এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | 117.194.36.59 | ১৩ অক্টোবর ২০২২ ১৫:১৩512809
  • বোঝো কান্ড ! এই জন্যেই আপনার লেখা পড়তে ভাল লাগে! নাহলে এই ইউরোপের  সঙ্গে কেই বা পরিচয় করাত!
  • Amit | 120.22.237.183 | ১৩ অক্টোবর ২০২২ ১৫:৪২512810
  • এইটা কি পৃ-ইউরো যুগের কথা ? তখন তো সব দেশের আলাদা কারেন্সি থাকার কথা ? বন্ড কি সেই দেশের কারেন্সি তে রাখতে হতো ? তাহলে  দেশে ফিরে এক্সচেন্জ করতে গিয়ে কিছুটা লস হতো না ? 
  • হীরেন সিংহরায় | ১৩ অক্টোবর ২০২২ ১৬:৫৫512811
  • অমিত 
     
    যথার্থ প্রশ্ন।
    বেনেলুক্সের প্রতিষ্ঠা থেকে ইউরোর আবির্ভাব অবধি বেলজিয়ান ফ্রাঁ এবং লুক্সেমবুর্গ ফ্রাঁর বিনিময় হার ছিল ১:১ অতএব সেখানে লোকসানের ঝুঁকি ছিল না । বন্ড অবিশ্যি জার্মান মার্ক অথবা ডলারেও ইস্যু হতো  । সেক্ষেত্রে বিনিময় দরের ঝুঁকি থেকে যায় - করের হার ৪০% - বিনিময়ের সম্ভাব্য লোকসান নগণ্য । আর বিনিময়ে লাভও হতে পারে ! ফিলিপা রিচারডস ছিলেন সে সময়ে সিটিব্যাঙ্ক লুকসেমবুরগের  সি ই ও।  এখন নিয়মিত দেখা ও গল্প গুজব হয় । ওই বন্ডের নগদ সুদ কর মুক্ত রাখার কত যে খেলা ছিল তাই নিয়ে সেদিন কিছু কথা হলো ।আমার এই লেখাটি অচিরে প্রকাশিতব্য ইউরোপের স্মৃতির একটি অংশ মাত্র । সেখানে লুকসেমবুরগ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছি । করমুক্তির আরও অনেক কাহিনী আছে- আমার এক অতিপ্রিয় জার্মান বন্ধু তিন মাস অন্তর ট্রেনে চড়ে জালৎসবুরগ যেতো, সেভিংস ব্যাঙ্কে জমা টাকার সুদ তুলতে । বলা বাহুল্য তার অ্যাকাউনট ছিল জার্মান মার্কে । পরে ইউরোতে । ছলের অভাব যে হয় না সেটি আমাদের মুনি ঋষিরা বলে গেছেন । বন্ধুকে  অবশ্যই ভালবেসে দুরাত্মা বলছি না। 
     
    ইউরো আসার পরে বিনিময় ঝুঁকি নেই তবে বর্তমানে আরেক সমস্যা দেখা দিয়েছে - আপনার দেশের ব্যাঙ্ক অহেতুক প্রশ্ন করে এই ক্যাশ ইউরো কোথায় পেলেন ? কার পকেট মেরেছেন ?  আমার বন্ধু সেদিন বললে , উত্তর দিতে ইচ্ছে করে, সরকারের !  
  • Tapan Kumar SenGupta | ১৬ অক্টোবর ২০২২ ১৬:৪৮512889
  • কত রকমের খেলা!...উপভোগ্য। 
  • মোহাম্মদ কাজী মামুন | 103.177.123.245 | ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ০০:৪৫515084
  • খুব খুব সুন্দর লেখা। আপনার লেখা আমি আমাদের দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন দিকপালকেও পড়তে দিয়েছি। বাংলায় এভাবে লেখেনি কেউ। 
  • হীরেন সিংহরায় | ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ১২:১০515086
  • অনেক ধন্যবাদ জানাই মামুন ভাই। বিদেশে ব্যাংকিং  এবং তার দৌলতে  যা কিছু দেখার জানার সুযোগ পেয়েছি তা বলার অবসর এখন। মাঝে মাঝে ভয় হয় অতিরিক্ত তথ্যের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছি না তো ।
    আপনার উৎসাহ আমার পাথেয়। 
  • মোহাম্মদ কাজী মামুন | ১৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:১১515223
  • ‘স্তম্ভিত মন্দির’ দিয়ে শুরু হল এই লেখা, যার খোলা ময়দান ‘একটি বৃত্তাকার উন্মুক্ত ভজনা ভূমি’ আর ‘একটা কেয়ারি করা বাগানের মতন ধাপে ধাপে উঠে গেছে ঊর্ধ্বপানে।‘ কী ভীষণ সুন্দর একটি ছবি দেখালেন, রাখলেন ইঙ্গিত। আপনার লেখায় মুজতবা আলীকে পাই আমি, খুব সাধাসিধে ভাষায় বলা হবে, আর খুব সিরিয়াস আলাপ আলোচনাতেও পাঠক হেসে উঠবে খিলখিলিয়ে।
     
    “লুক্সেমবুর্গ কর্তৃপক্ষ জানালেন, সেটা তাঁদের দায়িত্ব ছিল না। এটি একটি হোল্ডিং কোম্পানি। তাঁরা কী হোল্ড করছিলেন, তা জানার ঝক্কি লুক্সেমবুর্গের কি?” – এই হচ্ছে সমস্যা। কর্তৃপক্ষের কোন কারক নেই দুনিয়াজুড়েই, তাই ফাইনান্সিয়াল কেয়ামতের দিন গুনছে মানুষ।

    “ব্যাঙ্কের কাজের বাহানায় এই সব সুন্দর জনস্থানে পরিভ্রমণ করি।“ – আমারো হয় এমন, হীরেনদা।

    “যাদের দেখলে, তারা আমাদের প্রাইভেট ব্যাঙ্কের গণ্যমান্য মক্কেল।এরা সকলেই ট্রিয়ার (সীমান্তবর্তী জার্মান শহর, যেখানে কার্ল মার্ক্স জন্ম গ্রহণ করেন) অথবা জার্মানির কোনো কাছের শহরে তাদের বিএমডবলু, মারসেডিজ গাড়ি পার্ক করেছে। তারপর গাড়িতেই জামাকাপড় বদলে গরিব বা তোমার ভাষায় হাঘরে বেশ ধারণ করে ট্রেনে লুক্সেমবুর্গ এসে পৌঁছেছে।“ – খুব মজার। তবে অবাক হবেন শুনলে আমাদের দেশে ঠিক এমন না হলেও কাছাকাছি দৃশ্য চোখে পড়ে।

    “আমাদের ব্যাঙ্ক ম্যানেজার স্যুট-বুট পরে এই হতদরিদ্র (আরম) চেহারার মানুষগুলির আপ্যায়ন করেন তাঁর ওক-প্যানেল দেওয়া অফিসে। সে ম্যানেজার জানেন, এইসব লোকেরা তাঁকে এক হাটে কিনে অন্য হাটে বেচে দিতে পারেন! তিনি আরও জানেন, তাঁর সারা বছরের আয় তাঁর মক্কেল এক সপ্তাহে উপার্জন করেন! এবার বুঝলে?” – আমারও এমন অভিজ্ঞতা হয়, হীরেনদা! আচ্ছা, যখন একজন কেউ যিনি আপনাকে দশবার কিনতে পারেন, বেচতে পারেন, তাকে সার্ভিস দিতে টেবিলের সামনে বসিয়ে, কেমন লাগে জানেন? আচ্ছা, খোলসা না করে আপনার কল্পনার উপরই ছেড়ে দিলাম!

    “আর তাই নিত্যদিন রুগি মারার চেয়েও, সেই সঞ্চিত অর্থকে সুরক্ষিত রাখা ও সম্যক সুদের হারে তার পরিমাণ বৃদ্ধি করাটা তাদের জীবনের লক্ষ্য। নম্বরি অ্যাকাউন্টের অধিকারী হবার মত বিশাল লোভ বা দুঃসাহস কোনোটাই তাদের নেই।এই আর্থিক প্রকল্পে প্রাপ্তব্য সুদটি সংগ্রহ করতে হবে নগদে, আপন করে। নইলে করের খোঁচা।“ - বেলজিয়ান ডাক্তার আর ডেন্টিস্ট টার্মটা নতুন পেলাম। তবে আমাদের দেশের ডাক্তারদের চরিত্র, মানে, কেন তারা অমন করে, ব্যাংকের দিকে কেন এত খেয়াল, এবার বুঝতে পারলাম সম্যক। আমাকে প্রায়ই অবাক করত, কেন ব্যবসায়ীদের মত তারা এত ব্যাংক নির্ভর?

    “গোপন টাকাটি রবে গোপনে।“ – এ জায়গাটা বুঝলাম না। ঐ ক্যাশ কুপন কি কোথাও রাখতে হয় না? নাকি কার্পেটের তলায় রেখে দেয়?

    হীরেনদা, আপনার সাথে যোগাযোগের খুব ইচ্ছে আমার। আপনার হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেইসবুক আছে কিনা জানি না। আমার ইমেইল আইডিঃ [email protected]

    খুব খুব ভাল থাকবেন, হীরেনদা! আর আরও লিখুন, খুব দরকার এসব লেখার।  
     
  • হীরেন সিংহরায় | ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ ০৪:০১515260
  • অশেষ ধন্যবাদ মামুন ভাই।এই বিষয় বস্তুর উৎসাহী পাঠক মেলা শক্ত .আপনি আমার কর্ম কাহিনীর সম্যক রসবেত্তা তাই উৎসাহ পি। আপনি আমি যা দেখেছি সেটা গুগল পড়ে বা এম বি এ কেলাসে নয় নিত্যিকারের কর্মক্ষেত্রে !আপনাকে ইমেল লিখেছি আমার হোয়াটসআপ নম্বর সহ। 
     
    বেলজিয়ান ডাক্তার ডেন্টিস্ট একটা রূপক - এরা জন্মসূত্রে ধনী নন বিশাল ধনী হয়ে বিপদে পড়তে চান না কেবল খোঁজেন অর্জিত ধনের নিরাপত্তা এবং সাধ্যমত কর মুক্তি । 
     
    কোন গোলমাল দেখা দিলেই আপন দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলার প্রবণতা বিশ্বজনীন । তাই বি সি সি আই বিপর্যয়ে লুক্সেম্বুরগের ওপরে কোন আঁচ এলো না। কার হোল্ডিং কোম্পানি কে দেখে খাতা । 
     
    গোপন টাকাটিকে অঘোষিত ধন বলা যেতে পারে। কুপনের অস্তিত্ব জানেন শধু কুপনের মালিক। কুপন থেকে উদ্গত ধন যায় তাঁর পকেটে - আয়কর দফতর টের পান না। 
     
    আপনি আমি এমন অনেক মক্কেল দেখেছি যারা হয়তো করুণা পরবশ হয়ে আমাদের অফিসে পদধূলি দিয়েছেন ! 
     
    এই সব কিসসা লেখাশুরু করব বই মেলা শেষ হলে পর । বাঙলায় এ বিষয়ে লেখা দেখি নি তবে আপনার উৎসাহে মন হয় পাঠকের কৌতূহল অর্জন করা যেতে পারে ! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন