• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

  • নৃশংশ হত্যার গ্র‍্যান্ড ডিজাইন

    রৌহিন লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ০৩ জুন ২০২০ | ১১৯৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • হাতি মারার দায় কাদের? গ্রামবাসীর। স্যাডিস্ট এবং নারকীয় হত্যায় দোষী কারা? গ্রামবাসী। চোখের জল বাগ মানছে না কাদের? আমাদের, শহুরে মধ্যবিত্তের। খুব স্বাভাবিক। এই নৃশংশতার কথা শুনেও যদি কান্না না পায় (আমারও পেয়েছে) - আমরা তো মানুষই নই।

    কিন্তু কান্নাকাটি থেমে গেলে একটু ভাবা -- না, ভাল বলব না, যত ভাবব ততই খারাপ থাকব - কিন্তু ভাল থাকতে আর একটুও ভালও লাগে না বিশ্বাস করুন। গ্রামবাসী হাতি মারে। কেন মারে? কারণ হাতি তাদের ফসল নষ্ট করে। এই হাতিটি করছিল না, কিন্তু "হাতি" জাতটার ওপর তাদের রাগ - দীর্ঘলালিত। তার প্রকাশ সর্বদা খুব সুশীল মতে হবে, এমনটা, হায়, প্রকৃতির রীতি নয়। দীর্ঘ বঞ্চনা কার মধ্যে কী প্রকৃতি জাগিয়ে তোলে, মনোবিদদের পক্ষেও আন্দাজ করা কঠিন।

    হাতি কেন ফসল নষ্ট করে? বাঘ কেন লোকালয়ে আসে, মানুষখেকো হয়? কারণ তাদের স্বাভাবিক খাদ্য, বাসস্থানে টান পড়তে পড়তে ক্রমশঃ তা অপ্রতুল। কেন টান? কারণ জঙ্গল না কাটলে বসতি হবে না - মানুষের থাকার জায়গা নেই। জঙ্গল কাটা হবে, প্রান্তিক মানুষ থাকবেন সেই জঙ্গলের ধারে, অপেক্ষাকৃত অবস্থাপন্নেরা তাদের প্রাক্তন গ্রামকে করে তুলবেন মফস্বল, আরো অবস্থাপন্নেরা যাবেন শহরে। শহরের মানুষের আবার বড় বড় মার্কেট কমপ্লেক্স লাগে, একটায় হয় না, দুই সন্তানের জন্য দুটি ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা লাগে (নিজেদেরটুকু তো রইলই), বড় অফিস, বড় শপিং মল। জমিন তো ইলাস্টিক নয়। জঙ্গল না কাটলে, প্রকৃতিকে ধ্বংস না করলে "সভ্য" মানুষ বাঁচবে না। প্রান্তিকদের প্রান্তিকতর করে না তুললে উন্নয়ন থমকে যাবে। মানুষকে অত্যাচারে, বঞ্চনায় স্যাডিস্ট এবং নৃশংশ করে তুলতে পারলেও সভ্যতার অনেক লাভ। এইসব নৃশংশ হত্যার দায় সভ্যতাকে নিতে হয় না - নিজ গৃহকোণে চোখের জল ফেলে "অসভ্য নিষ্ঠুর" মানুষের প্রতি ঘৃণাবর্ষণ করে একটু স্বান্ত্বনা পাওয়া যায়।

    এ এক অসাধারণ গ্র‍্যান্ড ডিজাইন। ঈশ্বরবাবু, মানুষের কাছে আপনি নেহাৎই শিশু
  • বিভাগ : আলোচনা | ০৩ জুন ২০২০ | ১১৯৬ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
খোপ - রৌহিন
আরও পড়ুন
কাঠাম - Rumela Saha
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • নানামত | 2402:3a80:a07:a64e:0:30:64a3:3c01 | ০৫ জুন ২০২০ ০৯:৫৩94015
  • Source - Harishvara Venkat
    Long post alert about the #ElephantStory
    1. People did not "Feed" the Elephant with cracker stuffed Pineapple.
    2. The Elephant ate the pineapple that was kept as a bait to kill Wild Boars.
    3. 1000s of Wild boars are killed every year in a similar fashion.
    4. Some don't even die immediately, they suffer for a few days without a face or mouth to eat. I have personally seen wild boars with jaw missing.
    5. Wild Boar lives matter too.
    6. It didn't happen in Malappuram.
    7. Where did religion come into this picture.
    8. Black Lives matter, but before that, stand up for your own country and your own people first.
    9. Try to understand the crux of the problem and then provide a solution if you can. Otherwise, STFU IMHO SMH.
    10. Change.org doesn't change anything!
    11. The Government destroys more forests and animal lives more than anyone else in this country in the name of clearances for "development" aka, an opportunity to swindle fortunes.
    12. During the COVID 19 lockdown, more than 2 dozen clearances in more than 10 States were issued by the Ministry of Environment in India.
    13. This means, more and more elephants will be driven out of their homes, more wild boars will roam facelessly, more tigers will be caught in the snare and more leopards will be pelted with stones until they die.
    14. IF you fight for the right reason, with the right understanding of an issue, this can be avoided.
    15. As we speak, #DibangValley in #ArunachalPradesh is going to lose more than 3,00,000 trees to a useless dam project approved by the Ministry of Environment WITHOUT PROPER research.
    16. If you save the forest, you will in turn reduce the number of human-animal conflicts and you have been indirectly saving elephants from dying.
    17. Spare a thought for a poor farmer, who has been living off a small piece of land, cultivating small amounts of crops to feed his family.
    18. What will he do when the crops are damaged by wild animals? Who will feed his family?
    19. He will approach the forest department who is not empowered to help them.
    20. After umpteen requests and eternally going hungry, he will retort to such malpractices to protect the crops and feed his family because, in his eyes, he'd rather lose a wild boar that's not his, than to see his kid starve.
    What is the Solution?
    There is no permanent solution. But the good news is, you can mitigate the problem.
    1. The Government needs to step the eff up. I am not talking about this party or that party or thaaat party. Anyone who wants to make this political or religious, I warn you! Stay away.
    2. Take care of the farmers' needs.
    3. Introduce insurance plans and compensation plans for farmers that lose the crop due to famine or wildlife.
    4. Employ more people to go do the fieldwork and follow up on this issue and compensate farmers rightfully.
    5. Employ more people at the understaffed Forest Departments to monitor wildlife movement.
    6. Employ "Passionate Experts" who can advise and treat every situation and incident as an individual case scenario than bring in blanket rules which have no use at all.
    7. Create an ecosystem that includes responsible tourism and get the future generation to protect our Natural History.
    8. Instead of saving animals, save the forests. Save the land! The animals will take care of themselves. They have been doing that for millions of years.
    9. Stop spreading hate.
    10. Peace out!
    #copied
  • Saikat Mistry | ০৫ জুন ২০২০ ১০:২৬94016
  • রৌহিনদা, আসল জায়গায় ঘা দিয়েছে। একদিকে আঁটি সেলের প্রচার, গরুয়া বাহিনীর পোঁধরা, অন্যদিকে কারণের উৎসে না গিয়ে নাকি গান গাওয়া।জঙ্গল কর্পোরেট লুঠ করছে।বনভূমিকমছে।পশু মানুষের সমরক তিক্ত হচ্ছে।নাকিরা বোধহয় সেটা জানেই না। 

  • ভিন্নমত | 51.15.73.84 | ০৫ জুন ২০২০ ১৩:৩৪94019
  • @রহমান
    'বোমা ভর্তি আনারসে বিপন্ন প্রাণী গর্ভবতী হাতি শিকারের সাথে কেঁচোর টোপে মাছ শিকারের তুলনা বালখিল্যতা। '

    1.  একথা অনেক বার উল্লেখিত আনারস এর উদ্দেশ্য ছিল ফসল নষ্ট করা শুয়োর , বিপন্ন বা গর্ভবতী হাতি  নয় , শিকারের প্রশ্ন ওঠানো বাতুলতা , শিকার কেউ আনারস ছড়িয়ে রেখে করেনা , নিছক মাংস খাবার জন্য হাতিও মারেনা , চোরাশিকারী রা গুলি করে ও দাঁত কেটে নেয় . একটু বিশদে এ ব্যাপারে পড়ে মন্তব্য করলে ভালো হতো 
    ২. বালখিল্যতা আপনার মতামত হিসাবে আপনার জায়গায় ঠিক , আপনি মাছ খান আর হাতি খান না , সেটাও আপনার পছন্দ , কিন্তু নৃশংসতা হিসাবে মাছের টা কম আর হাতির টা বেশি এই নৃশংসতামিটার দিয়ে পরিমাপ করা তথ্যের উল্লেখ কোন সূত্রে পেলেন ? 

    শিকার কথাটা এই ঘটনায় আসেনা এঁড়ে তক্ক বা কিছু লেখার জন্য লিখতেই হবে এই দায় ছাড়া 

  • Saikat Mistry | ০৫ জুন ২০২০ ১৪:৩০94021
  • আনারসে শুধু না, উত্তরাখন্ডের দীনেশপুরের জঙ্গলে আটায় বোমা ভরে রাখে ক্ষেতের ফসল নষ্ট করা রুখতে। আজও করে চলেছে এই নিষ্ঠুরতা।  বনদপ্তর আছে বলে লোক জানেনা।সব বাড়ির কমবেশি দু একজন হাতি- শুওরের হানায়  জখম বা মৃত।রাষ্ট্র সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করেনি।গালুডিতে গেলে দেখা যাবে, বহু বাড়িতে ফলক টাঙানো আছে কে কবে হাতির দ্বারা মারা গেছে।রাষ্ট্রের হেলদোল নেই।জঙ্গল লুঠের ইজারা দিচ্ছে। বন কমছে।মানুষ আর পশুর সাথে রাষ্ট্র লড়িয়ে দিচ্ছে।এগুলো নির্মুল করলে,এমন হিংসা অনেক কমবে।আঁটির নাকি সুরের গানে অনেকেই যেভাবে সঙ্গত দিচ্ছে সেটা ভাবার।

  • অবচেতন | 185.90.61.69 | ০৫ জুন ২০২০ ১৫:৪৬94023
  • রাষ্ট্র রাষ্ট্র রাষ্ট্র 

    আঁটি আঁটি আঁটি ..,,,,,,, সব দুষ্টু লোক , নগ্ন সাম্প্রদায়িক 

    করোনা মোকাবিলায় কেরালার সাফল্য ? রাষ্ট্রের...... ? সরি , ওটা নয় 

    আর শিব এর পাল্টা ????

    কি যেন ? 

    অবচেতন কি বলছে ?

  • r2h | 2405:201:8805:37c0:1da9:df7a:8198:71d8 | ০৫ জুন ২০২০ ১৬:৩১94025
  • দুটো জিনিস-
    ১) মানুষকে প্রান্তিক থেকে প্রান্তিকতর করে দেওয়র ব্যাপারটা কি ঠিক? মান ধরো, পণ্যায়ন ইত্যাদির যুগে, যত বেশি প্রান্তিক মানুষ তত বাজার ছোট। তো প্রান্তিক মানুষ কোয়ালিটি অফ লাইফ, তর্কযোগ্যভাবে, কম্প্রোমাইজ করেও, মূল স্রোতে এলে বাজারের সুবিধে। অর না হলে তুমি নিজের গ্রামে বসে চাষবাস খামার গোয়াল কুমোর কামার তাঁতি নিয়ে বার্টার করে চলবে, তাতে ওয়ালমার্টই বা খাবে কী আর বিগ বাজারই বা খাবে কী।
    ২) এই ঘটনাটা আজ থেকে একশো বছর আগে ঘটলে মনুষ টুঁ শব্দটিও করতো না, এইটা ধরে নিলে বোধয় ভুল হবে না। তখনও দিব্যি শিকার, ক্রীতদাস, পশ্চিমে কালো মানুষ পোড়ানো ঐসব দিব্যি চলছে; ওদিকে ডাইনি পোড়ানো আর এদিকে সতীদাহও খুব অতীত নয়। সেদিক থেকে মাত্র এক দেড়শো বছরে মানবজাতি অনেকটা সেন্সেটিভ হয়েছে বলতে হবে।
    রিয়ালিটি শো তে বলে, ভালো হয়েছে আরো ভালো করেত হবে - ঐরকম আরকি।
  • শিবু | 80.211.16.48 | ০৫ জুন ২০২০ ১৭:৪১94027
  • আবার শিবঠাকুর কে নিয়ে এতো প্যাচাল পাড়া কেনো ?

    উনি আবার কবে দক্ষিণপন্থী ফ্যাসিস্ট ছিলেন 

    চিরকালই তো শুনে এলাম 

    বামশংকর 

  • Saikat Mistry | ০৫ জুন ২০২০ ১৯:৩৮94031
  • সঙ্ঘী এবং আঁটি সেল ফেক বা মিথ্যার আড়ালে চলে।প্রতিটি পরিসরে সঙ্ঘীরা ফেক পরিচয়ে ছড়িয়ে থাকে, আঁটির ফেক মাল ডেলিভারির কাজ করে।এটা এদের এজেন্ডা।সুতরাং এই ব্লবেগেও সন্দেহ জনক গন্ধটা ছিল।এবার  উপস্থিত টের পাওয়া যাচ্ছে।

    সমীকরণটা - ফেক= সঙ্ঘী= আঁটি= ফেক পরিচয়ে ফেক প্রচার  

  • Saikat Mistry | ০৫ জুন ২০২০ ১৯:৩৮94032
  • সঙ্ঘী এবং আঁটি সেল ফেক বা মিথ্যার আড়ালে চলে।প্রতিটি পরিসরে সঙ্ঘীরা ফেক পরিচয়ে ছড়িয়ে থাকে, আঁটির ফেক মাল ডেলিভারির কাজ করে।এটা এদের এজেন্ডা।সুতরাং এই ব্লবেগেও সন্দেহ জনক গন্ধটা ছিল।এবার  উপস্থিত টের পাওয়া যাচ্ছে।

    সমীকরণটা - ফেক= সঙ্ঘী= আঁটি= ফেক পরিচয়ে ফেক প্রচার  

  • জনৈক pathok | 149.154.152.200 | ০৫ জুন ২০২০ ২২:০২94034
  •  কতটা অসভ্য হতে পারে এই সংঘি আর আঁটি রা নিজের চোখে না দেখলে ধারণাও করা যায়না . আজ ই দেখলাম সোশ্যাল প্লাটফর্ম এ সাম্প্রদায়িক কমেন্ট করতে আবার মুহূর্তে নামমাত্র ক্ষমা চেয়ে ১৮০  ডিগ্রী ঘুরে গিয়ে মুক্তচিন্তাকারী দের লক্ষ্য করে সে কি তড়পানি . কবে যে সমাজ এই কৃমিকীট দের থেকে মুক্ত হবে কে  জানে . আবার ওদের সাম্প্রদায়িক চিন্তাভাবনা নিয়ে কথা বলতে গেলেই এমনভাবে উল্টো দিকে তীর ঘুরিয়ে দেবে যেন সাম্প্রদায়িকতা কি ওনারা জানেনই না . সব নাকি বিরোধী দের অপপ্রচার , বিরোধীরা ষড়যন্ত্র করেই নাকি ওনাদের ফ্যাসিস্ট আর সাম্প্রদায়িক হতে বাধ্য (!?!?!?) করেছে . সংঘি আর আঁটি দের কথা যত কম বলা যায় ততই ভালো 

  • রৌহিন | ০৬ জুন ২০২০ ২১:২৫94050
  • @r2h হুতো, ১ নং এ যেটা বলেছ, সেটা ক্লাসিক ক্যাপিটালিজম - কর্পোরেট ক্যাপিটাল তো অনেকদিনই এই আইডিয়াল ক্যাপিটালিজম থেকে সরে এসেছে। আর আমাদের দেশে ক্রোনি কর্পোরেট ক্যাপিটালের আদর্শ হল টিকলিং ইকোনমি - যত বেশী দূর, তত চুঁইয়ে পড়ার মাহাত্ম্য ভাল দৃষ্টিগোচর হয়। ১০ টি পরিবার সুবিধার পর সুবিধা পেয়েই চলে, বাকিরা ক্রমশঃ দূরে সরতে থাকে, মাঝখানটা ভরাট করে মধ্যসত্ত্বভোগী - চুঁইয়ে পড়া প্রসাদের বিভিন্ন স্তরের সুবিধাপ্রাপ্তেরা। এদেশে তাই প্রান্তিক মানুষ আজও প্রান্তিকতর হয়ে যেতেই থাকে। ভিটে থেকে উৎখাত হয়ে কলকাতা, সেখান থেকে কুপার্স, সেখান থেকে দণ্ডকারণ্য, সেখান থেকে মরিচঝাঁপি, সেখান থেকে ---- অনন্ত যাত্রা, সেন্ট্রাল নয়, সেন্ট্রিফ্যুজাল।

    ২ এর জন্য বলি, ১০০ বছরের দরকার নেই, এই ঘটনা আজও ঘটে চলেছে এবং কারো কিচ্ছু আসে যায় না। আজই উত্তরপ্রদেশে একটা বাঘকে পিটিয়ে মেরেছে ৩৫ জন মিলে, হাড়্গোড় গুঁড়োগুঁড়ো করে। দু সপ্তাহও হয়নি গঙ্গায় ফিরে আসা ডলফিনকে খুঁচিয়ে মেরে ফেলেছে। বাচ্চা ডলফিনকে নিয়ে সেলফি তুলতে গিয়ে ডলফিনটি মরে গেছে। গত এক বছরে ডুয়ার্সে অন্তত পাঁচ সাতটি হাতি মারা গেছে ট্রেনের ধাক্কায়। কারো কিচ্ছু যায় আসেনি। কেউ কাঁদতে বসেনি। এটায় কেন বসেছে? সেই সব মানুষ আজ হঠাৎ পশুপ্রেমে কেঁদে ভাসাচ্ছে? ওগুলো আমরা জানতেও পারলাম না আর এই ঘটনাটা সবাই জানল কী করে?

    উত্তরের জন্য কোন পুরষ্কার নেই। তুমিও জান, আমিও জানি

  • r2h | 2405:201:8805:37c0:5df0:9d1e:e03:93d9 | ০৬ জুন ২০২০ ২১:৫৯94052
  • সেসব ঠিক আছে। কিন্তু আজ বাঘ হাতি হরিন ডলফিন মারলে দুশো লোক হলেও দুঃখ প্রকাশ করে, একশো বছর আগে সেটা হতো না।

    এইবার এই দুঃখটাতে লাভ হচ্ছে না তা ঠিক। কিন্তু মানুষ এসবের সমাধান হলো মানুষের সংখ্যা কমিয়ে ফেলা। সে আরেক গোলমেলে জিনিস। সব স্পিসিস নিজেদের বাড়াতে চায়, আমরা কমাবো, এ কোন দেশি আবদার।

    প্রান্তিকতর, তত্ত্ব দিয়ে হয়তো ঐরকম। কিন্তু ধর দোবরু পান্না শহরে এসে কুলী হলেন, মান সম্মান ঐতিহ্য সবই গেল। কিন্তু উনি শহরভিত্তিক অর্তনীতিতে কন্ট্রিবিউট করবেন। জঙ্গলকে জঙ্গলের মত রেখে দিলে সেসব হয় না, এইবার জঙ্গল তো কমেই চলেছে। নিয়মগিরি বস্তার ছেড়ে দাও, ঘরের কাছে সুন্দরবন কোথায় গিয়ে ঠেকেছে?
  • Prativa Sarker | ০৬ জুন ২০২০ ২২:১১94054
  • বাবারে, একি শুরু হল !  সবকিছুর মধ্যে repetition বানানটা ভুল লেখাই আমার চোখে বিশেষ করে পড়ল।

    এতো কমেন্ট পড়ব কখন। রৌহিন মনে হচ্ছে মৌচাকে ঢিল মেরেছে। 

  • রৌহিন | ০৬ জুন ২০২০ ২২:২২94056
  • @হুতো, এবারেও আমার তিনখান কথা আসে।

    ১। ওই "দুশো" লোক সম্ভবত একশো বছর আগেও ছিল, কিন্তু সোশাল মিডিয়া ছিল না। তারাও জানতে পেত না, তাদের দূঃখ জানানোরও কোন জায়গা ছিল না। এই তুলনাটায় গিয়ে লাভ নেই। একশো বছরে মানুষ খুব "সভ্য" হয়ে গেছে এরকম আমার অন্তত মনে হচ্ছে না।

    ২। মানুষের "সংখ্যা" কমানোর চেয়ে সহজতর একটা সমাধান আছে - সেটা আমরা দেখেও দেখতে চাই না - সেটা হল প্রয়োজন কমানো। তাতে কর্পোরেট এবং ক্যাপিটালিজমের ক্ষতি বটে, কিন্তু সামগ্রীকভাবে মানুষ এবং অন্যায় স্পিসিস এর জন্য লাভ। মানুষ বাদে অন্য সব স্পিসিস কিন্তু এভাবেই নিজেদের বাড়িয়েছে। ইকো সিস্টেম বজায় রেখে।

    ৩। দোবরু পান্নাদের আমি আলাদা করে "প্রান্তিক" বলে চিহ্নিত করতে চাই না - তারা অরণ্যে আজীবন আছেন, অরণ্যকে চেনেন, জানেন। অরণ্যের পশুর স্বভাব চরিত্রও জানেন। আমরা বাধ্য না করলে তাদের শহরে আসার প্রয়োজন হয় না, কুলি হবারও না। আমার প্রান্তিকজন হলেন তারা যারা সেন্টার থেকে ঠেলা খেতে খেতে ওখানে গিয়ে ঠেকেছেন, ক্রমে আরো সরে যেতে হচ্ছে। ঠেলাটা দিচ্ছি আমরা, গিয়ে পড়ছেন ওঁরা। এঁরা জঙ্গল চেনেন না। পশুপাখী গাছপালার সাথে এদের আত্মার সম্পর্ক নয়। কৃষির জন্য জমি পত্তন করতে হয়, এঁরা জঙ্গল কাটেন (সেই জমির ফসলের লাভ কিন্তু কেন্দ্রে আসে, তারপর আমাদের গায়ে চুঁইয়ে পড়ে, ওঁদের ভাগে থাকে কি থাকে না), পশুর সাথে সঙ্ঘাত হয়। পশু এঁদের শত্রু, এঁরা পশুর, কারণ কেউ কাউকে চেনে না, বোঝে না। সেই যুদ্ধে কখনো মানুষ মরে কখনো পশু। আমরা দুইয়েই খুব দুঃখ পাই, কিন্তু চাহিদা একটুও কমাই না। এদের আরো দূরে ঠেলতে থাকি। আরো সঙ্ঘর্ষের দিকে

  • দোবরু পান্না | 3.34.129.186 | ০৭ জুন ২০২০ ০১:৩৬94064
  • লে আঁতেল :

    - হাতির মৃত্যু দুঃখজনক। তার জন্য আপনি গোটা কেরালাকে দোষ দিতে পারেন না।

    Also, লে আঁতেল :

    মানুষ আজ বড় নিষ্ঠুর।  হাতির মৃত্যু দেখিয়ে দিলো, এই পৃথিবীতে মানুষের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই।

    Meanwhile :

    যারা তারকেশ্বরে যান, নন্দী নামের ষাঁড়টির সঙ্গে হয়তো পরিচিত। সেই নন্দীকে কয়েকদিন আগে কেটে ফেলে রাখা হয়েছিল, সুব্রহ্মনিয়ম স্বামী অব্দি ট্যুইট করে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তবে বাঙ্গালা মিডিয়ার সেটা কভার করার সময় হয়নি। হয়তো ভাসুরদের নাম বেরিয়ে যাবে বলে, কারণ ধর্মপ্রাণ হিন্দুর তীর্থস্থান তারকেশ্বরে কে বা কারা নন্দীকে নৃশংসভাবে কেটে রাখতে পারে, তা বুঝতে রকেট সায়েন্স জানার প্রয়োজন পড়ে না।

  • r2h | 2405:201:8805:37c0:2dc2:3dfb:5309:576d | ০৭ জুন ২০২০ ২১:১৬94089
  • ১নং, সোশাল মিডিয়া না থাকলেও শিকার করে বাঘ সিংগি মোষ মেরে বাঁধিয়ে রাখা বিবেকের খোঁচাহীন বীরত্ব বলেই মেনে নেওয়া হতো, এইটা তো মোটামুটি জানা। করবেট সাহেব (এবং আরো হয়তো কেউ কেউ, সবার কথা কি আর জানি) উজ্জ্বল ব্যতিক্রম।
    ২ নং এ, প্রয়োজন কমানো, খুবই ভালো সমাধান, তবে এটা ঠিক ফিজিবল কিছু বলে মনে হয় না। অন্য প্রাণী কী করেছে তা ভেবে লাভ নেই কারন বুদ্ধিবৃত্তি, আবেগ, প্রয়োজনএর ধারনা, সেসব নিয়ে মানুষের সঙ্গে অন্য প্রাণীর আকশ পাতা তফাত।
    ৩ নং, খুবই যুক্তিপূর্ণ কথা। কিন্তু শহরের প্রান্তিক মানুষ বাজারের ঠেলা খেয়ে জঙ্গলের কাছে গিয়ে কনফ্লিক্টের মধ্য পড়েছে - এমন উদাহরন আছে? দেশভাগের শিকার মানুষদের কথা হয়তো ভাবা যেতে পারে, যদিও খুব বেশি হবেন না। এছাড়া শহরের মানুষ পুঁজির চাপে প্রকৃতির সঙ্গে বিরোধ? আমার ধারনা ছিল জঙ্গলের পেরিফেরিতে যাঁরা থাকতেন তাঁদের শহরের ঠেলায় গভীরে ঢুকতে হয়েছে। ঐ জন্যেই দোবরু পান্নার প্রসঙ্গ। অন্য উদাহরন থাকলে জানতে আগ্রহী।

    এইবার, এই তর্কগুলি কেন করছি তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। নৃশংস ব্যাপার হয়েছে, হওয়া উচিত না, সচেতনতা বাড়া উচিত - সবেতেই একমত।

    আমি শুধু ভাবছি যোগ্যতমের উদ্বর্তন প্রকৃতিরই নিয়ম, মানুষ বানায়নি। মানুষ যে অন্য স্পিসিসের জন্যে ভাবছে, এইটা কিন্তু প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়েই, এইখানেই মানুষের জয়।
  • r2h | 2405:201:8805:37c0:ed16:4607:51a0:d2f0 | ০৮ জুন ২০২০ ১৪:২২94126
  • নতুন খবরের পরও, এই টইয়ের এরিয়াটাও অপ্রাসঙ্গিক হয়নি।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত