• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ১৯ আগস্ট ২০২১ | ৩৪৬ বার পঠিত
  • ডেভিড লিভিংস্টোন। আফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হল আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে পাক্কা দেড় মাস আটকে সেখান থেকে একে একে রওনা হলো অভিযানের মোট পাঁচটি কাফেলা। চলছে অভিযানের মূল কাহিনি। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। এ অধ্যায়ে উন্যাময়েজি অঞ্চল, যেখানে বর্তমান টাবোরা শহর, তার কাছে রুবুগা নামের জনপদে পৌঁছনর কথা। তরজমায় স্বাতী রায়




    আমরা আধুনিক মানচিত্রের সাহায্যে কিছুটা আন্দাজ করার চেষ্টা করছি হেনরি মর্টান স্ট্যানলে-র যাত্রাপথ। নইলে পাঠকের পক্ষে বোঝাই মুশকিল এইসব কাণ্ড ঘটছে কোথায়। কাজটা কঠিন। কারণ, এই পথে এমন অনেক জায়গার নাম রয়েছে যার আজ কোনো অস্তিত্বই নেই। যেমন, আগের কিস্তিগুলোতে আমরা পেয়েছি, এমপোয়াপোয়া থেকে রওনা হয়ে কিদিদিমো হয়ে এমসালালো দিকে এগিয়ে যাওয়ার বর্ণনা। এ কিস্তিতে পেয়ে গেলাম তুরা থেকে রুবুগা হয়ে তারপর উন্যাময়েজি। এই উন্যাময়েজি অঞ্চলই বর্তমানে টাবোরা শহর। এখানে বর্ণিত যা-কিছু ঘটছে সবই (ওপরের) মানচিত্রে নীল বুটিদার দাগ দেওয়া পথের আশেপাশেই।



    ১৮ তারিখে, হামিদ, হাসান ও আমার মোট তিনটে কাফেলা তুরা থেকে রওনা হল। একটা পেঁচালো রাস্তা, লম্বা লম্বা মাটামার ক্ষেতের মধ্যে দিয়ে সব জায়গা ছুঁয়ে ছুঁয়ে চলেছে। এক ঘন্টার মধ্যে তুরা পেরো, বা পশ্চিম তুরা পেরিয়ে গেলাম। আবার জঙ্গলে ঢুকলাম, সেই জঙ্গলের থেকে তুরার কিম্বুরা মধু সংগ্রহ করে আর হাতি ধরার জন্য সুগভীর ফাঁদ পাতে— জঙ্গলটা হাতি-ধরার ফাঁদে ভরা। পশ্চিম তুরা থেকে এক ঘণ্টা পথ চলে আমরা জিওয়া বা পুকুরের কাছে এসে পৌঁছালাম। একটা ছোট উন্মুক্ত এমবুগা বা সমভূমির মাঝখানে দুটো পুকুর— এই জায়গার মাটিটা এই শেষ-বর্ষাতেও বর্ষাকালের উপচে-পড়া জলে কাদা কাদা। তিন ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়ার পর, আমরা আবার দ্রুত বৈকালিক ছোটা শুরু করলাম।

    পশ্চিম তুরা ছেড়ে বেরনোর ঠিক পরেই যে জঙ্গলটাতে ঢুকেছিলাম, কওয়ালা নদীর কাছে এসে না পৌঁছানো অবধি সেটার মধ্য দিয়েই চলতে লাগলাম। বার্টন তাঁর মানচিত্রে ভুল করে এর নাম কওয়ালে লিখেছেন। চওড়া, আঁকাবাঁকা নদীর পেটের মধ্যের গভীর গর্তে বা বড় বড় খন্দে জল জমিয়ে রাখা। এর মধ্যে একরকমের পাঁকাল মাছ পাওয়া গিয়েছিল, তাই খেয়েই পেট ভরালাম— বাগামোয়ো ছাড়ার পর থেকে আর জিভে মাছ ছোঁয়াইনি, কাজেই তেমন একটা বাজেও লাগেনি। তবে স্বাদের ব্যাপারে আমি যেরকম খুঁতখুঁতে, মনে হয় না যে বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকলে, হাজার পরিস্থিতির চাপেও আমি পাঁকাল মাছ খেতাম।


    গভীর গর্ত খুঁড়ে হাতি ধরা আজও প্রচলিত। এটি কেরালার একটি জঙ্গলের সাম্প্রতিক ছবি

    তুরা থেকে কওয়ালা নদী সাড়ে সতেরো মাইল দূরে, পনেরো দিনে একবার যেতে হলে কিছুই ব্যাপার না। তবে কিনা প্রায় একদিন ছাড়া ছাড়াই বিকেলবেলা যখন এতটা পথ হাঁটতে হয়, তখন ওই পথটুকুই বিচ্ছিরি রকমের লম্বা লাগে। অন্তত আমার কুলি, সৈন্য ও অনুসারীদের তো সেরকমই মনে হয়েছিল। ফলে যাত্রা শুরুর ঘন্টি বাজানোর হুকুম শুনে তাদের গজর গজর শোনা গেল। আবদুল কাদের, আমাদের দর্জি, যে নিজে থেকেই দলে যোগ দিয়েছিল, এক জোড়া প্যান্ট রিফু করার থেকে সুস্বাদু মিষ্টান্ন তৈরি বা হাতি শিকার ইত্যাদি সব ধরনের কাজেই সে প্রস্তুত এই জেনেই তাকে নেওয়া। কিন্তু আফ্রিকার গহন দেশ তাকে দুর্বলদের মধ্যেও দুর্বলতম বলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, খানা-পিনা ছাড়া আর কিছুই সে পারে না— হাঁটতে হাঁটতে তার প্রায় মরে যাওয়ার জোগাড়।

    আবদুল জঞ্জিবার থেকে রুমালে মুড়ে সামান্য জিনিসপত্র এনেছিল। সে স্বপ্ন দেখত, তা দিয়ে হাতির দাঁত, ক্রীতদাস কিনবে আর উন্যামওয়েজির বিখ্যাত জায়গায় নিজের ভাগ্য গড়ে তুলবে। কিন্তু সেই সম্পদ আর নেই। আর সেই সঙ্গে মিলিয়ে গেছে সেই ধনের উপর গড়ে তোলা তার প্রবল মহতী আশা! ঠিক সেই আরব্য উপন্যাসের মৃতপাত্রের মালিক অভাগা আলনসকারের [i] মত। যাত্রার জন্য যখন তৈরি হচ্ছি, তখন সে আমার কাছে এল। তার মৃত্যু যে আসন্ন সেটা সে হাড়ে হাড়ে অনুভব করছে, সে সম্পর্কে মর্মান্তিক গল্প রয়েছে তার সঙ্গে : তার পাদুটো তাকে কোনমতে ধরে রেখেছে; সংক্ষেপে, সে একদম ভেঙে পড়েছে - আমি কি তার প্রতি দয়া করব? তাকে চলে যেতে দেব? উন্যামওয়েজিতে হাতির দাঁত আর দাস কেনার তুমুল উৎসাহে সে যে বিপুল উদ্দীপনা নিয়ে জাঞ্জিবার থেকে রওনা হয়েছিল, তার সম্পুর্ণ বিপরীতে এই অভুতপুর্ব অনুরোধ। এর কারণ হল শেষ বৈকালিক হাঁটার সময়, আমার দুটো গাধা মরে গিয়েছিল বলে, আমি আবদুল কাদেরকে মরা গাধাদের জিন দুটোকে উন্যানয়েম্বে অবধি বয়ে নিয়ে যাওয়ার হুকুম দিয়েছিলাম । জিন দুটোর ওজন ১৬ পাউন্ড, স্প্রিং-তুলাদন্ডে তেমনই দেখাল, তাও আবদুল কাদের এই নদী থেকে উন্যানয়েম্বের দূরত্ব পেরোতে কতদিন যে হাঁটতে লাগবে সেটা হিসেব করেই হা-ক্লান্ত হয়ে পড়ল! মাটিতে শুয়ে পড়ল, আমার পায়ে চুমু খেতে থাকল, ঈশ্বরের নামে ভিক্ষা চাইছিল যাতে আমি তাকে চলে যেতে দিই।



    হিন্দু, মালাবারি ও আবিসিনিয়ার কুলিদের জন্য আমার কিছু অভিজ্ঞতা ছিল। আমি জানতাম ঠিক কিভাবে এই ধরনের সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। একটুও দ্বিধা না করে, অনুরোধ করার সঙ্গে সঙ্গে আমি সেটা মঞ্জুর করলাম। আবদুল কাদের জীবন সম্বন্ধে যতটাই ক্লান্ত, আমিও তার অপদার্থতা দেখতে দেখতে ততটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। কিন্তু এই হিন্দি লোকটা জঙ্গলেও পড়ে থাকবে না, তার বক্তব্য যে, উন্যানয়েম্বে পৌঁছানোর পরেই সে ছুটি চায়। 'ওহ,' আমি বললাম, "তাহলে তো তোমাকে আগে উন্যানয়েম্বে পৌঁছাতে হবে; এই সময়টাতে তুমি যে খাবার-দাবার খাবে তার দাম উসুল করার জন্যও তো ওই জিনগুলো বইতে হবে। "আপনার প্রাণে দয়া-মায়া নেই?" সে মিনতি করল। "তোমার মত একটা সংশোধনের অতীত, কুঁড়ে হতচ্ছাড়া লোকের জন্য একটুও দয়া নেই," আমি বললাম, আর সেই সঙ্গে আমার গাধার চাবুকটা জোরে হাঁকালাম, এই মারটা ভারি দরকার ছিল, এই ধাক্কায় মৃতদেহে প্রাণ সঞ্চার হল, সে জীবন কাজে নাই বা লাগল।

    মানছি যে ১৮ তারিখ সকালেও আমার খানিকটা মাথা গরম ছিল। খানিকটা ক্লান্তও ছিলাম বটে, ফলে আমার কিরনগোজি যখন এল, সে বেশ খানিকটা ধমক খেল। বার্টনের মত আমার কোন প্রাণচঞ্চল মুইনি কিডোগো ছিল না, থাকলে সে যথার্থ কদর পেত , আমার তো মনে হয়, আমার পূর্বসূরীর চেয়ে অনেক বেশিই কদর করতাম। যখন আমার যাবতীয় বক্তৃতা আমার কাফেলাকে হাঁটতে উদবুধ করতে ব্যর্থ হত, তখন তাদের ভয় দেখাতে বাধ্য হতাম, এমনকি কখনও কখনও কুলি ও সৈন্যদের চাগিয়ে তোলার জন্য ডাইনে-বাঁয়ে চাবুক চালাতে হত, সেই সব সময়ে অনেকবার আমি এমন একজনের কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছি। প্রত্যেকটা দীর্ঘ বৈকালিক হন্টনের সময় আমাকেই হুকুম দিতে হত, কেউ কখনও আমাকে এসে বলেনি যে কর্তা এবার হাঁটা শুরু করা যাক, আমাকেই এর উপযোগিতা এবং দরকার নিয়ে কথা বলতে হত, বোম্বের ঘ্যানঘেনে অর্থহীন শব্দগুলোকে আমিই থামিয়ে দিতে বাধ্য হতাম - চাবুকের দাবড়ানির আগাম আভাস দিয়ে শিবির থেকে কুলিদের বেরোতে বাধ্য করতাম।

    কিরনগোজিকে তার গাধামির জন্য তেড়ে গালাগাল দিলাম, বললাম যে সে কি এটা বুঝতে পারছে না যে আমরা উন্যানয়েম্বের প্রায় কাছে চলে এসেছি আর আমাকে যারা খুশি করবে তাদের বকশিস দেওয়ার সময় আমি তো মোটেই ভুলব না যে এই লোকটা, আমার কথা শুনে না চলে সবসময় কুলিদের পরামর্শে চলত। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে অল্প হাঁটা আর বেশি বিশ্রামের জন্য কুলিরা তাকে কত ডটি ঘুষ দিয়েছে? সে উত্তর দিল যে একজনও কুলি তাকে কোন কাপড় দেবে বলে তো সে জানে না। "আচ্ছা, তাহলে বল দেখি ", আমি জানতে চাইলাম," আমাকে তুমি খুশি করে দিলে আর আমার কথা শুনে চললে আমি তোমাকে কত ডটি দিতে পারি?" "ওহ, অনেক, অনেক!' সে বলল। "বেশ, তাহলে", আমি বললাম, "নিজের বোঝা তোল, আর দেখি যে এখান থেকে উন্যানয়েম্বে অবধি তুমি কত জোরে আর টানা কতটা পথ হাঁটতে পারো; " তখন সে আমার কথা মেনে চলার প্রতিজ্ঞা করল, আমি চলতে বললে চলবে, আমি থামতে বললে তখনই থামবে।

    রুবুগার দূরত্ব পৌনে উনিশ মাইল, কুলিরা একবারও না থেমে এই দীর্ঘ পথ দ্রুত হাঁটল। নিজের প্রতিশ্রুতি অনুসারে কিরনগোজি পুর্বকৃত অন্যায়ের শাস্তিস্বরূপ হাত-পায়ে একটুও ঢিলে না দিয়ে রুগুবা সেন্ট্রাল পর্যন্ত পুরো পথটা একবারও না থেমে হেঁটেছিল। কুলির দল হতাশ হয়ে পড়েছিল, তারা ভেবেছিল যে সে পাগল হয়ে গেছে। এতদিন পর্যন্ত, মাত্র পনের-ষোল মাইলের দূরত্ব হলেও সেটা একবারে হাঁটা যেত না - কিরনগোজি আমাদের বৈকালিক হন্টনে বাধ্য করত।

    বার্টনের বই অনুসারে, তাঁর সময়ে রুবুগা একটি সমৃদ্ধ জেলা ছিল। এমনকি আমরা যখন সেখান দিয়ে গিয়েছি, তখনও আগেকার সম্পদ, সমৃদ্ধির প্রমাণ যথেষ্ট স্পষ্ট, মাইলের পর মাইল ধরে উন্যানয়েম্বের রাস্তার ডাইনে-বাঁয়ে প্রসারিত শস্যক্ষেত্র তার প্রমাণ। কিন্তু সেটা শুধুই আগেকার অজস্র গ্রামের— একটা সুফলা, জনপূর্ণ, গবাদিপশু ও শস্যসম্ভারে সমৃদ্ধ এলাকার— স্মৃতি মাত্র। সমস্ত গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, লোকজনকে খেদিয়ে দেওয়া হয়েছে— তারা চলে গেছে রুবুগা থেকে উত্তরে তিন-চার দিন দূরের জায়গায়, গায়ের জোরে গবাদি পশু দখল করা হয়েছে, জঙ্গল আর আগাছায় বোঝাই হয়ে চাষের জমি পড়ে আছে। গ্রামের পর গ্রামের পাশ দিয়ে যাচ্ছি – সর্বত্র আংরা হয়ে যাওয়া কাঠ আর পোড়া মাটির ঢিপি; গঁদের গাছ, কাঁটা গাছ, মিমোসা, কলকাল গাছের মাঝে মাঠের পর মাঠ পড়ে আছে— বহু বছর আগে পাকা শস্যও মজুত সেখানে।

    যে গ্রামে এসেছি, সেখানে প্রায় জনা ষাটেক এনগোয়ানার বাস, হাতির দাঁত কেনা -বেচা করে পেট চালানোর জন্য তারা এখানে পড়ে থাকে। রুবুগার মানুষদের ওই ফেলে— যাওয়া মাঠগুলো তাদের খাবার জোগায়। এত লম্বা পথ হেঁটে আমরা খুব ক্লান্ত, তেতে-পুড়ে একশা, তবে কুলিরা সবাই বিকেল তিনটের মধ্যেই পৌঁছে গেল।



    ক্রমশ...




    [i] আলনসকার আরব্য রজনীর এক অতি-অলস, দিবাস্বপ্নবিলাসী, ভিক্ষুক চরিত্র। সে একবার উত্তরাধিকার সূত্রে কিছু টাকা পেয়ে তাই দিয়ে বাসনপত্র কিনে পসরা সাজিয়ে বসে। ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করতে করতে সে কল্পনা করতে থাকে যে এই বাসন বেচে অনেক পয়সা হবে, তাই দিয়ে সে হীরে-জহরতের ব্যবসা করবে। সেই ব্যবসায় লাভ করে অনেক বাড়ি-গাড়ি, দাস-দাসী কিনবে সে। তারপর প্রধানমন্ত্রীর মেয়েকে বিয়ে করবে। বৌএর কোন অভাব সে রাখবে না। কিন্তু বৌকে পাত্তাও দেবে না। বৌ তার নজর কাড়ার জন্য কাকুতি-মিনতি করলে সে তখন বৌকে এক লাথি মারবে। এই ভাবতে ভাবতে সে ঝোঁকের মাথায় এক লাথি মারলে সে লাথি তার বাসনপত্রের গায়ে লাগলে বাসন গড়িয়ে পড়ে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যায়।


  • বিভাগ : ভ্রমণ | ১৯ আগস্ট ২০২১ | ৩৪৬ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হীরেন সিংহরায় | ১৯ আগস্ট ২০২১ ১৫:৩৮496879
  • চমৎকার আকর্ষনীয় লেখা। পড়ে যাচ্ছি সাগ্রহে ।


    দুটো কথা ছিল - আরবিতে প শব্দটা নেই বলে সেটা ব উচ্চারিত হয়। তার নমুনা ওই এমবাওয়াওয়া।


    স্ট্যানলি হিন্দু কুলির কথা বলেছেন। এরা কারা ? প্রথম ভারতীয়রা তো পুর্ব আফ্রিকা গেছেন চুক্তি বদ্ধ শ্রমিক হয়ে। 

  • স্বাতী রায় | 117.194.37.113 | ২২ আগস্ট ২০২১ ২০:৩৭497011
  • @হীরেন সিংহ রায় বাবু,  হিন্দু কুলির কথা স্ট্যানলি বলেন নি।  তিনি  বলেছেন  হিন্দু আর মালাবারিদের কথা আর সেই সঙ্গে আবিসিনিয়ার কুলিদের কথা।  অনুবাদ থেকে যে হিন্দু কুলি মনে হয়েছে  সেই দোষ আমার। 
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন