে তা জানার জন্য বোধ হয় সকলেরই এক বার বাইরে যাওয়া  উচিত। প্রথম চিঠি পাওয়ার সুখ যে কতখানি তা ভুক্তভোগীরাই জানেন। সেটা হাতে পেতে আমার অবশ্য একটু ইয়ে হয়েছিল। আমি আমার ইমিডিয়েট বসের সাথে কথা বলছি। অমিতাভ দূর থেকে একটা খাম হাতে নিয়ে দোলাচ্ছে। বাঙালি ছেলে, আমার সাথে এখানে কাজ পাওয়ার আগে থেকেই ও দিল্লিতে আছে, অন্য জায়গায় চাকরি করত, ফলে চিঠির মাহাত্ম ওর ভালই জানা আছে। ওকে আগে থেকেই চিনতাম, প্রথম কিস্তিতে যে বন্ধুর সাথে ডালহৌসির অফিসে যাওয়ার কথা বলেছিলাম, সেই হল অমিতাভ। ব্যাটাকে খাওয়াতে হল, তারপর সে খাম আমি হাতে পেলাম। আমেরিকান শিশু সাহিত্যিক সুজান লেনড্রথ কী আর সাধে বলেছিলেন – ‘টু রাইট ইজ হিউমান, টু রিসিভ আ লেটারঃ ডিভাইন’’। কথাটা বড্ড সত্যি, তের হাজার কিলোমিটার দূরের আর এক লেখক বনফুলের ‘চিঠি পাওয়ার পর’ গল্পটা পড়লে এটা বেশি করে মনে হয়।

    অফিসে আমাদের ঘরটা ছিল একটা বড় হল, সেখানে অনেকগুলো টেবিল, প্রতিটা চেয়ারের সামনে একটা করে ইউনিক্স সিস্টেমের কম্পিউটার। সে সব কম্পিউটারের মনিটর বা সিপিইউ এখনকার মত ছিমছাম ছিল না, অনেকটা জায়গা লাগত তাদের রাখার জন্য। অনেক পরে কিউবিকল এসে টেবিলের জায়গা নেয়। যাই হোক, সেই হলঘরের অনেক পিলারের মধ্যে একটার সাথে জোড়া ছিল একটা ছোট তাক, সেই তাকের ওপর চিঠিপত্র রাখা থাকত। নিজের চিঠি খুঁজতে এসে কেউ অন্যের চিঠি দেখতে পেলে তাকে দিয়ে দিত।

    কত চিঠি লেখার থাকত। বাড়িতে বাবা-মা্কে, বন্ধুদের, দু-এক জন আত্মীয়কে। চিঠি এলে, বিশেষ করে বড়সড় চিঠি এলে মনে হত জ্যাকপট জিতেছি। চিঠিগুলো বার বার করে পড়তাম। কিছু কিছু চিঠি এক-দুই-তিন করে ক্রনোলজিক্যালি সাজিয়ে রাখতাম আর কখনও কখনও ছুটির দিনে ঠিক সেই অর্ডারেই চিঠিগুলো পড়তাম। জানা যেত বাড়ির কথা, কলকাতার কথা, আমার প্রিয় মানুষগুলো কেমন আছে সে কথা। অবশ্য প্রিয় মানুষরা ‘কেমন আছে’ তা নিয়ে সব সময়ে সত্যি কথা বলতেন কি না সন্দেহ থেকেই যেত। ঠিক যেমন আমার কোনও সমস্যার কথা আমি ওনাদের জানাতাম না। ১৫০০ কিলোমিটার দূর থেকে আমি বা ওনারা কেউই কারও তেমন সাহায্যে লাগা সম্ভব নয়। তাই সমস্যার কথা বলার কোনও মানে নেই। অতয়েব কিঞ্চিৎ নির্দোষ মিথ্যা বাক্য উভয় তরফ থেকেই হত। আর সেগুলো যে আসলে অনৃতভাষন, তা জানা গেছিল অনেক পরে যখন দিল্লি ছেড়ে পাকাপাকি কলকাতায় ফিরে এলাম।

    বাবা-মা কিছু দিন পরে দিল্লি আসবেন বলে চিঠিতে জানিয়েছেন। মনটা খুশি খুশি হয়ে রয়েছে। ভাবছি গোল মার্কেটের বসু লজে ওঁদের থাকার বন্দোবস্ত করব। বসু লজ নিয়ে পরে আরও কিছু লেখার ইচ্ছে রইল। নইলে দিল্লি বাসের গপ্পো ‘আধুরী কাহানী’ হয়ে থেকে যাবে।

    চিঠির কথা তো অনেক হল, কিন্তু শুধু তাই দিয়েই কি যোগাযোগ রক্ষা করা হত ? আপনি বলতেই পারেন আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের আবিষ্কৃত বস্তুটি কি কোনও কম্মেই আসেনি ? মোবাইল না হয় ছেড়েই দিলেন কারণ রাজধানী লোকাল ১৯৯৬ সালের কথা বলছে ২০২২ সালে বসে।

    হ্যাঁ, ফোন তো অবশ্যই ব্যবহার হত, তবে তার আগে গ্রাহাম বেল সম্পর্কে দু-একটি কথা। ওনাকেই টেলিফোন আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয় ঠিকই, তবে এ বিষয়ে কাজ অন্যেরাও করেছেন। যেমন ধরুন ইতালি থেকে আমেরিকায় আসা আন্তোনিও মেউচ্চি। তিনি এক খানা ক্যাভিয়েট (অস্যার্থ – আমি ঘোষণা করিলাম যে আমি এক খানা ফাটাফাটি আবিষ্কার করিয়াছি) দিয়ে রেখেছিলেন ১৮৭১-এ, প্রায় ২০ বছরের গবেষণার পর। পরে আর্থিক দুরবস্থার কারণে সেই ক্যাভিয়েট নবীকরণ করা তাঁর পক্ষে আর সম্ভব হয়নি। ওদিকে গ্রাহাম বেলের উকিল পেটেন্টের দরখাস্ত করার জন্য নির্দিষ্ট অফিসে যান ১৮৭৬-এর ১৪ ফেব্রুয়ারি। আর ঠিক ওই একই দিনে ওবারলিন কলেজের এক অধ্যাপক এলিশা গ্রে-র উকিলও পেটেন্টের দরখাস্ত জমা দেন, তবে কিছুক্ষণ পরে। তাই বেলই পেটেন্ট পেয়ে যান।

    তা তিনি হয় পেটেন্ট পেলেন, দিল্লি থেকে ফোনে কলকাতাকে পাওয়া কিন্তু সোজা ছিল না সেই নব্বই-এর দশকে। এসটিডি করতে যথেষ্ট সময় এবং অর্থের দরকার হত। না না, এসটিডি-র অন্য ইয়ে মার্কা অর্থ খুঁজতে যাবেন না প্লিজ, এর মানে হল ‘সাবসক্রাইবার ট্রাংক ডায়ালিং’ মানে অপারেটরের সাহায্য ছাড়াই একটি বিশেষ অঞ্চলের বাইরে কাউকে ফোনে যোগাযোগ করা। আজকের দিনে লোকের হাতে হাতে মোবাইল, অল্প পয়সায় সারা দেশে ফোন করা যায়। তাই কম বয়সীদের পক্ষে কল্পনা করা শক্ত যে ১৯৮৬ সালে কলকাতা থেকে মাত্র পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে চুঁচড়োয় ফোন করতেও এসটিডি করতে হত।

    তখন এসটিডি-র নানা রকম রেট ছিল। সারা দিন ‘ফুল রেট’, সন্ধ্যা সাতটা থেকে নটা পর্যন্ত তার হাফ দামে ফোনালাপ করা যাবে আর রাত নটা থেকে তার দাম আরও কমে হবে কোয়ার্টার। এক-চতুর্থাংশ রেটে কথা বলার জন্য সারা দেশ রাত নটায় ফোন বুথে ভিড় জমাত, ফলে লাইন পাওয়া হত অত্যন্ত কঠিন, বিশেষ করে যদি যেখানে ফোন করতে চাওয়া হচ্ছে সেটা ছোট শহর বা গ্রাম হয়। অমন বুথ তখন গন্ডায় গন্ডায় চোখে পড়ত।

    প্রীত বিহারে আমাদের নতুন বাড়ির সামনেই এক মাঝবয়সী বিধবা ভদ্রমহিলা থাকতেন, তাঁকে আমরা আন্টি বলে ডাকতাম। তিনি একটা মুদীখানা কাম স্টেশনারি দোকান চালাতেন, তাঁর বিভিন্ন বয়সী তিন স্কুল পড়ুয়া মেয়ে তাঁকে সাহায্য করত। আর সেই দোকানেও ছিল একটা ফোনবুথ। ফোন করা যেহেতু বেশ খরচ সাপেক্ষ তাই চিঠিই ছিল ভরসা, তবে মাঝে মাঝে বাড়িতে বা বন্ধুবান্ধবদের ফোন করতে ভালই লাগত।

    রাত নটার পর বুথে ফোন করতে এসে সাধারনত চারটে জিনিস ঘটত।
    ১) ডায়াল করার পর অবিরাম বিপ-বিপ-বিপ-বিপ শব্দ হত, হতেই থাকত। অনেক বার করে ডায়াল করতে হত আর মধ্যে হঠাৎ করে একবার কানেকশন পেয়ে গেলে বিরাট ব্যাপার। অনেক সময়ে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরেও আসতে হত।

    ২) ডায়াল করার পর যান্ত্রিক কণ্ঠে ঘোষণা হত – ‘আপ কাতার মে হ্যায়, কৃপয়া প্রতীক্সা কিজিয়ে’। ‘কাতার’ মানে আরব দেশটির কথা বলা হচ্ছে না। জানানো হচ্ছে যে আপনি একটি লম্বা লাইনের কোনও একটা অংশে রয়েছেন যেখানে সবাই ঠিক সেই জায়গায় ফোন করতে চাইছে যেথায় আপনিও কারও সাথে বাক্যালাপ করতে অধীর হয়ে রয়েছেন। অবশ্য কত জনের ‘কাতারে’ দাঁড়িয়ে আছেন আর কত ঘণ্টা ‘প্রতীক্সা’ করতে হবে তা নিয়ে কোনও অ্যাডভাইসরি আসত না। সুতরাং দোকানে আমার পিছনে দাঁড়িয়ে যিনি ছটফট করছেন, তাঁকে অনিচ্ছাসহকারে ফোন ছেড়ে দিতে হত।

    ৩) ডায়াল করার পর একবারেই লাইন পাওয়া গেল। ‘রুকাবট কে লিয়ে খেদ হ্যায়’ (এটা অবশ্য ফোনে নয়, দূরদর্শনের পর্দায় ফুটে উঠত কোনও কারণে ফিড বন্ধ হয়ে গেলে) জানানোর আগেই কানেকশন যেদিন হত সেদিন মনে হত লটারির টিকিট পেয়ে গেছি।

    এবং…

    ৪) আপনি বন্ধুর বাড়ি ফোন করেছেন, লাইনও পেয়েছেন। বন্ধুর বাবা ফোন ধরাতে আপনি বললেন, ‘’কাকু, আমি পকাই বলছি দিল্লি থেকে, হাঁদু আছে ?’’ হাঁদুর বাবাঃ « আরে পকাই, কেমন আছ ? কাজকর্ম কেমন চলছে ? দিল্লি ভাল লাগছে তো ? ওদিকে তো এখন খুব গরম, তাই না ? এদিকেও কাল ৪০ ডিগ্রি টেমপারেচর ছিল।‘’ এই ভাবে চলছে, আপনি ইয়েস, নো, ভেরি গুড ইত্যাদি উত্তর দিতে দিতে আড় চোখে দেখছেন মিটার চড়ছে। একবার বললেন, "হাঁদু বাড়ি নেই?" কাকু বললেন, "হ্যাঁ হ্যাঁ আছে, দাঁড়াও দিচ্ছি। হাঁদুউউউউউউ… ! ফোনের কথামুখে হাত চাপা না দিয়েই জোর গলায় ডাকা হল ছেলেকে, তার অভিঘাত সামলাতে আপনি দ্রুত কান থেকে ফোন সরালেন। দু সেকেন্ড পরে আবার যখন কানে ফোন নিলেন তখন দেখলেন কানেকশন কেটে গেছে। আর তারপর হাজার চেষ্টা করেও আর বন্ধুর বাড়ির লাইন মিলল না। দাঁত কিড়মিড় করতে করতে কষ্টার্জিত পয়সা ফোন বুথ মালিকের হাতে তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরে গেলেন।   

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখে গেছেন, "বন্ধু হারালে দুনিয়াটা খাঁ খাঁ করে / ভেঙে যায় গ্রাম নদীও শুকনো ধু ধু / খেলার বয়স পেরোলেও একা ঘরে / বার বার দেখি বন্ধুরই মুখ শুধু"। কিন্তু বন্ধু কি শুধু হারায় ? তাকে তো পাওয়াও যায়, সাত সমুদ্র তের নদীর পারে, অজানা লোকের মিছিলের ভিড়ে হঠাৎ করেই ভেসে ওঠে চেনা মুখ। (ক্রমশঃ)
     
  • ধারাবাহিক | ১৪ অক্টোবর ২০২২ | ৫৪৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন