• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে-৫০

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২২৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ডেভিড লিভিংস্টোন। আফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হল আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে পাক্কা দেড় মাস আটকে সেখান থেকে একে একে রওনা হলো অভিযানের মোট পাঁচটি কাফেলা। চলছে অভিযানের মূল কাহিনি। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। এ অধ্যায়ে স্ট্যানলে বর্ণনা করছেন ওয়ামি নদীর উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের কথা। তরজমায় স্বাতী রায়
    ডেভিড লিভিংস্টোন। আফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হল আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে পাক্কা দেড় মাস আটকে সেখান থেকে একে একে রওনা হলো অভিযানের মোট পাঁচটি কাফেলা। চলছে অভিযানের মূল কাহিনি। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। এ অধ্যায়ে স্ট্যানলে বর্ণনা করছেন ওয়ামি নদীর উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের কথা। তরজমায় স্বাতী রায়


    মিকেসের বন থেকে বেরিয়ে আমরা ইউসেগুহহা এলাকায় ঢুকলাম, আরবরা ভুল করে একে বা সেগুরাদের দেশ বলে। ইউসেগুহহা লম্বায় ২ ডিগ্রিরও বেশি জায়গা জুড়ে ছড়ানো আর সব থেকে চওড়া জায়গাটা নব্বই ভৌগোলিক মাইল বিস্তৃত। এর দুটো প্রধান বিভাগ- উরুগুরু থেকে ওয়ামি নদী পর্যন্ত দক্ষিণ ইউসেগুহহা, আর ওয়ামি নদী থেকে উমাগাসি এবং উসুম্বারা পর্যন্ত সর্দার মোটোর অধীন উত্তর ইউসেগুহহা।



    বর্বর জাতিরা যুগে যুগে যে ভাগ্যের ওঠাপড়া দেখে এসেছে, এই সেগুহহা উপজাতির বিশিষ্ট ও ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠাটা আমাদের সামনে সেই ভাগ্য পরিবর্তনের একটা উদাহরণ তুলে ধরে। তিরিশ বছর আগেও সেগুহহারা দেশের একটি সংকীর্ণ অঞ্চলে বসবাস করত। জায়গাটা সাম্বারাদের ও ডোদের দেশের মাঝখানে। উসাগারা পাহাড়ের পূর্বদিকে ডোরা ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি, কিন্তু দাস-ব্যবসায়ীরা এদের জীবনে ধ্বংস ডেকে এনেছে, এদের সংগঠিত দস্যুদের হাতে তুলে দিয়েছে। দস্যুদের মধ্যে রয়েছে বিশ্বাসঘাতক মৃমারা, পালিয়ে যাওয়া দাসেরা, জাঞ্জিবারের আইনের চোখে অপরাধীরা, আসামীরা ও অপহরণকারীরা- উসাগারা থেকে সমুদ্র অবধি এলাকার জঙ্গলগুলো এই ধরণের লোকে থিকথিক করত। এই দলগুলো ডোদের কিছু কিছু উপভাগের লোকদের উপর আক্রমণ করত, আর যেহেতু এই উপজাতির ক্রীতদাসদের প্রচুর চাহিদা ছিল, তাদের চেহারার সৌন্দর্য, তাদের দারুণ দেহের গঠন এবং সাধারণ শ্রেষ্ঠত্বের কারণে সহজেই তারা বিক্রি হত, ফলে এই উপজাতির উপর আক্রমণের সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছিল, যতদিন না ডোরা উঙ্গেরেঙ্গেরির সুন্দর অববাহিকা ও চমৎকার উপত্যকা থেকে প্রায় পুরোপুরি দূরে চলে যায়। এই আক্রমণকারীদের মধ্যে সর্বাগ্র গণ্য ছিল কুখ্যাত কিসাবেঙ্গো, উঙ্গেরেনগেরির কাছে সিম্বামওয়েনিতে দুর্গ স্থাপনের সময় অবধি যার পৈশাচিক পেশায় অগ্রগতির ইতিবৃত্ত আগেই বলা হয়েছে।

    বেশিরভাগ সেগুহহা যোদ্ধারা গাদাবন্দুক-ধারী, আর আরবরা তাদের পর্যাপ্ত গোলাবারুদ সরবরাহ করে, বিনিময়ে তারা আরব বাজারের জন্য দাস যোগাড়ের উদ্দেশ্যে রুগুরু, ডো ও কওয়েন্নিদের আক্রমণ করে; আর মাত্র পাঁচ বছর আগেই সেগুহহারা ওয়াসাগাড়া পর্বতের একেবারে অন্দরমহলে একটি সফল হানাদার অভিযান চালায়, এই সময় তারা পাঁচ শতাধিক দাসকে বন্দী করে, মাকাটা সমভূমির জনবহুল এলাকা একেবারে জনহীন করে দেয়। আগে এই দেশে যুদ্ধ যা হত, তা বিভিন্ন প্রধানদের মধ্যে অশান্তির কারণে হত; আর এখন মূলত যুদ্ধ হয় মৃমার দাস-ক্রেতাদের উৎসাহে, এই মানব সম্পদকে জাঞ্জিবারের বাজারে সরবরাহের উদ্দেশ্যে।

    এই ভিমরুলের চাক ভেঙ্গে দেওয়ার ও উসেগুহহার লোকদের চালিয়ে যাওয়া এই অমানবিক দাসব্যবসা বন্ধ করার ক্ষমতা পূর্ব আফ্রিকার সৈন্যদলের আছে। এই উদ্দেশ্যে ওয়ামি নদী ধরে পঞ্চাশ জন লোককে একটা বাষ্পীয় পোতে করে পাঠিয়ে দেওয়া হোক। কিগোংগো পর্যন্ত নদীপথে গেলে তারা সিম্বামওয়েন্নি শহরের কুড়ি মাইলের মধ্যে পৌঁছাবে, তারপর ওই পথটুকু তো এক রাতেই পাড়ি দেওয়া যাবে, সকালেই তারা জায়গাটা আক্রমণ করে পুড়িয়ে দিতে পারবে আর সেই সঙ্গে পূর্ব আফ্রিকার দাস-বাণিজ্যের এই কেন্দ্রটি চিরতরে ভেঙ্গে দিতে পারবে। দাস-ক্রেতাদের সহায়তায় সেগুহহারা হল পূর্ব আফ্রিকার এই অংশের আসল দুর্ভোগের কারণ, একবার তাদের দুর্গ কেড়ে নিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হলে, তাদের যাবতীয় দুষ্কর্ম করার শক্তি চলে যাবে।

    সেগুহহারা জাদু বিদ্যায় সবথেকে বেশি বিশ্বাসী, তবুও তাদের হাতেই এই অন্ধকার বিজ্ঞানের প্রবক্তাদের সব থেকে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাস্তার ধারে ছাইয়ের স্তূপ আর তার উপরে গাছের ডালে ঝুলন্ত কাপড় দেখতে পাওয়া খুবই সাধারণ দৃশ্য, এগুলো বেচারা 'ওয়াগঙ্গা' বা ওঝাদের দুর্ভাগ্যের দ্যোতক। যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি ঠিকমত হয় ও পরিণতি সুখের হয়, 'উচায়ি' বা যাদু শিল্পের এই গুণিনরা লোকের নেকনজরে থাকে; কিন্তু যদি কোন পরিবারে কোন অস্বাভাবিক বিপর্যয় ঘটে, আর তারা শপথ করে বলতে পারে যে সেটা কোন ওঝার কাজের ফল, প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কঠোর ধর্ম বিচারকদের একটি দল তৈরি হয়ে যায়, আর অন্ধকার যুগের নিউ ইংল্যান্ডের ডাইনীদের কপালে যা জুটত, সেই ওঝার কপালেও সেইরকমই জোটে। আফ্রিকার জঙ্গলে পর্যাপ্ত শুকনো কাঠ শীঘ্রই মেলে, বেচারা লোকটাকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয় আর জাদুবিদ্যার সকল মিথ্যা পেশাধারীদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা হিসাবে, তার ল্যাঙটটা তার মৃত্যুর জায়গার উপরে একটা গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

  • সাগারারা পর্বতারোহী। যে দেশটাতে তারা বাস করে তা হল পর্বতশ্রেণী ও পর্বতমালার গোড়ার দেশ, এমকাটা নদীর থেকে মারেঙ্গা এমকালির মরুভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত, প্রস্থে পঁচাত্তর ভৌগোলিক মাইল আর লম্বায় প্রায় ৩ ডিগ্রী অক্ষাংশ জুড়ে।

    পর্বতশ্রেণীটি নর্থ-বাই-ইস্ট দিকে অনুদৈর্ঘ্য ভাবে অবস্থিত। এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ সম্ভবত সমুদ্র থেকে প্রায় ৬০০০ ফুট উঁচুতে। মাউন্ট কিবওয়ে মনে হয় কাদেতামারের কাছের মুকনডোকওয়া উপত্যকার প্রায় ২,৫০০ ফুট উপরে আর কাদেতমারে নিদেনপক্ষে সমুদ্র থেকে ২ হাজার ফুট উপরে হবে। তবে উগোম্বোর কাছের এনগুরু পাহাড়ের চূড়োগুলো, আমার অনুমান অনুসারে, মাউন্ট কিবওয়ের চেয়ে কমপক্ষে ১৫০০ ফুট উঁচু। উত্তরে, যখন এমকাটা নদীর দিক থেকে পর্বতমালার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, সেখানকার পর্বতগুলি মুকনডোকওয়ার গিরিপথের সংলগ্ন পাহাড়দের তুলনায় আরও চমত্কার, আরও উত্তুঙ্গ। এইসব পর্বতের চূড়ায় ও ঢাল বরাবর মৌসুমি বায়ুর সঙ্গে ভেসে আসা বাষ্প তাদের জলের বোঝা নামিয়ে দেয় আর সেই জলস্রোতগুলি পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামে ও তাদের পূর্ব দিকের পদতলের উপত্যকায় একত্রিত হয়ে নদীতে পরিণত হয়।



    তবে ভূবিজ্ঞানীরা যতই আমার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করুন না কেন, আমার বক্তব্য হল পূর্ব আফ্রিকার এই পর্বতমালা মধ্য উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালার অনুরূপ। আমি এটাকে পূর্ব আফ্রিকার মেরুদণ্ড বলে মনে করি। পর্যটকেরা বলেছেন যে কিলিমাঞ্জারো পাহাড়ের অবস্থান হল ৩৭˚২৭' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে আর মাউন্ট কেনিয়া ৩৭˚৩৫' পূর্ব দ্রাঘিমায় আর আমার মতে মাউন্ট কিবওয়ের স্থান ৩৬˚৫০' দ্রাঘিমাংশে; এবং বার্টন বিশ্বাস করেন যে এই একই উসাগারা পর্বতমালার শেষ শিখর হল এঞ্জেসা-ইউহিইউ। যদি রুহওয়হা উপত্যকা, যার মাধ্যমে রুফিজি পার্বত্য অঞ্চল থেকে এসে সমুদ্রে পড়ে, উসাগারা পর্বতমালার মধ্যে একটা ফাঁক হতে পারে, তাহলে মুকনডোকওয়া উপত্যকাও আর একটা ফাঁক নয় কেন? উহুম্বার নিচু সমতল, বা মাসাই কিংবা একটা ফাঁক হতে পারে না কেন? এনগাসেরাই পাহাড়পুঞ্জ কিলিমাঞ্জারো পর্বতমালা, কেনিয়ার তুষার শৃঙ্গ, তার দক্ষিণের প্রতিবেশী ডোয়েনো কামিউয়া, এবং তার উত্তরের প্রতিবেশী এমসারারা পাহাড় সবাই যখন একই দ্রাঘিমাংশ রেখার উপর আকাশ মুখো দাঁড়িয়ে, তাহলে তারা কেন এই একই উসাগারা পর্বতমালার অংশ নয়?

    রকি পর্বতমালার পূর্ব ও পশ্চিমের সমভূমিতে যেরকম দেখা যায়, সেই একই রকম প্রভাব লক্ষ্য করা যায় উসাগারা পর্বতমালার যেকোনো পাদতলে। সকলেই জানে যে পশ্চিম উত্তর আমেরিকায় মিসৌরি নদীর থেকে পূর্বদিকে বা উটাহ জেলার পশ্চিমভাগে যে উর্বরতা চোখে পড়ে, সেই উর্বরতার ছিটেফোঁটারও দেখা মেলে না রকি পাহাড়ের পূর্বদিকে কলোরাডো ও ওয়াইওমিং সমভূমিতে, বা নেব্রাস্কার একটি বড় অংশে, অথবা রকির পশ্চিমদিকের কলোরাডো ও উটাহর অংশগুলিতে। আমেরিকার এই ঊষর অঞ্চলটি রকি পর্বতের দুদিকে প্রায় ৫০০ থেকে ৮০০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত আর দৈর্ঘ্যে প্রায় ২০০০ মাইল। তবে এটাও মনে রাখতে হবে যে রকি পর্বতমালা গড়ে সমুদ্রের তল থেকে প্রায় ১১,000 বা ১২,০০০ ফুট উঁচু। এমন বিশাল দৈহিক আকার পূর্ব আফ্রিকায় দেখা যায় না। আমার ধারণা উসাগারা পর্বতমালার আরও পূর্ব অংশের গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫০০ ফুট মতন হবে, আর সবচেয়ে পশ্চিম দিকের অংশটা আরও ১000 ফুট মতন বেশি উঁচু। উসাগারার পূর্বের মাকাটা সমভূমি বা উপত্যকা, আমাদের পশ্চিমাঞ্চলীয় সমতলের মতন একই রকম নগ্ন, ক্ষয়াটে চেহারার এবং সমগ্র মারেঙ্গা মাকালি এবং উগোগো জুড়ে যে উসাগারার পশ্চিমাঞ্চল সেও যেন তার রুক্ষ, ঊষর রূপ আর লবণাক্ত উপরিভাগের সঙ্গে সাদৃশ্যের দিক দিয়ে অনেকটা উটাহ ও পশ্চিম কলোরাডোর মতন।

    উগোগোর পশ্চিমে, উয়ানজিতে, দেশটাকে যেন অনুদৈর্ঘ্য ভাবে উগোগোর সমভূমির চেয়ে প্রায় ১000 ফুট উঁচুতে টেনে তোলা হয়েছে। আর তার ফলে সেই পাহাড়ে পশ্চিমমুখী মৌসুমি বায়ুর বয়ে আনা জলীয় বাষ্প বাধা পায়, জমিকে সে আরও উর্বরা করে তোলে— উর্বরতার দিক দিয়ে মুকনডোকওয়া উপত্যকার উর্বরতার পরেই তার স্থান। মারেঙ্গা এমকালিকে জড়িয়ে থাকা এই বন্ধ্যা অঞ্চল যদিও চওড়ায় মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ ভৌগোলিক মাইল, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬০০ ভৌগোলিক মাইল বা সম্ভবত আরও বেশি…

    দক্ষিণ উসাগারায় মানুষ খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ; কিন্তু উত্তরে, হুম্বাদের দেশের সংলগ্ন জেলাগুলিতে, মানুষের চরিত্র তাদের উগ্র প্রতিবেশীদের হিংস্র চরিত্রের অনুরূপ। সেগুহহার অপহরণকারীদের, দক্ষিণ-পশ্চিমের দিরিগো বা হেহে ডাকাতদের, পশ্চিমের গোগোদের এবং উত্তরের হুম্বাদের বারবার আক্রমণ তাদের অচেনা লোকদের সন্দেহের চোখে দেখতে শিখিয়েছে, কিন্তু অল্প পরিচয়ের পরেই তাদের দিলদরিয়া, বন্ধুত্বপূর্ণ ও সাহসী চেহারাটা দেখা যায়। প্রকৃতপক্ষে, তাদের আরব এবং জাঞ্জিবারের ওয়াংওয়ানাদের (স্বাধীন মানুষদের) অবিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। পূর্ব উসাগারার এম্বুমি জায়গাটাকে আরব এবং সেগুহহা অপহরণকারীরা কয়েক বছরের মধ্যে দুবার পুড়িয়ে দিয়েছে; রেহেন্নেকোরও একই পরিণতি হয়েছে, আর আবদুল্লাহ বিন নাসিবের মিসংঘি থেকে এমপওয়াপওয়া পর্যন্ত আগুন ও তলোয়ার সহ ধ্বংস করে যাওয়ার পরে খুব বেশি বছর কাটে নি। চুন্যো বা কুন্যোর আশেপাশের পাহাড়ের মালিক কন্যাপারু একসময় মারেঙ্গা এমকালির এক-চতুর্থাংশ অবধি চাষ করতেন, কিন্তু এখন দিরিগো লুঠেরাদের ভয়ে শুধু পাহাড়ের চূড়াতেই নিজের কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রাখেন।
    (ক্রমশ…)


  • বিভাগ : ভ্রমণ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২২৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • H Bhattacharya | 2409:4060:2e83:c3a8::c548:2011 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৬:৩৫498660
  • খুব ভালো।এইরকম লেখা চলুক।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:০০498662
  • এই অত্যন্ত পরিশ্রমসাধ্য কাজটার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। 
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন