ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • হস্টেলের মেয়েরা

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ০৪ আগস্ট ২০২২ | ৩৫৪ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • ইউনিভার্সিটির আর্টস বিল্ডিংয়ের চার নং গেট দিয়ে ঢুকে সোওওজা চলে যাও। ছোট ঝিল বাঁ পাশে রেখে আরো একটু এগিয়ে ডানহাতে ঘোরো। এবার এসি মানে আমাদের প্রাণের অ্যামিনিটি সেন্টারের পেছন দিয়ে বেরিয়ে বামদিকে সোজা হেঁটে যাও। রাস্তার দুধারে বড় বড় গাছ। ডান দিকে সারি সারি স্টাফ কোয়ার্টার। একদম গিয়ে পৌঁছাবে ইউনিভার্সিটির গেস্টহাউসে। তার ডানদিকে বড় ঝিল। বাঁধানো ঘাট। আর ডানদিকে এল এইচ। পিছনে পাঁচিল আর পাঁচিলের পাশেই রেললাইন। চারতলার ছাতে উঠলে দেখা যেত রেললাইনের পাশে  ঝুপড়ি। সেখানে যাঁরা থাকতেন তাঁরা কাগজ কুড়াতেন। হয়তো এখনো তাই করেন।

    তার ওপাশে কলকাতার মধ্যে নিতান্ত এক সবুজ মফস্বলে এলাকা। পুরো সবুজ হয়ে যাওয়া একটা পানাপুকুরের আশেপাশে ছোট ছোট বাড়ি। সাইকেল। সাইকেল রিক্সা। পুকুরের বাসন মাজা বৌ। দুটো ছাত ছিল পুরোনো বিল্ডিংয়ের। একটা দোতলার ছোট ছাত। একটা ওপরে বড় ছাত। প্রথমে তো তিনতলা ছিল। পরে চারতলা হল। একদল  তরুণী ইউ জি টা পুরো একতলায় কাটিয়ে পিজিতে চারতলায় গেছিল।

    শীতের দুপুরে আর পরীক্ষার আগে আমার অনেকটা সময় বড় ছাতে কাটত। বই খাতা নিয়ে ছাতে চলে যেতাম। রুমে পড়তে বসলেই পাঁচমিনিট বাদে বাদে তুমুল গল্প হত যে ! জলের ট্যাঙ্কের ছায়ায় বসে কমলালেবু খেতে খেতে পড়তাম। মাঝে মাঝে ছাতের পাঁচিলের পাশে দাঁড়িয়ে ঐ সবুজ মফস্বল দেখতাম। বন্ধু চলে আসতো ছাতে খুঁজতে। অনেক গল্প, গান, আড্ডা হয়েছে ঐ ছাতে। এইসময় গুলো গুমোট গরমে হাল্কা বাতাসের মতো ভেসে আসে। ধরে রাখতে পারি না। তারা এসে এসে ভেসে যায়। মনে হয়, আর একবার। একবার যদি ঐ হস্টেলের ছাতে গিয়ে দাঁড়াতে পারতাম! পিছনের শ্যামলা রোগা, হাতে ঢলঢলে ব্রোঞ্জের চুড়ি পরা পাড়াটা কী তেমনটি আছে আর? সম্ভবত নেই। বহুতল হয়ে গেছে। পুকুর বুজে গেছে। তেমনটাই হওয়ার কথা। সেই আমরা কয়েকজন। যারা ছুটির দুপুর, সন্ধে, রাতের খাওয়ার পর ছাতে গুণগুণ করে ঘুরে বেড়াতাম... কে কোথায় ছিটকে গেছি। ছাতের শ্যাওলা পরা দেওয়ালে আমাদের গুঞ্জন ধরা আছে?

    যাদবপুরে আমাদের সময় অধ্যাপকদের সঙ্গে খুব সুন্দর একটি শ্রদ্ধামিশ্রিত ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। তাঁরা কেউই আমাদের সঙ্গে অনাবশ্যক দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন না, আবার একেবারে ঘাড়ে হাত দেওয়া বন্ধুত্বও ছিল না। আমরা অনায়াসে তাঁদের পাশে বসে ফিল্ম সোসাইটির উদ্যোগে গান্ধীভবনে ছবিও দেখেছি আবার ক্যান্টিনে চা খেতে গিয়েও তাঁদের কারু সঙ্গে দেখা হলে কথা বলেছি। অনেকেই গল্পও করতো। আমি স্বভাব মুখচোরা বলে একটু আড়ালেই থাকতাম।

    গান্ধীভবনে বার্গম্যান রেট্রোস্পেকটিভ দেখানো হচ্ছে। আমি, সোমা পাশাপাশি। আমাদের ঠিক পাশে বসেছেন মালিনীদি আর মিহিরদা। সেভেন্থ সিল দেখানো হচ্ছে। ফার্স্ট ইয়ার। ছবি শেষ হওয়ার পর মিহিরদা টাক চুলকে আমাদের বললেন, বড্ড কঠিন, না? মালিনীদি গম্ভীর ভাবে মিহিরদার দিকে একবার তাকালেন। আমরা হেসে ফেললাম। 

    ক্লাস থেকে হস্টেলে ফেরার সময় অনেকদিন আমরা  গান্ধী ভবনের পিছনের সিঁড়িতে বসতাম। সোমা, আমি, শ্রীপর্ণা, দীপশ্রী, ঈশিতা। নন্দু মানে নন্দিনী মাঝে মাঝে আসতো। হস্টেল ঢিল ছোঁড়া দূরত্ব। দীপশ্রীর হাতের টুকটাক লাল নেইল পলিশ। ডিপিজ আর নন্দু দুজনেই ভালো খেলাধূলো করতো। সাঁতারে বেশ উঁচু লেভেলেই ছিল ওরা।

    সেইসব দীঘল তরুণী
    এসে যারা বসেছিল পাশে
    এখনো তারাই খোঁজ রাখে
    দূর থেকে হাসে, ভালোবাসে।

    বলেছি আগেই, তখন এল এইচে সিট পাওয়া দুরূহ ছিল। প্রথম কিছুদিন গেস্ট হয়ে থাকতে হত অনেক মেয়েদেরই।  গেস্ট হয়ে থাকা মানে হস্টেলের কোন মেয়ের গেস্ট। তার ঘরে, তার ওপর বাকি দুজন রুমমেটের সঙ্গে শেয়ার করে থাকতে হবে। মিল চার্জ বেশি লাগবে। এবং অসুবিধে তো আছেই। তাও মেয়েরা ঐভাবে থাকতো একস্ট্রা ফোল্ডিং বেড নিয়ে। পড়াশোনাটা করতে হবে তো।

    আমিও প্রথম কিছুদিন গেস্ট হয়ে ছিলাম। তার আগে কিছুদিন হিন্দুস্তান পার্কের জ্যেঠুর বাড়ি থেকে যাতায়াত। তারপর আরো কাছে হবে বলে গড়ফার জ্যেঠুর বাড়ি থেকে। প্রায় মাস তিন চার। গড়ফা থেকে যখন আসতাম তখন একটা ভিন্ন জগত দেখেছি।  আসলে ক্যাম্পাসের মেইনগেটের ডান পাশের পৃথিবী আর বামপাশের পৃথিবী ছিল একেবারে আলাদা। মেইন গেটের ডানপাশে নিতান্ত  মফস্বলী দোকানপাট। প্লাস্টিকের জুতো, ঝুটো গয়না, শস্তা নেইলপলিশ, ব্যাগ, চুড়িদার, নাইটির অজস্র দোকান। চুড়িদার তখন খুব বাজার চলতি। এবং চুড়িদার,  এত মানে কিন্ত লেগিন্স নয়। সরু পা এবং পায়ের কাছে চুড়ির মত হয়ে থাকবে অনেকটা। মনে হয় পরার ঝামেলার জন্য চুড়ি পা আর অত পপুলার থাকল না। স্ট্রেইট প্যান্ট চলে এলো। পোশাকের বিবর্তন অনেকটাই চলাফেরার সুবিধেমতো হয়ে থাকে। সেই রাস্তাটা এখন খুব মনে পড়ে। এইট বি বাসস্ট্যান্ডের ঠিক উল্টোদিকে একটা বেশ ভালো খাবার জায়গা ছিল। কী যে নাম! এখন বেশ পশ হয়ে গেছে নাকি। তখন সোঁদা গন্ধ ছিল মশারির দোকানে, বাসনালয়ে, মণিহারী দোকানে। এখন খাঁটি মণিহারী দোকান আর পাই না। মুদির দোকানও ছিল। চিঁড়ে, মুড়ি চাইলেই হাতের কাছে। সুহানা ওদিকে যেত আই লাইনার কিনতে। আমাদের দশ বারোজনের গ্রুপে সেই একমাত্র আই লাইনার ব্যবহার করত।

    কিন্ত আমাদের সময় একটা নিঃশব্দ বিপ্লব ঘটল। হস্টেলের সিটের জন্য অপেক্ষা করে থেকে থেকে একদিন মেয়েরা একটা কান্ড ঘটিয়ে ফেলল। মেয়ে হস্টেলের পাশে, বিশাল ঝিলের ধারের চমৎকার সুসজ্জিত কেতাদুরস্ত গেস্ট হাউসটি, হস্টেলের সিটের জন্য অপেক্ষা করে থাকা, থাকা, থাকা ক্লান্ত মেয়েরা দখল করে নিল।

    ঐসময় উপাচার্য ছিলেন মণীন্দ্রমোহন চক্রবর্তী আর ডিন ছিলেন বিশ্বাসদা। 'বিশ্বাসদা' কিন্তু ওদিকে আমাদের বালিগঞ্জ গার্ডেন্সের বাসার পুরোনো প্রতিবেশী। ছোটবেলায় তাঁর দুই ছেলে খেলার সঙ্গী ছিল। কাকিমার মুখটি এখনো চোখে ভাসে। শ্যামলা। ডিমের মতো মুখ। চোখে চশমা। একটা বেণী। গোলাপি শাড়ি। ম্যাচিং ব্লাউজ। বেঁটে ছাতা। কাঁধে ব্যাগ। চাকরি করতে যাচ্ছেন। আর হেমাঙ্গ বিশ্বাসের ভাই হিমেন্দু বিশ্বাস মানে এই লম্বা ফর্সা একহারা চেহারার কাকু। মাথার চুল এলোমেলো। সবসময়ই হন্তদন্ত। ছোটবেলার কাকু তখন 'বিশ্বাসদা'। বিশ্বাসদার বড় পুত্র এবং আমার ছোটবেলার খেলার সঙ্গী অভিজিত আবার আমার কার্মেল ইস্কুলের বন্ধু দুর্বার বর! কী মজার ব্যাপার! আর বিশ্বাসদা/কাকুর ছোটপুত্র, সেও আমার ছোটবেলার খেলার সঙ্গী, গ্যাংস অব ওয়াসিপুরের চিত্রনাট্যলেখক। ছোটবেলায় ওর নাক দিয়ে সর্দি গড়াত। খুব চেঁচিয়ে, দৌড়াদৌড়ি, হুড়োহুড়ি করে খেলতাম আমরা! ওরা সেইন্ট লরেন্সে পড়তো। আমরা একতলায়। ওরা দোতলায় থাকতো।

    যা বলছিলাম, গেস্ট হাউস দখল করে নেওয়া একটা বেশ বড় ব্যাপার। এখনকার দিন হলে খবরের কাগজ, পত্রিকা, টিভি, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপে ছেয়ে যেত সব। সিরিয়ালও হয়ে যেতে পারত।

    তখন সেইসব ছিলও না। হয়ও নি। তবে উপাচার্য এবং ডীন অব স্টুডেন্টস বিশেষ বিচলিত হয়েছিলেন। এইবার মেয়েদের থাকার ঠিকঠাক একটা ব্যবস্থা করতেই হবে, বুঝেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    সেই বিক্ষোভ মেয়েরা ঘটিয়েছিলেন নিজেরাই। খুব শান্তিপূর্ণ ভাবে দখল এবং গেস্টহাউসে বসবাস। গেস্টহাউসটি রূপকথার রাজত্ব। মেয়েদের হস্টেলে গেলে বোঝা যায় হস্টেলবাড়িগুলো আসলে একেকটা রাজপ্রাসাদ। আর প্রত্যেকটি মেয়েই এক একটি রাজকুমারী। কেউ উচ্ছল। কেউ শান্ত। কেউ প্রগলভ। কেউ স্বল্পবাক। কিন্ত তারা সকলেই এক একেকটি রাজকুমারি। খুব কাছে থেকে দেখেছি বলেই বলছি। কেউ বড় শহর থেকে এসেছে। কেউ গ্রাম থেকে। কেউ মফস্বল থেকে। দুবাই থেকে এসেছে কেউ। কেউ আমার মত কলকাতার বাসিন্দা হয়েও হস্টেল নিবাসী বাবা মা দূরে আছেন বলে। এখন মনে হয় ছোট জায়গা, বড় জায়গা মিলিয়ে মিশিয়ে থাকার অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। তাতে অনেকখানি দেখা যায়। প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস দুটোই সেরে যায়। জীবনের যতটা পারা যায় দেখে নেওয়া ভাল।

    ( গতকাল রাজকুমারি নামে একটি মেয়ের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এলো। প্রোফাইল দেখলাম। তিনি এখন অধ্যাপিকা। আমার প্রথম জীবনের, প্রথম ক্লাসের ছাত্রী। ক্লাসের শেষে দৌড়ে এসে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ম্যাম, ডু ইউ স্পিক বেঙ্গলি অ্যাট হোম? তাঁর মনে হয়েছিল ম্যাম বাড়িতেও আংরেজি বলে। বাপরে! এইসময়ে অনার্সের ক্লাসে আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান পড়াতাম। ছাত্রীরা নাকি আড়ালে দিদিমণিকে রাইনা পেটকফ বলতো। আর বার্লো স্কুলে যখন পড়িয়েছি দু' বছর তখন মেয়েরা নাম দিয়েছিল রিনি সাইমন। এসব কথা ছাত্রীরাই আবার বন্ধু হয়ে পরে শেয়ার করেছেন। এইসবই জে ইউ এবং এল এইচের স্পর্শে পাওয়া। তখন মজাই লাগত। নতুন দিদিমণির এগুলো প্রাপ্তি ছিল। একটি ছোট্ট মেয়ে তার মা' কে বলেছিল, সে বড় হয় অনুরাধাদিদির মত কলেজে পড়াবে আর সুন্দর সুন্দর শাড়ি পরবে। তার আর কোন কাজ আছে নাকি? খাতা দেখা শেষ করে  নম্বর আপলোড করতে করতে দেখি আকাশ কালো করে এসেছে। দৌড়ে ছাতে গিয়ে জামা কাপড় তুলি। রাতের জন্য কিছু একটা বানিয়ে নিতে হবে। হঠাৎই তার কথা মনে পড়ল। )
  • ধারাবাহিক | ০৪ আগস্ট ২০২২ | ৩৫৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:7899:678a:3762:c851 | ০৫ আগস্ট ২০২২ ০০:২৫510759
  • ঐ জায়গাগুলো এত পরিচিত ছিলো! সব মনে করিয়ে দিলেন।
  • Ranjan Roy | ০৫ আগস্ট ২০২২ ১৩:৫১510779
  • আগ্রহের সঙ্গে  স্মৃতিমেদুর প্রত্যেকটি কিস্তি পড়ছি।
  • Papiya | 2405:201:4:10dc:b1c4:9b21:c2b:8cec | ০৫ আগস্ট ২০২২ ১৪:৩৯510782
  • আমি 99-03 ছিলাম, সব ছবির মত মনে পড়ছে 
  • PM | 118.179.121.122 | ০৬ আগস্ট ২০২২ ১৫:৩০510814
  • আমার পুচকে মেয়েটা মুম্বাই তে পড়তে যাবে। উনির  হস্টেল এ থাকবে পাওয়াই হিরানান্দানিতে। বাড়ি শুদ্ধ  সবাই ডিপ্রেশনে :( . ওকে সিরিজ টা পড়াচ্ছি  .
  • Anuradha Kunda | ১০ আগস্ট ২০২২ ২৩:১৯510907
  • সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। ভালো লাগছে আপনারা পড়ছেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন