• বুলবুলভাজা  ভ্রমণ  যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • ডেভিড লিভিংস্টোনের খোঁজে

    হেনরি মর্টন স্ট্যানলে
    ভ্রমণ | যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে | ০৩ ডিসেম্বর ২০২০ | ৭৪১ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ডেভিড লিভিংস্টোনআফ্রিকায় বেপাত্তা। কিংবদন্তি মানুষটির খোঁজে আফ্রিকা পৌঁছেছেন মার্কিন সাংবাদিক হেনরি মর্টন স্ট্যানলেজাঞ্জিবার থেকে শুরু হবে আফ্রিকার গভীরে অভিযান। প্রথম লক্ষ্য বাগামোয়ো শহরে পৌঁছে আটকে গেছে অভিযান। মোদ্দা কথা মাল বওয়ার কুলি জোগাড় আর হচ্ছে না। শেষে লোক পাঠিয়েছেন জাঞ্জিবারের প্রভাবশালী বণিক তারিয়া টোপনের কাছ থেকে সুপারিশ পত্র নিয়ে আসতে। যদি তাতে বাগামোয়ো-র প্রভাবশালীদের নড়ানো যায়। স্ট্যানলের সেই বিখ্যাত সফরনামা ‘হাও আই ফাউন্ড লিভিংস্টোন’। এই প্রথম বাংলায়। তরজমায় স্বাতী রায়


    তৃতীয় অধ্যায়—বাগামোয়োর জীবন (আগের অংশের পর)


    মানচিত্রে চিহ্নিত বাগামোয়ো শহরেই এখনও আটকে রয়েছে অভিযান


    তৃতীয় দিন সেলিম নামের ছেলেটি ফিরল, শুধু সুর হাদজি পাল্লুর নামে লেখা চিঠি নিয়েই নয়, সেই সঙ্গে চির-আতিথ্যে ভরা মিঃ ওয়েবের বাড়ি থেকে অনেক ভাল-ভাল জিনিস নিয়ে। চিঠি পাওয়ার অল্প পরেই বিখ্যাত যুবক সুর হাদজি পাল্লু আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন। তিনি আমাকে জানালেন যে তারিয়া টোপন তাঁকে বলেছেন আমার জন্য যত শীঘ্র সম্ভব উন্যানয়েম্বে অবধি যাওয়ার একশো চল্লিশ জন কুলি জোগাড় করে দিতে। তিনি এও জানালেন যে এটা খুবই ব্যয়বহুল হবে। কারণ অনেক আরব আর ওয়াসাওয়াবিলি সওদাগর আফ্রিকার অন্দর থেকে আসা কাফেলার খোঁজে আছে আর তারা কুলি প্রতি বিশ ডটি বা আশি গজ কাপড় দিচ্ছে। এর থেকে বেশি দেওয়ার সামর্থ্য বা ইচ্ছা না থাকায় অনেক বণিক নিজের দরকারের কুলি পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন, এমনকি প্রায় ছয় মাসও অপেক্ষা করছে। সে আরও বলল, “আপনি যদি দ্রুত এখান থেকে বেরিয়ে যেতে চান, তাহলে আপনাকে পঁচিশ থেকে চল্লিশ ডটি দিতে হবে। তাহলে আমি আপনাকে এক মাসের মধ্যে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারব।” উত্তরে আমি জানালাম, “এই দেখ আমার কুলিদের জন্য কাপড়, মোট সতেরশ পঞ্চাশ ডলারের বা সাড়ে তিন হাজার ডটি কাপড় আছে। একশো চল্লিশ জন লোককে পঁচিশ ডটি করে কাপড় দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। কাজেই কুলিদের জন্য আমি সবথেকে বেশি পচিঁশ ডটি অবধি উঠতে পারব। আমার তার আর কাপড় দিয়ে তুমি একশ চল্লিশ জন কুলিকে উন্যানয়েম্বেতে পাঠিয়ে দাও, আমি তোমাকে খুশী করে দেব, এমন উপহার দেব তেমন দামী উপহার তুমি জন্মেও পাও নি।’’ একটা মন-ভাল-করা সারল্যের সঙ্গে যুবকটি বলল যে, তার কোন উপহার চাই না। সে আমাকে আমার দরকার মত কুলি জোগাড় করে দেবে। তারপর আমি যেন অন্য সাহেবদের জানাই যে সে কত ভাল লোক আর তাহলে তার ব্যবসা বাড়বে, তাতে তার উপকার হবে। সে যে আশ্চর্য কথাটি সবশেষে বলল তা হল তার বাড়িতেই এখন দশ জন কুলি আছে। আমি যদি এখনই তার বাড়িতে চার গাঁটরি কাপড়, দুই ব্যাগ পুঁতি, কুড়ি রোল তার পাঠিয়ে দিতে পারি, তাহলে তিনজন সৈন্যকে নিয়ে কালই ক’জন কুলি বাগামোয়ো থেকে রওনা হয়ে যাবে। সে মন্তব্য করল, “একটা বড় কাফেলা পাঠানোর থেকে ছোট ছোট অনেকগুলো কাফেলা পাঠানো অনেক ভাল আর শস্তাও বটে। বড় কাফেলা দেখলে আক্রমণ করার ঝোঁক বাড়ে, ফালতু ওজর দেখিয়ে লোভী প্রধানরা তাদের আটকে দেয়, ছোট দল হলে নজর এড়িয়ে চলে যাওয়া সোজা। ”



    একটি আফ্রিকান শিশুর সঙ্গে হেনরি মর্টান স্ট্যানলে


    পুঁতি আর সব মালপত্র যথাসময়ে সুর হাদজি পাল্লুর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হল। সেদিনটা আমি নিজের সৌভাগ্যের জন্য নিজেকেই মনে মনে অভিনন্দন জানাচ্ছিলাম, সেই সঙ্গে এই যুবক ভারতীয়র ব্যবসাবুদ্ধির, তারিয়া টোপনের মহানুভবতা ও প্রভাবের আর মিঃ ওয়েবের পরোপকারিতার প্রশংসা করছিলাম। এঁদের সাহায্য ছাড়া আমার বাগামোয়ো থেকে তাড়াতাড়ি রওনা হওয়া আর হত না। মনে মনে ঠিক করে রাখলাম যে সুর হাদজি পাল্লুকে একটা দারুণ উপহার দেব আর আমার বইতে তাঁর অনেক প্রশংসা করব। খুব খুশী মনেই আমি সৈন্যদের উন্যানয়েম্বের উদ্দেশে যাত্রার জন্য তৈরি করতে লাগলাম।



    বাগামোয়ো (এ) থেকে উন্যানয়েম্বে (বি)-র পথ। ৩৬.৩ কিলোমিটার।


    উন্যানয়েম্বের উদ্দেশে প্রথম কাফেলাটি তৈরি করতে গিয়ে আমার কিছু বিষয় নজরে এল যেগুলো আমার পূর্ব আফ্রিকার পূর্বসূরীদের নজর এড়িয়ে গেছে। এই ব্যাপারগুলো সময়মত জানা থাকলে, জাঞ্জিবারে পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত কাপড় পছন্দ করা আর কেনাকাটার পর্বে অসীম উপকার হত।

    তিনজন সৈন্যসহ দশ জন কুলির একটা কাফেলা পাঠাতে মোট কত খরচ হয় তার একটা হিসাব আমি এখানে উদাহরণ হিসেবে দাখিল করছি।

    মালবহনের খরচ
    দশ জন কুলির মজুরি, মাথাপিছু ২৫ ডটি, প্রতি ডটি কাপড়ে দাম ৫০ সেন্ট, ১২৫ ডলার
    চারদিনের জন্য খাবার হিসেবে জোয়ার শস্য ১
    (রাস্তার খাদ্যের জন্য)

    মার্কিন কাপড়, ২৫ ডটি ১২.৫০
    কানিকি, ২৫ ডটি, ২৫ সেন্ট করে ৫.০০
    তাউজুরি, ২ ডটি, ৫০ সেন্ট করে ১.০০
    সামি-সামি, ৯ পাউন্ড ৩.০৯
    বুবু, ৩ পাঊন্ড .৩৩
    মেরিকানি, ৭ পাউন্ড ১.০৫
    ১৪৮.৯৩ ডলার
    (তিনজন সৈন্যের খাদ্য)
    ৩ পাউন্ড বুবু পুঁতি ০.৩৩ ডলার
    ৩ পাউন্ড মেরিকানি ০.৪৫
    ৩ পাউণ্ড সামি-সামি ১.০১ ২/৩
    মার্কিন কাপড়, ৭ ১/২ ডটি ৩.৭৫
    বারসাতি, ২ ডটি ১.০০
    কানিকি, ২ ডটি ০.৫০
    তিনমাসের মাইনে, প্রতি মাসে ৯ ডলার করে ২৭.০০
    কিঙ্গানি নদী পেরনোর নৌকোকে দেওয়ার ভাড়া ২.০০
    ৩৬.০৪ ২/৩ ডলার

    কুলিদের জন্য মোট খরচ১৪৮.৯৩
    সৈন্যদের জন্য মোট খরচ ৩৬.০৪ ২/৩
    ১৮৮.৯৭
    প্রথম কাফেলার একটি অংশে বয়ে নিয়ে যাওয়া জিনিষের দাম
    ৩ টি কাপড়ে গাঁটরিতে থাকা,
    ৯০ ডটি কানিকি , ২৫ সেন্ট করে২২.৫০ ডলার
    ১১২১/২, ডটি মার্কিন, ৫০ সেন্ট করে৫৬.২৫
    ৩ বোঝা অর্থাৎ ৪ ফ্রাসিলা তার৩৬.৮৭ ১/৪
    ১ ব্যাগ সুনগোমাজ্জি, বা ১৪.00
    ১ ব্যাগ সামি-সামি পুঁতি বা ২ ফ্রাসিলা২৬.00
    ১৫৫.৬২ ১/৪

    অতএব ভারবহনের জন্য যা খরচ সেটি বয়ে-নিয়ে-যাওয়া মালপত্রের দামের থেকে ২৯ ডলারের কিছু বেশি।

    ধরা যাক, আমি একশ’ কুলি পাঠাচ্ছি, উপরের যে আন্দাজ দেওয়া আছে তার দশগুণ পরিমাণ মালপত্র সরবরাহের জন্য ব্যয় হবে ১৮৪৯.৭৬ ২/৩ , অন্যদিকে পণ্যগুলির দাম একাই ১৫৫৬.২৫ ডলারে পৌঁছে যাবে এবং দুয়ে মিলে মোট ৩৪০৬.০১ ২/৩ ডলারে পৌঁছাবে ।

    মাল পরিবহন ব্যবস্থার বিষয়েই যখন কথা বলছি, তখন আমি যেহেতু একজন নিয়মনিষ্ঠ মানুষ, তাই শ্বেতাঙ্গ ফারকুহরের নেতৃত্বে পাঠানো তৃতীয় কাফেলার একটি অংশের খরচের বৃত্তান্তও জুড়ে দিই। সেই কাফেলায় দশটি গাধা, তিন সৈন্য, একজন শ্বেতাঙ্গ ও একজন রাঁধুনী ছিল। পাঠক সেক্ষেত্রে খরচের তুলনা করতে পারবেন। অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে আমি প্রতিটি খরচই তালিকায় ঢুকিয়েছি।

    মালবহনের খরচ
    ৯টি মাল-বওয়ার গাধা, প্রতিটি ১৮ ডলার করে ১৬২.০০ ডলার
    শ্বেতাঙ্গের জন্য ১ টি গাধা ১৮.০০
    দশটি জিনের জন্য ঃ
    প্রতি জিন পিছু:
    ক্যানভাস ০.৩৩ ১/২
    টোয়াইন ০.০৫
    সুতি০.২৫
    লোহার আংটা০.১০
    আমেরিকান ড্রিল০.১৫
    সুতির ফিতে ০.১২ ১/২
    দড়ি০.২০
    ১.২১
    রাঁধুনীর তিন মাসের মাইনে, মাস প্রতি ৯ ডলা২৭.০০
    সাদা-চামড়ার মানুষের তিন মাসের মাইনে, প্রতি মাসে ২৫ ডলার করে ৭৫.০০
    ১ টি তাঁবু ৮.০০
    ৪ পাউন্ড চিনি 0.২৫
    চা ৪.০০
    ওষুধ ৩.০০
    চাল ১.০০
    সৈন্যপছু ৯ ডলার করে তিন সৈন্যের খরচ ২৭.০০
    নদী পারাপারের খরচ ২.০০
    ১৬টা মাপের জোয়ার ১.০০
    রাস্তায় গাধাদের খাবারের জন্য, ১৬ ডটি মার্কিন ৪.০০
    পাঁচজন মানুষের খাবার, ২৫ ডটি ১২.৫০
    পাঁচজন মানুষের খাবার, ১৫ পাউন্ড পুঁতি ৩.০০
    ৩৬৩.৮৩ ডলার
    বয়ে-নিয়ে-যাওয়া মালপত্রের দাম
    ১৮ গাঁটরি কাপড়, যাতে আছে
    ৫৪০ ডটি কানিকি, ২৫ সেন্ট করে ১৩৫.০০ ডলার
    ৬৭৫ ডটি মার্কিন, ৫০ সেন্ট প্রতি ডটি ৩৩৭.৫০

    এক্ষেত্রে মালবহনের খরচ অনেক কম। মাল বওয়ার জন্য গাধাকে পছন্দ করার পিছনে বড় সুবিধা হল এই যে , একটা গাধা কখনও কখনও দুজন মুটের থেকেও অনেক অনেক বেশি ওজন বহন করে। সব কিছু মিলিয়ে দুজন কুলির খরচ প্রায় ৩৭.০১ ডলার, সেখানে একই শর্তে একটা গাধার খরচ প্রায় ৩৬.৪০ ডলার। এগুলো সব উপরে বলা সংখ্যা অনুসারে। তবে ফারকুহর অনায়াসে দশটার জায়গায় বিশটা গাধা নিয়ে উন্যানয়েম্বের উদ্দেশ্যে যেতে পারত; মাল বওয়ার জন্য গাধার সুবিধা তখন অনেক বেশি। যদি মনে পড়ে যে উন্যানয়েম্বে পৌঁছানোর আগেই বার্টনের তিরিশটা গাধা মারা গিয়েছিল, এও অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে তিনি বলেছিলেন যে তাঁর সমস্ত কুলিরাও পথেই পালিয়েছিল বা পালানোর চেষ্টা করেছিল। তবে উন্যানয়েম্বে পৌঁছানোর পরে আমরা গাধা ও কুলির মধ্যে তুলনামূলকভাবে কোনটা বেশি সুবিধার সে বিষয়ে আরও ভালভাবে বিচার করতে পারব; ততক্ষণ প্রশ্নটা তোলা থাক।

    প্রথম কাফেলা পাঠানোর সময় আমি হোঙ্গা বা প্রধানদের শ্রদ্ধা জানানোর ব্যাপারটা সম্পর্কেও ভাল করে জানলাম। শ্রদ্ধা-উপহারটি সব সেরা সেরা কাপড় দিয়ে আলাদা আলাদা বোঁচকাতে থাকা দরকার। এই উপহার যে প্রধানদের জন্য, তারা শুধু যে লোলুপ তাই না খুব খুঁতখুঁতেও । কুলিদের যেসব জ্যালজেলে কাপড় হলেও চলে, তারা সেসব ছুঁয়েও দেখবে না। তাঁদের চাই রাজসিক, অত্যন্ত দামী ডাবওয়ানি, ইস্মাহিলি, রেহানি, বা সোহরী, বা অনেক অনেক টুকটুকে লাল বনাত। প্রথম কাফেলার জন্য শ্রদ্ধা-উপহার লেগেছিল ২৫ ডলারের। একশ চল্লিশ জনেরও বেশি কুলি পাঠানোতে গিয়ে, আমার এই শ্রদ্ধা-উপহারের মুল্য শেষকালে দাঁড়ালো ৩৩০ ডলার স্বর্ণমুদ্রাতে, কমপক্ষে প্রতি ডলারে পঁচিশ সেন্ট। হে অভিযাত্রী ! ভেবে দেখুন! সব কথা খোলাখুলি বললাম।


    (ক্রমশ... পরের কিস্তি পড়ুন পরের বৃহস্পতিবার)


    ১)broad cloth – উলের বোনা কাপড়, এই কাপড় যতটা চওড়া দরকার তার থেকে অনেক বেশি চওড়া করে বোনা হত। তারপর তাকে ভিজিয়ে ও পিটিয়ে পিটিয়ে খাপিয়ে সঠিক মাপে আনা হত। ফলে উলের সুতোগুলো জুড়ে গিয়ে একটা পরতের মত হয়ে যেত। পূর্ব আফ্রিকায় সাধারণত ব্রিটিশ লাল ব্রডক্লথের প্রচলন ছিল। এখানে ভারতীয়দের বোঝার সুবিধার্থে বনাত শব্দটি অনুবাদকের ব্যবহার করা। যদিও আক্ষরিক ভাবে দেখলে, বনাত আদতে ভারতের তৈরি একরকম ব্রডক্লথ; আফ্রিকায় এর তত চল ছিল না।


    গ্রাফিক্স: স্মিতা দাশগুপ্ত
  • বিভাগ : ভ্রমণ | ০৩ ডিসেম্বর ২০২০ | ৭৪১ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
বিশেষত  - Chin Matic
আরও পড়ুন
লকডাউন - Anirban M
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • নির্মাল্য | 185.210.218.179 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১৪:৫৮100889
  • এই আফ্রিকান শিশুটি সম্ভবতঃ ওনার নিগ্রো অনুচর,কালুলু-- কালুলু দ্য গানবেয়ারার। কালুলু মাত্র ১২ বছর বয়সে ক্যানো উল্টে জলে ডুবে মারা যায়, যেখানে ডুবেছিল সে জায়গাটার নাম স্ট্যানলির অনুরোধে দেওয়া হয়-- কালুলু ফলস। সে নাম আজও টিকে আছে।  

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন