• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ১০ জুন ২০২১ | ৭০২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ডেভিড লিভিংস্টোনআফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হল আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে পাক্কা দেড় মাস ধরে সেখান থেকে একে একে রওনা হলো অভিযানের মোট পাঁচটি কাফেলা। চলছে অভিযানের মূল কাহিনি। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। এই অধ্যায়ে এমভূমি গ্রাম থেকে রওনা হয়ে মাটাবুরু নামের জনপদে পৌঁছনোর কাহিনি। তরজমায় স্বাতী রায়




    আমরা আধুনিক মানচিত্রের সাহায্যে কিছুটা আন্দাজ করার চেষ্টা করছি হেনরি মর্টান স্ট্যানলে-র যাত্রাপথ। নইলে পাঠকের পক্ষে বোঝাই মুশকিল এইসব কাণ্ড ঘটছে কোথায়। কাজটা কঠিন। কারণ, এই পথে এমন অনেক জায়গার নাম রয়েছে যার আজ কোনো অস্তিত্বই নেই। পঞ্চম অধ্যায় অবধি ছিল চুন্যু (চুন্যো) নামক জনপদে পৌঁছোনোর কাহিনি। এবার শুরু হল চুন্যু থেকে পথচলা। এ কিস্তিতে আছে এমভূমি অঞ্চল পার করার বর্ণনা, এখানে বর্ণিত যা-কিছু ঘটছে সবই মানচিত্রে নীল দাগ দেওয়া পথের আশেপাশেই।— সম্পাদক



    কাল থেকে আরও আট মাইল হাঁটা—পূর্ব এমভূমি থেকে পশ্চিম এমভূমি পর্যন্ত, যেখানে এই অঞ্চলের সুলতান থাকে। যত রকমের খাবার আমাদের ঘরে এসেছিল আর তার পরিমাণ দেখে বুঝলাম আগে উগোগোর উৎপাদন নিয়ে যা সব শুনেছি তা মোটেই ভুল না। ছাঁচ, দুধ, মধু, শিম, মাতামা, বাজরা, ভারতীয় ভুট্টা, ঘি, চিনাবাদাম ও খুব বড়ো পেস্তা বা বাদামের মতো এক ধরনের শিমের বিচি, তরমুজ, কুমড়ো, ফুটি আর শসা কেনা হল। মেরিকানি, কানিকি আর সাদা মেরিকানি পুঁতি ও সামি-সামি বা সাম-সামের বিনিময়ে।

    সকাল থেকে রাত অবধি শিবিরে যেরকম বাণিজ্য-বিনিময় চলছে তা দেখে আমার গ্যালাস এবং অ্যাবসিনিয়ানদের মধ্যে প্রচলিত রীতিনীতির কথা মনে পড়ল। পূর্ব দিকে, গ্রামবাসীদের থেকে জিনিসপত্র কেনার জন্য কাফেলাগুলো থেকে কাপড়সহ লোক পাঠাতে হত। উগোগোতে সেসব দরকার পড়ে না, সেখানে লোকেরা নিজের থেকেই তার হাতে বিক্রয়যোগ্য যা কিছু আছে সব নিয়ে শিবিরে চলে আসে। সাদা বা নীল কাপড়ের ক্ষুদ্রতম টুকরোও এখানে বিক্রি হয়— এমনকি বহুব্যবহারে জীর্ণ পরনের নেংটিও—সেটাও খোরাক কেনার কাজে লেগে যায়।

    একদিন হন্টনের পরের দিন ছিল বিশ্রাম। আমরা ঠিক করেছিলাম যে এই দিন এমভূমির মহান সুলতানকে ভেট পাঠানো হবে। দূরদর্শী ও সতর্ক শেখ থানি ভোর ভোর এই দরকারি কাজটা শুরু করলেন। এটা বাদ পড়া মানে যুদ্ধের ইশারা। হামেদ এবং থানি দুজন বিশ্বস্ত দাসকে পাঠালেন—এরা গোগোদের সুলতানের খামখেয়ালিপনার সঙ্গে ভালোই পরিচিত, সুন্দর কথা বলে, ভালো তেলও মারতে পারে আর পূর্ব দিকের লোকেদের মধ্যে যেভাবে ব্যাবসা চলে সেটা ভালো বোঝে। ছয় ডটি কাপড় নিয়ে তারা রওনা দিল। তার মধ্যে মিহি ডাবওয়ানি একটি ডটি আমার দেওয়া, বারসাতির একটি ডটিও আমারই দেওয়া, দুই ডটি মার্কিনি সাটিন দিলেন শেখ থানি আর শেখ হামিদ দিলেন দুই ডটি কানিকি, প্রথম কিস্তির ভেট হিসেবে। দাসরা পুরো এক ঘণ্টাও ছিল না, তারপর আরও জিনিসের দাবি বয়ে নিয়ে তারা ফিরে এল, তাদের কাকুতিমিনতিতে কোনো লাভই হয়নি। শেখ থানি আমাকে বলল—“উফ! এই সুলতান ভারী খারাপ লোক, খুব খারাপ। সে বলেছে, সাহেব খুব বড়ো মানুষ। আমি তাকে সুলতান বলি; সাহেব খুব ধনী, তার বেশ কয়েকটা কাফেলা আগেই চলে গেছে; সাহেবকে অবশ্যই চল্লিশ ডটি কাপড় দিতে হবে আর আরবদেরও প্রত্যেককে অবশ্যই বারো ডটি করে কাপড় দিতে হবে কারণ তাদের সঙ্গেও মালবোঝাই অনেক কাফেলা রয়েছে। সবকটা মিলে একটাই কাফেলা এসব বলে কোনো লাভ নেই, তাহলে এতগুলো পতাকা আর তাঁবু কেন? যাও, যাও ষাট ডটি কাপড় নিয়ে এসো, তার কমে হবে না।”

    এইরকম গলাকাটা দাবি শুনে শেখ থানিকে বললাম যে আমার হাতে যদি উইনচেস্টারের রিপীটিং রাইফেলওলা বিশজন সাহেব থাকত, তাহলে সুলতানই হয়তো আমাকে ভেট দিতে বাধ্য হতেন। তবে থানি আমাকে সাবধান হওয়ার জন্য অনুরোধ করল যাতে এই সব রাগের কথা শুনে সুলতান আরও বিরক্ত না হন আর দ্বিগুণ নজরানা দাবি না করেন, সেও তার পক্ষে করা সম্ভব; “আর আপনি যদি যুদ্ধ চান,” সে বলল, “আপনার কুলিরা সবাই পালাবে; আপনি ও আপনার কাপড়চোপড় পড়ে থাকবে গোগোদের সামান্য দয়ার উপর।” তার ভয় দূর করার জন্য আমি তড়িঘড়ি তার সামনেই বোম্বেকে ডেকে বললাম যে গোগোরা এমন দাবি যে করতে পারে সেটা আমি আগেই ভেবেছিলাম আর একশো কুড়ি ডটি ভেট দেওয়ার কাপড় আলাদা করেই রেখেছিলাম, সুলতান চাইলে আর তাকে চল্লিশ ডটি কাপড় দিলে যাতে আমাকে তেমন পরে কোনো অসুবিধায় না পড়তে হয়। কাজেই সে যেন ওই নজরানার কাপড়ের গাঁটরিটা খোলে আর শেখ থানিকে সুলতানের পছন্দ হবে এমন কাপড় বের করে নিতে দেয়।





    অনেক ভেবে আর হামিদ আর বিশ্বস্ত দাসদের সঙ্গে মাথা ঘামিয়ে শেখ থানি ঠিক করল যে আমি যদি বারো ডটি কাপড় দিই যার মধ্যে তিনটে উলিয়াহর মানের তাহলে সুলতান হয়তো বা দয়া করে আমাদের ভেটটা গ্রহণ করবেন। হয়তো বিশ্বস্ত দাসরা বক্তৃতা করে তাঁকে বোঝাতে পারবে যে সাহেবের সঙ্গে শুধু মাশিবা (নৌকা) ছাড়া আর কিছুই নেই আর যাই হোক না কেন, নৌকা তাঁর কোন কাজে লাগবে না,—এই সমীচিন পরামর্শের অন্তর্লীন প্রজ্ঞা দেখে সাহেবও একমত হল।

    কাজের সাফল্যের জন্য আমাদের শুভকামনা সহ দাসেরা তিরিশ ডটি কাপড় নিয়ে আমাদের শিবিরাঞ্চল ছেড়ে রওনা হল। এক ঘণ্টার মধ্যে তারা খালি হাতে ফেরত এল, তাদের যাত্রা অসফল। সুলতান সাহেবের থেকে ছয় ডটি মার্কিনি আর এক ফান্ডো বুবু চেয়েছেন। সেই সঙ্গে আরবদের ও অন্যান্য কাফেলা থেকে আরও বারো ডটি চেয়েছেন। তৃতীয়বারের মতো দাসেরা সুলতানের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হল, তাদের সাথে আমার তরফ থেকে ছয় ডটি মার্কিনি ও বুবুর একটি ফান্ডো আর আরবদের কাছ থেকে দশটি ডটি নিয়ে গেল। আবার তারা ফিরে এল, সঙ্গে সুলতানের বার্তা—যেহেতু সাহেবের ডটি ছোটো মাপের আর আরবদের কাপড়গুলো খুবই খারাপ মানের, সাহেবকে পুরোমাপের আরও তিন ডটি পাঠাতে হবে আর আরবদের পাঠাতে হবে পাঁচ ডটি কানিকি। আমার তিনটে ডটিকে একবারে সবথেকে লম্বা হাত দিয়ে মাপা হল—কিগোগোর মাপ মতো—আর বোম্বে সেটা নিয়ে গেল, কিন্তু তুমুল হতাশায় আরবরা ঘোষণা করল এসব দাবি মেনে নিলে তারা একদম জানে মরে যাবে। পাঁচ ডটি কাপড়ের দাবির জায়গায় মাত্র দুই ডটি পাঠাল, আর সেই সঙ্গে সুলতানের কাছে মিনতি করে পাঠাল যে তিনি যেন যা দেওয়া হয়েছে সেটাকেই ঠিক ও নায্য দাবি বলে মেনে নেন— আর কিছু না চান। তবে এমভূমির সুলতান এসব কথা শোনার বান্দাই নন। তিনি ঘোষণা করলেন যে তাঁর অবশ্যই তিন ডটি কাপড় চাই—তার মধ্যে দুটো মিহি কাপড় আর একটা কিতম্বি বারসাতি। তিনি এগুলো পাওয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, অগত্যা শেখ হামেদের তুমুল অভিশাপ বর্ষণের মধ্যে আর শেখ থানির হতাশ দীর্ঘশ্বাসের সঙ্গে সেগুলো পাঠানো হল।

    উগোগোর এক-একটা এলাকার সুলতান হওয়া খুবই লাভজনক, একেই তো যতক্ষণ সুলতানকে ভীতু আরব বণিকদের সামলাতে হয় ততক্ষণ এমনিতেই কোনো কাজকর্ম থাকে না, ভারী মজা। যে-কোনো স্বাধীন আর আত্মনির্ভর মানুষকেই এই ভীতুর দল ভয় পায়, পাছে তাদের কাপড় খেসারৎ দিতে হয়। একদিনে একটা শিবির থেকে সুলতান সাতচল্লিশ ডটি কাপড় পেল, তার মধ্যে মার্কিনি, কানিকি, বারসাতি আর ডাবওয়ানি আছে, তাদের মোট দাম ৩৫.২৫ ডলার। এ ছাড়াও আছে সাত ডটি খুব উচ্চ মানের কাপড়, রেহানি, সোহারি আর মিহি ডাবওয়ানি আর এক ফান্ডো বুবু, যার দাম কিনা ১৪ ডলার, সব মিলিয়ে ৪৯.২৫ ডলার, একজন গোগো প্রধানের জন্য বেশ একটা দারুণ আমদানি।


    ক্রমশ...



    ১) গ্যালাস হল আফ্রিকার একটি উপজাতি, আবিসিনিয়ার দক্ষিণ ও পূর্বদিকে বসবাস। গ্যালাস শব্দের অর্থ হল আক্রমণকারী। এরা একসময় আফ্রিকার গভীর থেকে পূর্বদিক অবধি দখল করে নিয়েছিল, আবিসিনিয়ারও অনেকটা দখল করে ফেলেছিল।
    ২) গোগোরা হল তানজানিয়ার দোদোমার উগোগো অঞ্চলের বান্টু উপজাতিদের। আফ্রিকান রীতি অনুসারে একবচনে এমগোগো বলে আর বহুবচনে ওয়াগোগো বলে।
    ৩)ডাবওয়ানিহল মাস্কটের তৈরি একরকম ছোটো নীল সাদা চৌখুপিওলা কাপড়। এর চওড়ার এক চতুর্থাংশ জুড়ে থাকে লাল দাগ, যার ধারে থাকে সাদা আর হলুদ রং। জমিনের মিহিত্বের উপর এর মান নির্ভর করে, দামও।
    ৪) সোয়াহিলি ভাষায় সব রকমের রঙিন স্ট্রাইপ আর চেকওলা কাপড়কেই কিতম্বি বলা হত। যাকে পশ্চিম দুনিয়া কালারড ক্লথ বলে চিনত।
    ৫) বারসাতি— নীল সুতির কাপড়, চওড়ার এক চতুর্থাংশ জুড়ে লাল স্ট্রাইপ বাকি তিন চতুর্থাংশ ঘন নীল।

  • বিভাগ : ভ্রমণ | ১০ জুন ২০২১ | ৭০২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • &/ | 151.141.85.8 | ১০ জুন ২০২১ ০৫:০৩494792
  • এই লেখার নতুন নতুন পর্বগুলোর জন্য সাগ্রহ অপেক্ষা থাকে, খুব ভালো একটা কাজ।

  • হীরেন সিংহরায় | ১১ জুন ২০২১ ০১:৫৭494827
  • Kitambi মানে চেক বা স্ট্রাইপ এর সঙ্গে রঙ্গি (আমাদের রং থেকে !)যোগ করলে পাবেন কালার্ড ক্লথ 


    অতএব পুরো কথাটা হবে কিতাম্বা চা রঙ্গি !

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন