• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৭০৫ বার পঠিত
  • ডেভিড লিভিংস্টোনআফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হল আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে পাক্কা দেড় মাস ধরে সেখান থেকে একে একে রওনা হলো অভিযানের মোট পাঁচটি কাফেলা। চলছে অভিযানের মূল কাহিনি। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। এ কিস্তিতে কিসেমো নামের একটি গ্রামের অভিমুখে যাত্রার কথা। তরজমায় স্বাতী রায়


    চতুর্থ অধ্যায়: উকড়ে, উকামি ও উদয়ের মধ্যে দিয়ে উসেগুহহা-র উদ্দেশে যাত্রা (পূর্বপ্রকাশিত অংশের পর)


    আমরা আধুনিক মানচিত্রের সাহায্যে কিছুটা আন্দাজ করার চেষ্টা করছি হেনরি মর্টান স্ট্যানলে-র যাত্রাপথ। নইলে পাঠকের পক্ষে বোঝাই মুশকিল এইসব কাণ্ড ঘটছে কোথায়। কাজটা কঠিন। কারণ, এই পথে এমন অনেক জায়গার নাম রয়েছে যার আজ কোনো অস্তিত্বই নেই। যেমন বহু খুঁজেও পাওয়া গেল না কিঙ্গারু গ্রাম। বাগামোয়ো থেকে ‘উসেগুহহা’-র রাজধানী সিম্বামওয়েন্নিতে পৌঁছোনোর লক্ষ্যে চলেছে স্ট্যানলের কাফেলা। উসেগুহহা বলে কোনো স্থান বা প্রদেশ আজ আর নেই। এমনকি বোঝাও মুশকিল সেই অঞ্চলের বিস্তৃতি ঠিক কী ছিল। তবে সিম্বামওয়েন্নি নামে একটি ক্যাম্প-সাইট এখনও রয়েছে তানজানিয়ার মোরোগোরো শহরের কাছে। আন্দাজ করা যেতে পারে এই সিম্বামওয়েন্নি-র কথাই স্ট্যানলে বলছেন। কাজেই এখানে বর্ণিত যা-কিছু ঘটছে সবই মানচিত্রে নীল বুটি দেওয়া পথের আশেপাশেই।—সম্পাদক

    আগের প্রস্থের হন্টনের ভয়ানক ক্লান্তি কাটিয়ে, দশ তারিখে আমাদের কাফেলা মসোয়া থেকে যাত্রা শুরু করল। অতিথিপরায়ণ গ্রামবাসীরা আমাদের সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের সীমানার বেড়া অবধি এল আর সমস্বরে ‘কুওহরিস’ বলে বিদায় জানাল। ইম্বিকি আর মসোয়ার মধ্যের হাঁটাপথের তুলনায় এখানকার গ্রামের বাইরের রাস্তা অনেক কম কষ্টকর। একটা ছোটো সুন্দর সমতল পেরোলাম। তার মাঝখান দিয়ে একটা শুকনো নালা বা মটোনি বয়ে গেছে। এরপর পথ চলেছে কয়েকটা চাষের খেতের পাশ দিয়ে, সেখানে চাষারা যেন খানিকটা মুগ্ধ হয়েই হাঁ করে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল আমাদের দিকে।

    খুব শীঘ্রই আমরা একটা দৃশ্যের মুখোমুখি হলাম। বিশ্বের এই প্রান্তের খুবই পরিচিত দৃশ্য সেটা। পূর্ব দিকে চলতে থাকা একটি শিকলে বাঁধা দাসের দল। দাসেরা মোটেই হতাশ নয়; বরং তারা মার্টিন চ্যাজলউইটের আমুদে চাকরের মতো দার্শনিক আনন্দে মগ্ন। শিকল না থাকলে কে যে প্রভু কে যে দাস বোঝা মুশকিল। দেখতে তো প্রভু-ভৃত্য দুজনকেই একই রকম। আমাদের যে তারা হালকা দয়ার চোখে দেখছিল সেটা তাদের সকলের মুখে ফুটে উঠেছিল। শিকলগুলো ভয়ানক ভারী—হাতিদেরও আটকে রাখতে পারে; তবে দাসেরা যেহেতু নিজেদের ছাড়া আর কিছুই বহন করছিল না, শিকলের ওজন খুব অসহ্য হওয়ার কথা না।



    এ রকম একটি দৃশ্যকে খুব স্বাভাবিক মনে হয়েছে হেনরি স্ট্যানলে-র


    এই পথে জঙ্গল খুব কম। যদিও কোনো কোনো জায়গায় আমদের মালবাহী বাহিনী দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিল, তবে পথচলা বন্ধ করে দেওয়ার মতো গুরুতর কিছু ঘটেনি। সকাল দশটার মধ্যে আমরা আবার তাঁবু ফেললাম। নির্মেঘ আকাশের চাঁদোয়ার তলায় জঙ্গল আর সবুজ ঘাসে ঢাকা মাঠের মনোরম দৃশ্যের মাঝখানটিতে। আবার নির্জনে শিবির তৈরি করলাম, আর নিয়ম অনুসারে, দুটো গুলি ছুড়ে দেওয়া হল—মানে খবর পাঠানো হল যে কোনো ওয়াশেনসির ঘরে বিক্রি করার মতো শস্য থাকলে আমরা তা কিনতে ইচ্ছুক।

    আমাদের পরের থামার জায়গা কিসেমো। মসোয়ার থেকে এগারো মাইল দূরে। গ্রামটা একটা ঘন জনবসতির এলাকায়, আশেপাশে কম করে আরও পাঁচটা গ্রাম তো ছিলই। সবকটা গ্রামই কাঠের খুঁটি আর কাঁটাগাছের বেড়া দিয়ে সুরক্ষিত, এমন জোর গলায় নিজেদের স্বাতন্ত্র্য ঘোষণা করছে যেন তাদের পুঁচকে প্রধানরা সব এক-একজন পারসি বা ডগলাস-এর মতো আর্ল। ‘আপন গাঁয়ে কুকুর রাজা’ ধরনের হাবভাব তাদের! এই গ্রামগুলো এক-একটা শৈলশিরার বা নীচু টিলার মাথায় অবস্থিত। অল্প উঁচু টিলা আর ছোটো কুঁজের মতো ঢিবির মাঝে লুকিয়ে আছে সরু উপত্যকা। মাতামা আর ভারতীয় ভুট্টা চাষের জন্য ভারী উপযোগী। গ্রামের পেছনে বইছে উঙ্গেরেঙ্গেরি নদী, একটা ভারী স্বচ্ছ আর মিষ্টি জলের ছোটো নদী। মাসিকার সময়ে সে খলবলিয়ে ছুটে চলে, খাড়া পারও উপচে উঠে ভাসিয়ে দেয়, তবে শুকনো মরসুমে আবার নিজের আসল চেহারায় ফিরে আসে। কিসেমো থেকে এটি প্রথমে দক্ষিণ পশ্চিমে, তারপরে পুর্বে গেছে; এটা কিংগানি নদীর মূল শাখা।


  • কিসেমোর গুরু-নিতম্বিনী মেয়েরা তাদের পিতলের তারের দেমাকের জন্য বিখ্যাত, তাদের মণিবন্ধ আর গুলফ ঘিরে গোল গোল করে তার প্যাঁচানো, মাথায় শক্ত শক্ত কাঁটাওলা বিবিধ ছাঁদের সজ্জা; তবে তাদের বেচারা স্বামীদের মলিন, ছিন্ন বসন আর কানের ছেঁড়া লতি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়! এর থেকেই বোঝা যায় যে এই পার্থিব জগতের উপর আসমোডিয়াসের কী ব্যাপক প্রভাব! কোণঠাসা স্বামীরা যখন অবশেষে বউদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় তখন নিশ্চয় সে ভারী সুখের সময় নয়! হাতে-পায়ের পিতলের গয়না আর হরেক কেশসজ্জা ছাড়াও কিসেমোর মেয়েরা প্রায়শই লম্বা লম্বা নেকলেস পরে, তাদের কালো শরীর বেয়ে যেন রং-এর ঝর্ণা নামে।

    তবে আরও একটা মজার ছবি কদাচিত দেখা যায়—এই রকম অতিসজ্জিতা মহিলারা যখন নিজের ও পরিবারের জন্য গম ভাঙার মতো একটা ঘরোয়া এবং প্রয়োজনীয় কাজে ব্যস্ত হয়, তখন। গম-পেষাই ঢেঁকিটার দুটো অংশ: একটা প্রায় ছ-ফুট লম্বা শক্ত কাঠের চওড়া ডাণ্ডা, সেটা ঘট্টনীর কাজ করে; অন্যটা একটি প্রশস্ত কাঠের হামান, তিন ফুট উঁচু। ডাণ্ডাটা ওঠানামার তালে তালে তাদের সুবিশাল বুক আর নিতম্ব দুলতে দুলতে থাকে আর পর্যায়ক্রমে এক ভারী কৌতুককর ছন্দে হামানদিস্তায় ঘা দিতে থাকে। আমি প্রথম যখন দেখি, তখনও বুঝিনি যে গম পেষা হচ্ছে, অত জোরে শরীর দোলানো দেখে ভয় পেয়েছিলাম যে ঝুপড়ির দেয়ালই না সে ধাক্কায় ভেঙে পড়ে।

    তাঁবু খাটানোর সময়, একটা খোঁটা মাটিতে ঢোকানোর জন্য শ-কে একটা ছোটো চ্যাপটা পাথর সরাতে হয়েছিল। সেই দেখে গ্রামের প্রধান হাঁফাতে হাঁফাতে ছুটে এসে তক্ষুনি পাথরটি আবার আগের জায়গায় বসিয়ে দিল আর ভারী দৃপ্তভাবে তার উপর উঠে দাঁড়াল। বোঝা গেল যে পাথরটা ও তার অবস্থান দুইই খুব গুরুত্বপুর্ণ। শ-তো এই কাণ্ড দেখে হাঁ করে দাঁড়িয়ে পড়ল! বোম্বে এগিয়ে এসে প্রধানকে ব্যাপারটা কী তা জিজ্ঞেস করল। শেখ গম্ভীরভাবে নীচের দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করল আর জবাব দিল, ‘উগাঙ্গা!’ তখন আমি তাকে অনুনয় করে পাথরের নীচে কী আছে তা দেখতে চাইলাম। সে দয়া করে রাজি হল। আমার কৌতূহল চরিতার্থ হল, দেখলাম একটা ছোটো আঁকাবাঁকা লাঠি, সেটা একটা পোকাকে মাটিতে গিঁথে রেখেছে। সেটা গ্রামের এক যুবতীর গর্ভপাতের কারণ!

    সেই যে উলেদি আর ফেরাজ্জি দল-পালানো খামিসির পিছনে ধাওয়া করেছিল, সেদিন বিকেলে তারা সব চোরাই মালসহ খামিসিকে নিয়ে ফিরে এল। খামিসি চোরাই মাল পেয়ে ভারী খুশি হয়েছিল, কিন্তু রাস্তা ছেড়ে জঙ্গলে ঢোকার পরপরই সে একদল ওয়াসেনসি ডাকাতের মুখোমুখি হয়। এরা সবসময়েই দলছাড়া পথিকের সন্ধানে তক্কে তক্কে থাকে। কোনো কথাবার্তা না বাড়িয়ে তারা খামিশিকে জঙ্গলের মধ্যের গ্রামে ধরে নিয়ে যায় আর মেরে ফেলার আগে তাকে একটা খুঁটিতে বেঁধে রাখে। খামিসি তাদের জিজ্ঞাসা করেছিল যে তারা তাকে বেঁধে রেখেছে কেন। তারা জবাব দিয়েছিল যে সে মগওয়ানা, ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মেরে ফেলাই নিয়ম, তাই তাকেও খুন করা হবে। তবে উলেদিও ফেরাজ্জি অল্প পরেই সেখানে হাজির হয় আর দুজনেই পুরো সশস্ত্র ছিল। তারা এসেই খামিসি এবং তার সঙ্গের সকল মালপত্রের উপর দাবি জানায়, বলে যে খামিসি মুসুঙ্গুর দলের থেকে পালানো কুলি, ফলে তার ভাগ্য নিয়ে বিতর্কের শেষ হয়। ডাকাতরা কুলি বা তার সঙ্গে পাওয়া ছাগল, তাঁবু বা অন্যান্য মূল্যবান জিনিসের উপর দাবি নিয়ে কোনো কথা তোলেনি, তবে তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য পুরস্কার চেয়েছিল। নিতান্তই নায্য দাবি, তাই সেটা মেনে নিয়ে তাদের দুই ডটি কাপড় আর দশটি পুঁতির মালা পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

    দল ছেড়ে পালানো এবং ডাকাতির চেষ্টার জন্য, আগে শাস্তি না দিয়ে খামিসিকে তো আর ক্ষমা করা যায় না। বাগামোয়োতে আমার কাজে যোগ দেওয়ার আগে সে পাঁচ ডলার অগ্রিম চেয়েছিল, সেটা সে পেয়েওছিল। তাকে দেওয়া হয়েছিল একটা বুবু পুঁতির বোঝা, একজন কুলির বোঝার চেয়ে সেটা মোটেও অধিক ভারী না, অতএব, পালানোর কোনো অজুহাতই তার ছিল না। পাছে তাকে শাস্তি দিতে গিয়ে আমি বিচক্ষণতার সীমা লঙ্ঘন করি, তাই আমি আটজন কুলি আর চারজন সৈন্যকে ডেকে বললাম তার বিচার করতে—তাকে নিয়ে কী করা উচিত সে বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত যেন তারা আমাকে জানায়। সর্বসম্মতিক্রমে তারা রায় দিল যে খামিসি যে অপরাধ করেছে, ওয়ান্যাময়েজি কুলিদের মধ্যে তা প্রায় অজানা। যেহেতু এর ফলে ওয়ান্যাময়েজি কুলিদের বদনাম হতে পারে, তাই তাকে মহান প্রভুর ‘গাধার চাবুক’ দিয়ে চাবকানো হোক। সেইমতোই শাস্তি দেওয়া হল। তারপর আমি তাকে বাঁধতে হুকুম দিলাম। তার কাজে কুলিদের বদনাম হয়েছে, আমার মনে রক্ষীদের দক্ষতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে, শ দলছাড়াদের ঠিকমতো দেখাশোনা না করার জন্য আমার কাছে ধমক খেয়েছে। এইসবের শাস্তি হিসেবে প্রতিটি কুলি, সিপাই আর শ-কে বললাম, তাকে এক ঘা করে দিতে। সেই মতো শাস্তি পেল সে। বেচারা খামিসি!

    (ক্রমশ...)


    ১) চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাস “দ্য লাইফ এন্ড অ্যাডভেঞ্চার্স অফ মার্টিন চ্যাজলউইট” এর নায়ক জুনিয়র মার্টিনের এক সদানন্দময় সঙ্গী ছিল যার জীবনের লক্ষ্য ছিল খুব খারাপ পরিবেশেও হাসিখুশি থাকতে পারা।
    ২) শ্বেতাঙ্গ ঔপনিবেশিকদের নিষ্ঠুরতা যে-কোনো পর্যায়ে পৌঁছেছিল আফ্রিকায় এই অনুচ্ছেদটির তার এক ধ্রুপদি উদাহরণ। পাঠক, লক্ষ করুন হেনরি মর্টান স্ট্যানলে নিজের কথার মর্ম নিজেই উপলব্ধি করে উঠতে পারছেন না। এ যেন নিশ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার মতোই স্বাভাবিক।
    ৩) ১৩৮৮ সালের আগস্ট মাসে স্কটল্যান্ডের জমিদার আর্ল অফ ডগলাস আর ইংল্যন্ডের আর্ল নেভিল ও আর্ল পারসির মধ্যে সীমানা নিয়ে যুদ্ধ হয়েছিল, সেই যুদ্ধে বিশাল বড়ো বাহিনী নিয়েও ইংরেজরা হেরে যায়। এই যুদ্ধ নিয়ে অনেক গীতিকাব্য রচনা হয়েছে।
    ৪) আসমোডিয়াস এক পৌরাণিক চরিত্র; কোথাও তিনি কামনার দেবতা; কোথাও বা নরকের রাজা।



    গ্রাফিক্স: স্মিতা দাশগুপ্ত
  • বিভাগ : ভ্রমণ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৭০৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বাইরে দূরে | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৮:১০103081
  • সট্যানলি এরপরে যা করবেন তার ছবি আপনি এই (২) তে তুলে ধরেছেন। কংগো নদীর বাঁয়ে অসংখ্য মানুষকে বোকা বানিয়ে কাগজে সই করিয়ে জমি দখল করেছেন রাজা লিওপোলডের নামে। এক কোটি মানুষের রকত তাঁর হাতে। আরেকটা কথা মনে রাখা ভাল -কংগো নদীর এই অনচল আরবদের চেনা ছিল বহু আগে। সট্যানলি এটি ইউরোপ তথা এক দানবকে চেনালেন । রাজা লিওপোলড একে শুষে খাবেন। সট্যানলি সে যজ্ঞের পুরোহিত। 

  • Drmitali Bera | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৬:০৯498096
  • অনবদ‍্য। বইয়ের অপেক্ষায় রইলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন