• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৬২ বার পঠিত
  • ডেভিড লিভিংস্টোন। আফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হল আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে পাক্কা দেড় মাস আটকে সেখান থেকে একে একে রওনা হলো অভিযানের মোট পাঁচটি কাফেলা। চলছে অভিযানের মূল কাহিনি। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। এ অধ্যায়ে আমরা পেয়ে যাচ্ছি স্ট্যানলে সাহেবের ঔপনিবেশিক স্বপ্ন। তরজমায় স্বাতী রায়


    মুকনডোকওয়া উপত্যকা পেরিয়ে যাওয়ার পরপরই বার্টন একটি মালভূমিতে এসে পৌঁছিয়েছিলেন যার ‘‘শেষ প্রান্তটি পাথরের চাঁই এর মধ্যে দিয়ে তড়বড়িয়ে গিয়ে নেমেছে রুমুমা নদীর অববাহিকায় । এটা মুকনডোকওয়া নদীর একটা দক্ষিণের উপনদী, মুকনডোকওয়ারই একটা অংশ— রুমুমা জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমের পাহাড়ের জল বয়ে নিয়ে যায়। মুকনডোকওয়ার মূল ধারাটির অবশ্য জন্ম ওয়াহুম্বা বা ওয়ামুসাইয়ের উঁচু এলাকায়, সেখানকার জল বয়ে নিয়ে যায় পশ্চিমে।’’

    বার্টন এবং স্পেকের পথের থেকে আমার পথ যেখানে আলাদা হয়ে গেছে, সেখান থেকে এগার মাইলও যেতে না যেতে একটি হ্রদ পেলাম। লেক উগোম্বো। চেহারায় ছোটখাট হলেও পূর্ব আফ্রিকার জলব্যবস্থায় এর একটা ছোট ভূমিকা আছে। মাত্র তিন মাইল দৈর্ঘ্যের এই ছোট্ট হ্রদটিতে রুমুমা এসে পড়ে আর একটা সরু খাদের মধ্যে দিয়ে সেই জল বেরিয়ে গিয়ে মুকনডোকওয়াতে পড়ে। 'মূলধারাটি ওয়াহুম্বা বা ওয়ামুসাইয়ের উঁচু এলাকার থেকে জন্মায়নি, অথবা এটি গোটা এলাকার জল পশ্চিমদিকে বয়ে নিয়ে যায় না' বরং এর উদ্ভব কেমা কাগুরু পর্বতমালার থেকে, উগোম্বোর অক্ষাংশের কমপক্ষে ১° উত্তরে। কিসাগরায় জায়গাটার নাম মুন্ডু। উরোংগা বা উলোংগা নদীরও জন্ম এখানেই।

    রুমুমা ছাড়াও এই মুকনডোকওয়া নদীর অন্যান্য উপনদীর মধ্যে আছে রুফুটা, কিভিয়া-উদ্ভূত এমডুনকু, এমইয়োম্বো আর এমডুনয়ি।

    যে দ্রাঘিমারেখা বরাবর রুবেহো পর্বতমালা, তার পশ্চিমের এলাকার জল অজস্র নালা দিয়ে বয়ে যায়। তবে এই বর্ষাহীন সময়ে সাধারণ শুষ্কতার জন্য সেই জল আর কোন নদীতে গিয়ে পড়ে না। অন্তত আমাদের চলার পথে তাই দেখেছি। উসাগারা পাহাড়ের ওপারের বা পশ্চিমের নিষ্ফলা এলাকা থেকে জল এসে এই সব নালা, বা শুকনো জলখাত, বা সুগভীর পার্বত্য নদীখাতে (যাকে আমরা আমেরিকাতে ‘গাল্‌চ’ বলি) এসে পড়ে আর নদীখাত সব জল শুষে নেয়। মুকনডোকওয়া নদী উসাগার পর্বতমালার মধ্য দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়, তারপর পূর্ব দিকে ঘুরে যায়— রুফুতা, রুমুমা, এমইয়োম্বো ও এমডুনয়ি ইত্যাদি সব উপনদীর বয়ে আনা জল নিয়ে গিয়ে পূর্বদিকের ভারত মহাসাগরে ফেলে।

    উসাগার পশ্চিমে বৃষ্টিপাত এতই কম যে বালুকাময় নদীখাতগুলো কদাচিৎ রুফিজি নদীতে কোন জলের যোগান দেয়। উগোগির পশ্চিম দিক থেকে উন্যামওয়েজির তুরা পর্যন্ত জলনির্গমনের ঢাল দক্ষিণ দিকে, রুহওহা বা রুফিজি নদীতে গিয়ে সব জল পড়ে।

    মারেঙ্গা এমকালির উত্তরাংশ, গোটা উগোগো এলাকা ও দক্ষিণ উহুম্বা বা উমাসাই, ইহাঙ্গে ও এমবোগওয়ে নিয়ে গঠিত এই বন্ধ্যা অঞ্চলের কোন জল নিষ্কাশনের পথ নেই। এই এলাকা জুড়ে রয়েছে অজস্র অগভীর জলাশয় বা ছোট হ্রদ, যেটুকু বৃষ্টি পড়ে তার জল সেখানেই জড়ো হয়। শুখা মরসুমে জল থেকে বাষ্প হয়, এবং অদম্য উত্তর-পূর্বের বর্ষা এই সকল জলাশয়ের জল নিয়ে গিয়ে ভিক্টোরিয়া এন’ইয়ানজা-র বিশাল জলাধারে ফেলে আর তারপর সেখান থেকে সেই জল চলে যায় নীল নদে। জল বাষ্পীভূত হয়ে গেলে, নুন বা নাইট্রেট অফ সোডার চাদরে ঢাকা এক বিস্তীর্ণ নিষ্ফলা জমি পড়ে থাকে। আঙ্গারুকা জেলায় চাগার Chaga পশ্চিমে যে জলাশয়গুলো দেখা যায়, কিকুই এর পশ্চিমের বালিবালির লবণাক্ত উপহ্রদ, এবং মিজানজার উত্তরে যে পুকুরগুলো আমি নিজেই দেখেছি, তারা সবাই অবশ্য এই তত্ত্বই প্রতিষ্ঠা করে।

    উগোগো ছাড়িয়ে আসার পরে একমাত্র উল্লেখযোগ্য নদী হল এমডাবুরু ও মাবুনগুরু, যা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে কিউয়েহের ১ ডিগ্রি দক্ষিণে বয়ে চলা কিসিগোতে পড়েছে। কিউয়েহের গোগোরা বলেছিল যে এই নদীটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ধারা আর খুব খরস্রোতা, জলহস্তী আর কুমিরে ভরা। কিসিগো গিয়ে পড়ে রুফিজিতে।

    সংক্ষেপে বলা যেতে পারে, উন্যানয়েম্বের উদ্দেশে আমাদের যে পদযাত্রা তার প্রথম পর্যায়টি ছিল কিঙ্গানির অববাহিকা জুড়ে; দ্বিতীয়পর্বে ওয়ামির অববাহিকা ধরে; তৃতীয় পর্বে ওয়ামির জলবিভাজিকা জুড়ে; চতুর্থ পর্যায়ে রুহওয়া অববাহিকার একদম উত্তরের অংশ পেরিয়ে, সে এক জলহীন অঞ্চল; আর পঞ্চম পর্বে, টাঙ্গানিকা হ্রদের জলবিভাজিকার সীমানা ধরে।
    এবার, পাঠক জিজ্ঞাসা করতে পারেন, ‘‘কি লাভ এই সবে— এই সব নদীর ক্লান্তিকর বিবরণ, আর এই সব অদ্ভুদ দুর্বোধ্য নাম!’’— খুব ভুল প্রশ্নও না!




    সামান্য ধৈর্য ধরুন! পাঠক; ঠিক এই কথাতেই আমি এবার আসছি।

    প্রথমত, আমার মনে হয়েছে যে ওয়ামি নদী বাণিজ্যের জন্য উপযুক্ত। একটা অগভীর তলদেশের স্টিমারের সাহায্যে, যা কিনা দু-তিন ফুট অবধি জলে ডোবে, সহজেই এই নদীপথ ধরে হুইন্ডে বন্দর থেকে উসাগারার এমবুমি পর্যন্ত ২ ডিগ্রি সরলরৈখিক দূরত্ব বা জলপথে প্রায় দু'শ মাইল চলাচল করা যাবে। পথের সকল বাধা - যেমন নদীর দুধারের ম্যানগ্রোভ গাছের বহু দূর ছড়ানো শাখাগুলো কোথাও কোথাও, বিশেষ করে কিগোঙ্গো গ্রামের কাছে, একে অপরকে জড়িয়ে মড়িয়ে একাক্কার - সেসব একটা কুড়ুল দিয়ে সহজেই কেটে সরানো যাবে।
    উসাগারা পর্বতের পাদদেশ থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে এমবুমি। উসাগারা পাহাড় হল পূর্ব র্আফ্রিকার স্বাস্থ্যকর জায়গা। হুইন্ডে থেকে এমবুমির যা দূরত্ব তা সহজেই স্টিমারে দিন চারেকে পেরোন যাবে।

    আফ্রিকাকে সভ্য করতে চান? হাতির দাঁত, চিনি, তুলা, অর্চিলা-উইড, নীল, আর এই দেশের বিবিধ শস্য পাওয়ার জন্য উসাগাড়া, ইউসেগুহহা, উকুটু, উহেহের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য করতে চান? এই একটা সুযোগ!

    স্টিমারে মাত্র চার দিনের যাত্রা মিশনারিদের নিয়ে আসবে আফ্রিকার উঁচু, স্বাস্থ্যকর অঞ্চলে। কোন ভয় বা শঙ্কা ছাড়াই, এখানে তিনি ভদ্র সাগারাদের মধ্যে জীবন কাটাতে পারবেন; সভ্য সমাজের সুবিধাগুলোর থেকে বঞ্চিত হওয়ার ভয়ও নেই, তিনি সভ্যতার সকল সুবিধাই উপভোগ করতে পারবেন! আর পরিবেশখানাও অপূর্ব সুন্দর ও মনোরম, সে জায়গার সৌন্দর্য একমাত্র কবির কল্পনাতেই ধরা পড়ে। সতেজ শ্যামলিমা, বিশুদ্ধ জল; সুফলা উপত্যকা, তেঁতুল, মিমোসা, গাম -কোপালের জঙ্গল; বিশাল মিউভুল আর রাজকীয় এমপারামুসি, সুন্দর তালগাছ - একমাত্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় আকাশের তলাতেই এমন দৃশ্য দেখা যায়! স্বাস্থ্যকর জায়গা আর প্রচুর খাদ্যের সম্ভার মিশনারির জন্য নিশ্চিত! নির্বিরোধী মানুষের দল তার পদতলে প্রস্তুত তাকে স্বাগত জানাতে। একমাত্র সভ্য সমাজের সঙ্গ ছাড়া, মানুষ আর যা কিছু চায় তার কোন কিছুরই অভাব নেই!

    কাদেতমারে গ্রামের আশেপাশে বেশ কিছু দারুণ মিশনের উপযুক্ত জায়গাও আছে। স্বাস্থ্যকর বাতাস, নাগালের মধ্যে প্রচুর জল, চারপাশের জমি অসম্ভব উর্বর, নিরীহ, সচ্চরিত্র মানুষ একে অপরের সঙ্গে, প্রতিবেশী ও অতিথিদের সঙ্গেও মিলেমিশে বাস করে সর্বত্র।

    অলিম্পাসের গিরিপথ যেমন ওথমানের দলবলের কাছে পূর্বদেশের সাম্রাজ্যের দরজা খুলে দিয়েছিল; কুমায়লে ও সুরুর গিরিপথগুলো যেমন ব্রিটিশদের আবিসিনিয়ায় ঢোকার পথ করে দিয়েছিল— তেমনই মুকনডোকওয়ার গিরিপথ বর্বর আফ্রিকার হৃদয়ে বাইবেলের গল্প ও তার উপকারী প্রভাবের প্রবেশের পথ করে দিতে পারে।

    কল্পনার চোখে দেখতে পাচ্ছি যে সাদা মানুষেরা এখানকার লোকদের 'মুলুঙ্গু' বা আকাশের দেবতার ভাষা শেখাচ্ছে, তাদের কিভাবে ফসল বপন করতে হয় বা ফসল কাটতে হয় বা বাড়ি বানাতে হয় তা শেখাচ্ছে , শেখাচ্ছে কিভাবে আরও স্বচ্ছন্দে থাকা যায়— মোদ্দা কথা, তাদের সভ্য করে তুলছে। আর পুরোন কাদেতমারের লোকরা সেই দেখে খুশিতে হাত ঘষছে। তবে কিনা সফল হতে গেলে, একজন নাবিককে যেমন দড়িদড়া সামলানো, পাল গোটানো থেকে হাল ধরা অবধি নৌকা চালানোর সব গুণই রপ্ত করতে হয়, মিশনারিকেও তেমন নিজের সব কাজেই পটু হবে। নরম-সরম মেয়েলি মানুষ হলে চলবে না, জার্নাল-লিখিয়ে বা ঝগড়ুটে তার্কিকও চলবে না, রেশমী-পোশাক-প্রিয় পাদ্রী হলেও হবে না— প্রভুর বাগানের একজন উদ্যমী পুরোদস্তুর শ্রমিক হতে হবে তাঁকে – যেন ডেভিড লিভিংস্টোন বা রবার্ট মোফ্যাটের ছাঁচে গড়া।

    ওয়ামির চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল অন্য নদীটি, রুফিজি বা রুহওহা যার নাম। এটা অনেকটা লম্বা একটা নদী , আর ওয়ামির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ জল নিয়ে গিয়ে ভারত মহাসাগরে ফেলে। উবেনার প্রায় একশ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে কয়েকটা পাহাড়ের মধ্য থেকে এর জন্ম। পূর্ব দ্রাঘিমাংশ ৩৫ ডিগ্রির কাছেপিঠে রুহওহার সবচেয়ে উত্তরের ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপনদী কিসিগোর মূল নদীতে মেশার কথা। সমুদ্রসঙ্গম থেকে ধরলে, রুহওহার দৈর্ঘ্য সরাসরি চার দ্রাঘিমাংশ। এই তথ্য নদীটার গুরুত্ব ও পূর্ব আফ্রিকার নদীগুলির মধ্যে এর স্থান বুঝিয়ে দেয়। এর সম্বন্ধে খুব কমই জানা যায়। তবে এইটুকু বলা যায় যে এই নদীতে প্রায় ৬০ মাইল বা আটটি জোয়ার অবধি ছোট নৌকা চলতে পারে; বেনিয়ারা এই দূরত্ব অবধি নদীপথে বাণিজ্য করে, আর তীরবর্তী উপজাতিদের থেকে হাতির দাঁত সংগ্রহ করে।

    ক্রমশ…


  • বিভাগ : ভ্রমণ | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৬২ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন