এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • রাজধানী লোকাল - ৮

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪০৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  •  
     
                     
                                                                   
                                                                   মূল ছবিঃ নিখিল মানান
     
     
    ||  আট  ||

    প্রীত বিহারে বাস থেকে নামলেই চোখে পড়বে বিরাট সাইনবোর্ড। তাতে লালের ওপর সাদা দিয়ে বড় করে লেখা “উইম্পি”। বার্গার, পিৎজা এই সব কনটিনেন্টাল খাবারের রেস্টুরেন্ট। ভেতরে গেলে হলুদ টি-শার্টের ইউনিফর্ম পরা ছেলেমেয়েরা আপনাকে আপ্যায়ন করবে। নব্বই দশকে অর্থনীতির মুক্ত বাতাসে ভর করে যে সমস্ত পশ্চিমী কোম্পানি সবার আগে এ দেশে ভেসে এসেছিল, তাদের মধ্যেই ছিল “উইম্পি'। অনেক দেশেই ব্যবসা এই কোম্পানির। আমাদের পোড়া কলকাতা শহরে অবশ্য তার পা পড়েনি কখনও, দিল্লিতে দু-তিনখানা ছিল তখন। তারই একটা আলো করে আছে প্রীত বিহার বাস স্ট্যান্ডে। আইটিও মোড় আর যমুনা নদী পেরিয়ে বিকাশ মার্গ ধরে এগোলে প্রথমে লক্সমি নগর, তারপর শকরপুর, আর তার পরেই প্রীত বিহার।

    এখান থেকে উত্তর দিকে মিনিট দশ হেঁটে গিয়ে আমাদের বাড়ি। আর ওই হাঁটাটাই হচ্ছে সমস্যা। কারণ মাঝখানে একটা ফাঁকা জায়গায় একটা বড় জঞ্জালের ভ্যাট আছে আর সেখানে রাজত্ব করে খান কুড়ির এক সারমেয় বাহিনী।

    ওই ভ্যাটের পাশ দিয়ে যেই যায় তাকেই শ্রেণীশত্রু ধরে নিয়ে লেজ উচিয়ে সগর্জনে তেড়ে যায় সেই নেড়ির দলের কোন সভ্য বা সভ্যা। তো সেই কুকুরের শুভবুদ্ধির ওপর ভরসা করা ছাড়া আপনার কোনও উপায় নেই। বিশেষ করে রাতের ডিউটি থেকে ফেরার সময়ে ওখান দিয়ে প্রাণ হাতে করে না হলেও, হাত-পা হাতে করেই ফিরতে হত। কী বলছেন ? শ্রেণীশত্রু কাকে বলে জানেন না? মহা মুশকিল। শুনুন, যার ‘শুভবুদ্ধি’ নেই, সেই হল ‘শ্রেণীশত্রু’। বুঝলেন তো, এবার পড়ে যান।

    কিন্ত কুকুর নাকি প্রচুর বুদ্ধি ধরে, তা সত্বেও আমার বা তথাগতর মত নিরীহ চেহারার লোককে এরা তাড়া করে কেন? এ নিয়ে কিঞ্চিৎ গবেষণা করা হল। তাতে দেখা গেল প্রীতবিহারী রোডেসিয়ানদের এ হেন অপ্রীতিকর আচরণের অন্ততঃ দুটো কারণ থাকতে পারে।

    প্রথমতঃ, ডিপ্লোম্যাসি কাকে বলে? সে জিনিসটা হল এমন একটা আর্ট, যাতে একটা কুকুরকে ততক্ষণই বাবা বাছা করতে হয়, যতক্ষণ না হাতে ঢিল পাওয়া যাচ্ছে। এখন এরা হল রাজধানীর কুকুর; তাই পলিটিক্স, ডিপ্লোম্যাসি ভালোই বোঝে। আর বোঝে বলেই বাবা বাছা করার সুযোগটুকু দেয় না, খুব জানে যে সুযোগ দিলেই আপনি ঢিলের খোঁজ করবেন।

    দ্বিতীয়তঃ, কুকুর কাকে সব চেয়ে ভয় পায়? হিন্দী ছবির হিরোকে। দুর্ভাগ্যক্রমে আমি বা তথাগত কেউই তা নই। তাই ভিলেনকে বলা হিরোর ডায়ালগ “কুত্তে, ম্যায় তেরা খুন পী যাউঙ্গা” বলে তড়পাতে পারি না, আর তাই আমাদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ ওদের নেই।

    তবু যে তারা আমাদের দাঁত খিঁচানো ছাড়া আর কিছু করেনি তার কারণ বোধ হয় দুবলা পাতলা বাঙালী বলে ক্ষমা ঘেন্না করে দিয়েছিল। এই একই কাজ পরে আরও এক জন করেছিল, তবে তার কথা যাকে বলে "যথাস্থানে" বলব। দু-এক বার অবশ্য রিকশাওয়ালার “ভিসার” দৌলতে “নেড়িল্যাণ্ডের” বর্ডার পেরিয়েছি, সীমান্ত সংঘর্ষ ছাড়াই।

    যাই হোক, সারমেয় সন্ত্রাসের হাত থেকে বেঁচে গেলে আর অসুবিধে নেই। সোজা গটগটিয়ে হেঁটে অটো স্ট্যান্ডকে ডান হাতে রেখে এগিয়ে গেলে একটা ইডলি দোসার দোকানে ধাক্কা খাবেন। ওখান থেকে বাঁ দিকে ঘুরে দু-পা গেলেই বাঁ দিকে আমাদের নতুন বাড়ি।

    বাড়ি মানে একটা ঘর। বাইরের বেশ বড় গ্রিলের গেটটা খুললেই ডান দিকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি, আর সেখানেই আমাদের ঘর। বিজয় নগরে আমাদের ঘরটা ছিল চৌকো, আর এখানে সেটা লম্বা, আয়তনে একটু বড়। স্নানঘরটা এখানেও কমন, তবে ভাগ করে নিতে হয় কেবল মাত্র দোতলার অন্য বাসিন্দা - বাড়িওয়ালির মেয়ে, জামাই রমেশ আর তাদের ছোট বাচ্চা পুনীতের সঙ্গে। তব্বে হ্যাঁ, এই বাথরুমে - হুঁ হুঁ বাবা, গিজার আছে। এদের স্নান হয়ে গেলেই আমরা চানঘরে গান করতে ঢুকে যেতাম গরম গরম পানিতে।  

    এ বাড়িটার একটা বিশেষত্ব আছে - একটা এক ফুট বাই এক ফুট গর্ত নেমে গেছে ছাত থেকে এক তলা পর্যন্ত। ছাতে যেখানে গর্তটা পৌঁছছে সেখানে একটা ম্যানহোলের জালির মত জিনিস, যাতে কেউ শর্টকাটে এক তলা পর্যন্ত চলে যেতে না পারে। গর্তটা যেখানে আমাদের ঘরের দেওয়ালের পাশ দিয়ে গেছে সেখানে একটা ছোট জানলার মত খোপ, তবে পাল্লা নেই। গর্তটা খুব সম্ভব ভেন্টিলেশনের কাজে সাহায্য করে।

    অফিস এখান থেকে ১০ কিলোমিটারেরও কম, বিজয় নগর আর একটু বেশি দূরে ছিল। তবে এদিকে রাস্তা ঘাট অনেক ভাল, বাসও বেশি পাওয়া যায়, লাল কেল্লার সামনে যেমন হয়, সে রকম মোগলাই জ্যামও এই রুটে কোথাও নেই। সুতরাং যাতায়াতে কিছু সময় বাঁচবে। জরুরী প্রয়োজনে পাশেই আছে অটো স্ট্যান্ড।

    দিল্লির অটো একটা দারুন ব্যাপার - চলে মিটারে, ট্যাক্সির মত। তাকে ভয়ও নেই, ভরসাও নেই। কলকাতায় অটো চলে রুটে - তাকেও ভরসা নেই, তবে ভয় আছে বিলক্ষণ। কলকাতার ট্যাক্সিওয়ালাদের যাবতীয় সদ-গুণাবলী দিল্লির অটোওয়ালাদের মধ্যে বিদ্যমান। মিটারে কারচুপি করা, পাঁচ কিলোমিটারের রাস্তা যেতে ২৫ কিলোমিটার ঘোরানো, আপনার  পাওনা খুচরো ফেরত না দেওয়া, ইত্যাদি ইত্যাদি। পার্লামেন্ট স্ট্রীটে আমাদের অফিস থেকে গোল মার্কেট যেতে ভাড়া হত সাড়ে নয় টাকা। দশ টাকার নোট দিলে ৫০ পয়সা ফেরত পাওয়ার আশা না করাই ভাল। বহুবার ওই দূরত্ব অটোয় চেপে সফর করেছি, মাত্র দু জন চালক না চাইতেই একটা আধুলি ফেরত দিয়েছিল। সফদরজং রোডে ইন্দিরা গান্ধী মিউজিয়াম দেখে বেড়িয়ে আমি আর তথাগত অটো ধরে অফিসের দিকে ফিরছি। একটা মোড় এল যেখান থেকে জানি ডান দিকে যেতে হবে, অটোওয়ালা অম্লান বদনে বামপন্থী হয়ে গেল। তথাগত সঙ্গে সঙ্গে অটো থামিয়ে ভাড়া মিটিয়ে দিল। দিল্লি এসে এসেই একটা ম্যাপ কিনে পর্যবেক্ষন করলেও ওই দিকের রাস্তা আমাদের জানা নেই, কোথায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে কে জানে।

    যাই হোক, নতুন জায়গায় এসে আমি আর তথাগত ঠিক করলাম আমাদের আরও স্বাবলম্বী হতে হবে। বেশ কয়েক বছর পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের ‘আত্মনির্ভর’ হতে বলবেন। ব্যাপারটা আমরা আগেই শুরু করে দিয়েছিলাম। নিজেদের টুকটাক কাজ নিজেরাই করতাম, জামা কাপড় ইস্তিরি করাটা বাদে। সেটা করতে দেওয়া হত পাড়ার মধ্যেই এক ইস্তিরিওয়ালাকে। তার ইস্তিরিটা আমাদের কাছে নতুন ঠেকেছিল। আমরা বাড়িতে ইলেকট্রিক ইস্তিরি আর দোকানে উনুনে গরম করা লোহার ইস্তিরি দেখেছি। এখানে দেখলাম কাঠ-কয়লার ইস্তিরি। জিনিসটা বেশ বড়, ভেতরটা ফাঁপা। হাতলের দিকটা দিয়ে ইস্তিরির ওপরটা বাক্সের ঢাকনার মত খোলা যায়। এবার ভেতরের ফাঁকা জায়গায় জ্বলন্ত কাঠ-কয়লা ভরে দিয়ে ঢাকনা লাগিয়ে দিলেই হল। জ্বলন্ত কাঠ-কয়লায় অক্সিজেন জোগানোর জন্য বাক্সের পাশের দেওয়ালে ফুটো থাকত। হাওয়া ঢোকার পাশাপাশি সেই ফুটো দিয়ে আগুনের ফুলকি বেড়িয়ে মাঝে মাঝেই আমাদের জামায় ভেন্টিলেশনের জন্য চমৎকার ব্যাবস্থা করে দিত। সেই ইস্তিরিওয়ালা জামাকাপড়ও কাচত, একবারই তাকে আমার একটা জামা কাচতে দেওয়া হয়েছিল, সেটা তিনি হারিয়ে ফেলেন। তার পর ইস্তিরিওয়ালাকে শুধু ইস্তিরি করতেই দেওয়া হত।

    আচ্ছা, ইস্তিরি বা ইস্ত্রি শব্দটা কি বাংলা? স্ত্রী-র অপভ্রংশ মনে হয় না? সাধারণতঃ স্ত্রী-রা ইস্তিরি করেন বলেই কি শব্দটা এল? নারীবাদীদের এটা নিয়ে অবশ্যই প্রতিবাদ আন্দোলন করা উচিত। নিজের থিওরিতে নিজেই চমৎকৃত হলাম। আর সেটাকে কনফার্ম করতে গিয়েই... যা হয় আর কি... “ধুক করে নিভে গেল বুক ভরা আশা”। জানলাম ইস্তিরি-র সঙ্গে স্ত্রী-র কোন ধাতুগত সম্পর্ক নেই, শব্দটা এসেছে পর্তুগীজ Estirar-এর থেকে। তার অর্থ হল টেনে সমান করা।

    স্বাবলম্বী হওয়ার কথা বলছিলাম। এখানে কাবুল মার্কা খাবারের দোকান কাছেই ছিল, দিল্লির আর পাঁচটা পাড়ায় যেমন থাকে। কিন্তু না, আমরা সেখানে খাব না। কর্মক্ষমতার বারটা একটু উঁচুতে তুলে ঠিক করলাম নিজেরাই রান্না করব। আমার রুমমেটটি চুল বাঁধতে... মানে আঁচড়াতে জানে, তবে রাঁধতে নয়। আমি রান্নায় ভীমসেন নই, তবে কাজ চালিয়ে নিতে পারি। তথাগত ঘোর ডেমোক্রেটিক, জানিয়ে দিল আমি হেঁসেল সামলালে বাসন মাজার প্রোলেতারিয় কাজটা ওই করবে৷

    অতএব কেনা হল প্রেসার কুকার, হাঁড়ি কড়াই খুন্তি সাঁড়াশি থালা বাটি ইত্যাদি বাসন, একটা গ্যাস স্টোভ আর একটা চার না পাঁচ কেজি গ্যাস সিলিন্ডার। ব্র্যান্ডেড নয়, লোকাল। চা-এর জোগাড় অবশ্য রাখলাম না। সকালে অফিস না থাকলে কাছেই একটা দোকানে চা খেতে যেতাম আর সেখানে হিন্দী খবরের কাগজ খুঁটিয়ে পড়ার চেষ্টা করতাম। সব্জি বাজার করতে গিয়ে দেখা গেল এখানে ২৫০ গ্রামের হিসেবে জিনিস দেয়। নতুন ধরনের ফুলকপি দেখলাম গাঢ় সবুজ রঙের। নাম দিলাম ইকো-ফ্রেন্ডলি কপি। ও হরি, পরে জানলাম ওটাই নাকি সেই বিখ্যাত ব্রকোলি। কলকাতার সাধারণ বাজারে তখনও পাওয়া যেত না এ বস্তুটি। এ ছাড়া পাওয়া যায় টিন্ডা। এটাও অবশ্য আগে কখনও কলকাতায় দেখেছি বলে মনে হয় না৷আর দেখলাম কাঁচা লংকা না চাইলেও কয়েকখানা দিয়ে দেয় সবজিওয়ালা।

    শুরু হল আমাদের রান্না। ঠিক করলাম বেশির ভাগ দিন মাখন দিয়ে গরম গরম সেদ্ধ ভাত থাব। আর ছুটির দিনে জমিয়ে খাওয়া। কিন্তু মাখন তৈলাক্ত জিনিস, পিছলে আমাদের হাত থেকে বেরিয়ে গেল। এক জন লোক ফ্রিজে রাখা বাসি খাবার এক দম পছন্দ করত না। তাই বৌ-এর চোখের আড়ালে সেই সব খাবারের পাত্রে চুপি চুপি ট্যালকম পাওডার ছড়িয়ে দিত। তার পর বৌকে বলত, “খাবারে ছাতা পড়ে গেছে, ফেলে দাও, ফেলে দাও।” আমাদের ফ্রিজ ছিল না, মা বলেছিলেন জলে মাখন ডুবিয়ে রাখতে আর নিয়মিত সেই জল পালটে দিতে। কিন্তু জল পালটাতে প্রায়ই ভুলে যেতাম, আর দেখতাম মাখনের ওপর প্রাকৃতিক ট্যালকম পাওডার, অর্থাৎ সত্যিই ছাতা পড়ে গেছে। বার দুই তিন এমন হওয়ার পর মাখন ছেড়ে ঘি ধরলাম, সমস্যার সমাধান হল।

    এক দিন অধ্যাপককে নেমন্তন্ন করলাম। আর হবি তো হ, সে দিনই রান্না খারাপ হল। কিন্তু কিমাশ্চর্যম, পোড়া ঢ্যাঁড়স ভাজা আর গলে যাওয়া ভাত খেয়েও বাগচী দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে দিল! তথাগত গন্তীরভাবে জিজ্ঞেস করল, “অধ্যাপক মশাই, পরীক্ষার খাতাও কি আপনি এই রকম মাপকাঠিতেই দেখেন?”

    দাশগুপ্ত সাহেবকেও একবার নেমন্তন্ন করা হয়েছিল। সে দিন তথাগত আর রিস্ক নিতে চায়নি। খাওয়াদাওয়া হয়েছিল উইম্পিতে। [সেখানে আমি আর দাশগুপ্ত দুজনেও একবার খেয়েছিলাম, সেটার কথা পরে বলব]। সেদিন রাতে আমাদের ঘরে কিঞ্চিৎ আড্ডার পর দুটো খাটকে জুড়ে তিন জনের শোওয়ার বন্দোবস্ত হল। পরের দিন সকলেরই অফিস আছে। ঘুমানোর আগে আলো নেভানোর সময়ে দাশগুপ্ত তার সাহেবী উচ্চারণে জানতে চাইল আমাদের কাছে কোনও “জ্বাঁল” আছে কিনা, একটু পড়াশোনা না করলে তাঁর ঘুম আসে না।
    আমি, তথাগতঃ কী? কী?
    সাহেবঃ জ্বাঁল, জ্বাঁল!
    আমিঃ সেটা কী?
    সাহেবঃ (বাধ্য হয়ে বাঙালি উচ্চারণে ফিরে) জার্নাল, জার্নাল। আছে কিছু?
    তথাগতঃ মাথায় জ্ঞানেন্দ্রমোহন ছুঁড়ে মারব শালা। রাত আড়াইটের সময়ে উনি জ্বাঁল খুঁজছেন! ঘুমো!
     
    জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের গাবদা অভিধান অবশ্য আমাদের কাছে ছিল না, তবে তথার হুমকিতে কাজ হল। সাহেব চুপ করে গেলেন। ঘুমিয়ে পড়ার আগে আমার মনে পড়ল বাড়িতে চিঠি লেখা হয়নি কয়েক দিন। তেমন কোনও চিঠি পাইওনি ক’দিন হল। (ক্রমশঃ)
     
  • ধারাবাহিক | ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪০৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন