এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • হীরেন সিংহরায় | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:৪৩540582
  • চিত্রকূট - উদিপি ট্রেনে ৪৬ ঘণ্টা না ঝাঁসির ৬ ঘণ্টা জুড়ে ? মোট ৫২?
    স্টেশনের প্রতীক্ষা গৃহে স্বেচ্ছায় তালা বন্দী হয়েছিলাম ফিনল্যান্ডের কৈকালা স্টেশনে।
    শিশুটি বড় মন ভোলানো। ইউরোপে এমন কারো ছবি তোলা প্রায় অসম্ভব ব‍্যাপার।
     
    ভাল লাগছে পড়তে
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ২০:৩৪540584
  • টাইম-টেবল একটি ধারণা, একটি প্রস্তাব। এটিকে আরও অনেক জানা এবং অজানা, অনুমেয় এবং অনুমানের বাইরের বিভিন্ন বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে গ্রহণ করতে হবে, চাই বা না চাই।
     
    সাথে আছি। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
  • kk | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:১৭540586
  • বাচ্চা মেয়েটির ছবিগুলো খুব ভালো লাগলো। গল্পটাও ভালো লাগছে পড়তে। চলতে থাকুক।
  • সমরেশ মুখার্জী | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:৩৫540588
  • হীরেনদা,
    চিত্রকূট - উদুপী শিডিউল টাইম ৩৬ ঘন্টা।
    দু দফায় ১০ ঘন্টা লেট ধরে ৪৬ ঘন্টা।
    মাঝে ঝাঁসিতে গ্যাপ ৬ ঘন্টা ধরে ৫২ ঘন্টা।
     
    হ্যাঁ, ঐ ভ্রমণে ঐ শিশুটির ছবি আমার স্মৃতি‍তে অমূল্য সম্পদ। চোখ দুটি তার এতো মায়াবী !
  • সমরেশ মুখার্জী | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ২১:৫৩540590
  • অমিতাভ লান,
    আমার কাছা খোলা একাকী ভ্রমণে ট্রেনের আসার বা গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়ে‍র ব্যাপারটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যদি না প্রথমবার অচেনা গন্তব্যে পৌঁছতে খুব রাত হয়ে যায়। হলেও কিছু করার নেই। যদি মনে হয় বেশি রাতে শহরে যাওয়া নিরাপদ নয় তাহলে স্টেশনের আশপাশে কামচালাও কোনো হোটেলে থেকে যাবো। তাও না পেলে প্ল্যাটফর্মের একপাশে প্ল্যাস্টিক পেতে, তার ওপর ফোম ম্যাট পেতে, মশারি টাঙ্গিয়ে রাতটা কাটিয়ে দিতে পারি। তাই সাথে একটা সিঙ্গল মশারি নিয়ে চলি। মশায় আমার এ্যালার্জি আছে। চুরি ছ্যাঁচরামির প্রেক্ষিতে স্টেশনে রাত কাটানো সেফ।
     
    ব্যাকপ্যাকার শৈলী‍তে ভ্রমণে এমন সব অবস্থার জন্য মানসিক প্রস্তুতি ও সাথে বাস্তবিক জুগাড় থাকে বলে চিন্তা করি না। তাই পাহাড়ের মাথায় কালিঞ্জর কেল্লায় দুটো রাত ৬x৬ ফুট সিকিউরিটি পোস্টের সিমেন্টের মেঝেতে উত্তরপ্রদেশের জানুয়ারি‍র ঠাণ্ডা‍য় বিনদাস কাটিয়ে দিয়েছি। টয়লেট ছিলনা। পাশের ঝোপঝাড়ে কাজ সেরেছি।
     
    সঙ্গে থাকুন। আরো নানা মশালা আসবে।
  • . | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:২৭540591
  • চলুক
  • সমরেশ মুখার্জী | ১১ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:৫১540593
  • হীরেনদা,

    আপনার ঐ বাইরে থেকে বন্ধ ওয়েটিং রুমে রাত কাটানোর প্রসঙ্গ‌টা ৪.১২.২৩ কিশোর ঘোষালবাবু লিখিত আপনার “উত্তরের আলোয় অচেনা ইউরোপ ও পূর্ব ইউরোপের ডায়েরি” ব‍ই প্রসঙ্গে পুস্তক আলোচনা‍য় পড়েছি‍লাম। তখন অবশ্য আপনার অল্প বয়স, শরীর দূরন্ত ঘূর্ণীর মতো চনমনে, মনে অভিযান‍প্রিয়তা। আপনি আপনার জীবন কাটিয়েছেন অদম্য উৎসাহে। এসব অনেকের দ্বারাই হয়ে ওঠে‍না। আমার কাছে আপনি তাই প্রণম্য ব্যক্তি‍ত্ব। কিশোর বাবুর আলোচনায় ঐ অংশ‍টি ছিল এরকম::

    “এই ভ্রমণ বৃত্তান্ত আধুনিক ট্যুর প্যাকেজ “একুশ দিনে ইউরোপ ভ্রমণ”-এর সঙ্গে একেবারেই মিলবে না। কারণ লেখক কোপেনহেগেন ঘুরেছেন সাইকেলে – যে সাইকেলে সে সময় ব্রেক থাকত না। তিনি ট্রেনে ফিনল্যাণ্ড থেকে কেমি হয়ে সুইডেন যাওয়ার পথে, হোটেলের খরচ বাঁচিয়ে রাত্রে নিখরচায় শান্তিতে ঘুমোনর জন্যে কেমি-কক্কলা-কক্কলা-কেমি জার্নি করেছিলেন। এবং কক্কলা স্টেশনের বন্ধ ওয়েটিং রুমে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েছিলেন, স্টেশন মাস্টারের অনুমতি নিয়ে। দরিদ্র ভারতীয় সেই ছোকরা অভিযাত্রীর এমন আবদার স্টেশন মাস্টাররা মেনে নিয়েছিলেন সানন্দে, এবং বলেছিলেন, বিরল এই আবদারের কথা আজীবন তাঁরা শোনাবেন তাঁদের বন্ধু-বান্ধব ও পরিজনের কাছে!”
  • সমরেশ মুখার্জী | ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০৮739984
  • পূনশ্চ - নয়টি বছর পরে…
     
    ২০.১২.২৫ থেকে ২৪.০১.২৬ - সাড়ে পাঁচ হাজার কিমির কার ট্রিপের শেষ দিকে ওরছা থেকে গেছি‌লাম চিত্রকূট ধাম। ওখানে‌ গুপ্ত গোদাবরী‌তে ২/১৭তে একাকী ভ্রমণে গিয়ে দেখেছি‌লাম একটি মিষ্টি, খুব এক্সপ্রেসিভ চঞ্চল বালিকা। ছবি তুলতে গিয়ে নাজেহাল করে দিয়েছিল। তবু আশ মিটিয়ে কয়েকটি ছবি তুলেছিলাম ওর। তার কয়েকটি এই লেখায় রেখেছি।
     
    এই ট্রিপে যাওয়ার আগে মোবাইলে ঐ কটি ছবি নিয়ে গেছিলাম। ভেবেছিলাম যদি দেখা পাই তার। দেখবো কেমন হয়েছে সে এখন। নিছক কৌতুহল।
     
    নয় বছর পর ১৬.১.২৬ ওখানে গিয়ে দেখি টিকিট কাউন্টার, দর্শনার্থীদের জন্য রেলিং দেওয়া লাইন, শেড, আরো অনেক দোকান এসবের ফলে বেশ কিছু‌টা বদলে গেছে জায়গা‌টা। তবু ভিজ্যুয়াল মেমরি থেকে ওরিয়েন্টেশন হাঁটকে একটি পূজাসামগ্ৰীর দোকানের কাছে গিয়ে মহিলা‌ মালকিনকে বলি - নয় বছর আগে ২/১৭ কলকাতা থেকে একা বেড়াতে এসে এখানে‌ই কোথাও এই বাচ্চাটি‌র ছবি নিয়েছিলাম। দেখুন তো একে চেনেন কিনা?
     
    কিমাশ্চর্যম! মহিলা‌টি সোৎসাহে বলে ওঠেন - আরে - এ তো আমার ভানজি সেজাল! আপনি ঠিক জায়গাতেই এসেছে‌ন, এখানেই তখন ছিল ওর বাবার মানে আমার চাচাজির দোকান। এখন চাচাজি ঐ চারটে দোকান পরে উল্টো দিকে অন্য দোকান দিয়েছেন। সেজালের বাবা, মানে আমার চাচাজি, ঐ তো বসে আছেন দোকানে। ঐখান থেকেই মহিলাটি উৎসাহে চেঁচিয়ে বলে‌ন, চাচাজি, দেখো তো, ইয়ে বাবুজি কলকাত্তা সে আয়ে হ্যায় সেজাল কি বচপন কি ফটো লেকে!
     
    ওনার কাছে গিয়ে মোবাইলে থাকা ওর ছবি‌গুলি দেখাই। বলি, খুব মিষ্টি উঠেছি‌ল ছবিগুলো। আমি একটা লেখার সাথে এই ছবিগুলি দিয়েছিলাম। কয়েজনের খুব ভালো লেগেছে।‌
     
    এক অজনবী পরদেশীর কাছে তার শিশুকন্যার প্রশংসা শুনে পিতার মুখে খেলে যায় মোলায়েম মমতার আল্পনা।‌ বলি এখন কোথায়, কেমন আছে সেজাল?
     
    পিতা বলেন, ও এখন ক্লাস নাইনে পড়ে। স্কুলে আছে, না হলে ডেকে পাঠাতাম। কাছেই বাড়ি। আপনি নিজেই দেখতেন কেমন আছে। ঠিক আছে ওর কয়েকটি হালের ছবি দেখাচ্ছি। পিতা ওনার মোবাইল থেকে সেজালের সাম্প্রতিক কয়েকটি ছবি দেখান। আমার নম্বর নিয়ে হোয়াতে ওর একটি ছবি আমায় নির্দ্বিধায় পাঠিয়ে দেন।
     
    বছর পনেরো, ষোলোর লাবণ্যময় সুশ্রী মার্জিত কিশোরী। মুখে শৈশবের সেই মিষ্টি আদুরে ভাবের বদলে বয়ঃসন্ধিকালে‌র হালকা গাম্ভীর্যের ছাপ এসেছে। আরো একযুগ বাদে কেমন হবে সেজাল কে জানে। এবারের কার ট্রিপে নয় বছর বাদে এক‌ই জায়গায় গিয়ে আগে দেখা ছোট্ট সেজালকে খুঁজে পেয়ে, নতুন রূপে বেশ লাগলো।
  • kk | ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:১৫739988
  • দারুণ তো!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন