• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ১২ নভেম্বর ২০২০ | ১৮০ বার পঠিত | ৫/৫ (২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ডেভিড লিভিংস্টোনআফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হবে আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রস্তুতি প্রায় শেষ। বেরোনোর আগে সুলতানের শুভেচ্ছা নিতে তাঁর প্রাসাদে। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। তরজমায় স্বাতী রায়


    দ্বিতীয় অধ্যায়—অভিযানের প্রস্তুতি (শেষ অংশ)

    আমরা যখন সুলতানের প্রাসাদের দরজার গজ-কুড়ির মধ্যে, দেখি সুলতান দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। আমাদের দেখা মাত্র ডান হাত প্রসারিত করে, হাসি মুখে সিঁড়ি দিয়ে, সৈন্যদলের মাঝখান দিয়ে, আমাদের স্বাগত জানাতে নীচে নেমে এলেন। আমরা টুপি তুলে অভিবাদন জানালাম ও তাঁর সঙ্গে হাত মেলালাম। তারপরে, তিনি আমাদের যেমন বললেন সেই মতো আমরা এগিয়ে গিয়ে দরজার সর্বোচ্চ ধাপে দাঁড়ালাম। তিনি আমাদের এগিয়ে যেতে ইশারা করলেন; আমরা মাথা নোয়ালাম, এগিয়ে গিয়ে একটি সরু, রংহীন সিঁড়ির সামনে পৌঁছালাম। আবার সুলতানের দিকে তাকালাম। তিনি বললেন, “এগিয়ে যান”, আমরা সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠলাম, খানিকটা হতবাক হয়েই, কারণ আমার ঠিক পিছনেই সিঁড়ি দিয়ে উঠছেন তিনি—একজন সার্বভৌম সুলতানের জন্য অবস্থানটি ভারী আপত্তিজনক। রাষ্ট্রদূত দেখলাম পাশ ফিরে উপরে উঠলেন, শালীনতা এবং মর্যাদা দুয়ের মধ্যে একটা সমঝোতা করে ওপরে ওঠার প্রচেষ্টা। সিঁড়ির ওপরে উঠে আমরা অপেক্ষা করছিলাম, প্রিন্স তখনও সিঁড়ি দিয়ে উঠছেন, তাঁর দিকে মুখ করে। আবার তিনি উদারভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে বললেন কারণ সংবর্ধনা কক্ষ ও সিংহাসন কক্ষ সিঁড়ির ঠিক সামনেই। দূরতম প্রান্তের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে দেখলাম যে ঘরটা বিশাল উঁচু, আরবি কায়দায় সাজানো, পুরু পারস্যের গালিচা, আসবাবপত্রের মধ্যে ডজনখানেক সোনায় মোড়া চেয়ার ও একটি ঝাড়বাতিও চোখে পড়ল।

    আমরা বসলাম; বৃদ্ধ, সম্ভ্রান্ত-দর্শন, শুল্ক-সংগ্রাহক বানিয়া, তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমান মুখশ্রীর লুধা দামজি সুলতানের ডানদিকে বসেছিলেন। তাঁর পাশে ছিলেন বিখ্যাত মহামেডান বণিক তারিয়া টোপন। তিনি যে কেবল মহিমান্বিত সুলতানের পরামর্শদাতা বলেই সেই সাক্ষাত্কারে উপস্থিত ছিলেন তা নয়, আমেরিকান অভিযানের প্রতিও তাঁর খুবই আগ্রহ ছিল। লুধার বিপরীতে বসেছিলেন ক্যাপটেন ওয়েব। এবং তাঁর পাশে আমি, তারিয়া টোপনের বিপরীতে। সুলতান আমেরিকানদের ও তাঁর পরামর্শদাতাদের মাঝে একটি স্বর্ণমণ্ডিত চেয়ারে বসেছিলেন। দোভাষী জোহরি সুলতানের সামনে বিনীতভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন, সুলতানের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা শুরু হলেই তা ভাষান্তর করতে প্রস্তুত ও উদ্‌গ্রীব।



    জাঞ্জিবারের সুলতান বরগশ বিন সয়ীদ অল-বুসয়ীদ, মাঝখানে বসে। ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে তারিয়া টোপন। সঙ্গে অন্যান্য সভাসদগণ।


    পোশাক দেখলে সুলতানকে মিংগ্রেলিয়ান মনে হতেও পারে, তবে পাগড়িটি ব্যতিক্রম। লাল, হলুদ, বাদামি ও সাদা রঙের পর পর ভাঁজগুলি তাঁর মাথাটি ঘিরে ছিল। গাঢ় রঙের লম্বা পোশাক, কোমর ঘিরে মূল্যবান কোমরবন্ধ, তাতে সোনা-মোড়ানো খাপে ঝুলছে সোনার হাতলওলা তলোয়ার। তার পা খালি ও প্রকাণ্ড চেহারার। তিনি জাঞ্জিবারের অদ্ভুত অভিশাপে ভুগছিলেন—এলিফান্টিয়াসিস অর্থাৎ গোদ। তাঁর পায়ে পুরু তলাযুক্ত ওয়াটা (আরবি ভাষায় চপ্পল)—সেটির পাদপৃষ্ঠের উপর দিয়ে একটি শক্ত চামড়া দেওয়া। তাঁর উজ্জ্বল গায়ের রং এবং সঠিক, ধীমান, সুগঠিত আকৃতি আরব আভিজাত্যের সাক্ষ্য দেয়। অবশ্য তাঁর আভিজাত্য আর তাঁর যে উচ্চ বংশে জন্ম সে ছাড়া তাঁর চেহারা থেকে আর কোনো চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যই বোঝা যায় না। কেবলমাত্র একটা অমায়িকতার ছাপ দেখা যায়, সেই সঙ্গে নিজের ও চারপাশের সম্বন্ধে সম্পূর্ণ পরিতুষ্টি।

    প্রিন্স বা সৈয়দ বরগশ, জাঞ্জিবার, পেম্বা ও আফ্রিকার পূর্ব উপকূলের, সোমালিল্যান্ড থেকে মোজাম্বিক পর্যন্ত এলাকার সুলতান। আমার চোখে তিনি এমনভাবেই ধরা দিয়েছিলেন।
    সোনার আবরণীর মধ্যে বসানো কাপে কফি এল, সঙ্গে নারকেলের দুধ আর কড়া মিষ্টি শররত। কথোপকথনের শুরু হল মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে প্রশ্নে, “কেমন আছেন?”

    —ভালো আছি। ধন্যবাদ। মহিমান্বিত সুলতান কেমন আছেন?

    সুলতান, “বেশ ভালো!”

    আমার কাছে তিনি জানতে চাইলেন, “আপনি ভালো আছেন?”

    উত্তর দিলাম, “বেশ ভালো আছি, ধন্যবাদ!”

    দূতমহোদয় এবার কাজের কথা পাড়লেন, এবং মহামহিম সুলতান আমার ভ্রমণ সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করতে শুরু করলেন—“পারস্য কেমন লাগল?”, “কারবালা, বাগদাদ, মাসর, ইস্তাম্বুল দেখলেন?”, “তুর্কদেশে কি অনেক সৈন্য দেখলেন?”, “পারস্যে কত সৈন্য আছে?”, “পারস্যের জমি কি উর্বর?”, “জাঞ্জিবার কেমন লাগল?”

    প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরে আমি যা বললাম, তাতে মহামহিম সন্তুষ্ট হলেন, তারপর তিনি তাঁর বাগামোয়োর ও কাওলের কর্মচারীদের উদ্দেশে আমার পরিচয় দিয়ে লেখা চিঠি আমার হাতে তুলে দিলেন। আরও একটা সাধারণ পরিচয়পত্রও দিলেন সব আরব বণিকদের উদ্দেশে, যাদের সঙ্গে আমার রাস্তায় দেখা হতে পারে। আর শেষকালে বললেন যে আমার অভিযানের যাই উদ্দেশ্য হোক না কেন, সেই কাজে যেন আমি অবশ্যই পুরোপুরি সফল হই।

    ঢোকার সময় যেভাবে মাথা নীচু করে অভিবাদন করেছিলাম, সেই একই ভাবে অভিবাদন করতে করতে আমরা সুলতানের থেকে বিদায় নিলাম। সুলতান নিজে ওই বিশাল প্রবেশ দ্বার অবধি আমাদের সঙ্গে এলেন।

    সালামের মি. গুডহু একজন আমেরিকান বণিক, জাঞ্জিবারের বহু পুরোনো বাসিন্দা। তাঁকে বিদায় জানাতে গেলে, তিনি আমাকে একটি রক্ত-লাল ঘোড়া উপহার দিয়েছিলেন। ‘কেপ অফ গুড হোপ’ থেকে আনানো ঘোড়াটার দাম জঞ্জিবারে কমপক্ষে ৫০০ ডলার হবে।

    ফেব্রুয়ারি মাসের চার তারিখে, আমার জাঞ্জিবারে পা রাখার আঠাশ দিন পরে, ‘নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড অভিযানের’ সকল জিনিসপত্র কেনা ও সব ব্যবস্থাপনা শেষ হল; তাঁবু, জিন সব বানানো সারা, নৌকাও পাল খাটিয়ে ভাসার জন্য প্রস্তুত, গাধা ডাকছে, ঘোড়ারাও চিঁহিহি করছে—সবাই যাত্রা শুরু করতে উদ্‌গ্রীব।



    জাঞ্জিবার বন্দরে মাল ওঠা-নামার দৃশ্য। সৌজন্য মেরি ইভান্স পিকচার লাইব্রেরি



    ভদ্রতার খাতিরে জাঞ্জিবারের সকল ইউরোপিয়ান আর আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আবার দেখা করলাম আর সবাইকে বিদায় জানালাম।

    পাঁচ তারিখে, আমেরিকান কনসুলেটের সামনে চারটে ধাও নোঙর করা হল। একটি নৌকায় দুটি ঘোড়া তোলা হল, পরের দুটিতে সব গাধাদের, চার নম্বর নৌকা যেটা সবচাইতে বড়ো তাতে আমাদের কৃষ্ণাঙ্গ দেহরক্ষীদের আর অভিযানের পাহাড় প্রমাণ মালপত্র তোলা হল।

    জাহাজ ছাড়ার ঠিক আগে দেখা গেল, শ্বেতাঙ্গ ফারকুহর ও শ বেপাত্তা। জোর তল্লাশি চালিয়ে এক শুঁড়িখানায় তাদের খোঁজ মিলল, জনা বারো চ্যালাচামুণ্ডার মাঝে বসে আফ্রিকা অভিযানের মাহাত্ম্য বর্ণনায় ব্যস্ত। যদিও নতুন দেশের দারুণ দারুণ দৃশ্য তাদের চোখের সামনে ফুটে ওঠার অপেক্ষায়, তবু অজানা জায়গায় যদি এমন কিছু থাকে...? মনের মধ্যে মাঝেমধ্যেই বুড়বুড়িয়ে ওঠা এইসব সহজাত দুশ্চিন্তাকে হুইস্কির সাহায্যে ভুলে থাকার চেষ্টায় ব্যস্ত।

    —এক্ষুনি নৌকায় ওঠো। চুক্তি সই-টই করার পরে এসব কী! আমি হুকুম দিলাম। বোম্বে ও চার-পাঁচজন সদ্য-নিযুক্ত দেহরক্ষীর সঙ্গে টলমল করতে করতে তারা নৌকার দিকে চলল।

    —কিছু মনে করবেন না স্যার, ইয়ে মানে বলছিলাম কি যে আপনি কী মনে করেন যে আপনার সঙ্গে আফ্রিকা যাব বলে কথা দিয়ে আমি কি ঠিক কাজ করেছি? খুবই দুঃখিত আর বাধবাধ-ভাবে শ প্রশ্ন করল।

    —আগাম নিয়েছ না? চুক্তি সই করেছ না? আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম; “এখন পালাতে চাইছ? যাও যাও নৌকায় ওঠো, এখুনি। আমাদের সবার এখন একটাই লক্ষ্য, ডুবি কি ভাসি, মরি কি বাঁচি—কেউই নিজের দায়িত্ব ছেড়ে পালাব না।”

    দুপুরের একটু আগেই আমরা রওনা দিলাম। সহৃদয়া মিসেস ওয়েব আমাদের অভিযানকে একটি আমেরিকান পতাকা উপহার দিয়েছিলেন। জাহাজের মাস্তুলের ডগায় সেটি ওড়ানো হল। রাষ্ট্রদূত, তাঁর স্ত্রী, ও তাঁদের ছোট্ট সন্তানেরা, মেরি আর চার্লি খুবই উচ্ছ্বসিত হয়ে বাড়ির ছাদে উঠে তারাওয়ালা আমেরিকার পতাকা, টুপি ও রুমাল নাড়তে নাড়তে আমাকে আর আমাদের অভিযানকে বিদায় জানালেন। সুখী মানুষ, ভালো মানুষ! তাদের, আমাদের সবার ভালো হোক; ঈশ্বরের আশীর্বাদ আমাদের সকলের উপর ঝরে পড়ুক!


    দ্বিতীয় অধ্যায় সমাপ্ত
    ক্রমশ...তৃতীয় অধ্যায় পরের কিস্তিতে, পড়ুন পরের বৃহস্পতিবার।



    ১) জর্জিয়ার একটি এথনিক গোষ্ঠী


    গ্রাফিক্স: স্মিতা দাশগুপ্ত
  • বিভাগ : ভ্রমণ | ১২ নভেম্বর ২০২০ | ১৮০ বার পঠিত | ৫/৫ (২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Drmitali Bera | ১২ নভেম্বর ২০২০ ২১:৩৭100066
  • বই টা এলেই সংগ্ৰহ করব।

  • বিপ্লব রহমান | ১৩ নভেম্বর ২০২০ ০৬:৩০100090
  • অপূর্ব অভিযাত্রা,  ইতিহাসের পরিভ্রমণ 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন