বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • হস্টেলের মেয়েরা - ৭

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ১০ আগস্ট ২০২২ | ৩৭৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • দিদি মানি অর্ডাআআর!

    আমাদের মানি অর্ডার এলে মঙ্গল ডেকে দিত। নিতান্ত কেউ ক্লাসে চলে গেলে সুপার সই করে টাকা নিতেন। সে ফিরলে তাকে দিয়ে দিতেন। মানি অর্ডার শব্দটা এই ফোন পে, গুগল পে' র সময়ে কেমন অচল হয়ে গেছে। অনলাইন শপিং, অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টে অভ্যস্ত আমরা যে হস্টেল জীবনে বাড়ি থেকে পাঠানো মানি অর্ডারের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম, সেটা আজকাল মনেই পড়ে না!

    ক্যাম্পাসের মধ্যেই একটা স্টেট ব্যাঙ্কের ব্রান্চ আছে। মেইন গেট দিয়ে ঢুকে ডান হাতে। এখন আছে? জানি না। বাবা আমার আঠেরো হতেই ওখানে অ্যাকাউন্ট খুলতে বললেন। নিজে ব্যাঙ্কের ট্র্যানজাকশন শেখো। আর্টস বিল্ডিংয়ের পাঁচিলেরপাশেই সেরামিকস কলেজ। ওখানে বাবার বন্ধু ছিলেন অলাচৌ মানে অমরেন্দ্রলাল চৌধুরি। কাকু ফর্মে সই করে দিলেন। নিজে নিজে গিয়ে প্রথম নিজের অ্যাকাউন্ট খুললাম। পরে সেখানেই টাকা পাঠিয়ে দিতেন বাবা। তবু মানি অর্ডার পাওয়ার একটা আলাদা আনন্দ ছিল। মনটা কেমন ফুরফুরে হয়ে যেত। হয়তো সেদিন একটা হাউজকোট কেনা হল। বা বই। ছাত্র জীবনে আমরা কেউই নিজেদের জন্য শাড়ি বা ঝুটো গয়না কিনিনি। মায়ের শাড়িই কাফি। বেশির ভাগ সালোয়ার কুর্তা বা জিন্স টপ। তবে শাড়ি খুবই পরতাম সবাই। ওকেশন ছাড়াই। মায়েদের শাড়ি। সে পরার সুখ আলাদা।

    আমরা সকলে তো বেশ সীমিত টাকায় চলতাম। বন্ধুদের কাউকেই খুব বিলাসিতা করতে দেখিনি। মেসিং এর  টাকা বাদ দিয়ে টিফিন, বই খাতা, বাইরে বিসিএল বা ইউসিজ যাওয়ার বাসভাড়া, নাটক ফিল্ম দেখা আর টুকটাক দরকারি জিনিস কেনা। হেয়ারব্যান্ড, ক্লিপ। এছাড়া আমাদের কীই বা খরচ ছিল। টুথপেস্ট-টাও তো বাড়ি থেকে নিয়ে আসতাম।

    তবে আমাদের বন্ধুদের সবার কমবেশি একটা অভ্যেস ছিল। বাড়ি থেকে যে টাকা পাঠানো হত, তার থেকেই টাকা জমিয়ে বাবা, মায়ের জন্য কিছু কিনে রাখা। বাবার একটা শার্ট পিস, মায়ের একটা শাড়ি, বাড়ির জন্য কিছুমিছু। এই শপিংটা বেশির ভাগ হত গড়িয়াহাট বা নিউমার্কেট থেকে।দক্ষিণাপণ তখন গজাচ্ছে সবে। ডলিজে পঁচিশ টাকা দিয়ে এক কাপ চা তখন আমরা ভাবতামই না! ছুটির আগে বাড়ির জন্য কেনাকাটা হত টাকা জমিয়ে।

    গড়িয়াহাট থেকে কেনা হত বেডশিট। বেডকাভার। আর নিউমার্কেট থেকে বাড়ির জন্য শখের কেনাকাটা।  মায়ের জন্য খুব সুন্দর একটা প্যাস্টেল শেডের শাড়ি কিনেছিলাম নিউমার্কেট থেকে, সেটা এখনো আছে। বা মঞ্জুষা থেকে একটা তাঁতের শাড়ি। কী আনন্দ হত বাড়ির জন্যে  কেনাকাটা করে! ব্যাপারটা কিন্ত পুরো মাছের তেলে মাছ ভাজা। গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজো। সে যাই বলো, আনন্দ হত বেজায়। ফিরে এসে সবাই সবার কেনাকাটা দেখত।
    এই দ্যাখ, মায়ের জন্য এই শাড়িটা!
    বাবার জন্য পাঞ্জাবির কাপড়।
    বা পর্দার কাপড়! তখনো ফ্যাব ইন্ডিয়া জাঁকিয়ে বসেনি কলকাতায়। রাসবিহারীতে কী যেন দোকানটা! ওখান থেকে হ্যান্ডলুমের পর্দার কাপড় নিতাম।
    জীবনেও শপিং করে এত আনন্দ পাইনি ।

    তাই মানি অর্ডার আসার দিনটা খুব স্পেশ্যাল ছিল। ক্যাশলেস শপিংএর তুমুল পণ্যদিনে, হাতে সেই মানি অর্ডারের টাকাটা পাওয়ার আনন্দকে রিলেট করা মুশকিল।

    একসময় ইচ্ছে গুলো আকাশে মেঘ হয়ে ভাসতো। মাঝে মাঝে ঝুপঝুপ করে বৃষ্টি হত ইচ্ছে পূরণের। টইটম্বুর ভিজে আমরা হোস্টেল বালিকারা রংবেরং এর ফুল হয়ে ফুটতাম। সারা মাঠে আমাদের সবুজ দৌড়াদৌড়ি। সারা সন্ধা ভিজে রাতে তুমুল জ্বর এল স্বাগতার। আমরা জলপটি দেই। থারমোমিটার লাগাই। জ্বর কথা শোনে না। খুব ভয় করে আমাদের। আমরা দৌড়ে যাই সুপারের ঘরে। "দিদি দিদি স্বাগতার খুব জ্বর। কি সব বলছে জ্বরের ঘোরে। ওষুধ দিয়েছি। কমছে না। সুপার দু'টি কিশোরী কন্যার জননী। তিনি তাদের নিয়ে ডিনারে বসেছেন সাজিয়ে গুছিয়ে। মাছের কাঁটা চুষতে চুষতে বললেন "তো আমি কি করব? লোকাল গার্জেন কে  ফোন করো"
    আমরা হতবাক। এঁরই অফিসিয়াল দায়িত্বে মা বাবা রেখে গেছেন সদ্য তরুণীদের দলকে।

    বুঝলাম এখানে আমাদের কোনও অভিভাবক নেই। আমরা সবাই একা একা। বর্ষা যদি জ্বর হয়ে আসে, আমরা নিজেরাই হয়ে যাব নিজেদের ছাতা। হোক পলকা। হোক ফুটো। ডাঁটি উলটে যাক। তবু তো মাথা বাঁচবে। তাই বর্ষা মাথায় করে চললাম ডাক্তারের খোঁজে। ভাগ্যিস এখানে কড়াকড়ি কম। সে নিয়ে নিন্দা করার শুভাকাঙ্খীদেরও অভাব নেই। তবে ঠেকা বেঠেকায় নিয়ম আলগা না হলে যে বিপদে পড়তে হয় তাও সেই হস্টেল-পাঠ। ডাক্তারবাবু ওষুধ লিখে দিলেন।আসবেন পরেরদিন সকালে। ওষুধ নিয়ে ফিরি। পালা করে রাত জাগা চলে। জ্বরের ঘোরে স্বাগতা, কম্পিউটার সায়েন্স প্রলাপ বকছে, "দিদি, আমাকে জেঠুর বাড়ি পাঠাবেন না প্লীজ। ওরা বিরক্ত হবে।" আমরা কেউ কেউ চমকে উঠি। ভাবি তাও আবার হয় নাকি? মনের গভীর কোণে কেউ আমলকী পাতা বুলিয়ে দেয়।

    সদ্য কৈশোর পার হওয়া মেয়েরা তখন জ্বরের ঘোরে প্রলাপ বকা মেয়েটির দিদি বোন মা হয়ে ওঠে সহজেই। মাঝরাতে ঘরের কোণে হিটারে জল গরম হয়। সুপ্রিয়া পড়ছে। রিতা আর সুমিতা স্বাগতার বিছানায় ওর মাথার কাছে পায়ের কাছে। জলপটি চলছে। রাত জাগুনিদের জন্যে কফি হবে। জ্বর একটু কমলো? এই বার রিতা শুতে যা। রুমা উঠে গেছে। হোস্টেল ঘরের নিষ্প্রভ ফ্যাকাশে দেয়াল, রাশিরাশি জামাকাপড় চড়ানো আলনা, বইপত্র ভর্তি বিছানা টেবিল, ঘড়ির টিকটিক। রাত বাড়ে। মৃদু গপ্প হয়। রক্ত সম্পর্কিত আত্মীয়তার বাইরে এক গভীরতর আত্মীয়তা জন্ম হয়। তার নাম বন্ধুত্ব।

    মনের কথা আদানপ্রদান চলে। একটু আধটু পি এন পি  সি। তার মধ্যে বন্ধুকে ধরে টয়লেটে নিয়ে যাওয়া। থারমোমিটার। এই একটু কমেছে। হালকা করে হরলিকস খাবি? ভোর হল বুঝি! স্বাগতা ঘুমাল। টেপে খুব আস্তে গান চালিয়ে দেয় সোমা। আমির খান। পরদা ওড়ে পাখার বাতাসে। ভোরের নরম আলোতে হোসটলের বিষন্ন ঘরটি কেমন মায়াময় হয়ে ওঠে। অলৌকিক ভালবাসারা জন্ম নেয়। আমির গানের বিষন্ন ভারি কন্ঠে আলাপ ঘরের মধ্যে বাতাসের সঙ্গে ঘুরপাক খায়। বন্ধু বন্ধুর জ্বরো কপালে আদরের হাত রাখে। মুড়ি খাওয়ার বাটিতে জল দিয়ে রুমাল ভিজিয়ে নিরাময়ের নরম জলপটি।

    আরো একটু আলো ফুটলে সিনিয়র দিদিরা এসে খোঁজ নেয়। "ইস!!! রাতে বলিস নি কেন? ডাকতে পারতিস!", এই সেই সিনিয়র না, যে ragging করার সময় ভীষন আওয়াজ দিয়েছিল?সেই রাগি দিদি, যার চোখ আশ্চর্য রকম সুন্দর, সে কতবার এসে খোঁজ নিয়ে গেল। রূপাদি, যাকে দেখতাম মত টিপ আর কানে ঝুমকো, ব্লক প্রিন্ট ঝলমল করে ক্লাসে যাচ্ছে, সে স্পনজ করে দিচ্ছে আমাদের অসুস্থ বন্ধুকে। "তোরা রেস্ট নে। ক্লাসে যা।" রূপাদি একদম মায়ের মত ভালো। ঢুলুঢুলু চোখ রুমি, যাকে প্রথম প্রথম ভয় পেতাম খুব, সেও তো এসে দিব্যি খোঁজখবর করে গেল, স্বাগতা আর ভুল বকছে না।

    আস্তে আস্তে সম্পর্ক গুলো দানা বাঁধে, বেলা গড়িয়ে দুপুর হয়। নাদুশনুদুশ সুপার খেয়ে দেয়ে পান চিবিয়ে দুলকি চালে ঘরে আসেন,  "কেমন আছে? এখনও লোকাল গার্জেন কে খবর দেওয়া হয়নি?"

    আমরা অন্য দিকে তাকাই। অগ্রাহ্য করার বিদ্যে রপ্ত হচ্ছে তখন। দুপুরবেলা সুমি থেকে যায় ক্লাস বাদ দিয়ে। রেফারেন্স লিখছে বন্ধুর পায়ের কাছে বসে। দরকার মত এগিয়ে দিচ্ছে জল, ওষুধ খাইয়ে দিচ্ছে। কোনো বিরক্তি নেই।

    সে মেয়ে আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে ওঠে। সেরে ওঠার আনন্দে ঘরে আড্ডার আসর আবার দানা বাঁধে। হোসটেলের সকাল খুব নিজস্ব। কেউ প্রগাঢ় ঘুম, কেউ বই মুখে। সময় নেই কারো। সন্ধে বেলা হালকা আডডা। জমজমাট আড্ডা বসে ডিনারের পর। অদিতি, রুমা, উর্মি, রত্না কেশ চর্চা করছে। একশ স্ট্রোক গুণে গুণে। মৈত্রী, পাঁচু, সোমা মুখে ক্রিম ঘষছে। সুহানা মাস্ক লাগিয়ে টানটান। স্বাগতার পিঠে দুটো বালিশ দিয়ে বসিয়ে দিই। ওর বাড়ি থেকে ফোন এলে বলি "চিন্তা কোরো না কাকিমা। একটু জ্বর।" গানে গপপে ইয়ারকি ফাজলামি তে ঘর ঝলমল করে। সুহানা চোখ খুলছে না। মাস্ক নষ্ট হবে। ওদিকে তার মাথার চুলে কাগের বাসা। ঘরকুনোরা হস্টেলের ঘরে ফুল রাখি কাঁচের গেলাসে। আমাদের বন্ধুর জ্বর অনাবিল আনন্দের কাছে হেরে  কোথায় উধাও!! তার অনারে আমরা মুড়ি মাখি বাদাম লংকা পেঁয়াজ কুচি দিয়ে। আজ তোর মুখে মুড়ি। সেই সেরে ওঠার সুগন্ধ আজও অমলিন। সেইসব মায়াবী রাত, জ্বর তপ্ত দুপুর  মনের মধ্যে যে উষ্ণ কোণ তৈরী করেছিল, এখনও তার ওম মনকে মুড়ে রাখে প্রবল অস্তিবোধে। এত নাস্তির মধ্যেও।

    রাত জাগার হাতে খড়ি হয়েছিল হসটেলে গিয়ে। সেখানে ডিনারের পর একপ্রস্থ আড্ডা। চুলবাঁধা। মুখে ক্রিম ঘষা। পা পালিশ। পেছনে লাগা, পরচর্চা। তারপর বারোটা বাজলে যে যার টেবিলে পড়তে বসা। সেই পড়তে বসে সোমাতে আমাতে কত রাত গভীর আড্ডায় কেটে গেছে। মেহেদী হাসান রনজিশি শাহি গেয়ে গেয়ে থেমে গেছেন, দেবব্রত বিশ্বাস তুমি রবে নীরবে গাইলেন, দুয়ার ঝড়ে ভাঙলো ... কনিকার বুলবুল কন্ঠে আজি যে রজনীর সুর ছড়িয়ে গেল করিডোরে। পাশের ঘর থেকে উর্মি পড়া ছেড়ে গান শুনে আরেক পর্ব গপ্পো করে গেল। পরভীন সুলতানা যখন সোনার ঝিলিক ছড়িয়ে মালকোষ আলাপ ধরলেন, আমরা আরেকবার হরলিকস বা কমপ্ল্যান খেয়ে শুতে যাই।

    বাড়ি গেলে রাত জাগার বহর দেখে মা বাবা টের পেলেন মেয়ে ভীষণ পড়ছে! আর গান শুনে পড়লে পড়া নাকি বড্ড  ভালো হয়!!! 
  • ধারাবাহিক | ১০ আগস্ট ২০২২ | ৩৭৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১১ আগস্ট ২০২২ ০৮:৩০510915
  • অত্যন্ত মায়াময় ভালো লেখা। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
  • অদিতি | 43.226.29.146 | ১৬ আগস্ট ২০২২ ১৮:২২511081
  • চেনা দুঃখ চেনা সুখ 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন