এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ১৪

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২৫ নভেম্বর ২০২২ | ২৭৪ বার পঠিত

  • মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
    “বার্লিনের বড় রাস্তা কুরফুর্স্টেনডাম যেখানে উলান্ডস্ট্রাসের সঙ্গে মিশেছে, সেখান থেকে উলান্ডস্ট্রাসে উজিয়ে দু-তিন খানা বাড়ি ছাড়ার পরেই ‘Hindusthan Haus’ অর্থাৎ ‘Hindusthan House’ অর্থাৎ ‘ভারতীয় ভবন’। আসলে রেস্তোরাঁ, দা-ঠাকুরের হোটেল বললেই ঠিক হয়। জর্মনি শুয়োরের দেশ, অর্থাৎ জর্মনির প্রধান খাদ্য শূকর মাংস। হিন্দুস্থান হাউসে সে মাংসের প্রবেশ নিষেধ। সেই যে তার প্রধান গুণ তা নয়, তার আসল গুণ, সেখানে ভাত ডাল মাছ তরকারি মিষ্টি খেতে পাওয়া যায় ।’’

    সৈয়দ মুজতবা আলির ‘স্বয়ংবরা’ গল্পে জার্মানির রাজধানীতে যা ‘Hindusthan Haus’, আমাদের এই রচনায় তা হল ‘বসু লজ’। নিউ দিল্লির গোল মার্কেটে। এরও আসল গুণ এখানে ভাত ডাল তরকারি মাছ মাংস পাওয়া যায়। আর একটা মিল হল শুয়োরের মাংস এখানেও অমিল। আমাদের পকেটের পক্ষে একটু কষ্টকর হলেও মাঝে মধ্যে সেখানে ঢুঁ মারা হত - দু মাসে অন্তত এক বার তো বটেই। তবে তা নিয়ে বলার আগে গোল মার্কেট সম্পর্কে কিছু বার্তা দেওয়া যাক।

    লুটিয়েন সাহেব ১৯২১ সালে একটা আটকোনা বাড়ি – আসলে একটা বাজার - বানিয়েছিলেন কনট প্লেস থেকে একটু দূরে। ওই বাড়ি ঘিরে আছে একটা গোল রাস্তা যেখান থেকে বেশ কয়েকটা পথ বেরিয়ে বিভিন্ন দিকে গেছে। তাদের মধ্যে আছে পেশোয়া রোড, রামকৃষ্ণ আশ্রম রোড, শহীদ ভগৎ সিং মার্গ, ভাই বীর সিং মার্গ ইত্যাদি। এই জায়গাটাই গোল মার্কেট।

    অফিস থেকে বেরিয়ে একটা অটো ধরে বা হাতে সময় থাকলে হেঁটেই আমি আর তথা এই আমড়াতলার মোড়ে আসতাম বসু লজে যাব বলে। অনেক সময়ে শীর্ষেন্দু, অলয়ও থাকত। দু-এক বার দাশগুপ্ত সাহেবও আমাদের সঙ্গ দিয়েছেন। আমরা ওখানে নিরামিষ থালি পেতাম ২৫ টাকায়, আর ফিস মিল (রুই বা কাতলা) ৩৫ টাকায়। ভাত, ডাল, তরকারি যত চাই পাওয়া যাবে, তবে মাছ নয়। মনে আছে ওখানে একবার ইলিশ মাছও খেয়েছিলাম, তবে তার জন্য কতটা মূল্য ধরে দিয়েছিলাম সেটা আজ আর মনে নেই।  অবশ্য় পরের কয়েক দিন কিঞ্চিৎ কৃচ্ছসাধন করতে হয়েছিল। প্রীতবিহারের প্রাসাদে তো আমরা নম নম করে খাওয়া দাওয়া সারতাম, তাই মাঝে মাঝে বসু লজ আমাদের নেমন্তন্ন বাড়ি বলে মনে হত। কেউ যদি দাবী করে এখানে আমরা প্রায় ‘আধমণি কৈলাসের’ মত খেতাম তবে নতমস্তকে মেনে নেওয়া ছাড়া আমাদের উপায় নেই। কী বলছেন ? ‘আধমণি কৈলাস’ ব্যাপারটা কী ?

    বহু বছর আগে ‘শুকতারা’ পত্রিকায় একটা গল্প পড়েছিলাম, নাম ছিল ‘আধমণি কৈলাস’। লেখকের নাম মনে নেই। কৈলাস বলে একজন লোক নাকি আধ মণ (১৮.৫ কেজির একটু বেশি) ওজনের খাবার খেতে পারত, তাকে নিয়েই ছিল ওই গল্প। ‘আধ মণ’ খাবার খাওয়াটা হয়তো একটু বাড়াবাড়ি, তবে অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে খেতে অনেকেই পারতেন বা পারেন। শুনেছি এককালে এই রকমের লোককে ভাড়া করে নিয়ে যাওয়া হত বরযাত্রী বা কণেযাত্রীর তরফ থেকে, যাতে এক ডজন লোকের খাবার তারা একাই খেয়ে নিয়ে অন্য পক্ষকে বিব্রত করতে পারে। এই ধরণের অসভ্যতা মনে হয় এখন বন্ধ হয়েছে।

    আধ মণ না হলেও অনেকেই প্রচুর খেতে পারে। আর তার নাকি নানাবিধ কায়দা কানুনও আছে। তেমনই এক জনের কাছে শুনেছি অনুষ্ঠান বাড়িতে নেমন্তন্ন থাকলে প্রথমে বসে খেতে হয়, শেষের দিকে দাঁড়িয়ে। তাতে নাকি পেটের মধ্যে এক্সট্রা জায়গা তৈরি হয়। রসগোল্লা বেশি খেতে হলে রস চিপে ফেলে দিয়ে খেতে হবে সেটা তো সাধারণ জ্ঞান, তবে সাথে রাখতে হবে লেবু আর নুন যাতে মিষ্টিতে মুখ মেরে দিলে ওই যুগ্ম স্বাদে তাকে ফের বাঁচিয়ে তোলা যায়। ছেলেটাকে বলেছিলাম এই সব টিপস এক জায়গায় নিয়ে একটা বই লিখে ফ্যাল। সে ব্যাটা খুব হাসল, তারপর বলল এ সব খুব গোপন বিদ্যে, আর গোপন বিদ্যের কথা কোনও বইতে লেখা যায় না। আমি প্রতিবাদ করায় এক চোখ টিপে ফিসফিস করে বলল, “চুরি বিদ্যের কোনও মেড ইজি বই-এর সন্ধান জানা আছে না কি দাদা ?’’ স্বীকার করতেই হল অমন কোনও বই-এর খবর জানি না।

    বই-এর কথায় মনে এল কলকাতায় যেমন কলেজ স্ট্রিট, দিল্লিতে হল দরিয়া গঞ্জ। এটা হল পুরনো দিল্লিতে, অ-নে-ক দিন আগে যার নাম ছিল শাহজাহনাবাদ। রবিবার দিন গোলচা আর ডিলাইট সিনেমার মাঝের জায়গার ফুটপাথগুলো ভরে যেত বইয়ে – বেশির ভাগই পুরনো সেকেন্ড হ্যাণ্ড বা পাইরেটেড। অন্যান্য ভাষার বইপত্তরও চোখে পড়তে পারে। আমি বাংলা মিডিয়ামে পড়াশোনা করা ছেলে। বাংলা বই পড়ার অভ্যেস আছে, তবে স্বাস্থবান ইংরেজি বই দেখলে গায়ে জ্বর আসে (ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রছাত্রীদের উল্টোটা হয়)। যাই হোক, উচ্চ মাধ্যমিকে ইংরেজিতে কিঞ্চিৎ ভাল নম্বর জোটায় ডানা গজিয়েছিল, তাই কলেজে ভর্তি হলাম প্রাক্তন প্রভুদের ভাষা নিয়ে পড়াশোনা করার জন্য। তাতে অবশ্য লাভ হল না, নম্বরও মোটেই বুক বাজিয়ে বলার মত হল না। যাই হোক, তবু এই কোম্পানিতে চাকরি পেয়ে গেলাম যেখানে ওই ভাষায় বিস্তর লেখাজোখা করতে হবে। তাই একটু পড়াশোনাও করতে হবে, আর সেসব বই লরেলের মত না হয়ে হার্ডির মত হতেই পারে। এই রকম একটু ভয়ে ভয়ে দিন কাটানোর সময়ে একটা রবিবারে কোনও দরকারে গেছিলাম দরিয়া গঞ্জে। এইক্ষেত্রে দরিয়া মানে যমুনা নদী হলেও আমি দেখলাম পাহাড় - বই-এর পাহাড়। পাহাড় শব্দটা ব্যবহার করা ঠিক হল না অবশ্য, কারণ বইগুলোর বেশিরভাগ শোয়ানো ছিল ফুটপাথে। সেগুলো ডাঁই করলে অবশ্য পাহাড়ই হয়ে যাবে। পড়ার বই, খেলাধুলোর বই, অভিধান, ক্লাসিক, সিনেমা-নাটকের বই, কমিক্স – কী নেই সেখানে ?

    তা যাক, আমি বইগুলো দেখতে দেখতে যাচ্ছিলাম, চোখ আটকে গেল একটা বইতে, পাইরেটেড সেকেন্ড হ্যান্ড ইংরেজি বই। প্রচ্ছদে ছবি রয়েছে সাদা পোশাকের এক আধশোয়া লাস্যময়ীর, আর তাঁর ছবির নিচেই বই-এর নাম ‘দ্য সেকেন্ড লেডি’। বই-এর নাম না জানলেও লেখকের নামের সাথে পরিচয় ছিল – আরভিং ওয়ালেস। জানতাম ইনি থ্রিলার লেখেন। পাতা উলটে দেখলাম পলিটিক্যাল থ্রিলার। কোল্ড ওয়ারের সময়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট সস্ত্রীক রাশিয়ায় এসেছেন। মস্কোর কর্তারা তাঁর স্ত্রীকে লুকিয়ে ফেললেন আর আগে থেকে তালিম দিয়ে রাখা অন্য এক মহিলা চলে এলেন তাঁর জায়গায়। এর পর কী হইল জানে শ্যামলাল, মানে জানতে হলে পড়তে হবে বইটা। দাম জিজ্ঞেস করে বুঝলাম সস্তায় পুষ্টিকর খাদ্য, তাই কিনে ফেললাম। বাড়ি এসে পড়া শুরু। থ্রিলারের সুবিধে হল টানটান গল্প আর রহস্যের ঘনঘটা, প্রতিটা শব্দের মানে বুঝে বুঝে পড়ার দরকার পরে না, তরতরিয়ে পড়ে ফেললাম। বুঝলাম আরভিং ওয়ালেস সাহেবের কেন এত নাম। এর পর পড়লাম, আর একটা থ্রিলার – দরিয়া গঞ্জ থেকে কিনে, তারপর আরও একটা। তবে পরের গুলোর নাম আর মনে নেই। কিছুদিন পরে দেখলাম গাবদা ইংরেজি বই পড়তে কোনও সমস্যাই হচ্ছে না।

    চাণক্য বলেছিলেন, “পুস্তকস্থা তু যা বিদ্যা পরহস্তগতং ধনম্। কার্যকালে সমুৎপন্নে ন সা বিদ্যা ন তদ্ধনম্।।’’ অর্থাৎ যে জ্ঞান বই-এর মধ্যেই আটকে আছে, যাকে কাজে প্রয়োগ করা হয়নি, তার সাথে অন্যের হাতে চলে যাওয়া চলে যাওয়া ধনদৌলতের কোনও তফাত নেই। কারণ সেটাও কোনও কাজে লাগবে না। ওয়ালেস বাবুর পুস্তক হইতে পরোক্ষে লব্ধ ঈদৃশ জ্ঞান তাই আমিও বিতরণ করিলাম। অতঃপর আপনি কী করিবেন তাহা আপনারই বিবেচ্য। বন্ধুবান্ধবীদের অনেকের ছেলেমেয়েরাই ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ত, তারা দুঃখ করত সন্তানেরা বাংলা বই পড়তে চায় না বলে। এই পরামর্শ তাদের দেওয়াতে তারা ফেলুদা বা ওই রকমের বই তাদের হাতে তুলে দেয় আর উপকার পায়।

    দরিয়া গঞ্জের বই বাজার এখন কেমন আছে জানি না। ২০১৯-এ দিল্লি হাই কোর্টের আদেশে ওই অঞ্চলে হকারি করা বন্ধ হয়ে গেছে। সেটা জেনে খারাপ লেগেছিল। কী আর করা যাবে ? সব আশা তো আর পূরণ হয় না। গালিবের ভাষায় “হাজারো খোয়াইসে অ্যায়সি কি হর খোয়াইস পে দম নিকলে / বহুত নিকলে হ্যায় মেরে আরমান লেকিন ফিরভি কম নিকলে।’’

    আমার অফের দিনে তথাগতর ডিউটি থাকলে অনেক সময়েই সারা দিন বই পড়ে কাটিয়েছি। তবে একবার নাইট ডিউটির সময়ে যা করেছিলাম সেটা আমার নিজের কাছেও অদ্ভুত লেগেছিল। (ক্রমশঃ)
  • ধারাবাহিক | ২৫ নভেম্বর ২০২২ | ২৭৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Bismoy Ray | 223.191.41.251 | ২৫ নভেম্বর ২০২২ ১০:৫৭514135
  • I too,  read this thriller by Irving Wallace,  and as far as I can recall the name of the lady on the cover was named Vera Vavilova !  Other names were unimportant for obvious reasons
  • Nirmalya Nag | ৩০ নভেম্বর ২০২২ ২১:৪০514282
  • @ Bismoy Ray - Thank you. I forgot all the names of the book and have only a faint recollection of the storyline.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন